৭ নভেম্বর: ইতিহাসের সত্যানুসন্ধান

  ড. আবদুল লতিফ মাসুম ০৭ নভেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ইতিহাসের সত্যানুসন্ধান

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ৭ নভেম্বর ১৯৭৫ একটি রহস্যময় অধ্যায়। ৪২ বছর পর আজও বিষয়টি সম্পর্কে আমাদের ধারণা পরিচ্ছন্ন ও পরিপূর্ণ নয়। নাগরিক সাধারণের জন্য ঔৎসুক্য সৃষ্টি করে এমন শিরোনাম দিয়ে লেখক-গবেষকরা বলছেন, ‘অজানা অধ্যায়’, ‘অনুদ্ঘাটিত দিনগুলো’ অথবা ‘আচ্ছাদিত ইতিহাস’। এ দিনটির রাজনৈতিক তাৎপর্য নিয়ে কমপক্ষে তিনরকম বিভক্তি রয়েছে। প্রথমত, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল তথা বিএনপির কাছে এটি সিপাহি-জনতার বিপ্লব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। এটি ছিল জিয়াউর রহমানের ক্ষমতা অধিষ্ঠানের ভিত্তিভূমি। বিপ্লব নামের সার্বিক পরিবর্তন এবং জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থনের আবেদন দিয়ে দলটি তারা জিয়াউর রহমানের ক্ষমতার নৈতিকতা ও বৈধতা প্রমাণ করতে চায়।

দ্বিতীয়ত, আওয়ামী লীগ বিষয়টিকে রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতা দ্বারা তাদের জন্য নিরাপদ বলয় স্থাপন করতে চায়। ৭ নভেম্বর ’৭৫-এর যে ইতিহাস প্রকাশিত হয়েছে, তার কোনো ব্যাখ্যাই আওয়ামী লীগের অনুকূল নয়। সেই অস্থির সময়ে সংশ্লিষ্ট সব ব্যক্তি, দল ও গোষ্ঠী আওয়ামী লীগ সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল। ৭ নভেম্বরের মূল অনুঘটক- জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল সমাজতান্ত্রিক একটি বিপ্লব অনুষ্ঠানের জন্য সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরে গোপন কার্যক্রম পরিচালনা করছিল। তাদেরও একটি নিজস্ব ব্যাখ্যা রয়েছে। সে কারণে আনুষ্ঠানিক উপসংহারে পৌঁছানো একটি দুঃসাধ্য ব্যাপার।

১৯৮৮ সালে আমার পিএইচ.ডি অভিসন্দর্ভের পটভূমি হিসেবে বিষয়টি নিয়ে আমি কাজ শুরু করি। খুব স্বাভাবিকভাবে রাজনীতি নিরাসক্ত একাডেমিক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে বিষয়টির গভীরে প্রবেশের চেষ্টা করি। উল্লেখ্য, ঘটনাক্রম বা বিষয়বস্তু আমার ব্যক্তিগত অধ্যয়ন উৎসারিত।

পটভূমি : ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সেনাবাহিনীর একটি বিপথগামী অংশ বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করে। জনগণের দুর্ভোগ এবং প্রশাসনের ব্যর্থতার সুযোগ গ্রহণ করে তারা। ১৯৭৫ সালের মধ্য আগস্টের মর্মান্তিক ঘটনাবলিকে প্রকারান্তরে সেনাবাহিনী অনুমোদন দেয়। ওইদিন বেলা ১১টায় সেনাবাহিনীর সদরদফতরে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে হত্যাকারী মেজররা নিজেদের সেনাবাহিনীর কাছে সমর্পণ করে। জেনারেল জিয়াউর রহমান সংবিধান অনুযায়ী অগ্রসর হওয়ার তাগিদ দেন। তিনি উপরাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ উল্যার কাছে দায়িত্ব সমর্পণের পরামর্শ দেন। অবশ্য ততক্ষণে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতা খন্দকার মোশতাক আহমেদ রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। প্রাথমিক আবেগ-উত্তেজনা এবং ভাব ও বিহ্বলতা কাটিয়ে ওঠার পর সেনাবাহিনীতে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব স্পষ্ট হয়ে ওঠে। খুনি মেজররা বঙ্গভবনে বসে রাষ্ট্র চালাচ্ছিল। আর সিনিয়ররা সেনানিবাসে বসে তাদের নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছিলেন। খন্দকার মোশতাক আহমেদ মেজরদের আস্থা অর্জন করেছিলেন। সিনিয়রদের তার প্রতি দৃঢ় আনুগত্য ছিল না। খন্দকার মোশতাক মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এমএজি ওসমানীকে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা নিয়োগ করলে স্বস্তির আশাবাদ সৃষ্টি হয়। কিন্তু উভয়পক্ষই তাকে যেমন বিশ্বাস করছিল, তেমনি অবিশ্বাস করছিল। উল্লেখ্য, ততদিনে সেনাপ্রধান কেএম শফিউল্লাহ রাষ্ট্রদূতের চাকরি নিয়ে লন্ডনে পাড়ি জমান এবং জেনারেল জিয়াউর রহমান সেনাপ্রধান পদে অধিষ্ঠিত হন। জিয়া তার স্বভাবসুলভ কুশলতা এবং ভারসাম্যপূর্ণভাবে সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রণ করছিলেন। জিয়ার প্রতি মেজরদের আস্থায় ঘাটতি না থাকলেও সিনিয়ররা ক্রমশ হতাশ হয়ে পড়েন। ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদের মধ্যে সেনাবাহিনীর দ্বিতীয় পদাধিকারী খালেদ মোশাররফ এবং ঢাকা ব্রিগেডের প্রধান কর্নেল সাফায়াত জামিল দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের পক্ষপাতী ছিলেন। বিশেষ করে কর্নেল সাফায়াত জামিল ‘হট হেডেড’ বলে পরিচিত ছিলেন। ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর এ দু’জন মুক্তিযোদ্ধা ব্যক্তিত্ব জিয়াউর রহমানের কমান্ডকে অস্বীকার করেন। তারা পাল্টা অভ্যুত্থান ঘটান। জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্দি করেন। খালেদ মোশাররফ নিজেকে সেনাবাহিনী প্রধান ঘোষণা করেন। তারা খন্দকার মোশতাকের পরিবর্তে প্রধান বিচারপতি এএসএম সায়েমকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ করেন।

সেনানিবাস পরিস্থিতি : সেখানে জাসদের বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা গোপনে কার্যক্রম পরিচালনা করছিল। একটি সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের আশায় কর্নেল তাহেরের নেতৃত্বে তারা গোপনে কর্মরত ছিলেন। ৩ নভেম্বরের সামরিক অভ্যুত্থান সেনা ছাউনিতে এক উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্ব একটি আত্মঘাতী যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি করে। সেনাবাহিনীর রাজনীতিসচেতন অংশ বিপ্লবী সৈনিক সংস্থার মাধ্যমে কর্নেল তাহেরের কাছে করণীয় নির্দেশনা আশা করে। কর্নেল তাহের তখন নারায়ণগঞ্জে অবস্থান করছিলেন। নির্দেশনা দেয়ার জন্য ট্রেনে তিনি ঢাকা আসেন এবং এলিফ্যান্ট রোডে এক শুভাকাক্সক্ষীর বাড়িতে অবস্থান নেন। কর্নেল তাহের এ পরিস্থিতিকে কাক্সিক্ষত বিপ্লবের জন্য মাহেন্দ্রক্ষণ মনে করেন। কিন্তু তার জনবল ও কাঠামো বিপ্লব কার্যকর করার জন্য যথেষ্ট ছিল না। তাই তিনি জিয়াউর রহমানের বন্দিদশা, স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে তার ইমেজ এবং সৈনিকদের মধ্যে তার সদ্ব্যবহারের সুনাম ব্যবহার করার কৌশল গ্রহণ করেন। জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করার জন্য বিপ্লবী সৈনিক সংস্থার কতিপয় সৈনিককে পৃথকভাবে দায়িত্ব দেয়া হয়। নির্দেশ ছিল জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করে ঢাকায় এনে জিম্মি হিসেবে ব্যবহার করা হবে। কিন্তু জিয়াকে মুক্ত করার জন্য বিপ্লবী সৈনিক সংস্থার লোকেরা যখন অগ্রসর হয়, তখন উপস্থিত শত শত সৈনিক তাদের অনুগমন করে। সৈনিকরা জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করে স্লোগান দিতে দিতে, আনন্দ-উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে করতে তাকে কাঁধে বহন করে ২২ বেঙ্গল রেজিমেন্টে নিয়ে আসে। কর্নেল তাহের তখন এলিফ্যান্ট রোডের বাসার বারান্দায় অধীর আগ্রহে জিয়ার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। বিপ্লবী সৈনিক সংস্থার লোকেরা যখন খালি হাতে এলিফ্যান্ট রোডে পৌঁছে, তখন কর্নেল তাহের তাদের ধিক্কার জানান। পরে তারা আরেকবার চেষ্টা চালায় জিয়াউর রহমানকে নিয়ে আসার জন্য। ২২ বেঙ্গলে গিয়ে তারা জিয়াউর রহমানকে বলে যে, কর্নেল তাহেরের নেতৃত্বে আপনি মুক্ত হয়েছেন। চলুন তার সঙ্গে দেখা করে আসবেন। ধীরস্থির অথচ দৃঢ় চরিত্রের অধিকারী জিয়াউর রহমান ততক্ষণে অনেক কিছু আঁচ করতে পেরেছেন। নাটকীয় কায়দায় তিনি বলেন, ‘কর্নেল তাহের তোমাদের নেতা এবং আমারও নেতা। একদিন তাকে এই সেনানিবাস ছেড়ে চলে যেতে হয়েছিল। তাকে আবার এখানে নিয়ে আস। তিনি এখান থেকেই বিপ্লবের নেতৃত্ব দেবেন। পরে কর্নেল তাহের ২২ ইস্ট বেঙ্গলে চলে আসেন। এ সময় জিয়াউর রহমান কর্নেল তাহেরের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। একটি বর্ণনায় বলা হয়েছে, জিয়াকে পরিয়ে দিতে চাওয়া ফুলের মালা জিয়া নিজে কর্নেল তাহেরের গলায় পরিয়ে দেন এবং বলেন, এটা তাহের ভাইকেই শোভা পায়। কর্নেল তাহের ক্রমশ উপলব্ধি করতে থাকেন যে, তার পায়ের নিচের মাটি আর নেই। তাহেরের লোকেরা জিয়াউর রহমানকে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেয়ার জন্য রেডিও অফিসে নিয়ে আসার জন্য আরেকবার শেষ চেষ্টা চালায়। ঢাকা ব্রিগেডের দ্বিতীয় প্রধান ব্যক্তি কর্নেল আমিনুল হক পরিস্থিতি বুঝতে পেরে একটি রেকর্ডিং ইউনিট ঢাকা সেনানিবাসে নিয়ে আসার জন্য নির্দেশ দেন। সর্বশেষ সমাপনী ঘটনাটি বর্ণনা করেছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জুবায়ের। তিনি তার আত্মজীবনীমূলক ‘আমার জীবন আমার যুদ্ধ’ গ্রন্থে বলেছেন, ‘৭ নভেম্বর সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতি সায়েম যখন বেতার ভাষণ দেন, তখন জিয়াউর রহমান ও কর্নেল তাহের উভয়েই বেতার কেন্দ্রে উপস্থিত ছিলেন। বেতারের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কামরায় বসে জিয়ার সঙ্গে তাহেরের কথাবার্তা হয়। তাহের জিয়াকে বলেন, বিপ্লবী সৈনিকদের কিছু দাবিদাওয়া আছে। জিয়া যেন তা শোনেন এবং অবিলম্বে মেনে নেন। জিয়া স্বভাবসুলভ ধীরস্থিরভাবে বলেন, তিনি একটু পরে সৈনিকদের সঙ্গে দেখা করবেন। উল্লেখ্য, বেতারের স্টুডিওতে আসার আগেই রাষ্ট্রপতির ভাষণ রেকর্ড করা হয়েছিল, যাতে আলোচনার সময় তাহের বা জাসদের সশস্ত্র সৈনিকরা কোনো শর্ত বা দাবিদাওয়া নিয়ে চাপ দিতে না পারে। জিয়ার এ কৌশল ম্যাজিকের মতো কাজ করেছিল।’

রাষ্ট্রপতির ভাষণ শেষ হওয়ার পর জিয়া খুব হালকা মেজাজে তাহেরকে নিয়ে পাশের ঘরে গেলেন। সেখানে জাসদপন্থী ২০-২৫ জন সশস্ত্র সৈনিক দাবিদাওয়ার একটা লম্বা তালিকা নিয়ে অপেক্ষা করছিল। জিয়া ঘরে ঢুকেই সৈনিকদের সঙ্গে হাত মেলালেন, কুশল জিজ্ঞাসা করলেন এবং ছোট একটা টেবিলের ওপর বসে খোশ মেজাজে হেসে হেসে তাদের সঙ্গে আলাপ জুড়ে দিলেন। তিনি সৈনিকদের মধ্যে একজনকে দাবিদাওয়া পড়ে শোনাতে বললেন। পড়া শেষ হলেই জিয়া বললেন, দাবিগুলো খুবই ন্যায্য এবং তা অবশ্যই পূরণ করা উচিত। দাবিগুলোর মধ্যে একটি ছিল জেলে আটক ও জাসদ নেতা জলিল ও রবের মুক্তি। জিয়া সঙ্গে সঙ্গে তাদের মুক্তির নির্দেশ দিলেন। এতে জাসদপন্থী সৈনিকদের মধ্যে যেটুকু উত্তেজনা অবশিষ্ট ছিল, তাও মুহূর্তেই মিলিয়ে গেল। বাকি দাবিগুলো যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিবেচনা করা হবে- এই আশ্বাস দিয়ে জিয়া অত্যন্ত আস্থার সঙ্গে সৈনিকদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে হাসিমুখে বিদায় নিয়ে বেরিয়ে গেলেন (মহিউদ্দিন আহমেদ, ২০১৬:৭৬)। জুবায়ের সিদ্দিকী লিখেছেন, ‘জেনারেল জিয়ার এই তীক্ষ্ণ বুদ্ধিসম্পন্ন কৌশলের কাছে কর্নেল তাহের একেবারে পর্যুদস্ত হয়ে হতাশ এবং অত্যন্ত নিরাশ হয়ে পড়লেন। আরও একটি সিগারেট ধরিয়ে পকেট থেকে রুমাল বের করে কপালে জমে ওঠা ফোঁটা ফোঁটা ঘাম মুছতে মুছতে পাশেই রাখা ক্রাচের মতো লাঠিটা নিয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে সিঁড়ি বেয়ে নিচে নেমে গেলেন। কর্নেল তাহেরের নেতৃত্বে জাসদপন্থীদের সিপাহি বিপ্লবের ফলাফলকে নিজেদের পক্ষে নেয়ার সর্বশেষ আশাটুকুও যেন কর্পূরের মতো উবে গেল। টু ফিল্ডের সৈনিকরা চেয়ে চেয়ে দেখতে থাকল যতক্ষণ না লাঠিতে ভর দিয়ে দিয়ে কর্নেল তাহের তাদের দৃষ্টি সীমানা ছাড়িয়ে গেলেন।’ এসব হতাশা ও ব্যর্থতার পরও তাহেরপন্থীরা শেষ চেষ্টা চালায়। ৬ নভেম্বর ১৯৭৫ তারা ভারতীয় হাইকমিশনার সমর সেনকে অপহরণের চেষ্টা করে। সেনা অফিসারদের হত্যা এবং রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের অভিযোগে পরবর্তীকালে কর্নেল তাহেরের বিরুদ্ধে সামরিক আদালতে অভিযোগ দায়ের করা হয়। তিনি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হন।

৭ নভেম্বর ’৭৫-পরবর্তী অধ্যায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রজীবনে অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী ভূমিকা রাখে। ৭ নভেম্বরের মূল চেতনা ছিল জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা। মূলত ৭ নভেম্বরের চেতনা, দেশপ্রেম ও আদর্শকে ধারণ করে জিয়ার শাসনকাল অতিবাহিত হয়। জাতীয়তাবাদী শক্তির কাছে ৭ নভেম্বরের চেতনা আজও দীপ্ত সমুজ্জ্বল।

ড. আবদুল লতিফ মাসুম : অধ্যাপক, সরকার ও রাজনীতি বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

[email protected]

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter