বিশাল জয় বিশাল দায়িত্ব নির্দেশ করছে

  মো. আনছার আলী খান ০৬ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

নির্বাচন

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুসম্পন্ন হল ৩০ ডিসেম্বর। নানা কারণে এ নির্বাচনটি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মহলের প্রত্যাশা অনুযায়ী অংশগ্রহণমূলক, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠান ছিল একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকার ও সব রাজনৈতিক দল পারস্পরিক আলোচনায় সম্মত হয়। সব পক্ষের মধ্যে তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনার ভিত্তিতে একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানে সমগ্র জাতি উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখার তাগিদে এরূপ একটি নির্বাচনের অন্য কোনো বিকল্প ছিল না।

একটি রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীন একটি দেশে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা বারবার নানাভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের স্বাধীনতাবিরোধী চক্র ’৭১-এর করুণ পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে প্রথম থেকেই তৎপর হয়ে ওঠে। এ চক্রান্তের প্রথম পর্যায়েই তারা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষীয় শক্তির মধ্যে বিরোধ বাধাতে সমর্থ হয়। নয় মাসের যুদ্ধে দেশ পরিণত হয়েছিল একটি ধ্বংসস্তূপে। দেশের সব অবকাঠমো হয়েছিল ধ্বংসপ্রাপ্ত। অর্থনীতি বিধ্বস্ত। মানুষের হাতে হাতে অবৈধ অস্ত্র। পুরো একটি বছর ধরে কৃষিতে উৎপাদন ব্যাহত। শিল্প খাত ধ্বংসপ্রাপ্ত। জোড়াতালি দেয়া প্রশাসন। পরিস্থিতি সামাল দিতে আন্তর্জাতিক সংস্থা ও বন্ধু দেশগুলো থেকে প্রাপ্ত অপ্রতুল সাহায্য-সহযোগিতায় দেশের মানুষ কোনোভাবে উঠে দাঁড়াতে শুরু করেছে; ঠিক এমন এক মুহূর্তে স্বাধীনতার মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় স্বাধীনতার মহানায়ককে নৃশংসভাবে সপরিবারে খুন করতে সমর্থ হয় চক্রান্তকারীরা। মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনাকারী জাতীয় চার শীর্ষ নেতাকে রাষ্ট্রীয় হেফাজতে থাকাকালীন নৃশংসভাবে হত্যা করে সমগ্র জাতিকে নেতিবাচক বার্তা দেয়ার অপচেষ্টায় লিপ্ত থাকে। বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনিদের রাষ্ট্রীয়ভাবে পুরস্কৃত করে বিদেশি মিশনে নিয়োগ দেয়া হয়। বহুদলীয় গণতন্ত্রের নামে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নস্যাৎকারীরা শহীদের রক্তে ভেজা এ দেশের মাটিতে যুদ্ধাপরাধীদের রাজনীতি করার অধিকার দেয়। জনরোষের শিকার হয়ে গণপিটুনিতে মারা যাওয়ার ভয়ে যেসব যুদ্ধাপরাধী ছদ্মবেশে পলায়নপর ছিল, ইনডেমনিটি বিল পাস করে তাদের মুক্ত করে দেয়া হয়। ইঁদুরের গর্তে লুকিয়ে থাকা বিষধর সাপগুলো একে একে বেরিয়ে এসে ফণা তুলে দাঁড়ায়। তখন থেকেই সুসংগঠিত হতে থাকে তারা। অন্যদিকে যোগ্য নেতৃত্বের অভাব এবং প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তিসহ নানা অন্তর্দ্বন্দ্বে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষ শক্তি ক্রমান্বয়ে দুর্বল হতে থাকে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করার মাধ্যমে স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাসকে অনেকটায় আড়াল করে ফেলার অপচেষ্টা অব্যাহত থাকে।

এভাবে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড, ক্যু, পাল্টা ক্যু ইত্যাদি নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। সংবিধানে বর্ণিত জনগণের পরিবর্তে বন্দুকের নলই ক্ষমতার উৎস- এ মন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে বাড়তে থাকে বন্দুকের ব্যবহার। ক্রমান্বয়ে মান্ধাতার আমলের বন্দুকের স্থান দখল করে নেয় কাটাবন্দুক, শটগান, একে-৪৭, আর্জেস গ্রেনেডসহ শক্তিশালী সব অস্ত্র ও বারুদ। এভাবে অত্যাচারী, স্বৈরাচারী নানা নামের শাসকগোষ্ঠী আবির্ভূত হয়ে নিরীহ বাঙালি জাতির মাথার ওপর ছড়ি ঘোরাতে শুরু করে। ক্ষমতা চিরস্থায়ী করার জন্য ত্রিশ লাখ শহীদের রক্তে লেখা পবিত্র সংবিধান কেটেছিঁড়ে মুক্তিযুদ্ধের মূলমন্ত্র থেকে সরে এসে জাতির সামনে দাঁড় করানো হয় এক বিরাট প্রশ্নবোধক চিহ্ন। বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি নড়বড়ে করতে কুচক্রীমহল অনেকটা সফল হয়েছে বৈকি! এসব গোঁজামিলের মধ্যে কেটে গেছে অনেক বছর।

৩০ তারিখের নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে সেদিন দুপুর পর্যন্ত বিভিন্ন গণমাধ্যমে যেসব বিজ্ঞজন ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন, কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে সে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে তাদেরই নেতিবাচক মন্তব্যের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা কি খুবই অন্যায় হবে? যদি এটাই সত্য হয় যে, সরকারপক্ষ রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে নির্বাচনের ফলাফল ঘরে তুলেছে, তাহলে এই ব্যবহারের কাজটি কি মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে করা সম্ভব হয়েছে? যদি তা না হয়ে থাকে, তাহলে নির্বাচনের শেষ সময় পর্যন্ত তাদের নির্বাচনে থাকার সিদ্ধান্তটি কী কারণে নেয়া হয়েছিল! নেতাদের মনে কি এরূপ কোনো আশা ছিল যে, দেশের দশ কোটি ভোটারের অন্তত অর্ধেক অংশ অর্থাৎ পাঁচ কোটি ভোটারের মধ্যে প্রায় আড়াই কোটি পুরুষ ভোটার নির্বাচন কমিশন ঘেরাও করার জন্য ঢাকা অভিমুখে রওনা হবে? অবশ্য ফাঁসকৃত টেলিফোন আলাপে তিনশ প্রার্থীও যদি এমন কাজটি করার সাহস দেখাতেন, তা হলেও প্রমাণ হতো নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে তারা যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী।

এ দলে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী বলে প্রচারকারী গুটি কয়েক প্রার্থীও যদি বঙ্গবন্ধুর আত্মত্যাগ থেকে ন্যূনতম শিক্ষা গ্রহণ করতেন, তাহলে সেটিও দৃষ্টান্ত সৃষ্টির জন্য তাৎপর্যপূর্ণ হতো। একজনও এরূপ সাহসের অধিকারী ছিলেন না, তা কোনোভাবেই বিশ্বাস করা যায় না। সেক্ষেত্রে অন্য কারণটিই মুখ্য ছিল বলে বিশ্বাস করতে কারোরই কষ্ট হওয়ার নয়। সেটি সেই কলের গানের ভাঙা রেকর্ড, যা বাজাতে বাজাতে ইতিমধ্যে জনমনে বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের গ্রহণযোগ্যতাকে লতিফুর রহমান সরকার ২০০১ সালেই চাপা কবর দিয়ে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছেন। একটি সফল গণআন্দোলনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ২০০১ সালে তৎকালীন শেখ হাসিনার সরকার হাসিমুখে ক্ষমতা হস্তান্তর করলেন। সে সরকারের শপথ অনুষ্ঠান শেষ হতে না হতে কথিত হোমওয়ার্কের নামে এ ব্যবস্থাকে কীভাবে কালিমালিপ্ত করা হয়েছিল, তা জাতির সামনে একটি কলঙ্কজনক অধ্যায় হয়ে থাকবে। সে ভুলের পুনরাবৃত্তি জাতি প্রত্যাশা করে না বলেই সে দাবিকে গণদাবি বলে প্রতিষ্ঠিত করা কোনোভাবেই সম্ভব হয়নি। জ্বালাও-পোড়াও আন্দোলনের নামে সরকার পতনের আন্দোলনে জনতাকে মাঠে নামানোও সম্ভব হয়নি।

গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় একটি শক্তিশালী ও কার্যকর বিরোধী দলের অপরিহার্যতা সম্পর্কে দেশবাসী সজাগ থাকলেও সেরূপ একটি উপযুক্ত বিরোধী দলের ভূমিকায় যোগ্য নেতৃত্বের বড়ই সংকট। বারবার রাষ্ট্রক্ষমতায় থেকেও দেশ ও জাতির স্বার্থে নিবেদিতপ্রাণ যোগ্য নেতৃত্ব সৃষ্টি করতে না পারাটা জাতির জন্য দুর্ভাগ্যজনক। কোটা সংস্কারের দাবি, নিরাপদ সড়কের দাবি, সরকারি চাকরিতে বয়স বৃদ্ধির দাবিতে গড়ে ওঠা আন্দোলনে কোনো কোনো মহলকে উল্লসিত হতে দেখা গেছে।

এভাবে যদি কেউ মনে করেন এসব যুবশক্তি ভোট বিপ্লবের মাধ্যমে প্রগতিশীল ও মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনাকারী দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে ক্ষমতাচ্যুত করবে, তবে তারা বোকার স্বর্গে বসবাস করছেন। কারণ তরুণ ভোটারদের অধিকসংখ্যকই ’৭১-এর চেতনা বুকে ধারণ করে গর্বিত হন। তাদের ন্যায্য ও যুক্তিসঙ্গত দাবির সঙ্গে সরকার পতনের আন্দোলনকে তারা কখনই একাকার করে ফেলেন না। সে কারণেই শত চেষ্টা করেও কুচক্রীমহল সেসব আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে বারবার ব্যর্থ হয়েছেন। টানা দশ বছরের শাসনামলে মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাস জাতির সামনে তুলে ধরতে অনেকটা সফল হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ যেভাবে তখনকার বাঙালি সমাজকে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণে আলোড়িত করেছিল, একইভাবে সে ভাষণটি এখনও অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে যুবসমাজকে আলোড়িত করে তোলে।

সেই অকুতোভয় শ্রেষ্ঠ নেতার সুযোগ্যকন্যা তার ধারাবাহিক দশ বছরের শাসনামলে দেশকে এক ঈর্ষণীয় সোপানে উন্নত করতে সমর্থ হয়েছেন। এসব দেখে পাকিস্তানের সুশীল সমাজ দাবি তুলেছে, তাদের দেশকে আগামী দশ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের বর্তমান পর্যায় উন্নত করতে। অথচ পাকিস্তানপ্রেমী এ দেশের একশ্রেণীর রাজনীতিক পাকিস্তানি ধ্যান-ধারণায় দেশ পরিচালনার অঙ্গীকার সামনে রেখে কেবল বিরোধিতার স্বার্থে বিরোধিতা করে দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছেন। তাদের এসব কাজে যুক্ত রয়েছে স্বাধীনতা যুদ্ধের পরাজিত শক্তি। নির্বাচনী প্রতিশ্র“তি অনুযায়ী যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তি কার্যকরের মাধ্যমে বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল থেকে উজ্জ্বলতর হয়েছে। দেশ পরিচালনায় উদ্ভূত যে কোনো ধরনের সংকট বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে মোকাবেলা করে বাঙালি জাতির মর্যাদা বিশ্বদরবারে সুদৃঢ় করা হয়েছে।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বের গুণাবলি দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বহু মাত্রায় সমাদৃত হয়েছে। তার অনন্যসাধারণ প্রতিভায় বাংলাদেশ নামক অধিক জনসংখ্যার এ ছোট্ট দেশ সম্পর্কে আন্তর্জাতিক মহলের বিশেষ সমীহের দৃষ্টি ক্রমান্বয়ে বেড়ে চলেছে। এ দেশ সম্পর্কে অন্য কোনো পক্ষের তাৎক্ষণিক নেতিবাচক সিদ্ধান্ত গ্রহণ দিনে দিনে কঠিন হয়ে পড়েছে। অন্যের দয়া-দাক্ষিণ্যের প্রভাবমুক্ত হয়ে আত্মনির্ভরশীল জাতি হিসেবে বাঙালি আজ বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে শিখেছে।

এমন এক মুহূর্তে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান অনিবার্য হয়ে পড়ে। অতীতের অনাকাক্সিক্ষত ঘটনাগুলো স্মরণ করে জাতির সামনে ভেসে ওঠে নানা রকম অশনি সংকেত। চলমান গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখার স্বার্থে কুচক্রীমহলের সব প্রচেষ্টা নস্যাৎ হয়ে যায়। সামনে চলে আসে সে মাহেন্দ্রক্ষণ। জনগণ দেশের মালিক বিধায় তাদের ওপর দায়িত্ব পড়ে যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচনের। সরকার পক্ষ প্রকাশ্যেই বলতে থাকে, এ নির্বাচন দেশের অন্য যে কোনো নির্বাচনের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এ নির্বাচনে সরকারের পতন ঘটলে দেশে রক্তের গঙ্গা বয়ে যাবে বলে উচ্চারিত হতে থাকে বারবার। এরূপ আশঙ্কা প্রশমনের জন্য বিরোধী পক্ষকে তেমন কার্যকর কোনো উদ্যোগ নিতে দেখা যায়নি। যে কারণে বিগত দিনের ধ্বংসাত্মক ঘটনাবলি সাধারণ মানুষের মনে আতঙ্কের সৃষ্টি করে। বিজয়ের মাসের এ গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে ঐক্যজোট কর্তৃক যুদ্ধাপরাধী রাজনৈতিক দল জামায়াতের ২২ নেতাকে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচনের সুযোগ করে দেয়ায় সে আতঙ্ককে আরও উসকে দেয়া হয়। দেশের মানুষ মারামারি, কাটাকাটি, হানাহানি আর জ্বালাও-পোড়াও-এর দৃশ্য আর দেখতে চাই না। সে কারণেই জনতার সুযোগ্য নেতা হিসেবে শেখ হাসিনা টানা তৃতীয়বারের মতো সুনামিসম বিজয় অর্জনের গৌরব অর্জন করলেন বিজয়ের এ মাসে। প্রমাণিত হল, হাজারও চেষ্টা করেও মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়ার অপচেষ্টা একেবারেই সম্ভব হয়নি।

সামনের পাঁচটি বছর বর্তমান সরকার তথা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য কঠিনতম পরীক্ষার সময়। দিনের প্রথম প্রহর থেকে সে পরীক্ষায় অবতীর্ণ হয়ে জাতিকে টেনে নিতে হবে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলার সেই স্থানটিতে, যা নিশানা করে তার সুযোগ্য কন্যা দীর্ঘ পথ ইতিমধ্যে পাড়ি দিয়ে এসেছেন। তিনি বাঙালি জাতির প্রত্যাশা বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছেন। সেসব প্রত্যাশা পূরণে সব ধরনের সমালোচনা আমলে নিয়ে তিনি ও তার পারিষদসহ সরকারদলীয় নেতাকর্মী ধৈর্য পরীক্ষায় শতভাগ উত্তীর্ণ হতে পারলে ২০২৩ সালে রচিত হবে এমন এক ইতিহাস, যা বিশ্ববাসীর হৃদয়ে স্বর্ণাক্ষরে চিরস্থায়ীভাবে লিপিবদ্ধ হয়ে থাকবে। শেখ হাসিনার ব্যক্তিত্ব সেটাই প্রমাণ করে যে, তিনি সে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার শতভাগ সক্ষমতা রাখেন। তার শতায়ু জীবনের প্রত্যাশা নিয়ে এ দেশের সুসন্তানরা সবসময় তার সঙ্গে রয়েছেন।

মো. আনছার আলী খান : অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব

[email protected]

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
×