সমন্বিত পরিকল্পনা ছাড়া যানজট কমবে না

  সালাহ্উদ্দিন নাগরী ২৯ ডিসেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

যানজট

ঢাকা শহরের রাস্তায় যানজট আমাদের গা-সওয়া হয়ে গেছে। স্বাভাবিক গতিতে গাড়ি চললে যে পথটুকু ১৫ থেকে ২০ মিনিটে যাওয়া যায়, নগরবাসী সে পথটুকুর জন্য এক থেকে সোয়া ঘণ্টা বরাদ্দ রেখেই বাসা থেকে বের হন। বিশ্বব্যাংকের একটি রিপোর্ট বলছে, যানজটের কারণে প্রতিদিন ৩.২ মিলিয়ন কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে। তারপরও এ সমস্যার কোনো যুতসই সমাধান বের করা যাচ্ছে না।

এই শহরে দ্রুত, মধ্য ও স্বল্পগতির প্রায় ১৯ ধরনের যানবাহন চলাচল করে। এর মধ্যে বাস, দোতলা বাস, ট্রাক, মাইক্রোবাস, টেম্পো, সিএনজি অটোরিকশা, হিউম্যান হলার, প্রাইভেট কার, মোটরসাইকেল, রিকশা, বাইসাইকেল অন্যতম।

বাইরের দেশগুলোয় একই রাস্তায় বড়জোর ৪-৫ ধরনের যান চলাচল করে এবং তাদের গতিও কম-বেশি একই ধরনের। তাই বিদেশের ট্রাফিক ব্যবস্থাকে বলা হয় ‘হোমোজেনিয়াস’। এটা নিয়ন্ত্রণ করা তুলনামূলক সহজ।

আমাদের রাস্তায় বিভিন্ন আকার-প্রকার ও গতিসীমার যান চলাচলকে বিশেষজ্ঞরা ‘হেটেরোজেনিয়াস’ ট্রাফিক বলে আখ্যায়িত করেছেন। ঢাকা শহরের ৬-৮ শতাংশ মানুষ প্রাইভেট কার ব্যবহার করে, বাকিরা পাবলিক ট্রাসপোর্ট যেমন- বাস, মিনিবাস, সিএনজি অটোরিকশার ওপর নির্ভরশীল। প্রাইভেট কার ঢাকার রাস্তার ৬০-৬৫ শতাংশ দখল করে; যেখানে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট করে মাত্র ৭ শতাংশ।

রাজধানীর মতিঝিল-দিলকুশার মতো ব্যস্ত বাণিজ্যিক এলাকায় প্রতিদিন লেন-বাইলেন, প্রধান সড়কসহ বিভিন্ন স্থাপনার আশপাশে শত শত গাড়ি সকাল থেকে সন্ধ্যা অবধি পার্ক করা থাকে। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, মার্কেট, বড় অনুষ্ঠানে কমিউনিটি সেন্টারের পাশের রাস্তাগুলো দিয়ে গাড়ি, এমনকি পথচারীর চলাচল কঠিন হয়ে পড়ে। একই সঙ্গে সিএনজি ফিলিং স্টেশনের সামনে রাস্তায় গাড়ির কিউ যানজটকে আরও দুর্ভেদ্য করে তোলে।

রাজধানীর যানজটের অনেক কারণের মধ্যে ছোট যানবাহনসহ প্রধানত চারজন যাত্রী বহনকারী প্রাইভেট কারকে দায়ী করা হচ্ছে। বর্তমানে ঢাকায় প্রাইভেট কারের সংখ্যা প্রায় আড়াই লাখ, তারপরও প্রতিদিন প্রায় ১০০ প্রাইভেট গাড়ি এ শহরের রাস্তায় যুক্ত হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অল্পযাত্রী বহনকারী এ গাড়ি যানজট ও পার্কিং সমস্যা তৈরি করছে। বিভিন্ন ধরনের দুর্ঘটনা, জ্বালানি সংকটসহ জনদুর্ভোগ বাড়িয়ে তুলছে। সে কারণেই অনেকের মতে, প্রাইভেট গাড়ি ব্যবহারে জনগণকে নিরুৎসাহিত করতে হবে। ছোট যানবাহন ও প্রাইভেট কারের সংখ্যা ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের আলোচনায় অনেকেই সিঙ্গাপুর, হংকং, লন্ডনসহ বিভিন্ন শহরের উদাহরণ দিয়ে থাকেন।

গাড়ি ক্রয়ের আগে লাইসেন্স সংগ্রহ, উচ্চ শুল্ক নির্ধারণ, পার্কিং খরচ বৃদ্ধি, ‘প্রাইভেট গাড়িমুক্ত দিবস’ উদ্যাপনসহ বিভিন্ন শর্ত আরোপের মতামত দিয়ে থাকেন। এভাবে চাপে ফেলে প্রাইভেট গাড়ির সংখ্যা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে আমাদের দেশে যানজট কিছুটা কমানো গেলেও জনভোগান্তি কমানো যাবে না। যে ব্যবস্থা ও পদ্ধতি জনভোগান্তি এবং দুর্ভোগ বাড়িয়ে দেয়, সে পদ্ধতি কেন চালু করব?

সঙ্গত কারণে প্রশ্ন আসে- ব্যক্তিগত যানবাহন বা প্রাইভেট কার মানুষ কেন কিনছে? ঢাকা বা অন্যান্য শহরে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট কি জনমানুষের চাহিদা মেটাতে পারছে না? আমাদের বাসস্ট্যান্ডগুলোয় সকাল ও সন্ধ্যায় কর্মজীবী মানুষের হাহাকারের চিত্রই ফুটে ওঠে।

যথাসময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা কর্মস্থলে পৌঁছানোর জন্য ধস্তাধস্তি করে বাস-টেম্পোয় উঠে বসার জায়গা তো দূরের কথা; বাদুড়ঝোলা হয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। এ জার্নি মোটেই সুখকর নয়, মানুষের ঘামের গন্ধে, গরমে ও ধুলোবালিতে অস্বস্তিকর অবস্থা তৈরি হয়। স্বল্প দূরত্বে যাতায়াতের কোনো বিকল্প ব্যবস্থা গড়ে না তুলেই ঢাকা শহরে অনেক রাস্তা রিকশামুক্ত করা হয়েছে।

একান্নবর্তী পরিবার ভেঙে ভাইবোন, আত্মীয়স্বজন যে যার সুবিধামতো বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে পড়ছে। শহরের পরিধি বড় হচ্ছে, মানুষের মুভমেন্ট বাড়ছে। এখন আর রিকশায় চড়ে শহরের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে যাওয়া যাচ্ছে না। ফলে ব্যক্তিগত যানবাহনের প্রয়োজনীয়তা ভীষণভাবে অনুভূত হচ্ছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তার মাঝখানে পাবলিক ট্রান্সপোর্টে ওঠানামা মানুষ সহজভাবে নিতে পারছে না।

কুৎসিত ইঙ্গিতের প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় নারীরা পাবলিক পরিবহনের প্রতি অনাগ্রহী হয়ে উঠছে। সিএনজি অটেরিকশা বা অন্যান্য অটোরিকশায় নিরাপত্তার অভাব, মাঝপথে সর্বস্ব লুটপাট ও ছিনতাই হরহামেশা লেগেই থাকে। তারপরও উপায়হীন মানুষকে ওইসব যানবাহনে উঠতে হচ্ছে।

প্রত্যেক মানুষই তার সন্তানকে একটু ভালো অবস্থায় রাখতে চায়। ছোটবেলায় যে অভাবের মধ্যে সে বেড়ে উঠেছিল, তার সন্তানকে এসবের মুখোমুখি হতে দিতে চায় না। আমাদের অধিকাংশ স্কুল-কলেজে ছাত্রছাত্রীদের আনানেয়ার জন্য ট্রান্সপোর্টের ব্যবস্থা নেই।

অনেকে তাই সন্তানকে বাস কিংবা টেম্পোয় স্কুল-কলেজে পাঠিয়ে উদ্বিগ্ন দিন পার করা অপেক্ষা পারিবারিক অন্যান্য খরচ কমিয়ে গাড়ি কেনা শ্রেয় মনে করছে। মানুষের জীবন যাত্রার মান বেড়েছে, অনেকের হাতে টাকা-পয়সা আছে; পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা, আরামদায়ক জার্নি সবকিছু মাথায় রেখে অনেকে তাই ব্যক্তিগত ট্রান্সপোর্ট কিনছে।

মানুষ হাঁটতে চায়, স্বল্প দূরত্বে যাতায়াতের জন্য হাঁটাই পছন্দ করে। নিজের গাড়ি থাকলেও নিতে চায় না। দিনশেষে সুযোগ পেলে কর্মস্থল থেকে ‘এক ঢিলে দুই পাখি মারা’র মতো একটি নির্দিষ্ট পথ হেঁটেই বাসায় ফিরতে চায়, যেন জগিংয়ের জন্য আলাদা সময় বরাদ্দ রাখার প্রয়োজন না পড়ে। কিন্তু নগরবাসীকে শহরের মধ্যে হাঁটার ব্যবস্থা করে দেয়া যায়নি।

অনেক রাস্তায় ফুটপাত নেই; যেখানে আছে তা-ও আবার হকার-ফেরিওয়ালা, সমুচা-চটপটিসহ হরেক রকম দোকানদারের দখলে। ফুটপাতের অদখলকৃত অংশটিও নোংরা, আবর্জনায় ভরা, কোনো কোনো জায়গায় আবার স্লাব নেই, রাতেরবেলায় অনেক জায়গায় স্ট্রিট লাইটের অভাব নিরাপত্তাহীনতাকে বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়। এত বিড়ম্বনা সহ্য করে মানুষ হাঁটবে কেন?

