লোকসভা নির্বাচন-২০১৯: তবে কি আবার ব্যালটের যুগেই ফিরে যেতে হবে?

  বিশ্বনাথ চক্রবর্তী ২৩ মে ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ভোটিং মেশিন

পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্রের নির্বাচনী রাজসূয়যজ্ঞের চূড়ান্ত পর্বে ভোট গণনা ও ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রয়েছে সমগ্র ভারত তো বটেই, সারা পৃথিবী। গত কয়েক মাস ধরে চলা রাজনীতির ঘাত-প্রতিঘাত, চাপান-উতোর, দাবি-পাল্টা দাবির সত্যতা উঠে আসবে গণনার মধ্য দিয়ে।

কে বা কারা জিতবে, কে বা কারা হারবে- সে বিষয়টি যেমন গণনার সঙ্গে যুক্ত আছে, তেমনি ইভিএমের সঙ্গে ভিভিপ্যাট যুক্ত হওয়া এবং প্রতি বিধানসভা ক্ষেত্রে পাঁচটি করে নমুনা ভিভিপ্যাট গণনা অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় গণনা প্রক্রিয়ায় এসেছে নতুন চ্যালেঞ্জ।

পৃথিবীর বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ ভারতে প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৫১-৫২ সালে। ওই নির্বাচনে মানুষ ব্যালট পেপারে সংসদের প্রতিনিধি নির্বাচনে তাদের মতামত জানিয়েছিলেন। নির্বাচন পরিচালনার অনভিজ্ঞতার কারণে সেবার ভোট গণনা তিন দিন পর্যন্ত গড়িয়েছিল।

১৯৯৯ সালের আগে পর্যন্ত ব্যালট পেপারের মাধ্যমেই ভোটগ্রহণ হয়েছে। ভোটপর্ব মিটে যাওয়ার পর ভোট গণনা ছিল নির্বাচন কমিশনের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে প্রথম নির্বাচন-পরবর্তী পর্যায়ে দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে একদিকে ভোটার সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে লাগল, অন্যদিকে ভোটদানের হার বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিরাটসংখ্যক ব্যালট পেপার গণনা করে ফল প্রকাশ করা নির্বাচন কমিশনের কাছে আক্ষরিক অর্থেই চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছিল।

১৯৫২-র ভোটে যেখানে মাত্র ১৭ কোটি ভোটার ছিল, সেখানে এবার ৯০ কোটি! প্রথম নির্বাচনে যেখানে কেবল ৪৪.৮৭ শতাংশ মানুষ অংশ নিয়েছিলেন, সেখানে এবারে ভোটদানের হার গড়ে ৬৪ শতাংশ। আশির দশকের পর ভোটার সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যালট পেপার গণনাকে কেন্দ্র করে বিস্তর সমস্যা উঠে এসেছিল। অন্যতম ছিল-

(ক) প্রার্থীর প্রতীকে সঠিক স্থানে ছাপ না পড়াকে কেন্দ্র করে বিতর্ক, (খ) ব্যালট পেপার নষ্ট করে দেয়া, বিশেষ করে ছিঁড়ে দেয়া, জল দিয়ে নষ্ট করার মতো অভিযোগ, (গ) প্রার্থীপিছু যে ব্যালট পেপারের বান্ডিল গণনা কেন্দ্রে বাঁধা হতো, তাতে জালিয়াতি করার মতো অভিযোগ উঠত। পাশাপাশি একটি লোকসভা নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ ফলাফল জানতে দুই থেকে তিন দিন লেগে যেত।

এ দীর্ঘ গণনা প্রক্রিয়ায় ভোটকর্মীরা যেমন ক্লান্ত হয়ে পড়তেন, তেমনি ভোটপ্রার্থী ও তার এজেন্টরাও একসময় ক্লান্ত হয়ে বহু ক্ষেত্রেই গণনা থেকে উঠে আসতে বাধ্য হতেন, নতুবা প্রার্থীর এজেন্টদের ক্লান্তির সুযোগ নিয়ে ভোটের ফলকে প্রভাবিত করার ঘটনা বারবার লক্ষ করা গেছে। দু’-তিন দিন ধরে ব্যালট পেপার গণনা পর্বে গণনা কেন্দ্রেই ব্যালট পেপার ছিনতাই থেকে শুরু করে ব্যালট পেপার নষ্ট করার ঘটনা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীর মুখে শোনা যেত।

গণনা কেন্দ্রে নিরাপত্তা বিধান করাও ছিল নির্বাচন কমিশনের কাছে একটা বড় চ্যালেঞ্জ। দীর্ঘ গণনা পর্বে এগিয়ে থাকা প্রার্থীর প্রভাব সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকত, উঠত পরাজিত প্রার্থী এবং তার এজেন্টদের ওপর হামলা, ভয় দেখানোর মতো অভিযোগ।

১৯৫২ থেকে ’৮৯ পর্যন্ত ব্যালট পেপার গণনা পর্বে মানুষ মূলত রেডিও সংবাদের মাধ্যমে লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনের ফল জানত। ১৯৭৭ সাল থেকে কলকাতা দূরদর্শন ঘণ্টায় ঘণ্টায় নির্বাচনী সংবাদ পরিবেশন শুরু করে।

সেই সময় ইডেনের ক্রিকেট খেলায় যেভাবে কাঠের বোর্ড ব্যবহার করে স্কোর দর্শকদের জানানো হতো, তেমনি দূরদর্শনের বোর্ডের নম্বর পরিবর্তন করে বিভিন্ন দলের ফলাফল দর্শকদের সামনে তুলে ধরা হতো।

টি এন সেশন দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হওয়ার পর একের পর এক নির্বাচনী সংস্কারের সিদ্ধান্ত নিতে শুরু করেন। সংস্কারের অঙ্গ হিসেবে তিনি ব্যালট পেপারের পরিবর্তে ১৯৯৯ সালে ইভিএম মেশিন অন্তর্ভুক্ত করেন। ইভিএম মেশিন অন্তর্ভুক্ত হওয়ার ফলে চলে আসা ব্যালট পেপার গণনার ক্লান্তিকর কর্মযজ্ঞের পরিসমাপ্তি ঘটে। ভোট গণনায় শুরু হয় নতুন এক যুগের।

একেকটি লোকসভা বা বিধানসভা কেন্দ্রের ফলাফল মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নাগরিকদের জানানো সম্ভব হয় ইভিএমে ভোটগ্রহণ অন্তর্ভুক্ত হওয়ায়। তবে, সেই সঙ্গে বুথভিত্তিক ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার দরুন নতুন করে সমস্যাও উঠে আসে। কোন্ দল কোন্ বুথে হেরেছে বা জিতেছে তার ওপর ভিত্তি করে নতুন করে তৈরি হয় রাজনৈতিক বা জাতিগত দ্বন্দ্ব।

১৯৮৯ সালের নির্বাচন থেকে সারা দেশে ভোট গণনাকে লাইভ টেলিভিশন সম্প্রচার করে দূরদর্শন। ওই পর্যায়ে ব্যালট পেপারের মাধ্যমেই ভোট হয়েছিল এবং ব্যালট পেপার মিশ্রিত করে গণনা প্রক্রিয়া চলে। ফলে গণনার সময় আরও বেড়ে গিয়েছিল।

প্রায় তিন দিন ধরে দূরদর্শনের লাইভ সম্প্রচারের মাঝে দর্শকদের মনোরঞ্জনের জন্য সিনেমা দেখানোর ব্যবস্থা হয়েছিল। এ প্রজন্মের ভোটাররা অবগত না হলেও পঞ্চাশোর্ধ্ব সব ভোটারের কাছে ১৯৮৯ সালের দীর্ঘ গণনাপর্বে দূরদর্শনে লাইভ সম্প্রচার এবং সিনেমা দেখার স্মৃতি অটুট হয়ে রয়েছে।

ইভিএম চলে আসার পর ২০০৯ সাল পর্যন্ত রাজনৈতিক দলগুলো এ মেশিন নিয়ে সন্তুষ্টই ছিল। এরপর থেকেই শুরু হয় ইভিএম মেশিনকে নিয়ে সন্দেহ। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের তরফ থেকে ইভিএম মেশিনকে বিকৃত করে ভোটের ফল প্রভাবিত করার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়। কোনো কোনো দল দাবি জানাতে শুরু করে ইভিএমে ভোটগ্রহণের পরিবর্তে পুরনো ব্যালট পেপার ফেরত আনতে।

বিশেষ করে ২০১৭ সালে উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের পর অধিকাংশ বিজেপিবিরোধী দল দাবি তোলে ইভিএমের পরিবর্তে ব্যালট পেপার দিয়ে ভোট করানোর বিষয়ে। অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন পুরনো ব্যালট পেপারে ফিরে যেতে নারাজ।

এ অবস্থায় সমাধান সূত্র হিসেবে ইভিএমের সঙ্গে ভিভিপ্যাট যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ভিভিপ্যাট যুক্ত হওয়ায় ভোটার যাকে ভোট দিয়েছেন, সেখানে ভোট পড়েছে কিনা ভোটার সরাসরি তা চাক্ষুষ করতে পারেন। ভিভিপ্যাটে যে পাত্র থাকে ভোটদানের পর প্রদত্ত ভোটের একটি ছোট্ট স্লিপ সেখানে জমা হয়।

বিরোধীদের দাবি ছিল, ভিভিপ্যাটের সব স্লিপ ইভিএমের পাশাপাশি গণনা করে দেখতে হবে। এ দাবিতে প্রথমে দিল্লি হাইকোর্ট এবং পরবর্তী পর্যায়ে সুপ্রিমকোর্টে মামলা হয়। শেষ পর্যন্ত সুপ্রিমকোর্ট লোকসভার অন্তর্গত প্রতিটি বিধানসভায় অন্তত পাঁচটি ভিভিপ্যাট নমুনা হিসেবে গণনা করে ভোটের ফলের সঙ্গে যাচাই করে দেখার কথা বলেছিল।

আর তার ফলেই তৈরি হয়েছে এবারের নির্বাচনে ভোট গণনাকে কেন্দ্র করে নতুন চ্যালেঞ্জ। ফল প্রকাশে বিলম্ব হওয়ার সম্ভাবনা যেমন রয়েছে, তেমনি ভিভিপ্যাটের স্লিপ গণনাকে কেন্দ্র করে উঠে আসতে পারে নানা বিতর্ক।

গত দু’দশক যেমন করে ভোটের ফল গণনার মধ্যবেলায় আমরা পেয়ে অভ্যস্ত ছিলাম, এবার কিন্তু সরকারিভাবে চূড়ান্ত ভোটের ফল জানতে কোথাও মধ্যরাত, কোথাও বা পরের দিন গড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। সকাল ৮টায় গণনার শুরুতেই পোস্টাল ব্যালট দিয়ে গণনা শুরু হয়। পোস্টাল ব্যালটের মধ্যে আবার সার্ভিস ব্যালট পেপারে যারা ভোট দেন, তাদের ব্যালটের বৈধতা বিচার করে গণনা করা সময়সাধ্য কাজ।

মূলত, ভারতীয় সেনাবাহিনী ও আধা সামরিক বাহিনীতে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে কর্মরত ভোটাররা সার্ভিস ব্যালট পেপারে ভোট দেন। ভোটার তালিকায় নাম সংশোধন পর্বেই কর্মরত ব্যক্তিকে জানিয়ে দিতে হয় তিনি সার্ভিস ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটদান করবেন।

সেই অনুযায়ী তিনি যে এলাকায় কর্মরত সেই ইউনিট অফিসে অনলাইনে ব্যালট পেপার পাঠিয়ে দেয়া হয়, যা নিজস্ব পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে খুলতে হয়। কমিশনের পাঠানো ছজ ঈড়ফব খামে যুক্ত করে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের নির্বাচন আধিকারিকের কাছে পাঠানো হয়। সঙ্গে ডিক্লারেশন ফর্ম ১৩ (ক) পাঠানো বাধ্যতামূলক।

গণনা পর্বে QR Code যাচাই করে ব্যালট পেপার বৈধ ঘোষণা করে গণনা করতে যথেষ্ট সময় লাগার কথা। পাশাপাশি ভোটে কর্মরত ভোটকর্মীদের ব্যালট পেপার গণনাও চলবে। এ পর্বের কাজ শুরু হওয়ার পর ইভিএম গণনা পর্ব আরম্ভ হওয়ার কথা।

লোকসভার অন্তর্গত প্রতিটি বিধানসভার জন্য ন্যূনতম ১৪টি টেবিলে গণনা হওয়ার কথা শোনা যাচ্ছে। অর্থাৎ, কোনো বিধানসভায় ২৮০টি বুথ থাকলে ২০ রাউন্ডে ইভিএম মেশিনের ভোট গণনা সম্পূর্ণ হওয়ার কথা।

এরপরই শুরু হবে নির্বাচন কমিশনের নতুন চ্যালেঞ্জ ভিভিপ্যাটের গণনা। ভিভিপ্যাটের নমুনা চয়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন ওই কেন্দ্রের নির্বাচন আধিকারিক। বিধানসভা পিছু পাঁচটি ভিভিপ্যাট একসঙ্গে গণনা হবে না। একটির পর আরেকটি ভিভিপ্যাটের গণনার জন্য চূড়ান্ত ফল প্রকাশে এবার অতিরিক্ত সাত-আট ঘণ্টা সময় লাগতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন মহল।

ভিভিপ্যাট গণনার জন্য আলাদা কাউন্টার গড়ে তোলা হচ্ছে। স্লিপগুলো যাতে স্পষ্ট করে দেখা যায় তার জন্য স্বচ্ছ ধারক রাখা হবে এবং ভিভিপ্যাট গণনার কাউন্টারটি বাইরে থেকে বিভিন্ন দলের প্রতিনিধিরা যাতে প্রত্যক্ষ করতে পারে সেই সুযোগও থাকছে। কিন্তু একটা আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে, ইভিএমের কাউন্টিং শেষ হতেই জানা যাবে (অন্তত আনঅফিসিয়ালি) কোন্ প্রার্থী জয়ী হলেন বা কোন্ প্রার্থী হারলেন।

এ অবস্থায় ইভিএম গণনার পর দীর্ঘ সময় ধরে ভিভিপ্যাটে স্লিপ গণনাতে কিছু কিছু বিষয়ের আশঙ্কা থেকেই যায়। যেমন- (ক) ভিভিপ্যাটের স্লিপ এতই ছোট যে মুখে পুরে দিয়ে নষ্ট করে দেয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যায় না, (খ) ইভিএমে পরাজিত প্রার্থীর তরফ থেকে ভিভিপ্যাট গণনার সময় অতিরিক্ত বাধাদানের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেয়া যায় না।

বিশেষ করে আমাদের মতো তীব্র রাজনৈতিক লড়াইয়ের রাজ্যে তো নয়ই, (গ) সংশ্লিষ্ট বুথের ইভিএমে প্রাপ্ত ভোট এবং নমুনা ভিভিপ্যাটের প্রাপ্ত ভোটের মধ্যে যদি সামান্যতম পার্থক্যও দেখা দেয়, সেক্ষেত্রে গণনা প্রক্রিয়া আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

তবে ভিভিপ্যাটের গণনায় পাওয়া ফলাফল কেবল ওই সংশ্লিষ্ট বুথের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য বলে ধরা হবে এবং ভিভিপ্যাটের গণনা থেকে পাওয়া তথ্যই চূড়ান্ত ফল বলে ওই সংশ্লিষ্ট বুথের ক্ষেত্রে গণ্য হবে। অর্থাৎ ভিভিপ্যাটের গণনায় অসঙ্গতি ধরা পড়লেও সমগ্র ফলাফলের ওপর কিন্তু কোনো প্রভাব পড়বে না।

নির্বাচন কমিশনের কাছে ভিভিপ্যাট গণনাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। পরবর্তী পর্যায়ে বিরোধীদের দাবি মতো যদি ৫০ শতাংশ বুথে ভিভিপ্যাট গণনার দাবি মেনে নেয়া হয়, তবে আমাদের পুরনো ব্যালট পেপার গণনার যুগেই ফিরে যেতে হবে।

বিশ্বনাথ চক্রবর্তী : অধ্যাপক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতা

ঘটনাপ্রবাহ : ভারতের জাতীয় নির্বাচন-২০১৯

আরও
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×