শ্রেণিকক্ষের অভাবে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত
jugantor
শ্রেণিকক্ষের অভাবে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত

  সোবহান হাওলাদার  

১৭ আগস্ট ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার কলসকাঠি ইউনিয়নের ৯০নং দক্ষিণ সাদিস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনটি (EMIS CODE : 91501050910) ২০২১ সালে নদীভাঙনের জন্য নিলামে বিক্রয় করা হয়। বর্তমানে নতুন জায়গায় বিদ্যালয় ভবনটি টিনের ডেরা দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। তবে এখানে শিক্ষকদের রুমসহ রুম দরকার ৪টি; কিন্তু রুম আছে ৩টি। শ্রেণিকক্ষের অভাবে ছাত্রছাত্রী নিয়ে শিক্ষকদের ক্লাস করা অত্যন্ত কষ্টকর। বিদ্যালয়ে দুই শিফটে ক্লাস হয়। প্রথম শিফটে প্রাক-প্রাথমিক (শিশু), প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণি এবং দ্বিতীয় শিফটে তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণি। এক্ষেত্রে প্রতি শিফটে একটি শ্রেণির ক্লাস বাইরে নিতে হয়। এ ছাড়া বিদ্যালয় ভবনটির কোনো দরজা-জানালা না থাকায় রাতে কুকুর ঘুমায়; এমনকি শ্রেণিকক্ষে মলমূত্র ত্যাগ করে থাকে। এখানে শিক্ষক কিংবা ছাত্রছাত্রীদের জন্য নেই কোনো বাথরুম/শৌচাগার। সামান্য কিছু বরাদ্দ পেলেই শৌচাগার এবং একটি রুমসহ দরজা-জানালার কাজগুলো করে আপাতত স্কুলটির কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়া যেত। একসময় এ স্কুলটির শিক্ষার মান ছিল অত্যন্ত উঁচু। ‘পাণ্ডব’-এর ভাঙন রোধ করা গেলে স্কুলটি সরাতে হতো না। জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা-সরকার পাণ্ডবের ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে কলসকাঠি ইউনিয়নের দক্ষিণাঞ্চল (৪টি গ্রাম) রক্ষা করবে; কিন্তু জনপ্রতিনিধি কিংবা প্রশাসন এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ আজ পর্যন্ত নিয়েছে বলে আমাদের জানা নেই। নদী তীরবর্তী বিধায় এখানে প্রাথমিক বিদ্যালয়-কাম-সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণ করার জন্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং পাণ্ডব নদীর ভাঙন রোধে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সুদৃষ্টি কামনা করছে এলাকাবাসী।

কলসকাঠি, বাকেরগঞ্জ, বরিশাল

শ্রেণিকক্ষের অভাবে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত

 সোবহান হাওলাদার 
১৭ আগস্ট ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার কলসকাঠি ইউনিয়নের ৯০নং দক্ষিণ সাদিস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনটি (EMIS CODE : 91501050910) ২০২১ সালে নদীভাঙনের জন্য নিলামে বিক্রয় করা হয়। বর্তমানে নতুন জায়গায় বিদ্যালয় ভবনটি টিনের ডেরা দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। তবে এখানে শিক্ষকদের রুমসহ রুম দরকার ৪টি; কিন্তু রুম আছে ৩টি। শ্রেণিকক্ষের অভাবে ছাত্রছাত্রী নিয়ে শিক্ষকদের ক্লাস করা অত্যন্ত কষ্টকর। বিদ্যালয়ে দুই শিফটে ক্লাস হয়। প্রথম শিফটে প্রাক-প্রাথমিক (শিশু), প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণি এবং দ্বিতীয় শিফটে তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণি। এক্ষেত্রে প্রতি শিফটে একটি শ্রেণির ক্লাস বাইরে নিতে হয়। এ ছাড়া বিদ্যালয় ভবনটির কোনো দরজা-জানালা না থাকায় রাতে কুকুর ঘুমায়; এমনকি শ্রেণিকক্ষে মলমূত্র ত্যাগ করে থাকে। এখানে শিক্ষক কিংবা ছাত্রছাত্রীদের জন্য নেই কোনো বাথরুম/শৌচাগার। সামান্য কিছু বরাদ্দ পেলেই শৌচাগার এবং একটি রুমসহ দরজা-জানালার কাজগুলো করে আপাতত স্কুলটির কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়া যেত। একসময় এ স্কুলটির শিক্ষার মান ছিল অত্যন্ত উঁচু। ‘পাণ্ডব’-এর ভাঙন রোধ করা গেলে স্কুলটি সরাতে হতো না। জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা-সরকার পাণ্ডবের ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে কলসকাঠি ইউনিয়নের দক্ষিণাঞ্চল (৪টি গ্রাম) রক্ষা করবে; কিন্তু জনপ্রতিনিধি কিংবা প্রশাসন এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ আজ পর্যন্ত নিয়েছে বলে আমাদের জানা নেই। নদী তীরবর্তী বিধায় এখানে প্রাথমিক বিদ্যালয়-কাম-সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণ করার জন্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং পাণ্ডব নদীর ভাঙন রোধে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সুদৃষ্টি কামনা করছে এলাকাবাসী।

কলসকাঠি, বাকেরগঞ্জ, বরিশাল

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন