সাম্প্রদায়িক সহনশীলতায় কীট দংশন

  এ কে এম শাহনাওয়াজ ০৬ অগাস্ট ২০১৯, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

সাম্প্রদায়িক সহনশীলতা। প্রতীকী ছবি

প্রচলিত কথায় বা ধারণায় মাঝে মধ্যে মৃদু সন্দেহ জাগে। এই যে আমরা সবসময় বলি- বিশ্বাস করি, ঐতিহাসিক সত্যও এর মধ্যে রয়েছে যে, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ।

কিন্তু মাঝে মধ্যে যখন খোকা শকুন, বুড়ো শকুনরা নিজেদের দলীয় ও ব্যক্তিগত সুবিধার জন্য দেশের সম্মান ও শান্তির চাদর খুবলে খেতে যায় তখন বিপন্ন মানুষের মধ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রশ্নে একটু হলেও সন্দেহ দোলা দিতে পারে।

আমাদের দেশে গুরুত্বপূর্ণ, স্পর্শকাতর, মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে গেলে কিছুদিন আলোচনার ঝড় ওঠে। তারপর নতুন ঘটনা বা অঘটন এসে জায়গা করে নেয়। আগের ঘটনার তাপ-উত্তাপ শীতল হয়ে যায়।

কিন্তু নতুন ঘটনার চাপে সবকিছু আলোচনার বাইরে চলে গেলে সংকট গোপনে বড় হবে এবং এক সময় অন্ধকারাচ্ছন্ন করে ফেলতে পারে চারদিক। এ দিক বিবেচনায়ই আজকের লেখাটির অবতারণা। তবে শুরুতে পরিপ্রেক্ষিতের দিকে তাকাতে চাই।

এ দেশে পনেরো-ষোলো শতকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রশ্নে কিছুটা সন্দেহ দেখা দিয়েছিল। মধ্যযুগে- অর্থাৎ সুলতানি ও মোগল আমলে মুসলিম শাসক এবং সাধক শ্রেণির বাস্তব ও উদার দৃষ্টিভঙ্গির কারণে অমুসলিম প্রজার প্রতি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল।

তারপরও এক সময় সন্দেহ দেখা দেয়। দেখা গেল এ উদার সুলতানদের গড়া মসজিদে সাঁটা কোনো কোনো শিলালিপিতে প্রথাগত বক্তব্য উৎকীর্ণের পরও একটি অতিরিক্ত আরবি লাইন যুক্ত করা হতো। তা হচ্ছে ‘গাওসুল ইসলাম ওয়ল মুসলেমিন’।

অর্থাৎ ‘আমি ইসলাম ও মুসলমানের সাহায্যকারী বা রক্ষাকারী’। এমন কথা শুনলে তো সন্দেহ হতেই পারে, সত্যিই কি তাহলে সুলতানরা অসাম্প্রদায়িক মনোভাবাপন্ন? আসলে সুলতানরা এ কথা লিখেছিলেন ধর্মান্তরিত নওমুসলমানদের আশ্বস্ত করতে।

কারণ সেই সময়ের রক্ষণশীল হিন্দু সমাজে ধর্মত্যাগীকে কুলত্যাগী মনে করা হতো। যে ধর্মত্যাগ করত তার আর নিজ সমাজ বা পরিবারে ফিরে আসার সুযোগ ছিল না। আবার কুলহারানো এই নওমুসলমানরা নতুন সমাজে বহিরাগত মুসলমান প্রতিবেশীকে দেখেও হতাশ হতো।

কারণ এদের ভাষা, খাদ্যাভ্যাস, পোশাক কোনোকিছুর সঙ্গেই তারা নিজেদের মিল খুঁজে পাননি। ভয় হয় এরাও যদি গ্রহণ না করে তা হলে তাদের পরিণতি কী!

নওমুসলিমদের এ মনস্তাত্ত্বিক সংকট সুলতানরা অনুধাবন করেছিলেন। সুলতানদের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রয়োজনেই তাদের স্থানীয় মানুষের সমর্থন চাই। সুলতানরা দিল্লির মুসলমান সুলতানদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে বাংলায় স্বাধীন সুলতানি প্রতিষ্ঠা করেছেন।

এ বিদ্রোহ দমন করার জন্য দিল্লি ক্রমাগত আক্রমণ করছে বাংলায়। সুতরাং দিল্লির বিরুদ্ধে টিকে থাকতে হলে স্থানীয় মানুষের সমর্থন প্রয়োজন। এ কারণে নওমুসলমানদের আস্থায় রাখার জন্যই শিলালিপিতে অমন আশ্বাসের কথা লেখা হয়েছে।

