ইনডেক্সধারীদের আবেদনের সুযোগ দিন
jugantor
ইনডেক্সধারীদের আবেদনের সুযোগ দিন

  জমাতুল ইসলাম পরাগ  

০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) চতুর্থবারের মতো গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে যাচ্ছে। এ গণবিজ্ঞপ্তি শিক্ষকতায় আসতে চাওয়া নিবন্ধিতদের জন্য দারুণ সুখবর বটে। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত ইনডেক্সধারী শিক্ষকদের যেহেতু বদলির ব্যবস্থা চালু নেই, তাই এতদিন ইনডেক্সধারী শিক্ষকরা গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এক প্রতিষ্ঠান থেকে অন্য প্রতিষ্ঠানে আসতে পারত। এবার চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আগ মুহূর্তে এসে কর্তৃপক্ষ সেই সুযোগ রহিত করেছে। এতে বেকার নিবন্ধিত প্রার্থীদের চাকরি খরা কাটবে, দেশব্যাপী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষক-শূন্যতা প্রশমিত হবে ঠিকই; কিন্তু ইনডেক্সধারী শিক্ষকরা, যারা নিজ বাড়ি থেকে অনেক দূরের কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন, তাদের দুর্দশা লাঘব হবে না। ১ হাজার টাকা বাড়িভাড়া সুবিধাপ্রাপ্ত শিক্ষকদের ১২ হাজার টাকা বেতন দিয়ে দূরের কোনো এক জেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চাকরি করার যে অমানবিক যন্ত্রণা, সেই যন্ত্রণার কাল আরও দীর্ঘায়িত হবে। এ ছাড়া যেসব ইনডেক্সধারী শিক্ষক আগের যে কোনো নিবন্ধন পরীক্ষার চেয়ে ১৬তম নিবন্ধন পরীক্ষায় বেশি নম্বর পেয়ে মেধাতালিকায় উপরের দিকে এসেছিল, তারা তাদের সেই বেশি নম্বর কোনো কাজে লাগাতে পারবেন না। ভালো নম্বর পাওয়া সত্ত্বেও ভালো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঢুকতে না পারার মতো বঞ্চনা আর কী হতে পারে! ইনডেক্সধারীদের নতুন করে অন্য প্রতিষ্ঠানে সুপারিশপ্রাপ্ত হলে আগের প্রতিষ্ঠানের উক্ত পদকে শূন্য ঘোষণা করে দ্বিতীয় ধাপে অন্য একজন আবেদনকারীকে সেই প্রতিষ্ঠানে একই পদে সুপারিশ করা হোক। আশা করি, এতে ইনডেক্সধারীদেরও অসুবিধা ঘুচবে; শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পদও শূন্য থাকবে না।

ভুক্তভোগী নিবন্ধিত শিক্ষক, কিশোরগঞ্জ

ইনডেক্সধারীদের আবেদনের সুযোগ দিন

 জমাতুল ইসলাম পরাগ 
০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) চতুর্থবারের মতো গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে যাচ্ছে। এ গণবিজ্ঞপ্তি শিক্ষকতায় আসতে চাওয়া নিবন্ধিতদের জন্য দারুণ সুখবর বটে। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত ইনডেক্সধারী শিক্ষকদের যেহেতু বদলির ব্যবস্থা চালু নেই, তাই এতদিন ইনডেক্সধারী শিক্ষকরা গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এক প্রতিষ্ঠান থেকে অন্য প্রতিষ্ঠানে আসতে পারত। এবার চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আগ মুহূর্তে এসে কর্তৃপক্ষ সেই সুযোগ রহিত করেছে। এতে বেকার নিবন্ধিত প্রার্থীদের চাকরি খরা কাটবে, দেশব্যাপী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষক-শূন্যতা প্রশমিত হবে ঠিকই; কিন্তু ইনডেক্সধারী শিক্ষকরা, যারা নিজ বাড়ি থেকে অনেক দূরের কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন, তাদের দুর্দশা লাঘব হবে না। ১ হাজার টাকা বাড়িভাড়া সুবিধাপ্রাপ্ত শিক্ষকদের ১২ হাজার টাকা বেতন দিয়ে দূরের কোনো এক জেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চাকরি করার যে অমানবিক যন্ত্রণা, সেই যন্ত্রণার কাল আরও দীর্ঘায়িত হবে। এ ছাড়া যেসব ইনডেক্সধারী শিক্ষক আগের যে কোনো নিবন্ধন পরীক্ষার চেয়ে ১৬তম নিবন্ধন পরীক্ষায় বেশি নম্বর পেয়ে মেধাতালিকায় উপরের দিকে এসেছিল, তারা তাদের সেই বেশি নম্বর কোনো কাজে লাগাতে পারবেন না। ভালো নম্বর পাওয়া সত্ত্বেও ভালো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঢুকতে না পারার মতো বঞ্চনা আর কী হতে পারে! ইনডেক্সধারীদের নতুন করে অন্য প্রতিষ্ঠানে সুপারিশপ্রাপ্ত হলে আগের প্রতিষ্ঠানের উক্ত পদকে শূন্য ঘোষণা করে দ্বিতীয় ধাপে অন্য একজন আবেদনকারীকে সেই প্রতিষ্ঠানে একই পদে সুপারিশ করা হোক। আশা করি, এতে ইনডেক্সধারীদেরও অসুবিধা ঘুচবে; শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পদও শূন্য থাকবে না।

ভুক্তভোগী নিবন্ধিত শিক্ষক, কিশোরগঞ্জ

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন