মিঠে কড়া সংলাপ

ভোটাররা সাবধান!

  মুহাম্মদ ইসমাইল হোসেন ২৯ ডিসেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ভোটারদের লাইন
ভোটারদের লাইন (ফাইল ছবি)

সুধী পাঠক, আমার এই লেখাটি ভোটের আগের দিন প্রকাশিত হবে। তাই একটু ভিন্নতর বিষয়ের অবতারণা করতে আজকের লেখায় আমি আমার রাজনৈতিক জীবনের কিছুটা অংশ জানাতে চাই। আর সেই সঙ্গে স্বাধীনতার ৪৮ বছরে দাঁড়িয়ে রাজনীতির বর্তমান অবস্থান দিয়ে লেখাটি শেষ করতে চাই।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ প্রথম দফায় কেন্দ্রীয় উপকমিটি গঠন করায় ২০০৩ সালে বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে সেই উপকমিটিতে সহ-সম্পাদক হিসেবে নিয়োগদান করেন। আমি তখন বাংলাদেশ টেলিভিশনে নাটক করা, নাটক লেখা, পত্রিকায় কলাম লেখা, রোটারি ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত থেকে মানবকল্যাণে কিছুটা কাজ করাসহ নিজস্ব ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে ব্যস্ত।

আজ থেকে পনেরো বছর আগে ঠিক সেই মুহূর্তে আমি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ছোট্ট একজন কেন্দ্রীয় নেতা বনে গেলাম। অর্থাৎ কেন্দ্রীয় উপকমিটির সহ-সম্পাদক হলাম। সেই উপকমিটিতে তখন মাহবুবউল আলম হানিফ, ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, সুজিত রায় নন্দীসহ বর্তমানের অনেক বড় মাপের নেতা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। এ কমিটিতে আমাকে সহ-সম্পাদক পদে নিয়োগদান করায় আমি পাবনা এসে প্রথমেই জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে সারা পাবনায় পোস্টার সেঁটে দিলাম।

বলা বাহুল্য, সঙ্গে সঙ্গে বন্ধু ও সমর্থক জোটার পাশাপাশি শত্রুও জুটে গেল। শত্রুরা এই মর্মে প্রমাদ গুনলেন যে, আমাদের মতো মানুষ রাজনীতিতে জায়গা করে নিলে তাদের অনেকেরই অসুবিধা হবে। আমিও বিষয়টি স্বাভাবিকভাবেই গ্রহণ করলাম। কারণ রাজনীতিতে কায়েমি স্বার্থবাদীদের সঙ্গে লড়াই করে টিকে থাকা কঠিন ব্যাপার। তাই সবকিছু দেখেশুনে ধীর পদেই অগ্রসর হলাম।

এভাবে চলতে থাকায় ৩-৪ বছর পর হঠাৎ করে সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার এলে আমার শত্রু সংখ্যা কিছুটা হলেও কমে গেল। জননেত্রী শেখ হাসিনা কারান্তরালে যাওয়ার পর আমি দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জিল্লুর রহমানের পাশে থেকে দলীয় কার্যক্রম চালিয়ে গেলাম।

সকাল-বিকাল তার বাড়িতে যাতায়াত নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়াল। তিনিও আমাকে সাদরে গ্রহণ করলেন। আমি আমার লেখনীর মাধ্যমে দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার মুক্তির পক্ষে সেনাসমর্থিত সরকারের কার্যকলাপের তীব্র সমালোচনা শুরু করলাম। সে সময়ে আমি বেশিরভাগ লেখা দৈনিক ইত্তেফাকে লিখতাম।

যা হোক, এভাবেই আমি দিনরাত রাজনীতি নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়লাম। কখনও উপকমিটির চেয়ারম্যান আবুল মাল আবদুল মুহিতের সঙ্গে মিটিং করে, আবার কখনও সংসদ ভবনের ক্যাফেটেরিয়ায় বসে উপাধ্যক্ষ আবদুস শহীদের সঙ্গে আলোচনা ইত্যাদির মাধ্যমে দলীয় কর্মকাণ্ড ভালোই চলতে থাকল। আর মাসের তিরিশ দিনই দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির বাসভবন এবং মাঝে মধ্যে তার সঙ্গে দলের ধানমণ্ডি কার্যালয়ে যাতায়াত তো আছেই।

এভাবে চলতে চলতেই দলীয় সভাপতি কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন এবং ২০০৮ সালের নির্বাচনের দিনক্ষণও ঘনিয়ে এলো। আর আমিও মনোনয়ন পেতে কোমরে গামছা বেঁধে নেমে পড়লাম।

প্রেসিডিয়াম সদস্য (সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি) জিল্লুর রহমান বললেন, ‘যাও তৃণমূল ভোটে পাঁচজনের মধ্যে নাম নিয়ে এসো, নেত্রীকে বলে নমিনেশন দেয়ার দায়িত্ব আমার।’ তার কথায় অনতিবিলম্বে পাবনা এসে তৃণমূল ভোটে অংশগ্রহণে ব্যস্ত হয়ে পড়লাম। যথাসময়ে তৃণমূল ভোট অনুষ্ঠিত হলে দেখা গেল ১১ প্রার্থীর মধ্যে আমার অবস্থান ষষ্ঠ স্থানে।

অর্থাৎ আমি পাঁচের ভেতরে নেই। আমার উপরে পাঁচজন এবং নিচে পাঁচজন। যিনি ৫ নম্বরে তিনি আমার চেয়ে মাত্র দুই ভোট বেশি পেয়েছেন। অর্থাৎ আর মাত্র তিনটি ভোট পেলেই আমি ৫ নম্বরে থাকতাম এবং জিল্লুর রহমানের কথামতো মনোনয়ন প্রদানের দায়িত্ব তার ওপর ন্যস্ত হতো। কিন্তু বিধি বাম!

তখন আমার রাজনীতির বয়স মাত্র পাঁচ বছর এবং আমি আমার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতিকে জিল্লুর রহমানের ওয়াদার কথা বলে দেয়ায় তিনি জেলা কমিটির এক মিটিংয়ে তা ফাঁস করে দিয়েছিলেন। আর সে ঘটনাটাই কাল হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

পরে আমি জানতে পেরেছিলাম, আমি যাতে প্রথম পাঁচজনের মধ্যে না থাকতে পারি, সেজন্য ষড়যন্ত্র হয়েছিল। তবে তৃণমূল ভোটে আমার একটি সাফল্য ছিল- আমি জেলা কমিটির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্টসহ সাবেক একজন এমপিকে পর্যন্ত পেছনে ফেলেছিলাম। উল্লেখ্য, আমি তখন কেন্দ্রীয় উপকমিটির সহ-সম্পাদক এবং পাবনা জেলা কমিটির কার্যনির্বাহী সদস্য পদে বহাল ছিলাম।

যা হোক, তারপর আবারও ২০১৪ সালের নির্বাচনের সময় মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে সাক্ষাৎকারের সময় জননেত্রী শেখ হাসিনাকে বলেছিলাম, ‘নেত্রী এবারে একটু দেখেশুনে মনোনয়ন দিয়েন।’ জবাবে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি যাকে মনোনয়ন দেব, সবাইকে তার জন্যই কাজ করতে হবে।’

প্রত্যুত্তরে আমিও বলেছিলাম, ‘অবশ্যই মাননীয় নেত্রী, আপনি যাকে মনোনয়ন দেবেন, আমরা সবাই তার জন্যই কাজ করব। তবে আমার বিশ্বাস, বঙ্গবন্ধুকন্যা এবারে অবশ্যই দেখেশুনে ক্লিন ইমেজের প্রার্থীকে মনোনয়ন দেবেন।’

ব্যস ওই পর্যন্তই! অতঃপর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, এমনকি পৌরসভার মেয়র পদেও আমার ভাগ্যের শিকে ছিঁড়েনি। আর আমিও এসব নিয়ে হা-পিত্যেশ করিনি। এই দশ বছরে শুধু একবার মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে আমাকে কোথাও একটি দায়িত্ব প্রদানের অনুরোধ জানিয়ে একটি বায়োডাটা জমা দিয়ে তার একটি কপি জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টার হাতেও দিয়েছিলাম।

উপদেষ্টা মহোদয়ের সঙ্গে পরে একদিন দেখা করলে তিনি আমাকে বলেছিলেন, ‘তোমাকে তো একটা জায়গায় দেয়া দরকার। কিন্তু কী করব, পিএমকে তো রাজি করাতে পারছি না।’ তারপর ওসব পথে আর অগ্রসর হইনি। বিষয়টি ওখানেই শেষ।

তবে শেষ বললেও যে সবকিছু শেষ হয়ে যায় তেমনটিও নয়। কারণ অনেক সময় রাজনীতি ছাড়তে চাইলেও রাজনীতি মানুষকে ছাড়ে না। একবার ওই পথে পা দিলে তার জের থেকেই যায়। আমার ক্ষেত্রেও অনেকটা তেমনই ঘটেছে।

সর্বশেষ জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে আমি যখন জেলা কমিটির সভাপতির কাছে সবিনয়ে বললাম, ‘উপকমিটির সহ-সম্পাদক পদটি আগেই ছেড়েছি, এবার জেলা কমিটির কার্যনির্বাহী সদস্য পদটিও ছাড়তে চাই, আমাকে যেন কমিটিতে আর না রাখা হয়; জবাবে তিনি বললেন, ‘আপনাদের মতো লোকের দলে প্রয়োজন আছে। আপনি না থাকতে চাইলেও আমি আপনাকে উপদেষ্টা সদস্য হিসেবে রেখে দেব।’

তার কথা শুনে আমি আরও জোরেশোরে বলেছিলাম, আমাকে যেন কমিটিতে না রাখা হয়। কিন্তু আমার সে কথা ধোপে টেকেনি। অথচ সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় দলের প্রতি আমার অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জিল্লুর রহমান আমাকে জেলা কমিটির সহসভাপতি করার জন্য বলে দিলেও জেলা কমিটির সভাপতি সাহেব সে নির্দেশ পালন করেননি। কারণ ততদিনে জিল্লুর রহমান আর ইহজগতে ছিলেন না।

প্রিয় পাঠক, রাজনীতির একটি সংক্ষিপ্ত চালচিত্র বলতে গিয়ে আজকের লেখাটি আত্মকাহিনী মনে হলেও এ কাহিনীর মধ্যেই আবার অনেক কিছু খুঁজে পাওয়া যাবে। খুঁজে পাওয়া যাবে রাজনীতির গতি-প্রকৃতির একটি খণ্ডাংশ! স্বাধীনতার ৪৮ বছরে আজ এখন রাজনীতি কোথায় দাঁড়িয়ে আছে, আমার অন্যকিছু লেখায়ও আপনাদের তা বলেছি, আবার আজকের লেখায়ও সেই কথাটিই বলার চেষ্টা করছি।

আর সেই কারণেই একটানা ষোলো বছর রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে যা জেনেছি, শুনেছি, দেখেছি এবং বুঝেছি, সেখান থেকে যতটুকু বলা সম্ভব তার একটি সারসংক্ষেপ উপস্থাপনের প্রয়াসে আমার আজকের উপস্থাপনা।

এই ষোলো বছরের অভিজ্ঞতা থেকেই বলছি, রাজনীতিতে কেউ কারও নয়। এখানে কেউ কাউকে ভালোবাসেন বা পছন্দ করেন এমন ধারণা বোকামি মাত্র। বরং দিন-রাত একে অপরের পেছনে লেগে আছেন। পরস্পরবিরোধী দলের ক্ষেত্রে তা বটেই, নিজ দলের ভেতরেও একজনের পেছনে আরেকজন লেগে আছেন।

আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জিল্লুর রহমান সাহেবের বাসায় বসে একজন অত্যন্ত সিনিয়র নেতা, যিনি বর্তমানে উপদেষ্টা ও মন্ত্রী, তাকে তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক আবদুল জলিল সম্পর্কে বলতে শুনেছি, ‘ওরে শুয়ায়ে ফেলছি, এখন মেরে ফেলা বাকি।’ অথচ আবদুল জলিল তখন সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে অন্তরীণ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন! সেদিনই বুঝেছি একই দল করলেও মনেপ্রাণে একজন অন্যজনের কত বড় শত্রু! আর এসব শত্রুতা-ষড়যন্ত্র যে মারামারি, হানাহানি, হত্যাকাণ্ড পর্যন্ত গড়ায় সে কথা বোধহয় আমরা সবাই জানি।

রাজনীতি তাই আজও পরিচ্ছন্ন মানুষ, ভালো মানুষ বা সুস্থ চিন্তা-চেতনার মানুষের ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে গেল! দেশের সুশিক্ষিত, পরোপকারী, নিরহংকারী, নির্লোভ মানুষের পদচারণায় রাজনীতি আজও মুখরিত হয়ে উঠতে পারল না। আর এ না পারার পেছনের অন্যতম কারণ হল, দেশের প্রতিটি নির্বাচন কমিশনের অসমর্থতা।

অন্যথায় ভারতের দশম প্রধান নির্বাচন কমিশনার টিএন সেশান যদি সে দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্পন্ন করার মাধ্যমে ‘Best remembered as the man who cleaned up elections in India’ খেতাবে ভূষিত হন এবং এ কারণে তিনি যদি র‌্যামন ম্যাগসাসে পুরস্কার পান, তাহলে আমাদের দেশে কেউ তা পারেন না কেন? টিএন সেশান যিনি ভারতীয় অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিসের একজন শীর্ষ কর্তা ছিলেন, অবসরগ্রহণের পর তাকে যখন প্রধান নির্বাচন কশিনার পদে নিয়োগ দেয়া হল, তখন তিনি সে দেশের দশম প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে যা করে গেছেন, দেশ-বিদেশে তা অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকলেও আমাদের দেশে সে ক্ষেত্রে কিছুতেই কিছু হচ্ছে না। বরং একেকজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যরা কমিশনার হিসেবে সুষ্ঠু, সঠিক নির্বাচন অনুষ্ঠানের শপথ নিয়ে যা করছেন, বারবার তা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।

অন্যথায় বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে নির্বাচন নিয়ে সূক্ষ্ম কারচুপির কথা বলতে হতো না। সেদিন নির্বাচনে কারচুপি হয়েছিল বলেই তিনি উপরোক্ত মন্তব্য করেছিলেন। অথচ সেদিন তার কথায় গুরুত্ব দেয়া হয়নি। যদি সেদিন থেকেই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হতো, তাহলে আজ পানি এতদূর গড়াত না।

স্বাধীনতার এত বছর পর আজও তাই নির্বাচন কমিশনের দিকেই বারবার আঙুল তোলা হচ্ছে। কারণ তারা শক্ত হাতে নির্বাচন পরিচালনা করতে পারছেন না। জনগণের ভোট বারবার ছিনতাই হয়ে যাচ্ছে। জনগণ নির্বিঘ্নে তাদের পছন্দসই প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ পাচ্ছেন না। টিএন সেশান ভারতে যেমন একজন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষককে পোলিং অফিসার হিসেবে নীতি-নৈতিকতায় এমন স্থানে নিয়ে গেছেন যে, নির্বাচনের দিন তাকে দিয়ে কোনো মন্ত্রী-মিনিস্টার, এমনকি প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত কোনো অনৈতিক কাজ করাতে পারবেন না। সে তুলনায় আমাদের দেশের একজন পোলিং অফিসার, প্রিসাইডিং অফিসারের নীতি-নৈতিকতার মান কোথায় তা বোধহয় সবাই জানেন।

দেশের রাজনৈতিক দলগুলো পরস্পরের প্রতি বৈরী হলেও নির্বাচনের সময় নির্বাচন কমিশনের বলিষ্ঠতা ভোটারদের ভোটাধিকার রক্ষা করবে, একদল হয়রানিমূলক মামলা করে অন্য দলের লোকজনকে জেলে ঢোকালে বিচার বিভাগ সব নাগরিকের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করবে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নাগরিকদের নিরাপত্তা দেবে, কেবল তাহলেই তো স্বাধীনতার সুফল জনগণ ভোগ করতে পারবেন, নাকি?

নির্বাচন কমিশন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ আইন-আদালত যদি দেশে Example of integrity in good governance, courageous service to the people, pragmatic idealism within the democratic society প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হন, তাহলে স্বাধীনতাই বা অর্থবহ হয় কী করে!

এই স্বল্প পরিসরে আর কিছু বলার সুযোগ না থাকায় লেখাটি এখানে শেষ করতে হচ্ছে। তবে তার আগে শেষ কথাটিও বলে যাই। এই লেখাটি ছাপার পরদিনই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর সে নির্বাচনেও যে পেশাদার ভোট শিকারি, ভোট চোর, ভোট ডাকাত থাকবে না এমনটি নয়। এ অবস্থায় আপাতত ভোটারদেরই সতর্ক হতে হবে। ভোট ডাকাতের হাত থেকে নিজ নিজ ভোটকে রক্ষার জন্য সাবধান থাকতে হবে।

মুহাম্মদ ইসমাইল হোসেন : কবি, প্রাবন্ধিক, কলামিস্ট

ঘটনাপ্রবাহ : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

আরও
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×