প্রশ্নটার উত্তর দেয়া মুশকিল

  এ কে এম শাহনাওয়াজ ১১ জুন ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ

শিক্ষকের অবস্থান থেকে নানা প্রশ্নের মুখে আজকের লেখাটি লিখতে হচ্ছে। শেখার তো শেষ নেই। প্রতিদিনই শেখার জন্য নতুন দিন। এ কারণেই প্রাচীন ভারতের চার্বাক দর্শনে অন্ধের হস্তী দেখার রূপক ধারণা উপস্থাপিত হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, জ্ঞানের বিশাল জগতে একজন মানুষ তার এক জীবনের ক্ষুদ্র পরিসরে জ্ঞানের সামান্য অংশই পেতে পারে। পরিপূর্ণ জ্ঞানের অধিকর্তা একজন মানুষের পক্ষে হওয়া সম্ভব নয়। মানুষ তার অনুসন্ধিৎসু মন নিয়ে প্রতিদিন নিজ জ্ঞানের ভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করতে পারে।

৭ জুন সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক যখন ‘৬ দফা দিবস’ নিয়ে কথা বলছিলেন তখন আমি চমকে নিজের দিকে তাকালাম। বুঝলাম চার্বাক দর্শনে কত বাস্তব কথা বলা হয়েছিল। সত্যিই আমার জানা ছিল না ৭ জুন ৬ দফা দিবস হিসেবে পালিত হয়।

আমি নিজেকে দায়ী না করে পারছিলাম না। কারণ এ তো ‘বিশ্ব হাসি দিবস’ বা ‘বিশ্ব হাতধোয়া দিবসে’র মতো দিবস নয় যে মনে না থাকলেও বড় অপরাধ হবে না। কিন্তু বাংলাদেশের একজন মানুষ হিসেবে- মুক্তিযুদ্ধকে ধারণ করে এগিয়ে চলা দেশ-সন্তান হিসেবে ‘৬ দফা দিবস’ অজানা থেকে গেছে ভেবে মনের দিক থেকে খুব ছোট হয়ে গেলাম।

আরও বেশি বিপর্যস্ত হলাম সেই রাতেই আমার দুই ছাত্র ও এক ছাত্রীর টেলিফোন পেয়ে। ওরা আমার ক্লাস শুনে এবং আমার লেখা বই পড়ে ৬ দফা আন্দোলন সম্পর্কে যেভাবে জেনেছে, সময় ও তারিখের হিসাবে দিবসটিকে সেভাবে মেলাতে পারছে না। ক্লাসে যেমনভাবে বলি টেলিফোনেও তেমন করে বললাম, ‘তোমরা আমার বইটিতে কেন আটকে আছ? অনেক গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ আছে মুক্তিযুদ্ধ ও এর প্রেক্ষাপট জানার জন্য। সেসব চর্চা কর।’

আমি জানি একটি সংকট ওদের আছে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক অনেক গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ বাজারে থাকলেও শিক্ষার্থী ও সাধারণ পাঠকের জন্য প্রেক্ষাপটসহ মুক্তিযুদ্ধের পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস গ্রন্থ নেই। এ কারণে বছর দুই আগে প্রকাশক আমাকে দিয়ে একটি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস গ্রন্থ লিখিয়েছিলেন। এখন নেই মামার চেয়ে কানা মামা ভালো বিবেচনায় সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা অনেকে আমার বইটি পাঠ্য-তালিকায় রাখে। এই বই পড়েও তারা ধোঁয়াশায় পড়েছে।

৭ জুন কেন ৬ দফা দিবস এ নিয়ে সংশয় কাটছে না ওদের। তবে আমি তেমন শঙ্কিত হলাম না ওদের প্রশ্নে। জানি একটু ব্যাখ্যা করে দিলেই ওদের ধোঁয়াশা কেটে যাবে। ওরা সানন্দেই ৭ জুন পালন করবে। কিন্তু মূল শঙ্কাটি অন্য জায়গায়।

আমরা এমনিতেই ইতিহাস চর্চাবিমুখ জাতি। এ ভারি অদ্ভুত, যে দেশে হাজার বছরের উজ্জ্বল ঐতিহ্য রয়েছে সে দেশের শিক্ষিতজনদের বড় অংশের দেশের ইতিহাস জানার ক্ষেত্রে রয়েছে উদাসীনতা। অপূর্ণ ধারণা থাকায় দায়িত্ববান ও ক্ষমতাবানদের আচরণে মনে হয় না ইতিহাসের নানা শাখা সম্পর্কে তাদের ভালো ধারণা আছে। যেমন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আচরণে মনে হয় দেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের দায়িত্বে যার যেখানে থাকার কথা নয় তাদের সেসব জায়গায় যুক্ত করার দায়িত্ব নিয়েছেন এই মন্ত্রণালয়ের অধিকর্তারা।

যে কারণে আমার তরুণ সহকর্মী প্রশ্ন তোলেন, প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতর দেশের প্রত্নসম্পদ রক্ষার দায়িত্বে থাকা নানা পরিচালনা কমিটিতে প্রাচীন ও মধ্যযুগের শিল্পকলা চর্চাকারী ইতিহাস বিশেষজ্ঞ বা প্রত্নতত্ত্ব বিশেষজ্ঞের বদলে আধুনিক যুগপর্বের সাধারণ ইতিহাস-শিক্ষক ও গবেষকদের কেন যুক্ত করেন? জাতীয় জাদুঘর পরিচালনা কমিটির দিকে তাকালেও একই প্রশ্ন উঠে আসে। এমন অদ্ভুত আচরণ কেন? বিষয় বিশেষজ্ঞ ছাড়া কাক্সিক্ষত অবদান রাখা কি সম্ভব? তখন এর উত্তর দেয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

ইতিহাস বিষয়ে আমাদের উদাসীনতার একটি উদাহরণ দেয়ার লোভ সামলাতে পারছি না। ছাত্র-ছাত্রী থেকে শুরু করে অনেক ইতিহাসের শিক্ষককে পর্যন্ত একটি প্রশ্ন করে প্রায়ই সঠিক উত্তর পাই না। প্রশ্ন করি, কে কে সোনারগাঁ গিয়েছেন? জানতে পারি অনেকেই গিয়েছেন। এর পরের প্রশ্ন, কেন গিয়েছেন? অধিকাংশের উত্তর, সুলতানি বাংলার রাজধানী দেখতে গিয়েছিলাম।

তৃতীয় প্রশ্ন, ঢাকা থেকে রওনা হয়ে সোনারগাঁ স্টপেজে নেমে হাতের ডানে না বামে গিয়েছেন? অধিকাংশেরই চটপট উত্তর- হাতের বামে নেমে গিয়েছি। শেষ প্রশ্ন, রাজধানীর কী কী দেখলেন? উত্তর, ‘পানাম নগর, সরদার বাড়ি আর আধুনিক লোকশিল্প জাদুঘর’।

আমি তাদের হতাশ করে দিয়ে বলি, মধ্যযুগের রাজধানীর কিছুই দেখেননি। আপনারা দেখেছেন সুলতানি যুগের শত শত বছর পরের ঐতিহ্য। বেশিরভাগই ঔপনিবেশিক যুগের বস্তুসংস্কৃতি। সুলতানি যুগের রাজধানীর নিদর্শনের ছিটেফোঁটা দেখতে হলে পূর্বদিকে অর্থাৎ হাতের ডানে যেতে হতো।

এমনি অপূর্ণ ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারণা নিয়ে আমরা বেড়ে উঠছি। এমন ধারার অস্পষ্টতার জন্যই কি আমাদের এ সময়ের তারুণ্য ৬ দফা দিবস শুনে ধোঁয়াশায় পড়েছে? এটা খুব হালকাভাবে নিলে চলবে না। কারণ মুক্তিযুদ্ধের প্রণোদনার একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ঘটনা ৬ দফা আন্দোলন। এর ঘটনাবলি এবং তাৎপর্য যদি নতুন প্রজন্ম ধারণ করতে না পারে তবে মুক্তিযুদ্ধের শক্তি তাদের কাছে স্পষ্ট হবে না।

বাঙালি, বিশেষ করে বাঙালি মুসলমানের আকাঙ্ক্ষার ভেতর থেকেই পাকিস্তান সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু ক’জন ভাবতে পেরেছিল দ্রুত স্বপ্নভঙ্গ হবে তাদের? পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকচক্র ইংরেজদের মতো মেধাবী ঔপনিবেশিক শাসক হতে পারল না। চরিত্র পেল প্রাচীন বাংলার নিকৃষ্ট মানসিকতার ব্রাহ্মণ সেন শাসকদের মতো। যারা নিবর্তন চালিয়েছিল সাধারণ বাঙালির ওপর।

পাকিস্তানি শাসকদের পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি বৈমাত্রেয়সুলভ আচরণে এক সময় আওয়ামী লীগসহ বাঙালির নানা সংগঠন স্বাধিকারের প্রশ্ন উত্থাপন করে। কিন্তু বাঙালির ন্যায্য দাবির প্রতি কোনো সম্মান দেখায়নি পাকিস্তানি শাসক চক্র। আইয়ুব খান সামরিক শাসনের জাঁতাকলে স্তব্ধ করতে চেয়েছিল বাঙালির প্রতিবাদী কণ্ঠ। আত্ম অধিকারের প্রশ্নে শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা নিয়ে এলেন।

পাকিস্তানি অপশাসনের বিরুদ্ধে ৬ দফা ছিল এক অনিবার্য পরিণতি। বিপুল জনসমর্থন ৬ দফা আন্দোলনকে শানিত করে তুলল। পাকিস্তানি শাসকচক্র বাঙালির হাজার বছরের সংগ্রামী ঐতিহ্যের ইতিহাস পড়ে দেখার প্রাজ্ঞ আচরণ করতে পারল না। দমননীতির ভুল পথেই পা বাড়াল। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় বঙ্গবন্ধুসহ তার সহযোদ্ধাদের ফাঁসির মঞ্চের কাছাকাছি নিয়ে এলো। প্রবল আন্দোলনের মুখে বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দিতে বাধ্য হল আইয়ুব সরকার।

গণঅভ্যুত্থানের তোড়ে ভেসে যেতে হল আইয়ুব খানকে। এ সময় পর্যন্ত কোনো বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন শানিত হয়নি। তাই ইয়াহিয়া খান ১৯৭০-এ নির্বাচন দিলে এ দেশের মানুষ বিপুল উৎসাহে নির্বাচনে অংশ নেয়। নিরঙ্কুশ বিজয় আসে আওয়ামী লীগের পক্ষে।

আওয়ামী লীগসহ সব বাঙালির মধ্যে স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রশ্ন তখনও স্পষ্ট হয়নি। নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রশ্নে যখন পশ্চিম পাকিস্তানিদের ষড়যন্ত্রের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে পড়ে, তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবেই স্বাধিকার আন্দোলন স্বাধীনতার আন্দোলনে রূপান্তরিত হয়। বাঙালি মানসিকভাবে পরিত্যাগ করে পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকদের।

এই সংক্ষিপ্ত বিশ্লেষণেই বোঝা যায় ৬ দফা ছিল বঙ্গবন্ধুর দূরদর্শী পরিকল্পনা এবং বাঙালির মুক্তিযুদ্ধ আয়োজনের টার্নিং পয়েন্ট। তাই ইতিহাস আলোচনায় ৬ দফা ও এর বিশ্লেষণ গুরুত্ব না পেলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ধোঁয়াশাচ্ছন্ন হয়ে পড়বে।

৭ জুন তারিখটিতে ৬ দফা দিবস পালন কেন, এ নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের মনে হয়েছে ওদের শেখা সত্য বোধহয় ভুল হয়ে যাচ্ছে। কারণ ওরা পড়েছে আইয়ুববিরোধী আন্দোলন দানা বাঁধে ১৯৫৮ সাল থেকেই। আইয়ুব খান ক্ষমতা দখল করে যখন ‘মৌলিক গণতন্ত্র’ চালু করেছিল তখনই। এরপর ১৯৬২-র শিক্ষা আন্দোলন এবং পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি নানা ক্ষেত্রে শাসকগোষ্ঠীর বৈষম্যের কথা প্রকাশ পাওয়ার পর আন্দোলনের শিখা ছড়িয়ে পড়ে।

এই সূত্রেই স্বায়ত্তশাসনের দাবি উত্থাপিত হয়। বৃদ্ধি পায় আইয়ুব খানের নিবর্তনমূলক আচরণ। এমনি এক রাজনৈতিক উত্তাল সময়ে বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমান (‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি পান এর অনেক পরে) ৬ দফা উত্থাপন করে প্রকারান্তরে স্বায়ত্তশাসনের দাবিকেই শক্ত ভিত্তি দেয়ার ব্যবস্থা করলেন। এই ৬ দফা ভীতি ছড়িয়ে পড়েছিল আইয়ুব সরকারের মনে। তাই বঙ্গবন্ধুকে সরিয়ে ফেলাই কর্তব্য মনে করে। এমন পটভূমিতেই আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা রুজু হয়।

জুন মাসে নয়, ৬ দফা আন্দোলনের যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯৬৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে। এ দেশের ছাত্র-শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, রাজনীতিবিদ সবাই অনুভব করেছিলেন সম্পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন লাভ না করা পর্যন্ত নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে না। তাই ১৯৬৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগ ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে ৬ দফা কর্মসূচি অনুমোদন করা হয়। শেখ মুজিবুর রহমান লাহোরের বিরোধী দলের এক সম্মেলনে প্রথম ৬ দফা উত্থাপন করেছিলেন।

পূর্ব পাকিস্তানের পূর্ণ আঞ্চলিক স্বায়ত্তশাসন ও অর্থনৈতিক মুক্তির দাবি সংবলিত এই ৬ দফা প্রস্তাব ১৮ মার্চ পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে শেখ মুজিবুর রহমান পেশ করেন। অচিরেই ছয় দফা বাস্তবায়নের জন্য পূর্ব পাকিস্তানব্যাপী আন্দোলন শুরু হয়।

দাবি আদায়ের জন্য এ দেশের ছাত্র-শিক্ষক, রাজনীতিবিদসহ সবাই আন্দোলন শুরু করে। ৬ দফা দাবির জনপ্রিয়তায় সরকার ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে এবং একে রাষ্ট্রদ্রোহী আন্দোলন বলে অপপ্রচার করতে থাকে। ক্রমে সরকার ৬ দফা আন্দোলন থামিয়ে দেয়ার জন্য দমননীতি শুরু করে। ১৯৬৬ সালের ৮ মে শেখ মুজিবসহ আওয়ামী লীগের বহু নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। এই গ্রেফতারের সংবাদ পূর্ব পাকিস্তানের মানুষকে বিক্ষুব্ধ করে তোলে।

আওয়ামী লীগ প্রথমে প্রতিবাদ দিবস পালন করে। অতঃপর বন্দি নেতাদের মুক্তির দাবিতে ১৯৬৬ সালের ৭ জুন পূর্ব পাকিস্তানে হরতাল কর্মসূচি আহ্বান করা হয়। সরকার হরতাল বন্ধের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করে। কিন্তু স্বতঃস্ফূর্ত জনতা ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে মিছিল বের করে। মিছিলে গুলি চালায় পুলিশ।

এভাবে ৭ জুনের কর্মসূচির মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া আন্দোলন বাঙালির মনে জাতীয়তাবাদের ধারণার জন্ম দিয়েছিল, যা বাঙালিকে গণঅভ্যুত্থান ও সবশেষে স্বাধীনতা আন্দোলনের দিকে টেনে নিয়ে যায়। আমি আমার ছাত্রছাত্রীদের বোঝালাম ৬ দফার দাবিতে প্রকৃত মাঠের আন্দোলনের শুরুটা হয় ৭ জুন।

এই বিষয়টির ওপর গুরুত্ব দিয়ে এই দিনটিকে হয়তো ৬ দফা দিবস হিসেবে পালন করা হচ্ছে। এতে নিশ্চয় দোষের কিছু নেই। ওরা হয়তো এই ব্যাখ্যা মেনে নিল। কিন্তু মেধাবী ছাত্রীটি একটি প্রশ্ন ছুড়ে দিল আমাকে।

সবই মানলাম, কিন্তু স্যার, আমরা যেভাবে ইতিহাস চর্চা ভুলে যাচ্ছি তাতে ৭ জুনে আটকে গিয়ে ভুলে যাব প্রথম ৬ দফা অনুমোদন করা ২১ ফেব্রুয়ারি আর আওয়ামী লীগের ১৮ মার্চের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু কর্তৃক ৬ দফা উত্থাপন করার দিনটির কথা, যেখান থেকে বঙ্গবন্ধু সূচনা করেছিলেন ৬ দফা কর্মসূচির। এতে করে কি ৬ দফার ঔজ্জ্বল্য এবং ইতিহাস বিকৃত হবে না?

আমি কেন যেন এই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারলাম না।

ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ : অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

[email protected]

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×