স্বদেশ ভাবনা

মৌসুম শেষের আগেই কেন বাড়ছে চালের দাম

  আবদুল লতিফ মন্ডল ০৯ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

মৌসুম শেষের আগেই কেন বাড়ছে চালের দাম
ফাইল ফটো

চলতি আমন মৌসুম এখনও পুরোপুরি শেষ না হলেও এরই মধ্যে বাড়তে শুরু করেছে চালের দাম। সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে দেখা যায়, গত কয়েক দিনে মোটা, মাঝারি, সরু সব ধরনের চালের দাম বেড়েছে।

ধান উৎপাদনে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা আমন ফসলের মৌসুম শেষ হওয়ার আগেই কেন চালের দাম বাড়তে শুরু করল এবং এ দাম বৃদ্ধি গরিব ও নিুবিত্তের জীবনে কী প্রভাব ফেলতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা করাই এ নিবন্ধের উদ্দেশ্য।

৪ জানুয়ারি বণিক বার্তার এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, ১০ দিনের ব্যবধানে মিল, পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে সব ধরনের চালের দাম বেড়েছে। মিল পর্যায়ে বস্তায় (৫০ কেজি) ২১০-২৫০ টাকা বা মণপ্রতি ১৫৮-১৮৭ টাকা।

মিল পর্যায়ে মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পাইকারিতে পুরোপুরি পড়তে আরও কিছুটা সময় লাগবে। তারপরও এরই মধ্যে পাইকারিতে ৫০ কেজির প্রতি বস্তা চালের দাম ১২০-১৪৫ বা মণপ্রতি ৯০-১১০ টাকা বেড়েছে। আর খুচরা পর্যায়ে বেড়েছে কেজিতে ৪ টাকা পর্যন্ত।

৬ জানুয়ারি যুগান্তরের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাইকারি বাজারে এক সপ্তাহ আগে ৫০ কেজি ওজনের প্রতি বস্তা গুটি স্বর্ণা চাল ১ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। একই চাল এখন ১ হাজার ৪৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

একইভাবে বিআর-২৯ চাল ১ হাজার ৬৫০ টাকা থেকে বেড়ে ১ হাজার ৮৫০ টাকা, বিআর-২৮ চাল ১ হাজার ৭৫০ টাকা থেকে বেড়ে ১ হাজার ৮৫০ টাকা, মিনিকেট ২ হাজার ৩২০ টাকা থেকে বেড়ে ২ হাজার ৪৫০ টাকা, সুমন স্বর্ণা ১ হাজার ৪০০ টাকা থেকে বেড়ে ১ হাজার ৫৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। চালের দাম বস্তাপ্রতি ১৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

কেজিপ্রতি ২ থেকে ৪ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। খুচরা পর্যায়ে দাম বৃদ্ধি এখনও পুরোপুরি কার্যকর হয়নি। পরিবহন খরচসহ অন্যান্য কারণে খুচরা পর্যায়ে চালের দাম যে শিগগির পাইকারি বাজারের দামের চেয়ে বেশি হবে সেটা অনেকটা জোর দিয়ে বলা যায়।

মিল মালিকরা সরকারিভাবে চাল সংগ্রহকে চালের দাম বাড়ার একটি বড় কারণ হিসেবে দেখছেন। বাজারে ধানের দাম বেড়ে যাওয়াকে চালের দাম বাড়ার জন্য দায়ী করছেন তারা। তাছাড়া মূল্যবৃদ্ধির কারণ হিসেবে আর লোকসান না টানার জন্য তারা দাম কিছুটা ‘সমন্বয়’ করেছেন।

ব্যবসায়ীরা দুষছেন মিল মালিকদের। মিল মালিকরা হঠাৎ করে দাম বাড়িয়ে দেয়ায় তাদের বেশি দামে চাল কিনতে হচ্ছে। আবার তাদের বেশি দামে চাল বিক্রিও করতে হচ্ছে। এ ছাড়া চালের দাম বৃদ্ধির জন্য তারা পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়াকেও দায়ী করছেন।

এখন এসব যুক্তির কিছুটা বিশ্লেষণ করা যাক। সরকার চলতি আমন মৌসুমে মাত্র ৬ লাখ টন সিদ্ধ চাল সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা মোট উৎপাদিত আমন চালের বিশ ভাগের এক ভাগেরও কম। সরকারের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ মিল মালিকের মাধ্যমে সরকার এ চাল কিনবে।

সরকার সরাসরি কোনো ধান কিনছে না। খোঁজখবর নিয়ে জানা যায়, চালের দাম বৃদ্ধির তুলনায় বাজারে ধানের দাম বৃদ্ধির পরিমাণ অনেক কম। লোকসান দিয়ে চাল বিক্রির পর এখন আর লোকসান না দিতে মিল মালিকরা চালের দাম কিছুটা ‘সমন্ব^য়’ করেছেন বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন। মিল মালিকরা লোকসান দিয়ে চাল বিক্রি করবেন এ কথা বিশ্বাস করা কঠিন।

বাজারে চালের দাম বাড়ার জন্য ব্যবসায়ীরা সবসময় মিল মালিকদের দোষারোপ করে থাকেন। এবারও তা-ই করেছেন। তবে নির্বাচনকালে চাল পরিবহনে ট্রাক ভাড়া বৃদ্ধি চালের দাম বাড়াতে কিছুট ভূমিকা রেখেছে বলে মনে হয়।

উপর্যুক্ত কারণগুলো চালের দাম বাড়াতে কিছুটা ভূমিকা রাখলেও দাম বৃদ্ধির পেছনে মূল কারণটি হল চাল সরবরাহে ঘাটতি। দেশের প্রয়োজন মেটানোর মতো চাল আমরা এখন পর্যন্ত উৎপাদন করতে পারিনি।

আমাদের চাল উৎপাদনের প্রবৃদ্ধির হারের চেয়ে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বেশি। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় চাল উৎপাদনে প্রবৃদ্ধির হার থেকে এটা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা এবং প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পুস্তিকা থেকে দেখা যায়, ২০০৯-১০ সালে সার্বিক কৃষিতে ৫ দশমিক ২৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চাল উৎপাদনে ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ঘটে।

পরবর্তী বছরগুলোতে কৃষিতে প্রবৃদ্ধির হার হ্রাসের সঙ্গে সঙ্গে চাল উৎপাদনেও প্রবৃদ্ধির হার হ্রাস পায়। ২০১১-১২ থেকে ২০১৬-১৭ সময়কালে দেশে চাল উৎপাদনে প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়ায় সর্বোচ্চ ১ দশমিক ৩৩ শতাংশে।

এর মধ্যে ২০১২-১৩ এবং ২০১৬-১৭ সালে চাল উৎপাদনে প্রবৃদ্ধির হার ছিল ঋণাত্মক। চাল উৎপাদনের এ প্রবৃদ্ধির হার জনসংখ্যা বৃদ্ধি হারের (১ দশমিক ৩৫ শতাংশ) চেয়ে কম।

চালের উৎপাদনে প্রবৃদ্ধি নিুমুখী হওয়ায় দাম স্থিতিশীল রাখতে সরকারি ও বেসরকারি খাতে চাল আমদানি করা হয়। ২০১০-১১ অর্থবছরে সরকারি ও বেসরকারি খাত মিলে চাল আমদানির পরিমাণ দাঁড়ায় ১৫ লাখ ৫৪ হাজার মেট্রিক টন। ২০১১-১২ অর্থবছরে সরকারি ও বেসরকারি খাতে আমদানির পরিমাণ ছিল ৫ লাখ ১৩ হাজার মেট্রিক টন।

২০১২-১৩ এবং ২০১৩-১৪ অর্থবছরে চাল আমদানির পরিমাণ কমে এলেও ২০১৪-১৫ অর্থবছরে আমদানির পরিমাণ ছিল ১৪ লাখ ৯০ হাজার টন। ২০১৫-১৬ এবং ২০১৬-১৭ অর্থবছরে চাল আমদানির ওপর যথাক্রমে ১০ শতাংশ ও ২৮ শতাংশ শুল্ক আরোপ করায় আমদানির পরিমাণ ব্যাপকভাবে কমে যায়।

২০১৬-১৭ অর্থবছরে শুধু বেসরকারি খাতে চাল আমদানির পরিমাণ দাঁড়ায় ১ লাখ ৩৩ হাজার মেট্রিক টনে। এ বছর সরকারি খাতে চাল আমদানি করা হয়নি।

চালের আমদানি সর্বনিু পর্যায়ে নেমে আসায় এবং সিলেটে হাওরাঞ্চলে অকাল বন্যায় বোরোর উৎপাদন সরকারি হিসাবে ১০ লাখ টন কমে যাওয়ায় চালের দাম অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ করে।

দেশের ৭০ শতাংশের বেশি মানুষের প্রধান খাদ্য মোটা চালের দাম কেজিপ্রতি ৫০-৫২ টাকায় পৌঁছে। মাঝারি ও সরু চালের দামও সমান তালে বাড়ে।

চালের ঘাটতি মেটাতে এবং দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে সরকার বেসরকারি খাতে চাল আমদানিকে উৎসাহিত করার সিদ্ধান্ত নেয়। চাল আমদানির ওপর পুরো শুল্ক (আমদানি শুল্ক ২৫ শতাংশ এবং রেগুলেটরি ডিউটি ৩ শতাংশ) রহিত করা হয়।

আমদানিকারকরা শুল্ক মওকুফের সুযোগ নিয়ে চাল আমদানিতে উৎসাহী হয়ে ওঠে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জুনের শেষে সরকারি ও বেসরকারি খাত মিলে মোট চাল আমদানির পরিমাণ দাঁড়ায় ৩৮ লাখ ৯৩ হাজার টনে (সূত্র : খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট), যা অতীতে চাল আমদানির সব রেকর্ড ভঙ্গ করে।

চাল আমদানিতে শূন্য শুল্কহারের সুবিধা নিয়ে আমদানিকারকরা ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ঘাটতির চেয়ে বেশি পরিমাণে আমদানি করায় এবং কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা করতে সরকার চলতি অর্থবছরের শুরুতে চাল আমদানিতে প্রত্যাহারকৃত পুরো শুল্ক পুনরায় আরোপ করে।

সরকারিভাবে চাল আমদানি প্রায় না হওয়ায় এবং উচ্চ শুল্কহারের কারণে বেসরকারি খাতে চাল আমদানির পরিমাণ ভীষণভাবে হ্রাস পাওয়ায় চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে আমদানিকৃত চালের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে মাত্র ১ লাখ ৬ হাজার ৬৪ টনে। সরকারিভাবে ৪৯ হাজার ৩৪ টন এবং বেসরকারিভাবে ৫৭ হাজার ৩০ টন চাল আমদানি হয়েছে (সূত্র : খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট)।

সরকারি গুদামে ৯ লাখ টন চাল মজুদ আছে বলে দাবি করা হয়েছে। এ চাল সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে বিতরণ করা হবে। বাজারে এর তেমন কোনো প্রভাব পড়বে না। চাল উৎপাদনকারী বড় কৃষকের কাছে বর্তমানে বোরো ধান ও চাল মজুদ থাকার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। ব্যবসায়ীদের কাছে মজুদ বোরো চাল ফুরিয়ে যাওয়ার পথে।

এ বছর সরকার ১ কোটি ৪১ লাখ টন আমন চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে বলে জানা যায়। রোপা আমন চারা লাগানোর উপযুক্ত সময়ে অর্থাৎ শ্রাবণ মাসের দ্বিতীয় ভাগে দেশের শস্যভাণ্ডারখ্যাত উত্তরাঞ্চলে অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের কারণে কৃষকরা অপেক্ষাকৃত উঁচু ও ভিটামাটি জমিতে আমনের চারা রোপণ করতে পারেনি।

পরবর্তী দু’মাসেও এ অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাত হয়নি। অভিজ্ঞজনরা মনে করছেন, এ বছর আমন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

গত ৬ মাসে মাত্র ১ লাখ টন চাল আমদানি হওয়ায় এবং আমন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা পূরণের সম্ভাবনা না থাকায় আগামী মার্চ-এপ্রিল সময়ে বেশি দাম পাওয়ার আশায় মিল মালিক ও মজুদদাররা আমন ধান-চাল মজুদ করবেন। ফলে আগামীতে বোরো চাল না আসা পর্যন্ত চালের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

চালের দাম বাড়লে জনগণের, বিশেষ করে গরিব ও নিুবিত্তদের সংসারে দুর্ভোগ বেড়ে যায়। একটি পরিবারে মাসিক যে ব্যয় হয়, তার কমবেশি অর্ধেক চলে যায় খাদ্য সংগ্রহে।

বিবিএসের প্রিলিমিনারি হাউজহোল্ড ইনকাম অ্যান্ড এক্সপেনডিচার সার্ভে (এইচআইইএস) ২০১৬-এর রিপোর্ট মোতাবেক জাতীয় পর্যায়ে একটি পরিবারের মাসিক মোট ব্যয়ের ৪৭ দশমিক ৭০ শতাংশ খরচ হয় খাদ্যে।

আর একটি পরিবার মাসে খাদ্যে যে ব্যয় করে, তার সিংহভাগ চলে যায় চালে। নিুবিত্ত ও দরিদ্র শ্রেণীর জন্য এ ব্যয় মোট খাদ্য ব্যয়ের কমবেশি ৭০ শতাংশ। সরকারি হিসাবমতে, দেশে এখনও কম-বেশি চার কোটি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে।

এসব মানুষের মাত্র ২৯ শতাংশ সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় রয়েছে। অর্থাৎ গরিব মানুষের ৭১ শতাংশ এ কর্মসূচি থেকে কোনো সুবিধা পায় না। চালের মূল্যস্ফীতি এসব মানুষের জীবনে চরম দুর্ভোগ বয়ে আনে এবং তাদের খাদ্যনিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ঠেলে দেয়।

শুধু দরিদ্র ও হতদরিদ্ররা নয়, চালের মূল্যবৃদ্ধিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় মধ্যবিত্ত ও নিুমধ্যবিত্তরাও, বিশেষ করে যাদের আয় নির্দিষ্ট। চালের দামের ঊর্ধ্বগতির কারণে মধ্যবিত্ত ও নিুমধ্যবিত্তদের মাছ, মাংস, ডিম, দুধ অর্থাৎ আমিষজাতীয় খাবার কেনা অনেকটা কমিয়ে দিতে হয়।

এতে তাদের পরিবারে, বিশেষ করে শিশু ও নারীদের পুষ্টির অভাব ঘটে। এতে অবনতি ঘটে তাদের স্বাস্থ্যের। তাছাড়া এসব পরিবারকে কমিয়ে দিতে হয় শিক্ষা খাতে ব্যয়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় শিক্ষার্থীরা। সংকুচিত করতে হয় তাদের পরিবারের স্বাস্থ্য খাতের ব্যয়, যা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ।

সবশেষে বলতে চাই, সরকারের উচিত হবে আগামীতে বোরো চাল আসা পর্যন্ত সময়কালে দেশে চালের সম্ভাব্য চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ পরিস্থিতি সতর্কতার সঙ্গে পর্যালোচনা করা।

প্রয়োজনে একদিকে যেমন সরকারিভাবে চাল আমদানির ব্যবস্থা নিতে হবে, তেমনি অন্যদিকে বেসরকারি খাতকে চাল আমদানিতে উৎসাহ দিতে শুল্কহারে পরিবর্তন আনতে হবে।

সরকারের সতর্কতার অভাবে ও সময়মতো পদক্ষেপ না নেয়ার কারণে ২০১৭ সালে যে চাল সংকট সৃষ্টি হয়েছিল, তার যেন পুনরাবৃত্তি না হয়।

আবদুল লতিফ মন্ডল : সাবেক খাদ্য সচিব কলাম লেখক

[email protected]

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
×