কিন্তু এতে আরেকটি জটিলতা তৈরি হয়েছিল। অমন বক্তব্যে বাংলার সাধারণ হিন্দু সমাজ বিভ্রান্ত হতে পারে। সুলতানদের অসাম্প্রদায়িক চেতনার ব্যাপারে সন্দেহ তৈরি হতে পারে।

এবার আতঙ্কিত হলেন সুলতানরা। সাধারণ হিন্দুর সমর্থন হারালে চলবে না। তাই ধর্মাদর্শের কথা বিবেচনায় না এনে রাজনৈতিক কৌশলকেই গুরুত্ব দিলেন। নিজেদের জারি করা মুদ্রাকে সুলতানরা পবিত্র মনে করতেন।

আরবি লিপিতে খোদিত মুদ্রার এক পিঠে অনেক সময় কলেমা উৎকীর্ণ থাকত। তেমন মুদ্রায় এবার অন্য পিঠে ঘোড়সওয়ার, সূর্যমূর্তি, সিংহমূর্র্তি, লক্ষ্মীদেবীর মূর্তি ইত্যাদি খোদাই করে দিতেন।

এভাবে বলতে চাইতেন- আমি তোমাদেরও বন্ধু, দেখ আমাদের পবিত্র মুদ্রায় তোমাদের সংস্কৃতিকেও সম্মান দেখাচ্ছি।

এসব কৌশলের কারণেই সমগ্র মধ্যযুগে বাংলায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ক্ষেত্রে তেমন সংকট তৈরি হয়নি। অন্যদিকে সুফি সাধকদের অসাম্প্রদায়িক চেতনায় ঈশ্বরপ্রেম ও মানবপ্রেমের বাণী প্রচার করা হয়।

পাশাপাশি ষোলো শতকে এসে শ্রীচৈতন্য দেবের মাধ্যমে নব্য বৈষ্ণব আন্দোলন প্রচারে অসাম্প্রদায়িক চেতনারই বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। দুই সম্প্রদায়ের মরমি ধর্মগুরুরাই মানবতার বাণী প্রচার করেছিলেন। তাই কোনো শকুনের নখের আঁচড় অনুভব করেনি বাঙালি।

এমন মানবতাবাদী বাঙালির মনে রাজনৈতিক-বাণিজ্যিক স্বার্থরক্ষায় ইংরেজ শাসকরা হিংসার বীজ বপন করে। লোভী মুসলিম ধর্মনেতা ও লোভী হিন্দু পুরোহিতদের কব্জা করে নেয়। এদের মধ্য দিয়েই যার যার সম্প্রদায়ের ভেতর হিংসার বীজ ছড়াতে থাকে।

সাম্প্রদায়িক হানাহানি ছড়িয়ে দিতে চায় নিজের ঘরে সুবিধার ফসল তুলে নিতে। এ ক্ষতটাকেই যুগ যুগ ধরে জিইয়ে রেখেছে সুবিধাবাদী গোষ্ঠী। যখনই প্রয়োজন পড়ে খুঁচিয়ে দেয়, কখনও ব্যক্তিস্বার্থ কখনও দলীয় স্বার্থ হাসিল করার জন্য।

কোনো এক অখ্যাত ‘সাহা’ বিশ্ব মোড়ল ট্রাম্পের কাছে নালিশ করল বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা সাম্প্রদায়িক হিংসার শিকার। মুসলিম মৌলবাদীরা তাদের সম্পদ কেড়ে নিয়ে তাড়িয়ে দিচ্ছে।

এ মিসেস সাহা অপপ্রচার করে ট্রাম্প বা বিশ্ববাসীর মনোযোগ যতটুকু না আকর্ষণ করতে পেরেছিলেন তারচেয়ে তাকে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ করে তুলল আমাদের মিডিয়া, সাংস্কৃতিক অঞ্চলের মানুষ ও নেতা-মন্ত্রীরা।

আমি কিন্তু একজন মতলববাজ নারীর অপপ্রচারে আতঙ্কিত ও সংকুচিত হওয়ার কোনো কারণ দেখিনি। আমার মনে হয় না অমন অভিযোগ বর্ণবাদী ও সংখ্যালঘু নিপীড়নকারী ট্রাম্পকে খুব ছুঁয়ে গেছে।

সময়ের বাস্তবতা, নানা তথ্য-উপাত্ত এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের রিপোর্টের বাইরে জনৈক এনজিও কর্মীর কথায় ট্রাম্প যে জেহাদ ঘোষণা করবেন তেমন তো নয়!

