স্বদেশ ভাবনা

বহুদলীয় গণতন্ত্রে অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাধা কোথায়?

  আবদুল লতিফ মন্ডল ০৩ এপ্রিল ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বহুদলীয় গণতন্ত্রে অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাধা কোথায়?

গত ২৫ মার্চ রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে স্বাধীনতা পদক-২০১৯ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের সব শ্রেণী-পেশার মানুষকে এক প্লাটফর্মে দাঁড় করিয়ে অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য ১৯৭৫ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ (বাকশাল) প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাহাত্তরের সংবিধান দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে তেয়াত্তরে নির্বাচন হয়। সেই নির্বাচনে স্বাভাবিকভাবে আওয়ামী লীগই তখন রাজনৈতিক দল, আওয়ামী লীগই জয়লাভ করে। মাত্র নয়টা সিট আওয়ামী লীগের বাইরে অন্যরা পেয়েছিলেন।

তারপরও বঙ্গবন্ধু অন্যান্য রাজনৈতিক দল, যারা কখনও নির্বাচনে জয়ী হতে পারে না, তাদের সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ করেছিলেন। প্রশাসন, সশস্ত্র বাহিনী থেকে শুরু করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সবাইকে এক জায়গায় নিয়ে এসে একটা প্লাটফর্মে দাঁড় করিয়ে অর্থনৈতিক উন্নয়নের পক্ষে তিনি কাজ করার ব্যবস্থা নিয়েছিলেন।

উল্লেখ্য, স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম সাধারণ নির্বাচনে শাসক দল আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে পত্রপত্রিকা, রাষ্ট্রীয় রেডিও-টেলিভিশন ও যানবাহনসহ প্রশাসনযন্ত্রকে ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ ওঠে আওয়ামী লীগ কর্তৃক বিরোধী দলের প্রার্থীকে ভয়ভীতি প্রদর্শনেরও। জাতীয় সংসদের ১১টি আসনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না।

১৯৭৩ সালের প্রথম সাধারণ নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক না হওয়ায় এবং জাতীয় সংসদে শাসক দল আওয়ামী লীগের একচেটিয়া আধিপত্য প্রতিষ্ঠা পাওয়ায় ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে বহুদলীয় গণতন্ত্রের স্থলে একদলীয় শাসনব্যবস্থা চালুর পথ সুগম হয়ে ওঠে। ন্যূনতম সময়ের মধ্যে কোনো বিতর্ক ছাড়াই একদলীয় শাসনব্যবস্থা চালুর আইনটি ২৯৪-০ ভোটে পাস হয়। এতে গণতন্ত্রের কণ্ঠ রুদ্ধ হয়ে আসে।

২৫ মার্চের বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য বঙ্গবন্ধু বাকশাল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে যে প্রশ্নটি উঠতে পারে তা হল, বহুদলীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় কি অর্থনৈতিক উন্নয়নের নজির নেই কিংবা বহুদলীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় কি অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব নয়?

প্রধানমন্ত্রীর উপর্যুক্ত বক্তব্যের সমালোচনা করেছে সংসদের বাইরে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি। দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘১৯৭১ সালের যে চেতনা, যে আদর্শকে সামনে নিয়ে এ দেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, স্বাধীনতা অর্জন করেছিল, সেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শ আজ ভূলুণ্ঠিত হয়েছে। স্বাধীনতা মানে শুধু একটি পতাকা নয়, ভূখণ্ডও নয়। স্

বাধীনতার অর্থ হচ্ছে, এই ভূখণ্ডে যারা বাস করে তাদের স্বাধীনতা। তাদের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও মুক্তির স্বাধীনতা। যা পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছে এই আওয়ামী লীগ। ১৯৭৫ সালে একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে স্বাধীনতাকে ধ্বংস করেছিল এই আওয়ামী লীগ। আজ ৪৮ বছর পরে ঠিক একইভাবে তারা নির্যাতন-নিপীড়নের মধ্য দিয়ে ছদ্মবেশে একটা বাকশাল প্রতিষ্ঠা করতে চলেছে’ (যুগান্তর, ২৬ মার্চ)।

১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বরে গৃহীত বাংলাদেশের সংবিধানে, যা সাধারণত মূল সংবিধান নামে পরিচিত, সেখানে বলা হয়েছে, প্রজাতন্ত্র হবে একটি গণতন্ত্র এবং প্রশাসনের সব পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে (অনুচ্ছেদ ১১)। গণতন্ত্রকে বাস্তবতায় রূপদানে সংবিধানে স্বতন্ত্র মতাদর্শের রাজনৈতিক দলের অবস্থানের স্বীকৃতি দেয়া হয় (অনুচ্ছেদ ১৫২)।

সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে স্বতন্ত্র মতাদর্শের অধিকারী একাধিক রাজনৈতিক দলের পরিবর্তে ‘শুধু একটা রাজনৈতিক দল’ [অনুচ্ছেদ ১১৭ক (১)] থাকার বিধান প্রবর্তন সংবিধানের মূলনীতির ব্যত্যয় ঘটায়। এতে জনগণ হারায় তাদের রাজনৈতিক স্বাধীনতা। দ্বিতীয়ত, চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের ১১ অনুচ্ছদের ‘এবং প্রশাসনের সব পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে’ অংশটুকু বিলুপ্ত করা হয়।

এ সংশোধনী এনে প্রশাসনের সব পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণের অধিকার হরণ করে নেয়া হয়। তৃতীয়ত, মূল সংবিধানের তৃতীয় ভাগে (মৌলিক অধিকার) ৪৪ (১) অনুচ্ছেদে বলা হয়, এই ভাগে প্রদত্ত অধিকারসমূহ বলবৎ করার জন্য এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুযায়ী সুপ্রিমকোর্টের নিকট মামলা রুজু করার অধিকারের নিশ্চয়তা দান করা হল।

সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে জনগণকে সুপ্রিমকোর্টের নিকট মামলা রুজু করার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়। চতুর্থত, মূল সংবিধানের ৯৫, ৯৬, ৯৮ ও ১১৬ অনুচ্ছেদ সংশোধনের মাধ্যমে উচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগ ও অপসারণ এবং অধস্তন আদালতে বিচার বিভাগীয় দায়িত্ব পালনে রত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা পদ্ধতিতে পরিবর্তন এনে তাদের ওপর নির্বাহী বিভাগের পূর্ণ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা হয়। ফলে বিচার বিভাগ হারিয়ে ফেলে তার স্বাধীনতা।

মূল সংবিধানের ৩৯(২)(খ) অনুচ্ছেদে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে। ১৯৭৫ সালের জানুয়ারিতে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী পাসের কয়েক মাসের মধ্যেই অর্থাৎ ওই বছরের ১৬ জুন সরকার সমর্থিত ৪টি পত্রিকা দৈনিক ইত্তেফাক, বাংলাদেশ অবজারভার, বাংলাদেশ টাইমস ও দৈনিক বাংলা ছাড়া দেশের সবক’টি পত্রিকার প্রকাশনা বাতিল করে দেয়া হয়।

এটা অনস্বীকার্য, বিগত দশ বছরে উন্নয়নমূলক কাজে আওয়ামী লীগের রয়েছে বিরাট সাফল্য। সরকার সারা দেশে বেশ কয়েকটি বৃহৎ আকারের ও গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প হাতে নিয়েছে, যা এর আগের সরকারগুলোর কাছে তেমন গুরুত্ব পায়নি।

এগুলোর মধ্যে রয়েছে পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্প, পদ্মা রেল সেতু সংযোগ প্রকল্প, দোহাজারী-রামু-কক্সবাজার এবং রামু-ঘুমধুম রেলপথ নির্মাণ প্রকল্প, ঢাকা মাস র‌্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রকল্প (এমআরটি), পায়রা বন্দর নির্মাণ প্রকল্প, সোনাদিয়া গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ প্রকল্প, মাতারবাড়ী আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কোলফায়ার্ড পাওয়ার প্রজেক্ট, এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্প এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন প্রকল্প।

তাছাড়া বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের সঙ্গে সড়ক যাতায়াত ব্যবস্থা উন্নয়নে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ককে চার লেনে উন্নীতকরণ, সড়কপথে দেশের উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীর যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত ও দ্রুত গতিসম্পন্ন করতে ঢাকা-উত্তরবঙ্গ মহাসড়কের যানজটপূর্ণ ঢাকা-টাঙ্গাইল অংশকে চার লেনে উন্নীতকরণ, এলেঙ্গা-হাটিকুমরুল-রংপুর মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ এবং ঢাকা মহানগরীর অসহনীয় যানজট নিরসনে গ্রেটার ঢাকা সাসটেইনেবল আরবান ট্রান্সপোর্ট প্রজেক্ট বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নের জন্য সরকারি বিনিয়োগের পাশাপাশি বেসরকারি বিনিয়োগে নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন এবং সরকারি ও বেসরকারি যৌথ উদ্যোগে নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

অগ্রগতি সাধিত হয়েছে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সামাজিক সুরক্ষা, সন্ত্রাস দমন, নারীর ক্ষমতায়ন এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে। একাদশ সংসদ নির্বাচনী ইশতেহারে মেগা প্রজেক্টগুলোর দ্রুত ও মানসম্মত বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে। এসব প্রকল্পের সুষ্ঠু বাস্তবায়ন যে দেশের সমৃদ্ধিতে অসামান্য অবদান রাখবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

তবে সমস্যা হচ্ছে গণতন্ত্র নিয়ে শাসক দল আওয়ামী লীগের মনোভাব। তাদের যুক্তি- ‘আগে উন্নয়ন, পরে গণতন্ত্র’। তাদের এ ধারণা শুধু ভ্রান্ত নয়, তা নিষ্ফলও বটে। এ তত্ত্ব অনুসরণ করে চললে গণতন্ত্র তো পাওয়া যাবেই না, এতে দেশের কোনো টেকসই উন্নয়নও ঘটবে না। টেকসই উন্নয়নের জন্য যেমন project cycle-এর প্রধান শর্তগুলো- ফিজিবিলিটি স্টাডি, টেকনিক্যাল এনালিসিস, ইকোনমিক্যাল এনালিসিস এবং এনভায়রনমেন্টাল ইমপ্যাক্ট অ্যাসেসমেন্ট- পালন করতে হবে, তেমনি সরকারি ও বিরোধী দলগুলোকে ন্যূনতম সমঝোতায় পৌঁছতে হবে।

তাছাড়া, সম্পৃক্ত করতে হবে প্রকল্পের উপকারভোগীদের। এটা সুশাসনেরও একটা বড় শর্ত। আমাদের দেশে ক্ষমতা বদলের সঙ্গে সঙ্গে পূর্ববর্তী সরকারের অনেক উন্নয়ন কার্যক্রম পরিত্যক্ত বা স্থগিত ঘোষণার অনেক উদাহরণ রয়েছে। এতে জাতীয় সম্পদের অপচয় ঘটে। আমাদের উন্নয়ন কার্যক্রমে ধারাবাহিকতার অভাব বিদেশি বিনিয়োগকারীদের একটি বড় অভিযোগ।

বিশ্বে গণতন্ত্র ও উন্নয়ন হাত ধরাধরি করে চলার উদাহরণের অভাব নেই। উন্নত গণতান্ত্রিক পশ্চিমা দেশগুলোর কথা বাদ দিলেও সার্কভুক্ত দেশগুলো এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ। স্বাধীনতার পর থেকে ভারতে নিরবচ্ছিন্ন গণতন্ত্র অব্যাহত রয়েছে। বহুদলীয় গণতন্ত্র ও উন্নয়ন হাত ধরাধরি করে চলছে। উচ্চহারে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ঘটছে।

প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ভারতে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৭ দশমিক ২ শতাংশ হারে, যা ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ছিল ৬ দশমিক ৭ শতাংশ। চলতি অর্থবছরে সার্কভুক্ত অন্যান্য দেশের মধ্যে মালদ্বীপের ৬ দশমিক ৭ শতাংশ, নেপালের ৫ দশমিক ৯ শতাংশ, পাকিস্তানের ৫ দশমিক ৮ শতাংশ, শ্রীলংকার ৩ দশমিক ৮ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে এডিবি। এসব দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র ও উন্নয়ন পাশাপাশি চলছে।

আওয়ামী লীগের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী ইশতেহারে গণতন্ত্র সুদৃঢ়করণের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে। গণতন্ত্র সুদৃঢ়করণের জন্য যা প্রয়োজন তা হল জাতীয় পর্যায়ে এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোয় অংশগ্রহণমূলক ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান। এর কোনো বিকল্প নেই।

অংশগ্রহণমূলক ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র সুদৃঢ় হোক এবং গণতন্ত্র ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন হাত ধরাধরি করে চলুক- এটাই জনগণের প্রত্যাশা।

আবদুল লতিফ মন্ডল : সাবেক সচিব, কলাম লেখক

[email protected]

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×