সনাতনী সত্যায়ন পদ্ধতি বাতিল করুন
jugantor
সনাতনী সত্যায়ন পদ্ধতি বাতিল করুন

  তুফান মাজহার খান  

২১ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ডিজিটাল যুগে এসে সত্যায়ন পদ্ধতির মতো প্রাচীনপন্থি চিন্তাভাবনা যেন আমাদের আরও কয়েক যুগ পেছনে নিয়ে যায়। সত্যায়ন পদ্ধতির মতো আজগুবি পদ্ধতি এ আধুনিক যুগে এসে কীভাবে প্রচলিত থাকে, তা আসলে ভাববার বিষয়। এ যুগের প্রত্যেক চাকরিপ্রত্যাশীর একাডেমিক সব সনদ অনলাইনে লিপিবদ্ধ রয়েছে। এমনকি জন্ম সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র, নাগরিক সনদ সবই সার্ভারে রক্ষিত থাকে, যার ফলে যে কোনো সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সার্ভারগুলোতে যে কোনো কাগজপত্রের সত্যতা পরীক্ষা করতে পারে। এতদসত্ত্বেও বর্তমানে সরকারি বেসরকারি অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানই প্রার্থী নিয়োগের ক্ষেত্রে সব সনদের সত্যায়িত কপি চায়, যা চাকরি প্রত্যাশী ও সত্যায়নকারী উভয়ের জন্যই বিরক্তিকর ও কষ্টসাপেক্ষ ব্যাপার।

অনেক সময় প্রার্থীকে কাগজপত্র সত্যায়ন করার জন্য গেজেটেড কর্মকর্তার পেছনে ঘুরঘুর করতে হয়, তাদের সময়-সুযোগ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। অনেক প্রার্থীকে দূর-দূরান্তের পথ পাড়ি দিতে হয়। এমন তো নয় যে, সত্যায়নকারী সব কাগজপত্র সত্যায়নের ক্ষেত্রে অনলাইনে যাচাই করে তারপর সিল, স্বাক্ষর করেন। তারাও অনেকটা বিশ্বাসের ওপর নির্ভর করে সত্যায়ন করে থাকেন। এ বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে যে কেউ নকল কাগজপত্র সত্যায়ন করিয়ে নিতে পারেন। সুতরাং এটি স্পষ্ট যে, প্রচলিত সত্যায়ন পদ্ধতি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও ভিত্তিহীন। অতএব, সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ থাকবে, যাতে তারা এ ধরনের ভিত্তিহীন সত্যায়ন পদ্ধতি বাতিল করে চাকরিপ্রার্থী ও সত্যায়নকারী উভয়ের ঝামেলা লাঘবের পাশাপাশি দেশের ডিজিটাল কার্যক্রমকে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবেন।

ডেমরা, ঢাকা

সনাতনী সত্যায়ন পদ্ধতি বাতিল করুন

 তুফান মাজহার খান 
২১ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ডিজিটাল যুগে এসে সত্যায়ন পদ্ধতির মতো প্রাচীনপন্থি চিন্তাভাবনা যেন আমাদের আরও কয়েক যুগ পেছনে নিয়ে যায়। সত্যায়ন পদ্ধতির মতো আজগুবি পদ্ধতি এ আধুনিক যুগে এসে কীভাবে প্রচলিত থাকে, তা আসলে ভাববার বিষয়। এ যুগের প্রত্যেক চাকরিপ্রত্যাশীর একাডেমিক সব সনদ অনলাইনে লিপিবদ্ধ রয়েছে। এমনকি জন্ম সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র, নাগরিক সনদ সবই সার্ভারে রক্ষিত থাকে, যার ফলে যে কোনো সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সার্ভারগুলোতে যে কোনো কাগজপত্রের সত্যতা পরীক্ষা করতে পারে। এতদসত্ত্বেও বর্তমানে সরকারি বেসরকারি অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানই প্রার্থী নিয়োগের ক্ষেত্রে সব সনদের সত্যায়িত কপি চায়, যা চাকরি প্রত্যাশী ও সত্যায়নকারী উভয়ের জন্যই বিরক্তিকর ও কষ্টসাপেক্ষ ব্যাপার।

অনেক সময় প্রার্থীকে কাগজপত্র সত্যায়ন করার জন্য গেজেটেড কর্মকর্তার পেছনে ঘুরঘুর করতে হয়, তাদের সময়-সুযোগ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। অনেক প্রার্থীকে দূর-দূরান্তের পথ পাড়ি দিতে হয়। এমন তো নয় যে, সত্যায়নকারী সব কাগজপত্র সত্যায়নের ক্ষেত্রে অনলাইনে যাচাই করে তারপর সিল, স্বাক্ষর করেন। তারাও অনেকটা বিশ্বাসের ওপর নির্ভর করে সত্যায়ন করে থাকেন। এ বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে যে কেউ নকল কাগজপত্র সত্যায়ন করিয়ে নিতে পারেন। সুতরাং এটি স্পষ্ট যে, প্রচলিত সত্যায়ন পদ্ধতি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও ভিত্তিহীন। অতএব, সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ থাকবে, যাতে তারা এ ধরনের ভিত্তিহীন সত্যায়ন পদ্ধতি বাতিল করে চাকরিপ্রার্থী ও সত্যায়নকারী উভয়ের ঝামেলা লাঘবের পাশাপাশি দেশের ডিজিটাল কার্যক্রমকে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবেন।

ডেমরা, ঢাকা

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন