যে কারণে সুশাসন জরুরি

  মো. মইনুল ইসলাম ২২ আগস্ট ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

মতামত

দুটো উদ্ধৃতি দিয়ে লেখাটি শুরু করতে চাই। ১. শাসকরা যখন শোষক হয় অথবা শোষকদের সাহায্য করে তখন দেশ ও জনগণের মঙ্গল হওয়ার চেয়ে অমঙ্গলই বেশি হয় (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, অসমাপ্ত আত্মজীবনী, পৃ. ২১০)। ২. যারা মুখোশ পরে দেশসেবায় এগিয়ে আসে তারা সবচেয়ে বড় দেশদ্রোহী (টমাস মূর)।

উদ্ধৃতিগুলো এখানে প্রাসঙ্গিক। কারণ দেশের শাসকশ্রেণীর (রাজনীতিক, আমলা ও ব্যবসায়ী) অধিকাংশই জনসেবার নামে আত্মসেবা করে থাকে। ফলে শোষণ তথা জনগণের সম্পদ লুণ্ঠনই থাকে তাদের মুখ্য উদ্দেশ্য। তারা দেশপ্রেমের মুখোশ পরে দেশসেবক বলে নিজেদের জাহির করে। ফলে দেশে গণতন্ত্র ও উন্নয়ন কাম্য গতি পায় না এবং গরিবের দুঃখমোচন হয় না।

গত মাসে একটি দৈনিকের দুটি খবর দেশের গরিব-দুঃখী মানুষের এ দুর্গতির চিত্রটিই নতুন করে তুলে ধরেছে (ইত্তেফাক, ১৮.০৭.১৯)। একটি হল, দেশের ২ কোটির বেশি মানুষ ভালোভাবে খেতে পায় না। ২০১৮ সালে এ সংখ্যা ছিল ২ কোটি ৪০ লাখ। ফলে প্রতি ছয়জনের একজন পুষ্টিহীনতায় ভোগে। খবরটি জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষিবিষয়ক সংস্থা FAO এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা WHO সূত্রে প্রাপ্ত। তাই এ নিয়ে সন্দেহের কারণ নেই। অন্য খবরটি হল, চিকিৎসা ব্যয়ে দেশে বছরে ৫০ লাখ লোক দরিদ্র হয়ে যায়।

শাসকশ্রেণী এবং সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ ও সচেতন করার মানসেই আলোচ্য নিবন্ধটির অবতারণা। ব্যাপক গণদারিদ্র্য বাংলাদেশের একটি বড় বৈশিষ্ট্য। এ দারিদ্র্যের একটি চিত্র বিশ্বব্যাংকের ‘পভার্টি অ্যান্ড শেয়ার প্রসপারিটি’ বা দারিদ্র্য ও সমৃদ্ধির অংশীদার-২০১৮ শীর্ষক প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। প্রতিবেদনটির মতে বাংলাদেশে হতদরিদ্রের সংখ্যা ২ কোটি ৪১ লাখ।

নিম্নমধ্যম আয়ের দেশের বিবেচনায় তা হবে ৮ কোটি ৬২ লাখ। এই হতদরিদ্ররা দৈনিক ৬১ টাকা ৬০ পয়সাও আয় করতে পারে না। অথচ টেকসইভাবে গরিবি হটাতে বাংলাদেশের প্রায় ৬ কোটি ২১ লাখ মানুষকে দ্রুত দৈনিক প্রায় ২৫২ টাকা আয়ের সংস্থান করতে হবে। এর বিপরীতে যখন দেখি অতি ধনী বৃদ্ধির হারে বাংলাদেশ বিশ্বে ১ম এবং শুধু ধনী বৃদ্ধির হারে বিশ্বে ৩য় (প্রথম আলো, ২০.০১.১৯) তখন বিস্ময় এবং সবিশেষ দুঃখবোধ করা ছাড়া উপায় থাকে না।

সুতরাং উন্নয়নের যে বাদ্যটি অহরহ বাজতে শোনা যায়, তার বিপরীত চিত্রটি সেসবকে ম্লান করে দেয়। জিডিপির উন্নয়ন হচ্ছে সত্য। বিগত ১০-১২ বছর ধরে আমাদের জিডিপি ৭ শতাংশের অধিক হারে বাড়ছে। সেটা বাইরে থেকে দেখলে উন্নয়ন বলেই বিবেচিত হবে। কিন্তু ভেতরের খবর হল, দেশে ধনীর ধন বাড়ছে, যারা সংখ্যায় অতি অল্প। সে তুলনায় বিরাট সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধন বা আয় বাড়ছে নিতান্ত নগণ্য হারে। এ গরিব বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের আয় ও জীবনমানের উন্নয়ন না হলে তাকে কি দেশের উন্নয়ন বলা যায়?

এর ফলে দেশে বিরাট ধন-বৈষম্যের সৃষ্টি হয়েছে। সমাজের উপরের তলার ৫ শতাংশ লোকের আয় নিচতলার ৫ শতাংশ লোকের চেয়ে ১২১ গুণ বেশি। এটা হল ২০১৬ সালের চিত্র (Record rise in inequality gap, The Daily Star, 06.12.17)। আর এ ধন বৈষম্য হ্রাস পাচ্ছে বলে ধারণা করার কোনো কারণ নেই। কারণ রাষ্ট্রের কর্ণধাররা বা শাসকশ্রেণী ধনিক গোষ্ঠীরই প্রতিনিধি।

ধনীরা মেধা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে খুব কমই ধনী বা সম্পদশালী হয়। কেবল ব্যাংক লুটপাটের কয়েকটি বড় ঘটনা বিচার-বিবেচনা করলেই এর অনেকটা সত্যতা মিলবে। গত বছর অর্থ মন্ত্রণালয়সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শীর্ষ ঋণখেলাপির কাছে ব্যাংকের পাওনা ১০ হাজার ৬৩৫ কোটি টাকা (কালের কণ্ঠ, ০১.০৩.১৮)। আরেক তথ্যসূত্র অনুযায়ী, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে ব্যাংকিং খাতে গত বছর লোপাট হয়েছে সাড়ে ২২ হাজার কোটি টাকার মতো (সংবাদ, ০৯.১২.১৮)।

বেসিক ব্যাংকের তিন হাজার কোটি টাকা লুটপাটের মূল হোতা শেখ আবদুল হাই বাচ্চুর রাজনৈতিক প্রভাব যে কত বড়, অর্থাৎ শাসকশ্রেণীর সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা যে কত শক্তিশালী, আইনের হাত থেকে তার এতদিন পর্যন্ত মুক্ত থাকাই তা প্রমাণ করে। শোনা যায়, তিনি নাকি বলে বেড়ান ‘আমার গায়ে হাত দেয়ার শক্তি দেশে কারও নেই’। এটা শুধু লুটপাটই নয়, এটা দেশে আইনের শাসনের দুর্বলতা ও অসহায়ত্বই প্রমাণ করে।

ব্যাংকিং খাতের অসংখ্য ঋণখেলাপি ও কেলেঙ্কারির মধ্যে বেসিক ব্যাংক, হলমার্ক ও বিসমিল্লাহ গ্রুপের মতো বড় বড় কেলেঙ্কারি এ খাতকে আমাদের অর্থনীতির সবচেয়ে দুর্বল খাত বলে প্রমাণ করেছে। সত্যিকার চিত্রটি হচ্ছে, দেশের অগণিত সীমিত আয়ের মানুষ তাদের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সঞ্চয় ব্যাংকে জমায়।

ব্যাংকে জমাকৃত এ টাকা বিরাট অঙ্কে রূপ নেয়। শাসকশ্রেণীর মুষ্টিমেয় ধূর্ত দুর্বৃত্ত ভুয়া ব্যবসার নামে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বিরাট অঙ্কের টাকা ঋণ নিয়ে এক লাফে ধনী হয়ে যায়। এর কিছু টাকা রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষক, বড় আমলা এবং ব্যাংকের হোমরা-চোমরাদের দিয়ে ঘটনাটি ম্যানেজ করে নেয়। সরকারি ব্যাংকগুলোর এ ক্ষতি সরকার ভর্তুকি দিয়ে পুষিয়ে নেয়। সরকারের এ ভর্তুকি জনগণের ট্যাক্সের টাকা।

এই লুটপাটকারীরা এবং দুর্নীতিবাজ রাজনীতিক ও আমলারা এ টাকা দেশেও রাখে না। বিনিয়োগ করলে অন্তত কিছু লোকের কর্মসংস্থান হতো। কিন্তু এরা দেশের সম্পদ বিদেশে পাচার ও বিনিয়োগ করে। শোনা যায়, বিসমিল্লাহ গ্রুপের তছরুপকারী খাজা চৌধুরী সোলায়মান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দুটো সুবিশাল সুপার মার্কেট চালু করেছেন। থাকেন অভিজাত এলাকায় প্রাসাদোপম বাড়িতে এবং ড্রাইভারচালিত দামি গাড়িতে চলাফেরা করেন।

শেখ বাচ্চু, খাজা চৌধুরী সোলায়মানের মতো ধূর্ত ও দুর্নীতিবাজ আমলা, ব্যবসায়ী ও রাজনীতিকদের বিপরীতে ‘নুন আনতে পান্তা ফুরায়’ ২ কোটি ৪১ লাখ মানুষ এবং চিকিৎসা খরচ মেটাতে গিয়ে বছরে ৫০ লাখ লোকের ফতুর হয়ে যাওয়ার চিত্রটি উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের দাবিকে বহুলাংশে ম্লান করে দেয়। যতটুকু মনে পড়ে, সাবেক অর্থমন্ত্রী মুহিত সাহেব বলেছিলেন, বাচ্চুকে আইনের আওতায় আনার পথে বড় বাধা দলের লোকজন।

দেশের উন্নয়নের ব্যাপারে একেবারে হতাশ হওয়া যায় না। একদিকে দেখা যায়, জিডিপি প্রবৃদ্ধির নিরিখে আমাদের উন্নয়ন হচ্ছে। বিশ্বব্যাংকের মতে কোনো দেশ নিরবচ্ছিন্নভাবে ৭ বছর ধরে ৭ শতাংশের অধিক জিডিপি অর্জন করলে তাকে উন্নয়নশীল দেশ বলা যায়। সম্ভবত এ কারণেই আমরা নিম্ন-মধ্যম উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা অর্জন করেছি।

এরকম কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংস্থার মতে এশিয়ার পাঁচটি উদীয়মান দেশের মধ্যে আমরা একটি। অন্যদিকে দেখা যায়, দুর্নীতিতেও আমরা পিছিয়ে নেই। এ ব্যাপারে দক্ষিণ এশিয়ায় আফগানিস্তানের পরই আমাদের স্থান। ভারত, শ্রীলংকা, পাকিস্তান, নেপাল ও ভুটানের অবস্থান আমাদের চেয়ে ভালো।

বিশ্ব পর্যায়ে বার্লিনভিত্তিক টিআইএ’র দুর্নীতির ধারণা সূচকে ২০১৮ সালে আমরা আগের বছরের তুলনায় ছয় ধাপ পিছিয়ে ১৮০টি দেশের মধ্যে ১৪৯তম স্থানে অবস্থান করেছি। অন্যদিকে Global Financial Integrity-এর মতে, ২০১৫ সালে বাংলাদেশ থেকে ৫ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার বিদেশে পাচার হয়।

আর সম্প্রতি দেশের একজন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক মইনুল ইসলাম বলেছেন, প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে ৭৫ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়। আর এ পাচারের কাজটি করে মূলত ব্যবসায়ীরা এবং তারাই আবার আমলা ও রাজনীতিকদেরও টাকা পাচারে সাহায্য করে।

এর বিপরীতে দেখি দেশের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ শ্রমজীবী, কৃষক, শ্রমিক, গরিব মানুষ অতিশয় হতদরিদ্র জীবনযাপন করে। অথচ তাদের শ্রমেই জিডিপি উৎপাদন হয় এবং বৃদ্ধি পায়। দেশের বৈদেশিক মুদ্রার ৭৫ থেকে ৭৬ শতাংশ অর্জিত হয় গার্মেন্ট শ্রমিকদের শ্রমে ও ঘামে। আর প্রায় ১০ শতাংশ বৈদেশিক মুদ্রা আয় করে আমাদের প্রবাসী শ্রমিকরা। তারা দেশে টাকা পাঠায়। মোট কথা, গার্মেন্ট শ্রমিক ও প্রবাসীরা দেশে টাকা আনে। এর বিপরীতে শাসকশ্রেণী তথা ব্যবসায়ী, আমলা ও রাজনীতিকদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ দেশের টাকা বিদেশে পাচার করে। তাহলে দেশপ্রেমিক কে?

তবে উপরোক্ত হতাশার চিত্রই সবকিছু নয়। আশার আলোও দেখা যায়। শাসকশ্রেণীর কিছু মুখ আমাদের আশান্বিত ও উৎসাহিত করে। শুরুতে উদ্ধৃত ‘শাসকশ্রেণীর শোষক’ এবং ‘মুখোশ পরা দেশসেবক’ বলা যায় না তাদের। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী এবং তার কিছু ঘনিষ্ঠ সহকর্মী দেশকে সত্যিকার অর্থেই ভালোবাসেন এবং দেশের গরিব-মেহনতি মানুষের উন্নয়ন চান বলে আমার বিশ্বাস।

তার পিতা বঙ্গবন্ধুর যে স্বপ্ন ছিল, দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানো, তা বাস্তবায়নে তার অঙ্গীকারে আমি বিশ্বাস পোষণ করি। তিনি যখন বলেন, দেশের মানুষকে নিয়ে তার সব ভাবনা, তখন তা অবিশ্বাস করি কী করে! গেল জুলাই মাসে সরকারের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আবারও তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, ‘আমরা এত খেটে সারা দিন এত কাজের পর যদি দুর্নীতির কারণে সব অর্জন নষ্ট হয়ে যায়, সেটা হবে দুঃখজনক। এটা কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না’ (প্রথম আলো, ১৪.০৭.১৯)।

কিন্তু দুর্নীতি থেমে নেই। বিশেষ করে এ লেখাটি যখন শেষ করতে যাচ্ছি, তখন কোরবানির চামড়া নিয়ে যে বিরাট কেলেঙ্কারি হল তাতে দেশবাসী বেজায় আহত বোধ করেছে। এমন ভীষণ দরপতন গত কয়েক দশকে দেখেছি বলে মনে পড়ে না। এ চামড়ার দাম সাধারণত গরিব-এতিম-মিসকিনের মধ্যে বিতরণ করা হয়।

তাছাড়া এ পণ্যটি দেশের জন্য মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রাও অর্জন করে, যার পরিমাণ বার্ষিক প্রায় ৬ থেকে ৮ শতাংশ। অভিযোগ উঠেছে, সরকারি দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রভাবশালী একটি সিন্ডিকেট এর জন্য দায়ী। দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকলে একদল সুবিধাবাদী ও সন্ত্রাসী যে সরকারের বন্ধু ও ভক্ত সেজে যায়, তা প্রধানমন্ত্রীকে ভেবে দেখতে হবে এবং এদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।

পরপর দু’বার সেনাশাসন এবং বিএনপির দুই মেয়াদে ১০ বছরের অপশাসনের ফলে দুর্নীতি ও দুঃশাসনের ব্যবস্থাটি দেশব্যাপী অনেকটা পাকা আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছে। এর বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর বর্তমান মেয়াদে জোরেশোরে চালানো জেহাদটি নিরবচ্ছিন্নভাবে দীর্ঘদিন ধরে চালাতে হবে। তাহলে আমাদের আশা, দুর্নীতি ক্রমাগত হ্রাস পাবে এবং সুশাসনের পথ প্রশস্ত হবে। সে আশাতেও বাধা পাই, যখন দেখি কোরবানির চামড়া নিয়ে এ মহাকেলেঙ্কারি।

নির্বাচন, যার মাধ্যমে দেশে গণতান্ত্রিক সরকারের যাত্রা শুরু হয়, তার সুষ্ঠুতা ও শুদ্ধতা অবশ্যই দরকার। এ নিয়ে এ মেয়াদে অনেক অভিযোগ আছে। তবে এটা শুধু আমজনতাকে একদিনের জন্য গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চার সুযোগ ও স্বাদ দেয়। আর সুশাসন জনগণকে প্রতিদিন গণতন্ত্রের সুফল প্রদান করে।

সুশাসন আসলে গণতন্ত্রেরই অপরিহার্য অঙ্গ। সুশাসন উন্নয়নেরও অন্যতম সহায়ক শক্তি। সুষ্ঠু ও শুদ্ধ নির্বাচনও সুশাসন ছাড়া হয় না। সাধারণ মানুষ মনে করে, সুশাসনই গণতন্ত্রকে অর্থবহ এবং উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করে দারিদ্র্যের অভিশাপ থেকে এদেশের গরিব-দুঃখী মানুষের জীবনে সুখের সুবাতাস বয়ে আনে।

পরিশেষে এটাও বলা দরকার, ঢালাওভাবে সব আমলা, ব্যবসায়ী ও রাজনীতিককে দোষারোপ করা সঠিক হবে না। তাদের মধ্যেও দেশদরদি ও মহৎ হৃদয়ের মানুষ আছেন। তারা আমাদের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার পাত্র। এদেশের সব মানুষের মতো তাদের জন্যও দরকার সুশাসন।

মো. মইনুল ইসলাম : সাবেক অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×