দেশের ভাবমূর্তি রক্ষা করতে হবে
jugantor
দেশের ভাবমূর্তি রক্ষা করতে হবে

  মোহাম্মদ নাদের হোসেন ভূঁইয়া  

২৯ জুন ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সব জল্পনা-কল্পনা ও আলোচনা-সমালোচনার অবসান ঘটিয়ে ২৫ জুন উদ্বোধন হয়েছে দক্ষিণাঞ্চল তথা বাংলাদেশের মানুষের গর্ব ও সফলতার প্রতীক পদ্মা সেতু। কিন্তু দুঃখজনক হলো, প্রথম দিনই সেতুতে চলেছে নিয়ম ভাঙার মহোৎসব। সেতুতে প্রবেশ করার পর কেউ কেউ গাড়ি থামিয়ে ছবি তুলেছেন; আবার কেউ সেতুর ওপর দাঁড়িয়ে করেছেন টিকটক ভিডিও।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই ভিডিও ছড়িয়ে পড়ছে। এমনই একটা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, সেতুর রেলিংয়ের নাট-বোলটু খুলে টিকটক করছেন এক যুবক। সবচেয়ে দুঃখজনক, গোটা বিশ্ব যেখানে বাংলাদেশকে বাহবা দিচ্ছে; সেখানে ওই ব্যক্তি সেতুর ২টি নাট খুলে সেতু পরিপক্বতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

এছাড়া অদ্ভুত ব্যাপার হলো, দেখা গেছে, সেতুর মাঝখানে দাঁড়িয়ে কেউ কেউ মূত্রত্যাগ করছে। এ ধরনের মানসিকতা দেশের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। পদ্মা সেতু দেশের সম্পদ; দেশের জনগণের সম্পদ। ব্যক্তিবিদ্বেষের বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে গিয়ে এ ধরনের ন্যক্কারজনক কাজ কারোরই করা উচিত নয়। সবাইকে দেশপ্রেমিক হতে হবে; অন্তরে দেশপ্রেম থাকতে হবে।

সেতু কর্তৃপক্ষের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পদ্মা সেতুর ওপর যে কোনো ধরনের যানবাহন দাঁড়ানো ও যানবাহন থেকে নেমে সেতুর ওপর দাঁড়িয়ে ছবি তোলা বা হাঁটা সম্পূর্ণ নিষেধ। অথচ নিয়ম মানার ব্যাপারে সবাই উদাসীন। যদিও প্রশাসন ইতোমধ্যে বিষয়টি নিয়ে কাজ শুরু করেছে। কিন্তু আসল কথা হলো, জনগণের সহায়তা ছাড়া কোনো পরিকল্পনাই সফল হবে না। তাই আমাদের সচেতন হতে হবে। মনে রাখতে হবে, সেতুটি আমাদের দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নতির পাশাপাশি সফলতা ও গর্বের প্রতীক। এর সৌন্দর্য ও নান্দনিকতা বজায় রাখা আমাদের সবার দায়িত্ব ও কর্তব্য।

শিক্ষার্থী ফেনী সরকারি কলেজ

দেশের ভাবমূর্তি রক্ষা করতে হবে

 মোহাম্মদ নাদের হোসেন ভূঁইয়া 
২৯ জুন ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সব জল্পনা-কল্পনা ও আলোচনা-সমালোচনার অবসান ঘটিয়ে ২৫ জুন উদ্বোধন হয়েছে দক্ষিণাঞ্চল তথা বাংলাদেশের মানুষের গর্ব ও সফলতার প্রতীক পদ্মা সেতু। কিন্তু দুঃখজনক হলো, প্রথম দিনই সেতুতে চলেছে নিয়ম ভাঙার মহোৎসব। সেতুতে প্রবেশ করার পর কেউ কেউ গাড়ি থামিয়ে ছবি তুলেছেন; আবার কেউ সেতুর ওপর দাঁড়িয়ে করেছেন টিকটক ভিডিও।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই ভিডিও ছড়িয়ে পড়ছে। এমনই একটা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, সেতুর রেলিংয়ের নাট-বোলটু খুলে টিকটক করছেন এক যুবক। সবচেয়ে দুঃখজনক, গোটা বিশ্ব যেখানে বাংলাদেশকে বাহবা দিচ্ছে; সেখানে ওই ব্যক্তি সেতুর ২টি নাট খুলে সেতু পরিপক্বতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

এছাড়া অদ্ভুত ব্যাপার হলো, দেখা গেছে, সেতুর মাঝখানে দাঁড়িয়ে কেউ কেউ মূত্রত্যাগ করছে। এ ধরনের মানসিকতা দেশের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। পদ্মা সেতু দেশের সম্পদ; দেশের জনগণের সম্পদ। ব্যক্তিবিদ্বেষের বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে গিয়ে এ ধরনের ন্যক্কারজনক কাজ কারোরই করা উচিত নয়। সবাইকে দেশপ্রেমিক হতে হবে; অন্তরে দেশপ্রেম থাকতে হবে।

সেতু কর্তৃপক্ষের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পদ্মা সেতুর ওপর যে কোনো ধরনের যানবাহন দাঁড়ানো ও যানবাহন থেকে নেমে সেতুর ওপর দাঁড়িয়ে ছবি তোলা বা হাঁটা সম্পূর্ণ নিষেধ। অথচ নিয়ম মানার ব্যাপারে সবাই উদাসীন। যদিও প্রশাসন ইতোমধ্যে বিষয়টি নিয়ে কাজ শুরু করেছে। কিন্তু আসল কথা হলো, জনগণের সহায়তা ছাড়া কোনো পরিকল্পনাই সফল হবে না। তাই আমাদের সচেতন হতে হবে। মনে রাখতে হবে, সেতুটি আমাদের দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নতির পাশাপাশি সফলতা ও গর্বের প্রতীক। এর সৌন্দর্য ও নান্দনিকতা বজায় রাখা আমাদের সবার দায়িত্ব ও কর্তব্য।

শিক্ষার্থী ফেনী সরকারি কলেজ

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন