ডাকসু সব বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য মূল্যবান শিক্ষা

  এ কে এম শাহনাওয়াজ ১৯ মার্চ ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ডাকসু

মাস দুই আগে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির নির্বাচন হয়ে গেল। নির্বাচনের দিনে নানা সংগঠনে যুক্ত ছাত্রদের একটি অংশ ভোটকেন্দ্রের কাছাকাছি বসেছিল। ওরা গণস্বাক্ষর কর্মসূচি চালাচ্ছে।

এর মধ্যে উচ্চ আদালতের নির্দেশে ডাকসু নির্বাচন নিয়ে নড়াচড়া শুরু হয়েছিল। এতে উদ্বুদ্ধ হয়েছিল আমাদের ছাত্ররা। ওরা এ জোয়ারে জাকসু নির্বাচন চায়। এ কারণেই স্বাক্ষর সংগ্রহ অভিযান। ২০১৩ সালে আমরা উদ্যোগ নিয়েছিলাম জাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের। কিন্তু শেষ মুহূর্তে তা কার্যকর করতে পারিনি।

তাতে ওদেরও কিছুটা অসহযোগিতা ছিল। সে সময় ওদের সংশয় ছিল আমাদের এ উদ্যোগ সরকারি ছাত্র সংগঠনকে জিতিয়ে দেয়ার পাঁয়তারা কিনা অথবা শিক্ষকদের একাংশের ভিসিবিরোধী আন্দোলন ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা কিনা!

আমি সে সময়ে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট ছিলাম বলে জানি যে, একটি অমূলক ধারণার ওপর ভিত্তি করে ওরা আতঙ্কিত ছিল। এখন ওরা বুঝতে পারছে। আসলে সে সময়ের উপাচার্য অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন সাহসী ছিলেন। তিনি ভাবতেন বিশ্ববিদ্যালয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।

তাই ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সরকারের ইচ্ছা-অনিচ্ছা গুরুত্ব পাবে কেন? একবার জাকসু করে ফেলতে পারলে এ অচলায়তন ভেঙে যাবে। তখন সব বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে এগিয়ে আসা সহজ হবে। ফলে নানা মহলের লাল সংকেত থাকার পরও আমরা নির্বাচন করে ফেলার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছিলাম।

পরে বুঝেছি প্রচলিত স্বায়ত্তশাসন আর প্রচলিত ধারার গণতন্ত্র অর্থহীন। আর আমাদের দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় নির্বাচনী গণতন্ত্র তো আরও অর্থহীন।

গণস্বাক্ষর কার্যক্রমে থাকা দুই কর্মী ছাত্রের সঙ্গে দু’দিন আগে দেখা। ওদের কাছে জানতে চাইলাম জাকসুর ব্যাপারে কতদূর এগোলো তারা। ম্লান হেসে বলল- স্যার, ডাকসু নির্বাচনের পর আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছি। সাংস্কৃতিককর্মী ছাত্রটি বলল নির্বাচন নিয়ে আমাদের এখন কোনো উচ্চাশা নেই। বাংলাদেশে এখন একটি নির্বাচনী মডেল তৈরি হয়ে গেছে। এ ছকেই সব নির্বাচন হবে। তাই সাধারণ ভোটার নিরর্থক মনে করে ভোট কেন্দ্রে যাওয়া।

আমি হয়তো প্রশ্ন করতে পারতাম ‘তোমরা তো সেই অর্থে সাধারণ নও। সমাজের সচেতন অংশ। সংসারের জোয়াল কাঁধে নেই- মুক্তচিন্তা করার সুযোগ রয়েছে। যুগ যুগ ধরে ছাত্ররাই তো নানা অসঙ্গতির বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। পরিবর্তন আসবে তোমাদের হাত ধরে।’ কিন্তু আমি জানি এ প্রশ্ন করার মানে নেই।

গত প্রায় তিন দশক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয়নি কেন? কোনো সরকার চায়নি বলেই হয়নি। উচ্চ আদালত নির্দেশনা না দিলে কি এবার ডাকসু হতো? এতকাল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ উদ্যোগ নেয়নি কেন? আমাদের সরকারগুলো বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের প্রশাসনে দলীয়করণ সম্পন্ন করে যাচ্ছে।

তাই এ অঞ্চলে স্বতন্ত্র মেরুদণ্ড খুঁজে পাওয়া কঠিন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সাধারণত সরকারি ইচ্ছারই বাস্তবায়ন করে। গত ত্রিশ বছরে বিএনপি, জাতীয় পার্টি, আর আওয়ামী লীগ সরকারে ছিল। সবাই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে নিজেদের শক্তির আধার বানাতে চেয়েছে। এ সূত্রে মেরুদণ্ড ভেঙেছে ছাত্রের, শিক্ষকের, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের। এ কারণে বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে মুক্ত বিবেকের বিকাশ এখন সুদূর পরাহত।

ডাকসু নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগের একজন নেতা ও মন্ত্রী গর্ব করে বলছিলেন, স্বাধীনতার পর থেকে কখনও কোনো ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে সরকারি দলের ছাত্ররা এভাবে বিজয়ী হয়নি। এবার ছাত্রলীগ তা দেখিয়ে দিল। টেলিভিশনে যখন এমন মন্তব্য শুনছিলাম তখন আমার পাশে কয়েকজন সহকর্মী ছিলেন। তারা একযোগে হেসে উঠলেন। আমি হয়তো হাসির অর্থ খানিকটা বুঝতে পারলাম, কিন্তু কথা বাড়ালাম না।

বিভিন্ন পর্বের সরকারগুলো কেন ছাত্র সংসদ নির্বাচন দেয়া থেকে বিরত থেকেছে? কারণ সরকার পরিচালকরা দেখেছেন শিক্ষার্থীরা মুক্ত বিবেক নিয়ে চলে। সরকারি দল ও দলীয় ছাত্ররা নানা অস্বস্তির জন্ম দেয়। এ পর্যন্ত কোন সরকারের আমলে কোন সরকারদলীয় ছাত্ররা সাংগঠনিকভাবে ছাত্র কল্যাণ ও ছাত্র অধিকারের প্রশ্নে মাঠে নেমেছে? বরঞ্চ কোনো বিশেষ অধিকারের প্রশ্নে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন দাঁড় করালে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তথা সরকারের পক্ষ নিয়ে এরা সতীর্থদের আন্দোলন বানচালের জন্য হামলা করেছে।

কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতাপশালী সরকারি দলীয় ছাত্ররা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে নিজেদের যুক্ত রেখেছে? বরঞ্চ কখনও কখনও সাংস্কৃতিক সংগঠনসমূহের কর্মীদের ওপর আঘাত হানার ঘটনা ঘটিয়েছে। এসব বাস্তবতায় মুক্ত বিবেকের শিক্ষার্থীরা ছাত্র সংসদ নির্বাচনে কেন তাদের সামনে প্রভুত্ব দেখানো নিপীড়ক দলের ছাত্রদের ভোট দেবে? সাধারণ শিক্ষার্থীরা নিজেদের নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করে এসব অস্বস্তির জবাব দেয়। ফলে ভোটের ফলাফল সাধারণত সরকারি দলের ছাত্রদের পক্ষে থাকে না।

আগে হল ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র রাজনীতি না করলেও সাধারণ শিক্ষার্থীরা ‘হুকুমের দাস’ হয়ে পড়ত না। তারা দায়িত্বের সঙ্গে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করত। নির্বাচনী কার্যক্রমে যুক্ত শিক্ষক ও কর্মকর্তারা নিরপেক্ষতার আদর্শে অটল থাকতেন। এ কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচনে কোনো পক্ষের প্রশ্নবিদ্ধ আচরণ করার সুযোগ ছিল না।

আমরা যখন তিন যুগেরও আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলাম, তখনও ছাত্র রাজনীতি ছিল। তবে ছাত্রনেতাদের সাধারণ ছাত্রের ওপর প্রতাপ দেখানোর সংস্কৃতির জন্ম হয়নি। সাধারণ ছাত্ররাই ছিল হলগুলোতে শক্তিমান। নির্বাচন এলে সাধারণ ভোটারের গুরুত্ব বেড়ে যেত। এই বাস্তবতা ভেঙে গেছে বহুকাল আগেই। গত শতকের নব্বইয়ের দশকের পর থেকেই সরকারগুলো দলীয় ছাত্রদের নৈতিকতা ভেঙে দিয়েছে। সন্ত্রাসী আর চাঁদাবাজ বানিয়েছে। হলগুলোতে হল প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ কমে গেছে।

এখন সরকারদলীয় ছাত্ররা হলের সিট বণ্টনের দায়িত্ব পালন করে অনেক কিছুর বিনিময়ে। অনেকটা প্রকাশ্যেই গেস্টরুম সংস্কৃতি চালু করেছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভীতি তৈরির কারখানা এটি। মুক্ত মনে মুক্ত বিবেকে যেখানে শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা ও মেধাচর্চায় বিকশিত হওয়ার কথা, সেখানে অনেকটা দাপুটে ছাত্রনেতা ও কর্মীদের হুকুমের দাসে পরিণত হতে হচ্ছে। আমি বুঝি না এমন বাস্তবতায় অধিকাংশ দায়িত্ব ক্ষমতাসীন ছাত্ররা পালন করার পরও একটি মাথামোটা হল প্রশাসনের কেন প্রয়োজন!

প্রতি হলে ছাত্র কক্ষগুলোর দু’রকম পরিচিতি আছে। কোনো কোনো কক্ষ ‘পলিটিক্যাল রুম’ বা অবস্থাভেদে ‘পলিটিক্যাল ব্লক’, আবার কোনোটি সাধারণ শিক্ষার্থীর রুম নামে পরিচিত। এমন বাস্তবতার কারণেই ডাকসু নির্বাচনের সময় ছাত্রলীগ ছাড়া বাকিদের দাবি ছিল হলের বাইরে ভোটকেন্দ্র স্থাপন করার। কারণ জলে থেকে কুমিরের সঙ্গে যুদ্ধ করার সাহস কে রাখে! হলে সরকারি দলের রক্তচক্ষু এড়িয়ে তথাকথিত ‘গোপন ব্যালটে’ নিজ ইচ্ছায় সিল মারার সাহস ক’জন দেখাতে পারে! শক্তিমানদের এতেও স্বস্তি না হলে কুয়েত মৈত্রী হলের মতো ভিন্ন ম্যাকানিজম তো রয়েছেই।

আমাদের সরকারগুলো এ সত্যটির হিসেব কেন রাখেন না আমি বুঝতে পারি না। ভেতরের বাস্তবতাটি মাথায় রাখলে আরও দুই দশক আগেই ছাত্র সংসদ নির্বাচন দিয়ে দায়মুক্ত থাকতে পারতেন তারা। কারণ একই ম্যাকানিজমে নিজ পক্ষীয়দের ব্যাপক বিজয় দেখান সম্ভব হতো।

আমরা মনে করি দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ডাকসু নির্বাচন সম্পন্ন হওয়া এবং এর মধ্য দিয়ে যে শিক্ষা লাভ করা গেল তা থেকে সব বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ও শিক্ষার্থীরা অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পেরেছেন। সবচেয়ে সহজ সমাধান হতে পারে নির্বাচনে না যাওয়া। এ কারণে যে, শিক্ষার্থীদের মুক্ত ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে সব মহলের কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন না করতে পারলে ঐতিহ্যিক ছাত্র সংসদের আদল আমরা আশা করতে পারব না।

নেতৃত্ব গঠনের সাংগঠনিক ভিত্তিও তৈরি হবে না। যে কারণে মেধাবীরা প্রচলিত ছাত্র রাজনীতি থেকে দূরে সরে গেছে, একইভাবে ছাত্র সংসদে নির্বাচন করার ব্যাপারেও তারা আগ্রহী হবে না। জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে সাধারণ ভোটার যেমন ভোটাধিকার প্রয়োগে আস্থা হারিয়ে ফেলছে, তেমনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনেও সাধারণ শিক্ষার্থীরা ভোট দেয়ায় অনাগ্রহী হবে। ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছাত্রনেতাদের নিরপেক্ষ ছাত্র সংসদে নির্বাচন করে টিকে থাকতে হলে নিজেদের সংশোধন করে কর্মগুণে শিক্ষার্থীদের আস্থা অর্জন করতে হবে। পীড়ক বা প্রভু না হয়ে নিবেদিত হতে হবে ছাত্র কল্যাণে। কিন্তু বর্তমান ধারা বজায় থাকলে সে সম্ভাবনা শূন্যতে চলে আসবে।

ফলে প্রকৃত অর্থে ডাকসু, জাকসু, রাকসু সব অর্থহীন হয়ে যাবে। সবার জন্য কাম্য নির্বাচনে যেতে হলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে আগে দৃঢ় হতে হবে। এই সত্যটি মাথায় থাকবে যে, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিজেদের মতো করেই সিদ্ধান্ত নেয়ার অধিকার রাখে।

বাইরের প্রেসক্রিপশনে নয়- নিজেদের নিরপেক্ষ অবস্থানে থেকে একটি শুদ্ধ নির্বাচন পরিচালনা করবে। যেহেতু নির্বাচনটি শিক্ষার্থীদের, তাই অধিকাংশ শিক্ষার্থী বা সংগঠনের প্রত্যাশাকে সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। সব পক্ষের স্বস্তি ও সমর্থন নিয়েই নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করতে হয়।

ডাকসু নির্বাচনের শিক্ষা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে শিক্ষক রাজনীতির দলবৃত্তে আটকে না থেকে সব মতের শিক্ষককে নির্বাচনী কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করতে হবে। কোনো দুরভিসন্ধি না থাকলে সবাইকে নিয়ে নির্বাচন পরিচালনায় বাধা কোথায়? সব বিশ্ববিদ্যালয় ডাকসু নির্বাচনকে নিজেদের জন্য বড় শিক্ষা হিসেবে নিতে পারেন। আমরা মনে করি নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন করতে না পারলে এবং দক্ষতার সঙ্গে নির্বাচন পরিচালনা করতে না পারলে মিছামিছি ছাত্র সংসদ নির্বাচনে না যাওয়াই ভালো।

আমরা জানি না- ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে কুয়েত মৈত্রী হলের অঘটনটুকু বাদ দিলে অন্য সব ক্ষেত্রে কারচুপির নির্বাচন বলার মতো প্রমাণ আছে কিনা। শুধু মানুষের মধ্যে একটি প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে- দীর্ঘদিন ধরে ক্যাম্পাস দখলে রাখা যে সরকারি ছাত্র সংগঠনের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগের অন্ত নেই, যাদের আচরণে শিক্ষার্থীরা বিপর্যস্ত বলে প্রচারণা রয়েছে, যে কারণে নিরপেক্ষ ভোট হলে সরকার সমর্থিত দল হেরে যাবে ভয়ে কোনো সরকারই ছাত্র সংসদ নির্বাচনের পক্ষে সবুজ সংকেত দিতে পারেনি, সেই সরকারদলীয় ছাত্ররাই বিপুল ভোটে অধিকাংশ হল ও কেন্দ্রীয় সংসদে জিতে গেল!

যেহেতু অভিযোগের দৃশ্যত প্রমাণ নেই, তাই আমরা বিজয়ীদের অভিনন্দিত করব। হয়তো সত্যিই এর মধ্যে এসব বিজয়ী ছাত্র নেতারা কর্মগুণে শিক্ষার্থীদের আস্থা অর্জন করেছেন। পাশাপাশি হয়তো অন্যদলীয় প্রার্থীরা ছিলেন নিষ্প্রভ।

কোনো ভয় ভীতির মধ্যে না থেকে মুক্তভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করার মধ্যদিয়ে যিনি বিজয়ী হবেন তার দল-পরিচয় জানার প্রয়োজন নেই- তাকেই স্বাগত জানাবে সব শিক্ষার্থী। ডাকসুর ক্ষেত্রে আমরা তেমনটি দেখিনি। যে কারণে নানা প্রশ্ন উঠেছে।

দীর্ঘদিন বিরতির কারণে নির্বাচন আয়োজকরাও সম্ভবত তেমন দক্ষতার সঙ্গে সব আয়োজন সম্পন্ন করতে পারেননি। শিক্ষার্থীদের মধ্যেও হয়তো অভ্যস্ততার সংকট ছিল। এ কারণেই বলব অন্য সব বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ডাকসু নির্বাচন একটি শিক্ষা হয়ে রইল। এ শিক্ষা থেকে অন্যদের নীতিনির্ধারণ অনেকটা সহজ হবে।

ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ : অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

[email protected]

ঘটনাপ্রবাহ : ডাকসু নির্বাচন

আরও
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×