শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করে তবেই নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
jugantor
শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করে তবেই নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

  সৈয়দ আশিকুজ্জামান আশিক  

২৯ জুন ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আচল ফাউন্ডেশন পরিচালিত জরিপ অনুযায়ী, ২০২১ সালে দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১০১ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। সমীক্ষায় দেখা গেছে, আত্মহত্যাকারী ৬১ শতাংশেরও বেশি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। করোনার সময়ে সারা দেশে আত্মহত্যার প্রবণতা বেড়েছে।

আচল জানায়, আর্থিক চাপ, লেখাপড়া ও পরীক্ষা নিয়ে হতাশা, পারিবারিক সহিংসতা ও অহংকারে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। লেখাপড়া শেষ করে চাকরি না পেলেও অনেকে আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছেন। চাকরিপ্রার্থী ও শিক্ষার্থীরা যখন আত্মহত্যা করে, তখন আমাদের মাথাব্যথা শুরু হয়। কিন্তু একজন শিক্ষিত ব্যক্তি কেন আত্মহত্যা করছে-এর আসল কারণ খুঁজে বের করতে আমরা ব্যর্থ।

দীর্ঘ সাধনার পর যখন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি বাতিল হয়, পরীক্ষা স্থগিত হয়, নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস প্রভৃতি ঘটে, তখন একজন শিক্ষিত বেকার যুবকের আত্মহত্যা ছাড়া উপায় আছে কি? বস্তুত এ কারণে শিক্ষা ও ডিগ্রি কোনো কাজে আসছে না। কোনো খাতে শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করতে না পারলে, তাহলে এত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজন নেই। সরকারকে প্রথমে ছাত্রদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতে হবে; এপর বিশ্ববিদ্যালয় করতে হবে। সব শীর্ষস্থানীয় দেশ সর্বদা তাদের ওয়েবসাইটে চাকরি ও শিক্ষার্থীদের কাজের শতাংশ দেখায়। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করে তবেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাড়ানোর দিকে আমাদের মনোযোগ দেওয়া উচিত।

গবেষণা সহকারী, সিআরআইডি, ঢাকা

শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করে তবেই নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

 সৈয়দ আশিকুজ্জামান আশিক 
২৯ জুন ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আচল ফাউন্ডেশন পরিচালিত জরিপ অনুযায়ী, ২০২১ সালে দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১০১ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। সমীক্ষায় দেখা গেছে, আত্মহত্যাকারী ৬১ শতাংশেরও বেশি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। করোনার সময়ে সারা দেশে আত্মহত্যার প্রবণতা বেড়েছে।

আচল জানায়, আর্থিক চাপ, লেখাপড়া ও পরীক্ষা নিয়ে হতাশা, পারিবারিক সহিংসতা ও অহংকারে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। লেখাপড়া শেষ করে চাকরি না পেলেও অনেকে আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছেন। চাকরিপ্রার্থী ও শিক্ষার্থীরা যখন আত্মহত্যা করে, তখন আমাদের মাথাব্যথা শুরু হয়। কিন্তু একজন শিক্ষিত ব্যক্তি কেন আত্মহত্যা করছে-এর আসল কারণ খুঁজে বের করতে আমরা ব্যর্থ।

দীর্ঘ সাধনার পর যখন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি বাতিল হয়, পরীক্ষা স্থগিত হয়, নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস প্রভৃতি ঘটে, তখন একজন শিক্ষিত বেকার যুবকের আত্মহত্যা ছাড়া উপায় আছে কি? বস্তুত এ কারণে শিক্ষা ও ডিগ্রি কোনো কাজে আসছে না। কোনো খাতে শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করতে না পারলে, তাহলে এত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজন নেই। সরকারকে প্রথমে ছাত্রদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতে হবে; এপর বিশ্ববিদ্যালয় করতে হবে। সব শীর্ষস্থানীয় দেশ সর্বদা তাদের ওয়েবসাইটে চাকরি ও শিক্ষার্থীদের কাজের শতাংশ দেখায়। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করে তবেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাড়ানোর দিকে আমাদের মনোযোগ দেওয়া উচিত।

গবেষণা সহকারী, সিআরআইডি, ঢাকা

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন