বানভাসি মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে

  কামাল লোহানী ০৮ আগস্ট ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বানভাসি মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে

দেশের অভ্যন্তরে যেসব অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাবলি ঘটে যাচ্ছে, তা দেখে আমরা বিস্মিত; হতবাক হয়ে যাচ্ছি। রাষ্ট্র ও তার প্রশাসন তাদের ক্ষমতার জোরে এসব অঘটন-দুর্ঘটনাকে কখনও আমলে নিচ্ছে, আবার কখনও তোয়াক্কাই করছে না।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অথবা মন্ত্রিসভার কোনো সদস্য, সেই সঙ্গে পুলিশ ও র‌্যাব প্রশাসন ‘জিরো টলারেন্স’ নামের একটি শব্দ ব্যবহার করে মানুষকে ‘স্বস্তি’ দেয়ার অপচেষ্টা করে যাচ্ছেন।

এ কথা কেন বললাম, এর কারণ নানাবিধ। ‘জিরো টলারেন্স’র পরও ছেলেধরা গুজবে নিরীহ মানুষ হত্যা, জঙ্গি তৎপরতা থেকে শুরু করে ধর্ষণ, ধর্ষণের পর হত্যা (শিশু ও নারী নির্যাতন); এসব ঘটনার সঙ্গে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজউদ্দৌলা, কোনো এক স্কুলের হেডমাস্টার, আবার এই তো সেদিন মসজিদের এক ইমাম জিনের ভয় দেখিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে শোনা যায় ২১ নারী ও শিশুকে ধর্ষণ করেছে।

এ পর্যন্ত ২ বছরের শিশু থেকে শুরু করে ৪ সন্তানের মা পর্যন্ত যেভাবে উপর্যুপরি ধর্ষিত হয়েছেন, তাতে সরকারি ‘জিরো টলারেন্স’র উন্মাদনা কার্যকর হল কোথায়! আমরা তো দেখছি ধর্ষণ প্রক্রিয়ার কোনো ব্যত্যয় ঘটছে না।

সরকার অবশ্য তার মন্ত্রী অথবা প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের বক্তৃতার মাধ্যমে অনেক সময় নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকার জন্য নিজেদের দায়টা জনগণের ওপর চাপিয়ে দেয়।

আবার জনগণকে সক্রিয় করার জন্য যেসব পদক্ষেপ নেয়া দরকার- বিভিন্ন ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলায়, পর্যায়ক্রমে দেশের সর্বত্র জনগণকে সংগঠিত করার জন্য কেউ কি তৎপর?

আমরা তো জানি- পাড়ায়, মহল্লায়, ইউনিয়ন, উপজেলায় মানুষকে একাট্টা করতে পারলে এই ‘নিধন’ প্রক্রিয়া কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে।

কিন্তু তা না করে দেশের বোদ্ধা ব্যক্তিদের মতো কেবল কিছু বয়ান দিয়ে নিজেদের দায়িত্ব ও পদ-পদবি রক্ষা করছেন। নাগরিকরাও নিজস্ব উদ্যোগে কোনো কিছু করেন বা করেছেন, এমন কোনো খবর অন্তত আমি জানি না।

আগে গ্রামে-গঞ্জে নিদেনপক্ষে উৎসাহীরা একত্রিত হয়ে ঘরের লাঠি আর দু’নলা বন্দুক নিয়ে রাতে পাহারা দেয়ার ব্যবস্থা করতেন। কিন্তু আজ দেশবাসী তেমন পদক্ষেপ নিতে সাহস পান না; কারণ যে ঘটনাই ঘটুক না কেন, তার সঙ্গে কে যে জড়িত, উদ্বিগ্ন মানুষ তা বুঝতে পারেন না। ফলে সবাই ঘরে খিল এঁটে বসে থাকেন আত্মরক্ষার প্রয়াসে।

আগে দেখেছি, গ্রামে-গঞ্জে নৈশ চৌকিদারকে ইউনিয়ন পরিষদ নিয়োজিত করত এবং তারা হাতে একটি লাঠি অথবা বর্শা নিয়ে গ্রাম বা অঞ্চলময় ঘুরে জনগণকে স্বস্তিতে ঘুমানোর জন্য সাহস দিতেন।

আজকাল সে ব্যবস্থাও আছে বলে মনে হয় না। কেউ উদ্যোগী হয়ে যদি এ ধরনের প্রয়াস নেন, তাহলে উদ্যোগীদের হেনস্তা হতে হবে না, তার নিশ্চয়তা কী?

দেশে যে অবস্থা বিরাজমান, তাতে যতই মানুষকে বাইরে থেকে সাহসের জোগান দেয়া হোক না কেন, তাতে কি সাধারণ মানুষ বা নানা প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন এগিয়ে আসবে?

এখন বর্ষাকাল, তার ওপর বন্যার প্রকোপ বিভিন্ন এলাকায় রাক্ষুসী রূপ ধারণ করেছে। প্লাবিত হয়েছে অঞ্চলের পর অঞ্চল। এ অবস্থায় আমি যে ডাকাতির ঘটনা শুনেছি, তাতে গা শিউরে ওঠে। নৌকা নিয়ে ডাকাতদল নানা অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে গ্রামের নির্দিষ্ট বাড়িতে তাদের অপকর্ম চালায়।

ফলে গৃহবাসী লোকজন ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে প্রতিরোধ তো করতেই পারেন না; বরং বাধা দিতে গেলে ডাকাতদের হাতে আহত, নিহত, নির্যাতিত হতে হয়। গ্রামাঞ্চলে এ উপদ্রবটা বর্ষাকালেই বাড়ে সবচেয়ে বেশি। এ বিষয়টি জানা সত্ত্বেও ইউনিয়ন পরিষদ কিংবা উপজেলা কর্তৃপক্ষ কোনো প্রতিকারের চেষ্টা করেছে কি?

হায়রে স্বদেশ! লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশে আর ক’দিন পরই স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করতে যাচ্ছি।

কিন্তু দেশের মানুষের স্বাধীনতা যে কী কুৎসিতভাবে আক্রান্ত হচ্ছে মৌলবাদী সাম্প্রদায়িক অপশক্তির দ্বারা, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম চেতনা ধর্মনিরপেক্ষতাকে কালো বিষের বাণে বিদ্ধ করে আমাদের বিজয়ের সহযাত্রী অমুসলিম জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তাহীনতার কি কোনো প্রতিকারের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে?

এসব চিন্তা করে দেশমাতৃকার একজন প্রবীণ মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। অবশ্য সরকার আমাদের আশ্বাস দিয়েই যাচ্ছে, দেশ কখনই ধর্মান্ধতার বিষাক্ততায় নিমজ্জিত হবে না; অথচ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুন্যাল মুক্তিযুদ্ধকালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মৌলবাদী দোসর জামায়াতে ইসলামীকে অপরাধী সাব্যস্ত করলেও সরকার তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা আজও গ্রহণ করেনি।

আবার নির্বাচন কমিশন তাদের নিবন্ধন বাতিল করে দিলেও কাগজে-কলমে তারাই জামায়াতকে জিন্দা রেখেছে। জামায়াত তাদের কৌশল পাল্টে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে ঢুকে পড়ে নিজেদের ‘রাজনীতি’ বজায় রাখার জন্য গা ঢাকা দিয়েছে।

এদিকে শোনা যায়, একসময়ের জামায়াতবিরোধী হেফাজতে ইসলাম শুধু মাথাচাড়া দিয়েই ওঠেনি; তারা মুক্তিযুদ্ধের সরকারকে প্রায় গিলে ফেলার উপক্রম করেছে।

ফলে হেফাজতের সন্তুষ্টির জন্য সরকার নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও এই দাবি করা হচ্ছে, তারা গর্বের সঙ্গে ধর্মান্ধতাকে প্রতিরোধ করেছে। কিন্তু আমরা তো চোখে ‘ঠুলি’ পরিনি।

এ প্রসঙ্গে বলে রাখতে চাই, সত্যিকার অর্থেই যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করেন; তারা কখনই মৌলবাদী অপশক্তি ও ধর্মান্ধতার কাছে নতজানু হবেন না।

‘জয় বাংলা’- যে রণধ্বনি একাত্তরের রণাঙ্গনে মুক্তিফৌজকে ঋদ্ধ করেছিল, মনে রাখবেন- সেই রণধ্বনি সাধারণ মানুষের মধ্যে আজও জীবিত।

যত অপচেষ্টাই চলুক না কেন, দেশ এবং দেশবাসীকে এই মন্ত্র থেকে কেউ সরাতে পারবে না। জঙ্গিবাদ থেকে হেফাজত কিংবা ধর্ষণের পর নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ডসহ নিত্যদিনের সামাজিক অনাচার- যত বিপদই আসুক না কেন, বুকের পাঁজর দিয়ে আমরা লড়ব। তবে সরকারের আইন এবং পুলিশ ও র‌্যাবের হাতটা যেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ লড়াকুদের ওপর কোনো অসিলাতেই না পড়ে।

এসব কথা বলতে গেলে সংবাদপত্রে বা টেলিভিশনের টকশোতে ‘বুদ্ধিজীবী’ বা ‘সুশীল সমাজের’ নিষ্ক্রিয়তাকে দাবি করা হয়। কিন্তু বন্ধুরা এ কথা কি জানেন না, ‘লিপ সার্ভিস’-এ যারা অভ্যস্ত; তারা কোনো সময়ই সাংগঠনিক লড়াইয়ে ময়দানে আসে না।

কারণ রাজনৈতিক জুজুর ভয় তাদের গ্রাস করে ফেলেছে। আবার যাদের দেখি প্রবলভাবে সরকারের বিরোধিতা করেন নানাভাবে, তারাও যেমন; তেমনি হেফাজত-জামায়াতের সদস্যরাও ধর্ষণ ও হত্যা নিয়ে কোনো কথা বলে না। মাদ্রাসার অধ্যক্ষ, কোনো হেডমাস্টার কিংবা ইমাম যখন জড়িত থাকে, তখন বেলেহাজের মতো ওরা বলবেই বা কী!

দেশে আজ ‘রাজনীতি’ নেই বললেই চলে; আছে কেবল পারস্পরিক বিতর্ক-সমালোচনা। যে দেশে বিরোধী দল বলে কিছু থাকে না, সে দেশ একদলীয় শাসন অথবা একনায়কতন্ত্রের পথেই হাঁটে, গর্বে-গৌরবে। ক্ষমতাসীনদের গর্ব- দেশ কত ভালো চলছে! ‘প্রবল উন্নয়ন’ ক্রমশ এগিয়ে যাচ্ছে, এতেই তারা খুশি।

অথচ দেশের মানুষ কোনো কোনো এলাকায় প্রচণ্ড বন্যার কবলে নিপতিত হয়েছেন এবং খোলা আকাশের নিচে হাঁটুপানিতে দাঁড়িয়ে কেবলই আহাজারি করছেন।

তাদের জন্য সরকার চাল, টাকা এবং শুকনো খাবার বরাদ্দ করেছে; এই জলে ডোবা মানুষগুলো চাল নিয়ে আর টাকা নিয়ে করবেনটা কী? তারচেয়ে বরং রান্না করা খাবার- চারটে ডাল-ভাত ওদের মুখে তুলে দেয়ার জন্য যদি নৌকা নিয়ে সবার কাছে পৌঁছা যেত, তাহলে কি ভালো হতো না?

তাহলে তো প্রতিদিন টেলিভিশনে কয়েকদিন না খেয়ে থাকা, কোনো সাহায্য না পাওয়া কিংবা একবেলা বিরানি দিয়ে তারপর আর কোনো খোঁজ নেই- এসব কথা শুনতে হতো না।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৪ দলীয় জোটের নেত্রী হয়েও রিলিফ বিতরণের জন্য কেবল আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ কর্মীদের কাজে লাগতে বলেছেন।

আমার প্রশ্ন, আওয়ামী লীগ ছাড়া ওই জোটে তো আরও ১৩টি দল আছে; তাদের প্রতি কোনো নির্দেশ কেন দিলেন না! তিনি তো সরকারপ্রধান এবং সরকার সব মানুষের।

তাহলে অন্যান্য মানুষ অর্থাৎ দেশের বৃহদাংশ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ থেকে বঞ্চিত হল কেন? এমনকি তিনি তো বিত্তশালী ধনী শ্রেণিকে বানভাসি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কথা বলতে পারতেন। সরকার যে রিলিফ দেয়, তা যে সবখানে পৌঁছায় না; এটা তো তার জেলা-উপজেলার কর্মকর্তারাও জানেন।

প্রধানমন্ত্রী বললেন কী বললেন না- এ কথা না ভেবে দেশে যেসব রাজনৈতিক দল, ছাত্র সংগঠন, সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান এবং আরও কিছু পারঙ্গম দল বা গোষ্ঠী রয়েছে; ভয়াবহ বিপদের দিনে দেশের ভাইবোনদের পাশে সামান্য দু’মুঠো ভাত অথবা দুটো রুটি নিয়ে কেন দাঁড়ালেন না?

আপনারা তো বিবেকবান মানুষ। দেশের লাখ লাখ মা-বোন যখন শিশু-পুত্র-কন্যাদের নিয়ে গৃহহীন হয়েছেন, সব বিষয়-সম্পত্তি বিসর্জন দিয়েছেন, ধান-পাট ও শাকসবজিসহ তাদের নানা শস্যের বিপুল ক্ষতি হয়েছে- এসব দেখেও কি আমাদের মনে সামান্য দাগ কাটে না?

আসুন না সবাই, প্রতিবার যেমন ছাত্র ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা মুষ্ঠিভিক্ষা করে, টিএসসিতে হাজার হাজার রুটি তৈরি করে আমাদের মা-বাবাদের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছেন; তেমনি এবারও দাঁড়াই।

কোনো কোনো এলাকা থেকে জল নেমে যাচ্ছে, এ অবস্থায় অনেকেই নিমজ্জিত ভিটাতে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করছেন একেবারে শূন্য হাতে। আমাদের ছাত্র-যুবক বন্ধুরা আসুন না; নতুন ঘর বাঁধার জন্য তাদের সঙ্গে সঙ্গে আমরাও হাত লাগাই।

শুধু গৃহনির্মাণে সহায়তা অথবা সরকারি উদ্যোগে সরঞ্জামাদি সাহায্য দিয়ে সহযোগিতার কথা ভাবার পাশাপাশি উপদ্রুত এলাকায় এখন দুর্গত এলাকার মানুষ যেসব রোগবালাইয়ের শিকার হবেন, তার জন্য সরকারি উদ্যোগ ও বেসরকারি প্রয়াসও প্রয়োজন। না হলে দুর্গত মানুষের মধ্যে ডায়রিয়াসহ নানা ধরনের রোগ বিস্তারের যে আশঙ্কা রয়েছে, তাতে আরেক মহামারী আকারে এই বন্যা সংকটের প্রাদুর্ভাব ঘটতে পারে। সেদিকেও দেশের সজ্জন মানুষ নিশ্চয়ই এগিয়ে আসবেন; কেবল সরকারি সহযোগিতার কথায় নিশ্চিত হয়ে হাত গুটিয়ে থাকবেন না।

জানি, দেশে ডেঙ্গু প্রকোপের কারণে হাসপাতালগুলোয় ঠাঁই নেই; চিকিৎসক ও সেবিকারা রাতদিন পরিশ্রম করে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের সারিয়ে তোলার জন্য প্রাণান্ত তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন।

তাই বলছিলাম, বন্যা-পরবর্তী যেসব রোগব্যাধির প্রাদুর্ভাবের আশঙ্কা রয়েছে; সে সম্পর্কে যদি এখনই আমরা সচেতন না হই, সরকারি বা বেসরকারি পর্যায়ে, তাহলে একবার বন্যার দুর্ভোগে সবকিছু বিসর্জন দেয়া মানুষগুলো অসহায়ভাবে কেবল হাতড়িয়ে মরবেন।

তাদের প্রতি মানবিক আচরণ ও সব ধরনের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়ার জন্য যেমন সরকারকে ইতিমধ্যেই প্রস্তুত হতে হয়েছে হয়তোবা, একই সঙ্গে বিভিন্ন ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ও রোগ নিরাময় কেন্দ্র; কিংবা সহানুভূতিশীল প্রতিষ্ঠান ও জনগোষ্ঠীর এখনই প্রস্তুতি গ্রহণের সময়।

তাই বলছিলাম, বানভাসি মানুষের এ দুর্গতি মোচন করা সম্ভব হবে না, যদি না আমরা সচেতন হয়ে হাত না লাগাই। দুর্গত মানুষের কী যে দুরবস্থা, কেবল তারাই জানেন।

আমরা যারা ডাঙায় বাস করি, প্লাবন যাদের স্পর্শ করেনি, তাদের কি বিবেকের দংশন হবে না- যদি জলমগ্ন এলাকা অথবা পানি নেমে যাওয়া অঞ্চলে থাকতে বাধ্য হওয়া আমাদেরই আত্মীয়-পরিজনকে মারাত্মক ব্যধিতে আক্রান্ত হতে কিংবা মরতে দেখি?

কামাল লোহানী : সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×