এ দেশের কিছুসংখ্যক রাজনীতিক ও মৌলবাদী সুবিধালোভী মানুষ ছাড়া মিসেস সাহার পরিসংখ্যান ও বক্তব্য সাধারণ হিন্দু-বৌদ্ধ-মুসলমানের কাছে কৌতুকপ্রদই মনে হবে।

অসাম্প্রদায়িক মনোভাব নিয়ে যুগ যুগ ধরে বসবাসকারী মানুষ জানে তাদের যাপিত জীবন ও পরিবেশ কেমন। তাই সব সম্প্রদায়ের মানুষ উপভোগ করতে পারে একজন সুবিধাবাদী মানুষের বক্তব্য।

বলতে পারেন, বাহ্, একজন এনজিও কর্মী এ দেশে স্বাধীনভাবে এনজিও পরিচালনা করছেন, তার স্বামী এ দেশে উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা, এ দেশের আয়েই দুই কন্যাকে মার্কিন মুল্লুকে পড়াচ্ছেন।

আর ইতিমধ্যে তার গ্রামের বাড়িতে আগুন লাগানোর রহস্যও উন্মোচিত হয়েছে। ফলে সম্প্রদায় নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের কাছে তার কথা বর্ষায় আষাঢ়ে গল্প বলেই মনে হবে।

এসব কারণে আমাদের মনে হয় দেশের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ও সংকট নিয়ে না ভেবে এসব অপ্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে সময় ব্যয় করার অর্থ হয় না। ১৯৪৭ সাল থেকেই অনেক হিন্দু দেশত্যাগ করে স্থায়ীভাবে ভারত চলে গেছেন।

যে কোনো দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের একই ধর্ম অধ্যুষিত প্রতিবেশী দেশ থাকলে সেখানে কারও কারও চলে যাওয়া স্বাভাবিক ঘটনা। এ প্রতিবেশী দেশ তুলনায় সমৃদ্ধিশালী হলে অভিবাসন হয় ধারাবাহিকভাবেই।

এর পাশাপাশি সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়ের ভেতর কিছুসংখ্যক লোভী-লুটেরা তো থাকতেই পারে। সেখানে দুর্বলের ওপর সবলের অত্যাচার অস্বাভাবিক নয়। এ ধারার বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে পুরো দেশের বাস্তবতা বলে চালিয়ে দেয়া যায় না।

তবে আমাদের দেশের নষ্ট রাজনীতির ভুবন থেকে কিছু সংকট তৈরি হয়। রাজনৈতিক সুবিধা পাওয়ার জন্য একপক্ষ দায়িত্বহীনভাবে সংখ্যালঘু নিপীড়নের কাহিনী তৈরি করে। দায় চাপায় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ঘাড়ে।

অন্য পক্ষ সুযোগ পেলে একই আচরণ করে তার প্রতিপক্ষের ওপর। কিন্তু এর প্রতিক্রিয়ার কথা কোনো পক্ষই ভাবে না। এভাবে রাজনৈতিক সুবিধা পাওয়ার জন্য দেশের বিরুদ্ধে অপরাধ করে। প্রাসঙ্গিক একটি উদাহরণ দিতে পারি।

১৯৯১ সালের কথা। আমি গবেষণার কাজে কলকাতায় তখন। সেখানে বুদ্ধিজীবীদের একটি সংগঠন আছে। তারা দুই বাংলার সম্প্রীতি নিয়ে কাজ করেন। একদিন আমি সংগঠনের কয়েকজনের সঙ্গে আলাপ করে জানলাম, তারা বিশ্বাস করেন, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নিপীড়ন হচ্ছে।

আমি প্রতিবাদ করলাম। তারা ফাইলে সংরক্ষিত আমাদের দেশের খবরের কাগজের কাটিং দেখালেন। আমাদের বিরোধী দলের নেতারা সরকার পক্ষকে ঘায়েল করতে সংখ্যালঘু নিপীড়নের কথা বক্তৃতায় বলছেন। আমি কলকাতার বন্ধুদের কী করে বোঝাই যে এসব আমাদের নেতা-নেত্রীর রাজনৈতিক বক্তব্য।

এ সংগঠনের নেতারা আমাকে জব্দ করার জন্য ফাইলের ভেতর থেকে বের করলেন নিদারাবাদ হত্যাকাণ্ডের ক্লিপিং। ১৯৮৯ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নিদারাবাদে বাড়ি-জমি দখল করার জন্য একটি হিন্দু পরিবারের সবাইকে হত্যা করে বিলে ডুবিয়ে দেয়া হয়েছিল।

আমি বললাম এটি সংখ্যালঘু বলে নয়, দুর্বল বলে। দুর্বলের ওপর এমন নির্যাতন নতুন নয়। নিদারাবাদ হত্যাকাণ্ডের কয়েক মাস পরের ঘটনা জানালাম। যশোরের সীমান্ত অঞ্চলে দুই জ্ঞাতি ভাইয়ের পরিবারের মধ্যে জমি-জিরাত নিয়ে দ্বন্দ্ব ছিল।

এটি মুসলিম পরিবার। এক রাতে দুর্বল প্রতিপক্ষের পরিবারের সব সদস্যকে হত্যা করে বস্তায় ভরে ভারতীয় সীমানায় ফেলে দিয়েছিল। দেশের আইনে নিদারাবাদ হত্যাকাণ্ডের আসামিদের ফাঁসি দেয়া হয়েছিল, এ ঘাতকরাও বিচারের আওতায় আসে। এবার কলকাতার বিদগ্ধ বন্ধুদের মনের মেঘ কিছুটা কাটে।

তথ্য সংকটও আমাদের অনেক সময় সত্যকে দূরে সরিয়ে দেয়। বাংলাদেশ থেকে পশ্চিমবঙ্গে যাওয়া অভিবাসীদের গালগল্প এখন ওপার বাংলার অনেক সচেতন মানুষ গ্রহণ করেন না।

এসব অভিবাসীর অনেকে স্থানীয় মানুষের সহমর্মিতা পাওয়ার জন্য প্রায়ই গল্প ফাঁদে। এ ধারার অধিকাংশের গল্প একই রকম। তাদের প্রায় সবারই জমিদারি বা তালুকদারি ছিল পূর্ব বাংলায়। এখানকার মুসলমান সব কেড়ে নিয়ে তাড়িয়ে দিয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের সোদপুরে দৈবাৎ এমন এক বাস্তবতার মুখোমুখি হলাম। কয়েকজন সাংস্কৃতিক কর্মী বন্ধু একবার আমাকে নিয়ে গেলেন সোদপুরের পানিহাটিতে রোকেয়া সাখাওয়াত হোসাইনের কবর দেখাতে।

ফিরতি পথে ঢাকার এক পরিবারের সঙ্গে পরিচয় করাতে নিয়ে এলেন। তাদের নাকি বিশাল আমবাগান, পুকুর আর দোতলা পাকাবাড়ি কেড়ে নিয়ে তাড়িয়ে দিয়েছে। এক বন্ধু বললেন, এদের নিয়ে আমাদের সন্দেহ আছে। ঢাকা শহরে থাকা অমন সম্পদশালী পরিবারের সবাই স্বল্প শিক্ষিত কেন!

আমি বৃদ্ধ গৌতম দাসকে দেখে চমকে উঠলাম। ছেলে হরিদাস কলকাতার বড়বাজারে ছোটখাটো ব্যবসা করে। তাই তাকে পেলাম না। পুরান ঢাকায় আমার এক বন্ধুর বাড়িতে গেলে প্রায়ই গৌতম দাসের তেলেভাজা দোকানে নিয়ে যেত ও।

ছোট ভাঙাচোরা চালাঘরে এ দোকান। কাছাকাছি তিন কাঠা জমিতে তার টিনের বসতঘর। চারদিকে দারিদ্র্যের ছাপ। বন্ধুর কাছে শুনেছি একবার গৌতম দাসের স্ত্রীর চিকিৎসা করার জন্য কলকাতায় নিয়ে যায় হরিদাস। দুই মেয়ে সঙ্গে যায়।

গৌতম দাস একাই ছিলেন। হঠাৎ প্রচার পেল চিকিৎসা করতে অনেক টাকা প্রয়োজন। সুতরাং বাড়ি বিক্রি ছাড়া উপায় নেই। এলাকার একজন ধনাঢ্য সমাজকর্মী-ব্যবসায়ী বাড়িটি উচিত দামে কিনে নেন।

এই দানবীর ভদ্রলোক বাড়ির দামের বাইরে গৌতম দাসের স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য অতিরিক্ত পঞ্চশ হাজার টাকাও দিয়েছিলেন। এর পরপরই টাকা নিয়ে গৌতম দাস একবারে কলকাতায় চলে গেলেন।

এসব কারণেই বলি সাম্প্রদায়িকতা উসকে দেয়ার নানা মহল সক্রিয় আছে। এসব ব্যাপারে সতর্ক না থাকলে ঐতিহাসিক কাল থেকে যে অসাম্প্রদায়িক মনোভাব বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে রয়েছে, সুযোগ-সন্ধানীরা যে কোনো সময় বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে।

অবশ্য ইতিহাসের ছাত্র হিসেবে আমি মনে করি, ঐতিহাসিক সত্যকে আড়াল করে কুচক্রী মহলের বেশিদূর এগিয়ে যাওয়া কঠিন হবে।

ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ : অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

[email protected]

আরও খবর

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত