দেশপ্রেমের চশমা

নির্বাচন ও গণশুনানির করুণ কাহিনী

  মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার ১১ মার্চ ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

নির্বাচন ও গণশুনানির করুণ কাহিনী
ফাইল ছবি

লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে এ দেশের মানুষ স্বাধীনতা অর্জন করেছে। রাস্তাঘাট, ফ্লাইওভার বা অকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য মানুষ দেশ স্বাধীন করেনি। অন্যায়ভাবে বঙ্গবন্ধুকে তার ন্যায্য গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে পাকিস্তানি শাসকরা বঞ্চিত করতে চেয়েছিল বলে তার প্রতিবাদে এ দেশের মানুষ হাতে তুলে নিয়েছিল অস্ত্র।

মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিয়ে তাদের উন্নয়ন দিয়ে সন্তুষ্ট করা গেলে তো জেনারেল আইয়ুব ও ইয়াহিয়া খানের পতন হতো না। কারণ জেনারেল আইয়ুব ষাটের দশককে উন্নয়ন দশক ঘোষণা দিয়ে উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন করেছিলেন। গণতন্ত্রের চেয়ে উন্নয়ন বড় হলে তো স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে জেনারেল এরশাদকেও ১৯৯০-এর দশকে ক্ষমতা ছাড়তে হতো না।

কারণ তিনিও তার ৯ বছরের শাসনামলে উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন করেছিলেন। উল্লেখ্য, এ দেশের মানুষ সর্বকালে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছেন। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, অত্যাচারের ভয়কে উপেক্ষা করেই মানুষ যুগে যুগে অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছেন। রক্ত দিয়েছেন। জীবন দিয়েছেন। তবে তারা উন্নয়নের প্রলোভন আর রাজনৈতিক স্বার্থের জন্য কখনই নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার বিক্রি করেননি।

সাম্প্রতিক বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা থেকে সরে এসেছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। এখন দেশ পরিচালনায় গণতন্ত্রের চর্চা ম্রিয়মাণ করে উন্নয়ন অর্জনে অধিক গুরুত্বারোপের চেষ্টা চলছে। আর সে চেষ্টায় সরকারকে সহায়তা দিচ্ছেন একশ্রেণীর বুদ্ধিজীবী, প্রশাসনযন্ত্র, আমলাতন্ত্র এবং সুশীল সমাজের বড় একটি সুবিধাভোগী অংশ। গণতন্ত্রকে সক্রিয় ও প্রাণবন্ত রাখতে অর্থবহ ভূমিকা পালনকারী নির্বাচনী ব্যবস্থাকে অকার্যকর করে ফেলা হয়েছে। নির্বাচন পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান নির্বাচন কমিশন আজ রুগ্ন ও অসুস্থ।

কাগজে-কলমে স্বাধীন ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হলেও কমিশন আজ্ঞাবহ ও হুকুমবরদারি ভূমিকা পালন করছে। সংবিধানে শক্তিশালী ইসি গঠনের সুযোগ থাকলেও ক্ষমতাসীন দলগুলো সে সুযোগ ব্যবহার করেনি। ফলে মনপছন্দ লোক দিয়ে ইসি গঠন করায় কমিশন স্বাধীনভাবে মুক্ত ও অবাধ নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে পারছে না। মাঝে অবশ্য মধ্য নব্বই দশকে সংবিধানের ত্রয়োদশ সাংবিধানিক সংশোধনীর মাধ্যমে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রচলনের পর কতিপয় সংসদ নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হয়েছিল।

ওই নির্বাচনগুলোয় অংশগ্রহণকারী দলগুলো নির্বাচনী প্রচারণায় সমান সুযোগ পেয়েছিল এবং ভোটাররা বাধাহীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরেছিলেন। কিন্তু তত্ত্বাবধায়ক সরকারে কিছু ত্রুটি দেখা দেয়ায় ত্রুটিগুলো সংস্কার না করে রাজনৈতিক ফায়দাকে অগ্রাধিকার দিয়ে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার গণমতামত উপেক্ষা করে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী পাস করে। এ সংশোধনীতে সর্বসম্মতভাবে গৃহীত তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিল করায় নির্বাচনী ব্যবস্থায় আবারও বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়ে।

দলীয় ব্যবস্থাধীনে সংসদ নির্বাচনের ব্যবস্থা করায় সৃষ্ট নির্বাচনী বিশৃঙ্খলা দশম ও একাদশ সংসদ নির্বাচনে ব্যাপকভাবে দৃশ্যমান হয়। দশম নির্বাচনে প্রধান বিরোধী দলসহ সংখ্যাগরিষ্ঠ দল নির্বাচন বয়কট করায় অধিকাংশ আসনে এমপিগণ বিনা ভোটে ‘অটো এমপি’ নির্বাচিত হন। আর একাদশ সংসদ নির্বাচনে ৩০ তারিখের ভোট জনগণের পর্যবেক্ষণ ও পত্রপত্রিকার রিপোর্ট অনুসারে অনেক ক্ষেত্রেই ২৯ তারিখ রাতে সম্পন্ন হয়। ফলে নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হলেও অবাধ ও গ্রহণযোগ্য হয়নি।

গণতান্ত্রিক বিশ্বেও নির্বাচনটি প্রত্যাশিত গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। ফলে বাংলাদেশের গণতন্ত্রচর্চা এখন চরম খরার মধ্যে পড়েছে। নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের অনেকে মনে করেন, দলীয় সরকারাধীনে নির্বাচনী প্রক্রিয়া চলমান থাকলে এ খরা দূর করা যাবে না। দিন দিন নির্বাচনী ব্যবস্থা আরও ভেঙে পড়বে, যা স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোয় ইতিমধ্যে দৃশ্যমান হচ্ছে। অতি সম্প্রতি ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভোটারদের স্বল্প উপস্থিতি নির্বাচন ব্যবস্থার প্রতি তাদের অনীহার প্রমাণ। ওই নির্বাচনে অনেক কেন্দ্রে শতকরা ১ ভাগেরও কম ভোট পড়েছে, যদিও রাজধানীর ভোটারদের মধ্যে সচেতনতা ও শিক্ষার হার তুলনামূলকভাবে বেশি।

এ নির্বাচনে একটি কেন্দ্রে মাত্র ৩টি ভোট পড়েছে, যা ওই কেন্দ্রের মোট ভোটের ০.১২ শতাংশ। আবার শতকরা ৮০ শতাংশেরও বেশি ভোট পড়েছে এ রকম কয়েকটি কেন্দ্রও রয়েছে। নির্বাচনী বিশ্লেষকরা ভোটের এমন বড় ব্যবধানকে অস্বাভাবিক বলে বিশ্লেষণ করছেন।

এ নির্বাচনে মেয়র পদে প্রধান বিরোধী দলের বর্জনের মধ্যে একমাত্র সরকারদলীয় প্রার্থী ছাড়া বাকি চার মেয়র প্রার্থীরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। বিরোধীদলীয় বয়কটের কারণে উপজেলা নির্বাচনও ভোটারদের মধ্যে সাড়া জাগাতে পারছে না। কারণ যে নির্বাচন বিরোধী দল বয়কট করে, যে নির্বাচনের ফলাফল পূর্ব নির্ধারিত, সে নির্বাচনে অংশগ্রহণে ভোটারদের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি হয় না।

একাদশ সংসদ নির্বাচন ছিল অসমতল মাঠে অনুষ্ঠিত অভূতপূর্ব নেতিবাচক বৈশিষ্ট্য সংবলিত একটি নির্বাচন। বিরোধী দলের বিশ্লেষণে এ নির্বাচনে সরকারি দলের পক্ষে প্রশাসনযন্ত্র, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং ইসি পরোক্ষভাবে কাজ করে। ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীরা ছাড়া অন্য অংশগ্রহণকারী দলগুলো নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় সমান সুযোগ-সুবিধা পায়নি।

বিরোধীদলীয় প্রার্থীদের সভা-সমাবেশ করতে দেয়া হয়নি। তাদের পোস্টার ছাপতে এবং নির্বাচনী মিছিল-মিটিং করতে বাধা দেয়া হয়েছে। এসব দলের নির্বাচনী এজেন্টদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে। তারপরও কোনো নির্বাচনী এজেন্ট দায়িত্ব পালন করতে গেলে তাকে ভোটকেন্দ্র থেকে হুমকি দিয়ে বের করে দেয়া হয়েছে।

স্বয়ং দু’জন সম্মানিত ইসি কমিশনার ভোট দেয়ার সময় তাদের নিজ নিজ কেন্দ্রে সরকারদলীয় এজেন্ট ছাড়া অন্য কোনো এজেন্ট দেখতে পাননি বলে সাংবাদিকদের জানান। নির্বাচনী প্রার্থীদেরও ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়েছে। গায়েবি মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। গুলি করা হয়েছে।

অন্যদিকে সরকারদলীয় প্রার্থীদের একটি অংশ মন্ত্রী-এমপির পদমর্যাদা নিয়ে, সরকারি প্রটোকলসহ নির্বাচনী প্রচারণা করেছেন। নির্বাচনের অনেক আগে থেকে তারা উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধনের নামে সরকারি খরচে সভা-সমাবেশ করে সরকারদলীয় প্রতীকে ভোট চেয়েছেন। আর এসব ব্যাপারে ইসির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে নীরবতা পালন করা হয়েছে।

একাদশ সংসদ নির্বাচনের পর নির্বাচনী অনিয়ম, দুর্নীতি সম্পর্কে প্রকৃত ঘটনা জানতে প্রথমে বাম জোট তাদের প্রার্থীদের রাজধানীতে ডেকে গণশুনানি করেছে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে তাদের প্রার্থীদের ৭৪ জন নির্বাচনী দুর্নীতি-অনিয়মের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন। এর পর ঐক্যফ্রন্টও তাদের প্রার্থীদের রাজধানীতে ডেকে গণশুনানি করেছে।

২২ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত এ গণশুনানিতে ঐক্যফ্রন্টের ২৯৮ প্রার্থীর মধ্যে ২০০ উপস্থিত ছিলেন, যার মধ্যে ৪২ জন ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ৭ সদস্যের প্যানেলের সামনে তাদের নির্বাচনী অভিজ্ঞতাসমৃদ্ধ বক্তব্য তুলে ধরেন।

ভুক্তভোগী প্রার্থীরা গণশুনানিতে নির্বাচনের যে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার বর্ণনা করেছেন তা শুনলে এ বিষয় অনুধাবন করতে অসুবিধা হয় না যে, এমন কলঙ্কিত নির্বাচন এ দেশে আগে অনুষ্ঠিত হয়নি। এসব গণশুনানিতে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের বর্ণনায় যেসব বিষয় উঠে এসেছে তা কেবল সাধারণ নির্বাচনী অনিয়ম নয়, লোমহর্ষক, হৃদয়বিদারক ও নির্বাচনী আইনের চরম ব্যত্যয়ের করুণ কাহিনী। এ সবের মধ্যে ছিল : নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের প্রচারণায় বাধা প্রদান, প্রার্থীদের নির্বাচনী সভা-সমাবেশ করতে না দেয়া, পোস্টার লাগাতে না দেয়া, তাদের এবং তাদের নেতাকর্মীদের গায়েবি মামলা দিয়ে নাজেহাল করা, বিরোধী প্রার্থীদের নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পুলিশের হামলা করা, ভয়-ভীতি প্রদর্শন করা।

গণশুনানিতে অংশগ্রহণকারী প্রায় প্রত্যেক প্রার্থীই তাদের নির্বাচনী এলাকায় ৩০ তারিখের পরিবর্তে ২৯ তারিখ রাতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে গেছে বলে তথ্য প্রদান করেন। উল্লেখ্য, নির্বাচনী অনিয়মের বর্ণনা দিতে গিয়ে প্রার্থীদের অনেকেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন।

বক্তব্য প্রদানকারী প্রার্থীদের অনেকেই ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনকে নির্বাচন না বলে ‘ভোট ডাকাতি’ বলে অভিহিত করেন। তাদের প্রত্যেকের বক্তব্য তুলে ধরা সম্ভব নয়। ঢাকা-৬ আসনে গণফোরামের প্রার্থী জনাব সুব্রত চৌধুরী বলেন, ‘১৯৭১ সালে ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি সৈন্যরা যেমন নির্মমতা করেছে, ২০১৮ সালের নির্বাচনের আগের রাতে ২৯ ডিসেম্বর এ সরকারের ভোট ডাকাতির ঘটনাও ইতিহাসে তেমন কালো অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে’ (যুগান্তর : ২২-০২-২০১৯)। বক্তব্য প্রদানকারী প্রায় সব প্রার্থীর বক্তব্যই ছিল আবেগঘন।

তবে পুলিশের গুলিতে দুই চোখ হারানো মেরি বেগমের বক্তব্য ছিল সবচেয়ে ব্যতিক্রম। তিনি বলেন, ‘১৪ ডিসেম্বর পুলিশ যে আমাকে গুলি করবে, এটা ছিল আমার কল্পনার বাইরে। সে দৃশ্য আমাকে ধুঁকে ধুঁকে কাঁদাচ্ছে, এ দৃশ্য আমি ভুলতে পারি না। আমার একটা কথা দেশবাসীর কাছে, চোখ হারিয়েছি আমার দুঃখ নাই। কিন্তু সবচেয়ে বড় দুঃখ আমি ৩০ তারিখে ভোট দিতে পারি নাই। শুনেছি ২৯ তারিখে রাত ১২টায় ভোট শেষ হয়ে গেছে। আমার দাবি, আমি ভোট দিতে চাই। নইলে আমার দুই চোখ ফেরত দেন।’ মেরি বেগমের এ আবেগঘন বক্তব্যে গণশুনানিস্থলের বাতাস ভারি হয়ে ওঠে। অনেকেরই চোখ হয়ে ওঠে অশ্রুসজল।

নির্বাচন কমিশনের প্রধান কাজ হল নির্বাচন অনুষ্ঠান করা। ভোটারদের বিনা বাধায় স্বাধীনভাবে ভোটদানের পরিবেশ সৃষ্টি করে দেয়া। কিন্তু কমিশন সে কাজে শতকরা ১০০ ভাগ ব্যর্থ হয়েছে। নির্বাচনে সৃষ্ট দৃশ্যমান সন্ত্রাস-দুর্নীতির বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক শাস্তির ব্যবস্থা না করে নির্বাচনটিকে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের স্বীকৃতি দিয়ে ইসি পিঠা উৎসব করেছে। আর সে কারণে সরকারদলীয় নির্বাচন পরিচালনাকারীদের কাছ থেকে কমিশন পেয়েছে অকুণ্ঠ প্রশংসা। কমিশনের কাজ ভোটারদের ভোট দিতে সাহায্য করা। তাদের চোখ অন্ধ করা নয়।

দেশবাসী জীবনহানিকর এবং ভোটারদের চোখ অন্ধ করে দেয়া কলঙ্কিত নির্বাচন চায় না। বাম জোট এবং জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট আয়োজিত গণশুনানির মাধ্যমে ভোটাররা সারা দেশের নির্বাচনী অনিয়ম, দুর্নীতি ও নিষ্ঠুরতা সম্পর্কে একটি প্রথমিক ধারণা পেয়েছেন। সে কারণে বলা যায়, উল্লিখিত দুটি জোট কর্তৃক আয়োজিত গণশুনানি সারা দেশের নির্বাচনের প্রকৃত চরিত্র উন্মোচনে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে। এ জন্য এ দুই জোটকে এহেন গণশুনানি আয়োজন করার জন্য ধন্যবাদ দেয়া যায়।

ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার : অধ্যাপক, রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

[email protected]

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×