অর্থনীতি সমিতির ‘বিকল্প বাজেট’ এবং আমাদের সামর্থ্য

  মুঈদ রহমান ০২ জুন ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

অর্থনীতি

২৫ মে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি তাদের ‘বিকল্প বাজেট ২০১৯-২০’ প্রস্তাব প্রকাশ করেছে। সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. আবুল বারকাতের নেতৃত্বে সারা দেশের ২৬ জেলা থেকে একযোগে বেলা ১১টায় সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ বিকল্প বাজেট প্রস্তাব করা হয়।

২০১৫-১৬ অর্থবছর থেকে অর্থনীতি সমিতি এ বিকল্প বাজেটের প্রচলন করে। সে হিসেবে এটি তাদের পঞ্চম প্রস্তাবিত বিকল্প বাজেট। সর্বস্তরের মানুষকে বাজেট ভাবনার ভেতরে নিয়ে আসার এ প্রয়াসকে সাধুবাদ জানাতে হয়। আর দিন দিন এর প্রসার-প্রচারের মাত্রাটা লক্ষণীয়। গেল বছর এ বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছিল ১১টি জেলা থেকে। এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬-এ। শতকরা হিসাবে এ প্রসারণের মাত্রা প্রায় ২৫০ শতাংশ। এ কৃতিত্বের মর্যাদা ড. আবুল বারকাত প্রত্যাশা করতেই পারেন।

প্রস্তাবের শিরোনাম ছিল- ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির বাজেট প্রস্তাবনা ২০১৯-২০’। শিরোনাম নিয়ে দু’-চার কথা অনেকেই বলার চেষ্টা করেছেন, এতে দোষের কিছু নেই। কিন্তু আমার মনে হয়েছে, ‘সময়কে’ গুরুত্ব দিতে গিয়ে এমনটি করা হয়েছে। এ নিয়ে আমার নিবেদন হল, বিড়াল সাদা কী কালো তা না দেখে বিড়াল ইঁদুর ধরতে পারে কিনা তা যাচাই করা প্রয়োজন। সে আলোকেই অর্থনীতি সমিতির প্রস্তাবনাকে দেখতে হবে।

১৯ মে যুগান্তরে প্রকাশিত আমার একটি লেখায় বাজেটের আকারের চেয়ে ‘দর্শন ভিত্তিকে’ অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছিলাম। অর্থাৎ কোথা থেকে আয় হবে, কোথায়ই বা ব্যয় হবে, তার একটা স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি থাকা প্রয়োজন। অর্থনীতি সমিতির চিন্তার সঙ্গে আমার চিন্তার মূল ভাবনার মিল আমাকে ভাবনাজগতে উৎসাহ জোগাবে নিশ্চয়ই। অর্থনীতি সমিতির বাজেট প্রস্তাব নিয়ে যত সমালোচনাই হোক না কেন, একটা স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন তাতে পাওয়া গেছে, এটা মানতে হবে। ১৯৭২ সালের ৩০ জুন বাংলাদেশ সমবায় সম্মেলনে বঙ্গবন্ধুর বক্তব্যকে তুলে ধরা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘আমাদের দেশের প্রতিটি মানুষ খাদ্য পাবে, আশ্রয় পাবে, শিক্ষা পাবে, উন্নত জীবনের অধিকারী হবে- এ হচ্ছে আমার স্বপ্ন।’ অনেকেই মনে করতে পারেন, এ উক্তিকে ভর করে বাজেট প্রস্তাব অনেকটাই আওয়ামীপ্রীতি।

এটি ভুল ধারণা। বঙ্গবন্ধুকে আজকের আওয়ামী লীগ দিয়ে বিচার করা যায় না। এটি আমার বিচার নয়, বরং দেশবরেণ্য অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক রেহমান সোবহানের মূল্যায়ন। তিনি যথার্থই বলেছেন, আজকের আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে অনেকটাই বিচ্যুত। আমি দৃঢ়ভাবেই বিশ্বাস করি, আবেগ কিংবা বাস্তবতা যে কারণেই হোক, বঙ্গবন্ধু এদেশের আমজনতাকে প্রাণ দিয়ে ভালোবাসতেন, তাদের নিয়ে তার সার্বক্ষণিক ভাবনা ছিল। আজকের আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধুর ‘ফেস ভ্যালু’ ব্যবহার করছে মাত্র, দর্শন তো নয়! সেদিক থেকে অর্থনীতি সমিতি যদি বঙ্গবন্ধুর অন্তর নির্যাসিত-মুখনিঃসৃত আকাক্সক্ষাকে বাস্তবায়ন করতে চায়, তাহলে তাকে ‘কটুদৃষ্টি’তে দেখার কোনো কারণ নেই।

অর্থনীতি সমিতির প্রস্তাবিত বাজেটের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ হল, ‘বাংলাদেশে আমাদের আকাক্সক্ষা ছিল : প্রথমত, বৈষম্যহীন এক অর্থনীতি-সমাজ-রাষ্ট্র গঠন; আর দ্বিতীয়ত, অসাম্প্রদায়িক মানস কাঠামো বিনির্মাণ। মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা থেকে উৎসারিত এ দুটি প্রত্যাশা বিগত ৪৭ বছরে পূরণ হয়নি।’ অর্থনীতি সমিতির এ তৃষ্ণাকে লালন করার প্রয়োজন আছে। এ তৃষ্ণাটি প্রফেসর আবুল বারকাতের ব্যক্তিগত কি না জানি না, তবে তা যথার্থ ও সময়োপযোগী।

৮০ পৃষ্ঠার এ প্রস্তাবনার উল্লিখিত দিক হল বাজেট প্রণয়নের ক্ষেত্রে যে একটি নৈতিক দর্শনের প্রতিফলন থাকতে হয়, তা যথার্থভাবেই তুলে ধরেছে তারা। সেক্ষেত্রে অর্থনীতি সমিতি আমাদের সংবিধানের চার মূলনীতিকে সামনে রেখে বাজেট প্রস্তাবটি প্রণয়ন করেছে। বৈষম্য ও সাম্প্রদায়িকতা দূর করার প্রতি বিশেষ নজর দিয়েছে। আসন্ন সরকারি বাজেটে বিবেচনা করার জন্য ১১৫টি উপখাতে পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এ স্বল্প পরিসরে আমি হয়তো তা পুরোপুরি তুলে ধরতে পারব না। কিন্তু সন্দেহাতীতভাবেই বলতে পারি, সুপারিশগুলো হল মেধা আর প্রচুর পরিশ্রমের ফসল। বাংলাদেশের অর্থনীতির এমন কোনো খাত-উপখাত নেই যা ওই প্রস্তাবের সুপারিশমালায় নেই। তাই এ প্রস্তাবিত বাজেটকে বলা যায় একটি পূর্ণাঙ্গ বাজেটের সামারাইজড ফরম।

অর্থনীতি সমিতি একটি অস্বস্তিকর শব্দের সুরাহা করেছে। আমরা বাজেটকে দু’ভাগে দেখতে অভ্যস্ত- ‘উন্নয়ন’ ও ‘অনুন্নয়ন’ বাজেট। উন্নয়নকে যতটা পজিটিভলি নিই, অনুন্নয়নকে ততটাই নেগিটিভলি নিই; অনেকটা অপাত্রে দান করার মতো। কিন্তু অর্থনীতি সমিতি এ ‘অনুন্নয়ন ব্যয়কে’ ‘পরিচালন ব্যয়’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। আমার মনে হয় ‘অনুন্নয়ন’ এতদিন পর তার যথার্থ মর্যাদা পেল ‘পরিচালন’ নামকরণের মধ্য দিয়ে। গত অর্থবছরে সরকারি প্রস্তাব অনুযায়ী পরিচালন ব্যয় ধরা হয়েছিল ৬১ শতাংশ আর উন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছিল মাত্র ৩৯ শতাংশ। কিন্তু অর্থনীতি সমিতি উন্নয়ন খাতে ব্যয় প্রস্তাব করেছে ৫৭ শতাংশ আর পরিচালনা খাতে ব্যয় ধরেছে ৪৩ শতাংশ। সরকারি বাজেট আর অর্থনীতি সমিতির বাজেট তুলনা করলে দেখা যাবে- সরকার যেখানে পরিচালনের ক্ষেত্রে জোর দিচ্ছে, সেখানে অর্থনীতি সমিতি উন্নয়নকে অধিকতর গুরুত্ব দিচ্ছে। তুলনামূলক আলোচনায় সমিতির বাজেট অনেক বেশি উন্নয়নমুখী।

সমিতি পরিষ্কারভাবেই বাজেটকে উন্নয়নের দিকনির্দেশক দলিল হিসেবে বিবেচনা করেছে : ‘সে কারণেই চূড়ান্ত বাজেটে স্পষ্ট হতে হবে যে, বাজেটে আয়-ব্যয় বিন্যাসসহ বিভিন্ন নীতি-কৌশল সংশ্লিষ্ট যেসব দিকনির্দেশনা প্রতিফলিত হয়েছে তার ফলে নিম্নবর্ণিত বিষয়াদিও কোনটি কী মাত্রায় অর্জিত হবে : বণ্টন ন্যায্যতা নিশ্চিতসহ উচ্চতর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, অধিকতর কার্যকরী, বৈচিত্র্যপূর্ণ উৎপাদনশীল কৃষি; অধিকহারে কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ ন্যায্য মজুরির নিশ্চয়তা : শিল্পায়ন অণু, ক্ষুদ্র, মাঝারি, বৃহৎ (স্বকর্মসংস্থানসহ) এবং শিল্পে শ্রমিকের মালিকানাভিত্তিক অংশীদারিত্ব, কৃষি-ভূমি-জলা সংস্কার; নারীর অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক-সামাজিক-সাংস্কৃতি ক্ষমতায়ন; বাণিজ্য ও পণ্য বাজারজাতকরণে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য হ্রাস এবং মূল্য সংযোজনভিত্তিক সমানুপাতিক হিস্যা প্রদানের নিশ্চয়তা বিধান; বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সর্বোত্তম জনকল্যাণকর ব্যবহার; মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা, দক্ষতা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ইত্যাদির মাধ্যমে জনসংখ্যাকে মানবসম্পদে রূপান্তর; শুধু প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নয়, উচ্চতর স্বাস্থ্যসেবাসহ শক্তিশালী সরকারি স্বাস্থ্যসেবা খাত; সব ধরনের সামাজিক সুরক্ষার বিস্তৃতিসহ সুসংগঠিত সামাজিক বীমা পদ্ধতি; রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও বিচারিক সংস্কৃতির গণমুখী রূপান্তর এবং রাষ্ট্রীয় সরকারি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত সক্রিয় অংশগ্রহণভিত্তিক উন্নয়ন আন্দোলন’ (পৃষ্ঠা : ১৯)। অর্থনীতি সমিতির কৃতিত্ব হল, তারা অন্তত বাজেটের পরিসর বৃদ্ধির কিংবা মানুষের ভাবনার জায়গাটা অধিকতর প্রসারিত করতে পেরেছে।

অনেকের মনে হতে পারে, তাহলে আর বাকি থাকল কী? আমরা বাকি রাখবই বা কেন? দুঃখের বিষয় হল, আমাদের জন্য কতটা করা উচিত সে আকার সম্বন্ধে আমরা বেশির ভাগ নাগরিক কোনো ধারণাই করতে পারি না। শুধু জানি, বাজেট মানে হল তেলের দাম, চালের দাম বাড়ল কি না। অর্থনীতি সমিতি চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে সরকার কতটা পথ যাবে তা নয়, বরং সরকার কতটা পথ যেতে পারে বা যাওয়া উচিত। আমাদের অর্থমন্ত্রী শিল্প ও বাণিজ্য সংগঠনগুলোর সঙ্গে আলোচনা করেই খালাস। সংগঠনগুলো তো নিজ নিজ স্বার্থেই কথা বলবে। সাধারণ মানুষের কথা বলবে কে? অর্থনীতি সমিতির বাজেট প্রস্তাবনার মধ্যে সাধারণ ভোক্তা, কৃষক, শ্রমিক, ব্যবসায়ী, শিল্পপতি, এমনকি সাংস্কৃতিক কর্মীদের ভাবনাটাও উঠে এসেছে বলেই আমার বিশ্বাস।

আমার ধারণা, বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি বাজেট ভাবনাকে কেবল গুটিকয়েক সিভিল সোসাইটির ভাবনার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে চায়নি, যে কারণে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দেশের ২৬ জেলায় একযোগে তা উপস্থাপন করেছে। এটি তাদের সৎ সাহসিকতার পরিচয় বহন করে। কেননা আমাদের সাংবাদিকদের যে দক্ষতা তাকে মাড়িয়ে দায়গোছের একটা বাজেট উপস্থাপন করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। পুঙ্খানুপুঙ্খ বিচার-বিশ্লেষণ করার যথেষ্ট সুযোগ রাখা হয়েছে। মেধা আর সততার সংমিশ্রণেই এটি সম্ভব।

এবার বাজেটের আকার নিয়ে কথা বলা দরকার। ঘাটতিসহ গত বছরের সরকারি বাজেট ছিল প্রায় ৪ লাখ ৬৬ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে রাজস্ব আয় ধরা হয়েছিল ৩ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার মতো। ঘাটতি প্রায় ১ লাখ ২১ হাজার কোটি টাকা। আমরা ধারণা করছি, এবারের বাজেট হবে ঘাটতি মিলিয়ে প্রায় ৫.৫ লাখ কোটি টাকার মতো। কিন্তু অর্থনীতি সমিতি বলছে, ১০ লাখ কোটি টাকার ওপর আয় করা সম্ভব। আমার অর্থনীতিবিষয়ক বন্ধুরা বলছেন, এটি অতি উচ্চাভিলাষী প্রস্তাব। আসলে কী, কম খেতে খেতে আমাদের খাদ্যনালিই সংকুচিত হয়ে গেছে। আমরা আমাদের সক্ষমতার মাত্রাটাও জানি না। কুষ্টিয়ায় এসে একটি কথা শুনেছি। লোকজন নাকি বলেছে, ‘এত বড় হার্ডিঞ্জ ব্রিজ, তা তৈরি করতে ৫০০ টাকার নোহাই (লোহা) নেগেছে।’ আসলে সেসব লোক ৫০০ টাকাকেই সবচেয়ে বড় বলে জেনেছে। টাকার পরিমাণ কত বড় হতে পারে কোনো ধারণাই তাদের নেই। অর্থনীতি সমিতি নতুন ২০টি উপখাতের সন্ধান দিয়েছে, যেগুলো থেকে আমরা অতিরিক্ত টাকা আয় করতে পারি।

নতুন উৎসের বাইরে প্রচলিত উৎসগুলো থেকেও আমরা যথাযথ পরিমাণ আয়কর আদায় করতে ব্যর্থ। দেশে বছরে ১ কোটি টাকা আয়কর দেয় মাত্র ১০০-১৫০ মানুষ। অথচ প্রকৃত আয়ের হিসাবে সংখ্যাটা হবে ৫০ হাজারেরও বেশি। আবার দেখুন এ কথা দিবালোকের মতো সত্য, জমি কিংবা ফ্ল্যাট কেনার সময় আমরা বাজার দামের চেয়ে অনেক কম দাম দেখিয়ে রাজস্ব ফাঁকি দেই। একটি ১ কোটি টাকার ফ্ল্যাটের দাম দেখানো হয় বড়জোর ৫০ লাখ টাকা। এ কুষ্টিয়ার মতো জেলা শহরেও ১৫ লাখ টাকার এক কাঠা জমির দাম লেখা হয় মাত্র ৬-৭ লাখ টাকা।

সুতরাং বিরাট অঙ্কের টাকা থেকে সরকার বঞ্চিত হচ্ছে। এ দেশে কালো টাকার পরিমাণ ৫ লাখ কোটি টাকার উপরে। কী করতে পারছি আমরা? প্রতিবছর দেশ থেকে ৭০-৮০ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়ে যাচ্ছে, কী ব্যবস্থা নিতে পারছি আমরা? অথচ কালো টাকা উদ্ধার করে ৩৫ হাজার কোটি টাকা এবং বিদেশে পাচার রোধ করে বছরে ৩০ হাজার কোটি টাকা আয় করা সম্ভব। এখন যদি বলেন, বাস্তবে কি এসব পদক্ষেপ নেয়া সম্ভব?

জবাবে বলতেই হয়- সম্ভব না হওয়ার মাত্র দুটো কারণ থাকতে পারে। প্রথমত, এ জটিল প্রক্রিয়ায় অর্থ আদায় আমার দ্বারা সম্ভব নয়; সেক্ষেত্রে বলতেই হবে যে, দক্ষতার আশঙ্কাজনক ঘাটতি আছে। দ্বিতীয়ত, বলতে পারেন আসলে সরকারি ছত্রছায়াতেই এসব ঘটছে; সেক্ষেত্রে বলতে হবে, নৈতিকতার আশঙ্কাজনক ঘাটতি আছে। এখন কথা হল, দক্ষতা কিংবা নৈতিকতার আশঙ্কাজনক ঘাটতি রেখে কি ক্ষমতায় থাকাটা শোভনীয়?

আমরা দৃঢ়ভাবেই বিশ্বাস করি, অর্থনীতি সমিতি আমাদের আর্থিক সঙ্গতির একটি সম্ভাবনাময় পথ দেখাতে সক্ষম হয়েছে। সেই পথকে অনুসরণ না হোক, অন্তত ন্যূনতম আমলে নিয়ে বাজেট প্রণীত হলে তা সংবিধান তথা সাধারণ মানুষের প্রতি সুবিচার করা হবে।

মুঈদ রহমান : অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: jugantor.mai[email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×