চাকরির যোগ্যতা

  এম আর করিম ২৩ মে ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

কিছুদিন আগে সরকারের একজন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিমন্ত্রী সামাজিক মাধ্যমে বলেছিলেন- দেশে চাকরির অভাব নেই; অভাব যোগ্য লোকের। বিশ্বব্যাংকের দেশীয় মুখ্য অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন একটি জাতীয় দৈনিকে এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন- লোকে বলে কাজ কই, আর কাজ বলে লোক কই? দেশে কাজের চাহিদা আছে কিন্তু দক্ষ লোক নেই। শিক্ষা আছে অনেকের কিন্তু শিক্ষার মান খারাপ, দক্ষতা খুব বেশি নেই। অনেকে চাকরির দরখাস্ত পর্যন্ত করতে পারেন না...

আসলে চাকরির যোগ্যতার মাপকাঠি কি নির্ধারিত, নাকি ব্যক্তিবিশেষের ইচ্ছার ওপর নির্ভরশীল? অপেক্ষাকৃত নতুন পরিবেশে শিক্ষার্থীদের খাপ খাইয়ে নেয়া বা স্বাভাবিক করার জন্য আইস ব্রেকিং সেকশন বলে একটা বিষয় শিক্ষক বা যে কোনো প্রশিক্ষকদের ফলো করতে হয়। এখন আপনি আইস ব্রেকিং না করেই কারও ইন্টারভিউ নেয়া শুরু করলেন। স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণ কয়টা- এমন সহজ প্রশ্নের জবাবে কেউ হয়তো ভুল উত্তর দিল বা চুপ রইল। সেক্ষেত্রে প্রশ্নকর্তা যদি বলা শুরু করেন- স্বরবর্ণ কয়টা তাই জানো না, অনার্স-মাস্টার্স পাস করে শিখলে কী? এরকমভাবে বলাটা নিশ্চয়ই দুঃখজনক। আর এ জাতীয় ঘটনা আমাদের দেশে যে ঘটে না, তা কিন্তু নয়। বিশ্বব্যাংকের চিফ কান্ট্রি ইকোনমিস্ট আরও বলেছেন, শিক্ষিতদের মেশিন চালানোর মতো কাজে অনীহা...

খুবই সত্য কথা। কিন্তু তিনি যে বিষয়টি বলেননি, সেটা হল- মেশিন চালানোর মতো চাকরিতে জব সিকিউরিটি আছে কিনা? পারিপার্শ্বিক পরিবেশ সম্মানজনক কিনা? সেখানে সারা জীবনের অর্জিত জ্ঞানের মূল্যায়নই বা কতটুকু হয়? আমি মনে করি, বেসরকারি চাকরিতে নিয়োগ থেকে পেনশন পর্যন্ত সবক্ষেত্রে সরকারি চাকরির ন্যায় অভিন্ন নীতিমালা প্রণয়ন ও অনুসরণ করা হলে যোগ্য লোকের অভাব হবে না।

জাবি, সাভার

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
×