গাছের প্রতি এ কেমন নিষ্ঠুরতা!

  মুহাম্মদ শফিকুর রহমান ২৩ মে ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

গাছের প্রতি এ কেমন নিষ্ঠুরতা!
ছবি: যুগান্তর

গাছ মানুষের অকৃত্রিম বন্ধু। উপকারী বন্ধু। মানুষের উপকার করে। ক্ষতি করে না একটুও। অথচ আমাদের আচরণটা এমন- যেন গাছের চেয়ে বড় শত্রু আর কেউ নেই। গাছ কেটে সাবাড় করছি। গাছ লাগানোতে আমাদের প্রবল অনীহা। ছবিটি দেখুন। একে কী বলা যায়! অমানবিক ও নিষ্ঠুরতার চূড়ান্ত পর্যায়। অবশ্যই এটা নিন্দনীয় কাজ। নিকৃষ্ট কাজ। এই অপকর্ম থামবে কবে? উপকারী বন্ধুকে এভাবে কেউ রক্তাক্ত করে? অসংখ্য ফুটো। পেরেক আর পেরেক।

আমরা ভুলেই গেছি গাছেরও প্রাণ আছে। গাছ কথা বলতে পারে না। প্রতিবাদ করতে পারে না। বোবা তো, তাই সব বীরত্ব গাছের সঙ্গে। একবারও ভাবি না, গাছ না থাকলে কী হবে? অক্সিজেন কোথায় পাবো? গাছে সাইনবোর্ড লাগাতে হবে কেন? গাছ তো কোনো অষ্টাদশী রূপসী নয়। সিনেমার নায়িকাও নয়, যে মানুষ তার দিকেই শুধু তাকিয়ে থাকবে। দোকানের দিকেই মানুষ তাকায়। নাম দেখতে চায়। সেখানেই সাইনবোর্ড শোভনীয়।

প্ররচারণার জন্য, মানুষকে জানানোর জন্য গাছে কেন? অন্য কোথাও সাইনবোর্ড লাগানো যায় না? সব বিষয়েই তো আমরা যা দরকার নয়, সেটা করি। এটা করতে গিয়ে গাছের মতো উপকারী বন্ধুকে ক্ষতবিক্ষত করছি। আমাদের বেঁচে থাকার পেছনে গাছের অবদান আমরা উপলব্ধি করতে পারছি না। পারব কেমনে? নিঃশ্বাস নিতে তো অসুবিধা হচ্ছে না একটুও। তাই অক্সিজেনের ভাণ্ডার গাছের কদর নেই।

গাছ কমে গেলে, গাছ না থাকলে কী হতে পারে, ঠাণ্ডা মাথায় কখনই আমরা ভাবি না। ভাবলে এমনটা করতে পারতাম না। লোহা ঢুকিয়ে গাছকে হত্যা করছি। বিবেকে বাধে না। গাছের প্রতি আর নিষ্ঠুরতা নয়। ভালোবাসা দেখালে, গাছকে ভালোবাসলে আমার, আপনার, এই পৃথিবীর জন্য তা মঙ্গলজনক হবে।

[email protected]

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter