জাত নিমের পাতা

তবে কি মানুষ অপমরণশীল প্রাণী?

  মাহবুব কামাল ১৬ মে ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

তবে কি মানুষ অপমরণশীল প্রাণী?
প্রতীকী ছবি

আমরা প্রায়ই বাহুল্য কথা বলে থাকি। যেমন বলি- লোকটি অন্ধ, চোখে দেখে না। অন্ধ মানেই তো লোকটি চোখে দেখে না। সুতরাং আলাদাভাবে চোখে দেখে না বলার দরকার নেই।

বাহুল্য কথার মতো স্বতঃসিদ্ধ কথাও বলি আমরা। যে বলায় কোনোই কৃতিত্ব নেই, সেই কথা মুখে জ্ঞানীর ভাব ফুটিয়ে বলার কী এমন মাহাত্ম্য! শৈশব-যৌবনে নিকটাত্মীয়দের কেউ মারা গেলে সান্ত্বনা দিতে আসা কেউ যখন বলতেন- কী আর করবে বাবা, আমি-তুমি সবাই একদিন মরবো- ওই চরম দুঃখেও হাসি পেত।

যে কথাটা আমিও জানি, সেটা বললে কি সান্ত্বনা পাওয়া যায়? সেভেন-এইটে থাকতে খন্দকার স্যার ‘মানুষ মরণশীল’ বাক্যের ট্রান্সলেশন ধরেছিলেন। ‘ম্যান ইজ মর্টাল’ উত্তর দেয়ার পর জিজ্ঞেস করেছিলাম- স্যার, মানুষ যে মরণশীল, এতে কোনো সন্দেহ আছে?

তবে মানুষ মরণশীল হলেও তার অকালমৃত্যু হবে কিনা, তা স্বতঃসিদ্ধ নয়। তাই কেউ যদি অকালে মারা যান, তাহলে সেই মৃত্যু নিয়ে মন্তব্য করাই যায়। যেমন আমরা আগে বলতাম- আহ্হা লোকটা এভাবে অকালে প্রাণ হারালো!

‘আগে’ বললাম এ কারণে যে, বর্তমানকালে এখন আর কেউ অকালমৃত্যু নিয়ে আফসোস করেন না। কারণ চারদিকে এত অকালমৃত্যু, প্রতিটাতেই আফসোস করতে গেলে দিনে-রাতে আর অন্য কিছু করা সম্ভব হবে না।

হ্যাঁ, বাংলাদেশে এখন অকালমৃত্যুর ছড়াছড়ি। বলা যেতে পারে- মানুষ এখন এক অপমরণশীল প্রাণী। অকালমৃত্যুর শুরুটা অবশ্য হয়েছিল অনেক আগেই। বলতে গেলে স্বাধীনতার শূন্য ঘণ্টাতেই এর শুরু। পরাজিত পাকিস্তানি সেনাদের ভারতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বটে; কিন্তু বাঙালির হাতের অস্ত্র তো আর কেউ নিয়ে যেতে পারেনি। সেই অস্ত্রই একের পর এক ঘটাতে থাকল বাঙালির অপমৃত্যু।

সেই সময়ের একটি অপমৃত্যুর কথা বেশি করে মনে পড়ছে। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত ‘জল্লাদের দরবার’ নাটকে ইয়াহিয়া খানের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন প্রতিভাবান অভিনেতা রাজু আহমেদ। তাকে হত্যা করেছিল দুর্বৃত্তরা।

সেই সময় অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছিল যে, ’৭৪ সালে নির্মল সেন দৈনিক বাংলায় ‘স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি চাই’ শিরোনামে লিখেছিলেন এক সাড়াজাগানো কলাম। থাকগে।

পাঠক লক্ষ করুন- অপমৃত্যু হয়েছে এই রাষ্ট্রের জনক বঙ্গবন্ধুর। আরও দেখুন, সৈয়দ নজরুল-তাজউদ্দীন-ক্যাপ্টেন মনসুর-কামরুজ্জামানদের মতো জাতীয় নেতারও হয়েছে অপমৃত্যু।

আবার মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডারদের অবস্থাটা একটু দেখুন। জিয়া-তাহের-খালেদ মোশাররফ-ক্যাপ্টেন হায়দার-মঞ্জুর- কারও কি হয়েছিল স্বাভাবিক মৃত্যু? অপমৃত্যুর তালিকায় সবার নাম অন্তর্ভুক্ত করতে গেলে পুরো একটি যুগান্তর প্রয়োজন হবে।

তবে যেটুকু না বললেই নয় তা হল- ’৭৫-এর ১৫ আগস্ট, ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা, রমনার বটমূলে বোমা হামলা, উদীচীর সভায় হামলা, বিডিআর বিদ্রোহ, সাঈদীর রায়কে কেন্দ্র করে সহিংসতা, বিএনপির তিন মাসব্যাপী পেট্রলবোমা হামলা, রানা প্লাজা, তাজরীন গার্মেন্ট, নিমতলী ট্র্যাজেডি, চকবাজার ট্র্যাজেডি, বনানীর এফআর টাওয়ার ইত্যাদি অপমৃত্যুর একেকটি এমন শোকগাথা যে, স্মৃতিভ্রষ্টতার অ্যামনেসিয়া রোগ হলেও সেই স্মৃতি মুছে যাবে না।

দূর অতীত বাদ দিয়ে আমরা এই মুহূর্তের স্বদেশে ফিরে আসি। পীড়িত তার রোগের কথা ছাড়া অন্যকিছু বলতে চায় না। এই লেখক তাই অপমৃত্যুর কথাই চালিয়ে যাবে এই কলামে।

টেলিভিশনের যে কোনো একটি চ্যানেল খুলুন। স্ক্রলে তাকান। কী দেখছেন? সারিবদ্ধভাবে একের পর এক সরে যাচ্ছে অপমৃত্যুর খবর। সড়ক দুর্ঘটনা ও বন্দুকযুদ্ধ দিয়ে যার শুরু, তার শেষটা দেখতে সময় লাগবে অনেকক্ষণ।

কী বিচিত্র উপায়েই না শেষ হয়ে যাচ্ছে মানুষের জীবন! গুলিতে, পুড়িয়ে, শ্বাসরোধ করে, পায়ুপথে বাতাস ঢুকিয়ে, পানিতে চুবিয়ে, ধর্ষণ শেষে ধর্ষিতারই ওড়না পেঁচিয়ে, আরও কত নিয়ম যে বের হয়েছে!

কীভাবে তৈরি হল এই পরিস্থিতি? পৃথিবীর সব দেশেই সাধারণভাবে মানুষের দুটি ভাগ থাকে- শাসক ও শাসিত। এই দেশ বোধকরি অতিশয় প্রগতিশীল, যে কারণে দেশটি টু-ডাইমেনশনাল নয়, হয়ে গেছে থ্রি-ডাইমেনশনাল।

শাসিতের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে রাখাই শাসকের কাজ; কিন্তু শাসিত ভাগের একটি অংশকে পরিচর্যা দিয়ে, আশকারা দিয়ে এমনভাবে গড়ে তোলা হয়েছে যে, তারা শাসক ও শাসিতের মাঝখানে একটি বিপজ্জনক আলাদা শ্রেণী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। খুব ধীরে, সমাজের বৃহত্তর অংশের বুঝে ওঠার আগেই গুণ্ডা, বদমায়েশ, খুনি, জঙ্গি, ডাকাত, ছিনতাইকারী, রেপিস্ট, স্যাডিস্ট- সবাই ডগমগ করে বেড়ে উঠে তৈরি করেছে এই শ্রেণীটি। শ্রেণীটি এখন সমাজ ও রাষ্ট্রের এক অতি প্রতিষ্ঠিত অংশ।

মুশকিলটা হল, এদের প্রতি শাসক শ্রেণীর ভাবটা- আহা, ওরা তো এমন করবেই, করেই থাকে! বাঘ তো মানুষই খাবে, আলো চাল খাবে নাকি? আর কঠোর হওয়ার প্রশ্ন আসছে কেন? মানুষের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করে ডিক্টেটর, ফ্যাসিস্ট!

অবশ্য এখন আর কঠোর হলেও বিশেষ লাভ হবে না। মানুষের ষড়রিপু বিদ্রোহ করতে শিখে গেছে, এই বিদ্রোহ দমন করা বিডিআর বিদ্রোহ দমন করার চেয়েও কঠিন। শিশু ধর্ষণ ও হত্যা এক ধরনের স্যাডিজম।

স্যাডিস্টের আনন্দ পেতে শিখেছে যে, তাকে ফেরাবে কে? মানুষ দুঃখ থেকে ফিরে আসতে চায়, তাকে সুখের আনন্দ থেকে ফিরিয়ে আনাটা অত সহজ নয়।

কেন এই অপমৃত্যু? এ দেশে এমন অনেক অকালমৃত্যুর ঘটনা রয়েছে, যেগুলোর রয়েছে তাৎপর্য, সেগুলো প্রেরণারও উৎস। ’৫২-এর বরকত-সালামরা, ’৬৬-এর মনু মিয়া, ’৬৯-এর আসাদ, ’৭১-এর নাম জানা-অজানা লাখ লাখ মানুষ, এমনকি এরশাদ আমলের নূর হোসেনের মুত্যৃর রয়েছে গভীর তাৎপর্য, এককথায় বললে এগুলো গ্লোরিফাইড মৃত্যু। কিন্তু তৎপর্যহীন, খামোখা মৃত্যুগুলোর ধকল সইতে হবে কেন আমাদের? এমন যদি হতো, রক্তের বিনিময়ে আমরা যেমন পেয়েছি স্বাধীনতা, তেমনি স্বাধীনতার পর রক্তের বিনিময়েই পেয়েছি সুখের জীবন- তাহলে একটা কথা থাকত।

অপ্রয়োজনীয়, বেদনার যে মুত্যৃগুলো প্রত্যক্ষ করছি আমরা এখন, কোনো ব্যাখ্যাতেই, কোনো অজুহাতেই তা মেনে নেয়া যায় না। ঠেকাতে হবে এই মৃত্যু। তা না হলে অচিরেই হয়তো অপমৃত্যু দেখার ব্যাপারটা বাঙালির নেশায় পরিণত হয়ে যাবে। তখন জীবন থেকে মৃত্যুর খবর উইথড্র করে নিলে বমি-বমি ভাবসহ নানা উইথড্রল সিম্পটম দেখা দেবে।

সত্যি বলতে, মরণশীলতার সংস্কৃতিই এখন পার্মানেন্ট, বাকি সব টেম্পোরারি। ব্যাপারটা কি এমন যে, মানুষ জন্মেছে মরার লক্ষ্য নিয়ে আর তাই এই শাশ্বত লক্ষ্য বাস্তবায়নেই উঠেপড়ে লেগেছে রাজনীতি? হতে পারে। কী আর করবে রাজনীতি! সে তো মহৎ কোনো লক্ষ্য অর্জন করতে পারছে না, তাই মানুষের মৃত্যুর লক্ষ্য বাস্তবায়নেই সচেষ্ট সে।

ফাজলামো নয়, একটা সিরিয়াস প্রশ্ন রাজনীতিকদের প্রতি। মজা লুটবেন আপনারা আর রক্ত ঝরবে আমাদের? ইয়ার্কি নাকি? এটা প্রাচীন রোম নয় যে, স্টেডিয়ামে মৃত্যুর মহোৎসব চলবে আর গ্যালারিতে বসে সম্রাট-সম্রাজ্ঞীরা সেই দৃশ্য উপভোগ করবেন। এটা বাংলাদেশ। হ্যাঁ, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ।

উন্নয়নের ঢাক-ঢোল পেটাতে পেটাতে আওয়ামী বন্ধুদের হাত অবশ হওয়ার জোগাড়। উন্নয়ন তো হচ্ছেই, যা দৃশ্যমান তা অস্বীকার করি কী করে? কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, উন্নয়নটা হচ্ছে কোন্ মূল্যে? হ্যাঁ, উন্নয়নের জন্য আমাদের কত পে করতে হচ্ছে? অবকাঠামোর উন্নয়ন হচ্ছে, উন্নতি কি ঘটছে মূল্যবোধের?

না, না, নুসরাতকে ধর্ষণ চেষ্টা ও হত্যার মূল্যে অথবা প্রতিদিন সড়কে ১৫-২০ জনের অপমৃত্যুর বিনিময়ে আমরা উন্নয়ন চাই না। অজ্ঞ নিয়ম মেনে চলে আর বিজ্ঞ নিয়ম বানায়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আমরা বিজ্ঞ বলেই জানি। হ্যাঁ, এমন নিয়ম বানান, যাতে ধর্ষণ ও অপমৃত্যুর ঘটনাগুলো আর ঘটতে না পারে।

প্রধানমন্ত্রীকে একটা আপাত মজার কিন্তু বেদনাঘন ঘটনা বলি। পাকিস্তানি আমলে এই লেখকের গ্রামে এক কট্টর মুসলিম লীগার ছিলেন। তো ’৭০ সালে একদিন এক লোক তাকে খবর দিল অমুক একজন ট্রেনে কাটা পড়ে মারা গেছে।

সেই মুসলিম লীগার তখন ব্যঙ্গোক্তি করেছিলেন- আহারে, বেচারা শেখ মুজিবের ছয় দফার বাস্তবায়ন দেখে যেতে পারল না! তো কয়েকদিন আগে এক অপমৃত্যুর ঘটনা শোনার পর এক পরিচিতজন মন্তব্য করেছেন- ইস্ লোকটা হাসিনার মেট্রোরেল দেখে যেতে পারল না!

ছোট করে ফেলি। প্রধানমন্ত্রী কিংবা সরকারকে এককভাবে দুষে লাভ নেই। আসলে হাতের কৈ হাতছাড়া হয়ে গেছে। দেশটা অন্য জায়গায় চলে গেছে। এখন আর হাজারটা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করেও কোনো লাভ নেই।

টেলিভিশনের টকশোগুলোয় যখন অপরাধ দমনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির প্রেসক্রিপশন দেয়া হয়, তখন হাতের কাছের ধাতব পদার্থটি ছুড়ে মারতে ইচ্ছা করে। পাছে অ্যাংকরের গায়ে লাগে, তাই মারি না। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি কোনোকালেই অপরাধ দমনে কার্যকর ফল দেয়নি। যদি দিত, তাহলে এরশাদ শিকদারের ফাঁসির পর দেশে আর হত্যাকাণ্ড ঘটত না।

‘বন্দুকযুদ্ধে’ সাড়ে তিন শতাধিক ব্যক্তির মৃত্যুর পর আর মাদক ব্যবসা থাকত না। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি কেন অপরাধ দমনে সহায়ক নয়, তা ব্যাখ্যা করা যাক।

অপরাধী যখন অপরাধ করে, তখন সে ধরেই নেয় সে ধরা পড়বে না। তো যে ধরাই পড়বে না ধরে নেয়, তার সামনে হাজারটা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নমুনা ঝুলিয়ে রেখে কী লাভ! দরকার আসলে সমাজে এমন এক আবহ তৈরি করে রাখা, যাতে অপরাধী কিংবা অপরাধপ্রবণরা মনে করতে বাধ্য হয় যে, তারা অপরাধ করলে ধরা পড়বেই। প্রথমে তো ধরা পড়তে হবে, তার পরে না শাস্তির প্রশ্ন।

সমাজে অসম যৌন সম্পর্কগুলো যখন ঘটে, তখন তাতে অংশগ্রহণকারীরা ধরে নেয় যে, তাদের সম্পর্কটা প্রকাশ পাবে না। যদি তারা জানত, সম্পর্কটা গোপন রাখা যাবে না, তাহলে সমাজে মাথা কাটা যাওয়ার ভয়ে তারা ওই ধরনের সম্পর্ক করত না।

উপসংহারটা তাই এমন যে, অপরাধীকে শাস্তিটা পেতে হবে নৈতিক কারণে আর অপরাধ দমনের জন্য অপরাধপ্রবণদের মধ্যে এই ধারণা বদ্ধমূল করতে হবে যে, অপরাধ করলে তারা শনাক্ত হবেই এবং ধরা পড়বে।

একটু আগে লিখেছি দেশটা অন্য জায়গায় চলে গেছে। হ্যাঁ, সংকটটা এত গভীর যে তার সমাধান এখন আর শুধু রাজনীতিকের হাতে নেই। মানুষ কেন এমন বেপরোয়া হল, কেনই বা সে মেতেছে হত্যাযজ্ঞে, ধর্ষণে- এটা এখন এক সামাজিক ও নৃতাত্ত্বিক গবেষণার উপজীব্য হয়ে পড়েছে। সমাজবিজ্ঞানী, মনোবিজ্ঞানী, চিন্তাবিদদের আওতায় চলে গেছে বিষয়টি।

তাদেরকে গবেষণা করে বের করতে হবে কেন হল মানুষের মনোজগতে এই পরিবর্তন? কেন সে এত বেপরোয়া হয়ে চালায় গাড়ি, কেন সে হাতে তুলে নেয় কেরোসিনের বোতল অথবা আগ্নেয়াস্ত্র, কেনই বা সে যৌন তাড়নায় টার্গেট করছে শিশুকে, কেন উঠে গেল তার সমস্ত ভয়-ডর, কেন বিনম্র বাঙালি হয়ে উঠল উদ্ধত- গবেষকদের সুপারিশের ভিত্তিতে প্রয়োজনে ডাক দিতে হবে এক সর্বদিকবিস্তৃত সাংস্কৃতিক বিপ্লবের।

ড্রেন দিয়ে রক্ত গড়ায়, মানুষ বন্যপ্রাণীর আকার ধারণ করে, রাষ্ট্র এসে দাঁড়ায় না অসহায়ের পাশে! আরে কী বলতে কী বললাম! রাষ্ট্র তো একটা বিমূর্ত ধারণা, তার পা আছে নাকি যে দাঁড়াবে?

মাহবুব কামাল : সাংবাদিক

[email protected]

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×