মানুষ ঢাকা শহরে খুব সাধ করে গাড়ি কিনছে, তা নয়। নতুন গাড়ি দু’দিনের মাথায় ঘষা লেগে, ট্যাপ খেয়ে একাকার হয়ে যাচ্ছে। এই গাড়ি মেইটেন করতে গাড়ির মালিক বা ব্যবহারকারীকে বহুবিধ উটকো ঝামেলা পোহাতে হচ্ছে। কোনো কোনো সময় এর বিড়ম্বনাগুলো গাড়ি ব্যবহারের সুবিধাগুলো ছাপিয়ে অসুবিধার মাত্রা দ্বিগুণ করে তুলছে। তারপরও উপরের বিষয়গুলো সমন্বয় করার জন্য বাধ্য হয়ে গাড়ি কিনছে।

একটি প্রাইভেট গাড়ি মেইনটেইন করতে প্রতি মাসে একটা বড় অঙ্কের অর্থ খরচ হয়ে যায়। তার ওপর বাড়তি টেনশন তো থাকেই। তাই বিকল্প পরিবহনের ব্যবস্থা করে দিতে পারলে মানুষ ঝামেলামুক্ত থাকতে প্রাইভেট গাড়ির ব্যবহার কমিয়ে দেবে। প্রাইভেট কারগুলো রাস্তায় বের হয়ে ফুলটাইম রানিং থাকে না।

ব্যক্তিগত এই যানবাহনগুলোকে বিভিন্ন জায়গায় যেতে হয়, কোথাও হয়তো অল্প সময়ের জন্য, কোথাও আবার দু-চার ঘণ্টার জন্যও থামতে হয়। কিন্তু সবখানে পার্কিংয়ের ব্যবস্থা নেই। কোথাও ক্ষণিকের জন্য থামলেই গাড়িচালককে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িতদের কাছে অজস্র প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

বিভিন্ন স্কুল-কলেজ যেমন বেইলি রোডের ভিকারুননিসা স্কুল, হাসপাতাল, কমিউনিটি সেন্টারগুলোয় পর্যাপ্ত গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা নেই। বাধ্য হয়ে রাস্তার ধারে গাড়ি রাখতে হচ্ছে। দু-চার মিনিটের জন্য গাড়ি রাখলেই জরিমানা, পার্কিং করা গাড়ির ভিডিও করা হচ্ছে। সব কাগজপত্র নিয়ে হাজির হওয়ার জন্য চিঠি আসছে। এভাবে জরিমানা করে রাস্তার ধারে গাড়ি পার্কিং কি বন্ধ করা যাবে? তাহলে অল্প সময়ের জন্য মানুষজন কোথায় গাড়ি রাখবে? এতে গাড়ি ব্যবহারকারীদের শুধু যন্ত্রণার মাত্রাই বৃদ্ধি পাবে।

আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও পরিচিতজনের বাসায় বেড়াতে গেলে গাড়ি রাখার জায়গা থাকে না। আর সেটা যদি অ্যাপার্টমেন্ট বিল্ডিং হয়, তাহলে তো কথাই নেই; দেয়ালের সঙ্গে সেঁটে দেয়া সাইনবোর্ডে খোদাই করা আছে- ‘অতিথিদের গাড়ি বাইরে রাখুন’। বাইরে কোথায় রাখবে? রাস্তার ওপর? তাহলে তো ওই রাস্তা দিয়ে গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু হবে।

সিটি কর্পোরেশন, বিল্ডিং মালিক ও এলাকাবাসীকে এ সমস্যার সুরাহা করতে হবে। যানজট নিয়ন্ত্রণের আরও বহুবিধ বিকল্প পদ্ধতি আছে, সেগুলো প্রয়োগের বিষয়টিকে প্রাধান্য দিয়ে দেখি না কেন, কতটুকু ফল পাওয়া যায়! তারপর না হয় অন্য কিছু চিন্তা করা যাবে। মানুষের জীবনযাত্রা ও চলাফেরা সহজ, নিরাপদ ও আরামদায়ক করার জন্য ব্যক্তিগত ট্রান্সপোর্ট অন্যতম অনুষঙ্গে পরিণত হয়েছে, ফলে এটি এখন কোনো বিলাসী বস্তু হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে না।

পর্যাপ্তসংখ্যক মানসম্পন্ন পাবলিক ট্রান্সপোর্টের ব্যবস্থা করতে হবে। যাত্রী ওঠানামা করানোর সময় পরিপূর্ণভাবে থামতে হবে। ডানে-বামে অন্যান্য গাড়ি চলা অবস্থায় রাস্তার মাঝখানে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাত্রী ওঠানামা করানো যাবে না। শুধু বাসস্টপেজে বাস থামাতে হবে।

যাত্রীদের জন্য মানসম্পন্ন যাত্রী ছাউনি তৈরি করতে হবে। ড্রাইভার, হেলপারকে শিষ্টাচারসম্পন্ন হতে হবে। যাত্রী, বিশেষত নারীদের সঙ্গে শালীন আচরণ করতে হবে। ড্রাইভারের লাইসেন্স থাকতে হবে, ট্রাফিক আইন মেনে গাড়ি চালাতে হবে। মোট কথা, পাবলিক ট্রান্সপোর্টে জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করতে হবে।

মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান, বিশেষত স্কুলপড়ুয়া সন্তানদের যাতায়াতের জন্য গাড়ি কেনা হয়; তাই ব্যক্তিগত যানবাহনের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে প্রত্যেক স্কুল-কলেজে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য বাসের ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করতে হবে। এতে স্কুল-কলেজসংলগ্ন রাস্তাগুলোয় যানজট থাকবে না।

মানুষের হাঁটার জন্য যে কোনো উপায়ে ফুটপাত উন্মুক্ত রাখতে হবে। স্থানীয় টাউট, দখলদার, চাঁদাবাজদের খপ্পর থেকে উদ্ধার করে ফুটপাতকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও অবারিত রাখতে হবে।

শহরের যেসব রাস্তায় এক পাশে পার্কিংয়ের ব্যবস্থা রাখলেও গাড়ি চলাচলে অসুবিধা হবে না, সেগুলোয় রোড পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। ঢাকার কিছু রাস্তায় অবশ্য এ ব্যবস্থা চালু হয়েছে। অবৈধ পার্কিংয়ের জরিমানা থেকে সংগৃহীত টাকা দিয়ে পার্কিংয়ের জন্য নতুন নতুন জায়গা ক্রয় করতে হবে।

জনসমাগম বেশি হওয়ার মতো কোনো প্রতিষ্ঠান শহরের মধ্যে গড়তে না দেয়ার বিষয়টি চিন্তা করা যেতে পারে। অনেক উন্নত দেশ অপেক্ষা আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা অনেক বেশি। শহরের ভেতরে নতুন করে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ট্রেনিং ইন্সটিটিউট ও হাইরাইজ বিল্ডিং তৈরির পদক্ষেপ নেয়ার আগে যানজটের বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে হবে।

কোনো শহরে নিরুপদ্রব যান চলাচলের জন্য ২৫ শতাংশ রাস্তা থাকা দরকার। আমাদের ঢাকা শহরে রাস্তার পরিমাণ ৮ শতাংশ। এ রাস্তার আবার অন্তত ২০ শতাংশ বিভিন্নভাবে দখল হয়ে আছে। তাই যানজটমুক্ত নগর তৈরির জন্য রাস্তার পরিমাণ বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে হবে।

নিরাপদ, আরামদায়ক ও যানজটমুক্ত যোগাযোগ নেটওয়ার্ক তৈরিতে বড় যানবাহন অর্থাৎ বাসের কোনো বিকল্প নেই। ঢাকা শহরকে যানজটমুক্ত করতে ছোট যানবাহনের সংখ্যা কমিয়ে মানুষকে বাসে যাতায়াতে আকৃষ্ট করার জন্য সমন্বিত পরিকল্পনা প্রয়োজন।

যতদিন পর্যন্ত এ পরিকল্পনার বাস্তবায়ন সন্তোষজনক পর্যায়ে উপনীত না হয়, ততদিন ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা প্রাইভেট কারের পার্কিং সমস্যা, জরিমানাকরণ ও গাড়ির ডকুমেন্ট জব্দ করার বিষয়টি যৌক্তিকতার সঙ্গে বিবেচনা করলে মানুষ একটু স্বস্তি পাবে বলে আশা করি।

সালাহ্উদ্দিন নাগরী : সরকারি চাকরিজীবী

[email protected]

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×