বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি: ইউজিসির বিজ্ঞপ্তি নিয়ে প্রশ্ন

  ড. কুদরাত-ই-খুদা বাবু ২৪ আগস্ট ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) দেশের ৩২টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে সতর্কতা জারি করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। ৮ আগস্ট ইউজিসির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কেউ অনুমোদনবিহীন কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা অনুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয়ের অননুমোদিত ক্যাম্পাস অথবা অননুমোদিত কোনো প্রোগ্রাম বা কোর্সে ভর্তি হলে তার দায়-দায়িত্ব শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা ইউজিসি নেবে না।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে শুধু সরকার ও ইউজিসি কর্তৃক অনুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদিত ক্যাম্পাসে এবং অনুমোদিত প্রোগ্রামে ভর্তি হওয়ার জন্য ইউজিসির ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহপূর্বক ভর্তি হওয়ার জন্য ওই বিজ্ঞপ্তিতে পরামর্শ দেয়া হয়।

এক্ষেত্রে আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, ইউজিসি কর্তৃক প্রকাশিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির চারটি ভবনের ঠিকানা উল্লেখ করে ব্যবহৃত ভবনগুলোকে অননুমোদিতভাবে পরিচালিত ক্যাম্পাস হিসেবে উল্লেখ করা হয়। অথচ এসব ভবন কোনোভাবেই আলাদা ক্যাম্পাস নয়।

বস্তুত ইউজিসি আরোপিত নীতিমালা অনুসরণ করে শিক্ষার্থীদের এক্সট্রা কারিকুলার এবং কো-কারিকুলার কার্যক্রম পরিচালনার জন্যই ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ওই ভবনগুলো ব্যবহৃত হচ্ছে। তাছাড়া ইতিপূর্বে ইউজিসি কর্তৃক এ ইউনিভার্সিটির অনুমোদিত ভবনকে (সোবহানবাগ) ওই বিজ্ঞপ্তিতে এখন আবার অননুমোদিত ক্যাম্পাস বলা হচ্ছে, যা রীতিমতো বিস্ময়কর। ইউজিসি কর্তৃক এ ভবনের অনুমোদনের সবরকম প্রমাণ ওই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে রক্ষিত আছে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, শিক্ষার্থীদের এক্সট্রা কারিকুলার এবং কো-কারিকুলার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত এসব ভবনের ঠিকানা উল্লেখপূর্বক ভবনগুলোকে অননুমোদিত ক্যাম্পাস হিসেবে উল্লেখ করা এবং ইউজিসি কর্তৃক পূর্বে অনুমোদিত ভবনকে এখন আবার অননুমোদিত ক্যাম্পাস হিসেবে উল্লেখ করা কতটুকু সঠিক এবং ন্যায়সঙ্গত?

ইউজিসি কর্তৃক এ ধরনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত হাজার হাজার শিক্ষার্থী, ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে যে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে এবং ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনামের ওপর যে আঘাত এসেছে, তার দায় কে নেবে?

এ ধরনের একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আগে ইউজিসির কি একটু যাচাই-বাছাই করার প্রয়োজন ছিল না? পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে র‌্যাংকিংকারী সর্বজন গ্রহণযোগ্য Times Higher Education এবং QS র‌্যাংকিংয়ে প্রতিনিধিত্বকারী দেশের একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি।

এ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক্সট্রা কারিকুলার এবং কো-কারিকুলার কার্যক্রম সারা বিশ্বে দেশের মর্যদা সমুন্নত রাখছে। এ বিশ্ববিদ্যালয় শুরু থেকেই শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে বিভিন্ন ভবনে নানারকম এক্সট্রা কারিকুলার এবং কো-কারিকুলার কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

ইউজিসির আরোপিত নীতিমালা অনুসরণ করেই তা করা হচ্ছে। সুতরাং এ সার্ভিসগুলোর সবই মূল একাডেমিক কার্যক্রমের বাইরে অন্তর্ভুক্ত।

এর আগে ২০১৬ সালে দেশের ১৮টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ গ্রহণযোগ্য নয় মর্মে ইউজিসি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল। কারণ হিসেবে রাষ্ট্রপতির নিয়োগ করা ভিসির স্বাক্ষর ছাড়া সার্টিফিকেট গ্রহণযোগ্য না হওয়ার কথা বলা হয়।

ইউজিসি কর্তৃক তখন দেশের ১৮টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ গ্রহণযোগ্য নয় মর্মে যে বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করেছিল, তা তখন উভয় সংকটের জন্ম দিয়েছিল। কারণ কোনো যানবাহন কি হেলপার দ্বারা ভালোভাবে চালানো সম্ভব? নিশ্চয়ই না। ঠিক তেমনিভাবে ভিসি ও প্রো-ভিসি ছাড়া যে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে কী মানের লেখাপড়া হতে পারে এবং সেখানে শিক্ষাসংক্রান্ত কী ধরনের পরিবেশ থাকতে পারে, তা সহজেই অনুমেয়।

তখন প্রশ্ন উঠেছিল, ওই ধরনের গাফিলতির জন্য দায়ী কে ছিল? ওইসব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উত্তীর্ণ হওয়া বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী, নাকি ওই ১৮টি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ? নিশ্চয়ই ওইসব শিক্ষার্থী কোনোভাবেই দায়ী হওয়ার কথা ছিল না। এ জন্য আইনগতভাবে দায়ী ছিল ওই ১৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ। তাহলে ওইসব বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের গাফিলতির দায় কেন তখন শিক্ষার্থীদের ওপর চাপানো হয়েছিল? আর এ ক্ষেত্রে ইউজিসি কিংবা শিক্ষা মন্ত্রণালয় কী ভূমিকা পালন করেছিল?

দীর্ঘদিন ধরে যেহেতু ওই ১৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি, প্রোভিসি এবং কোষাধ্যক্ষ ছিল না, সেহেতু তা অবশ্যই ইউজিসির জানা থাকার কথা। কারণ ইউজিসি হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নিয়ন্ত্রক সংস্থা। তাহলে কেন ওইসব বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে ইউজিসি এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক তখন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি?

১৯৯২ সালে দেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় চালু হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে নানা ধরনের অভিযোগ উত্থাপিত হয়ে আসছে। ফলে দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি নষ্ট হওয়াসহ উচ্চশিক্ষার মান নানাভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে এবং হচ্ছে। এখনও অনেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০’-এর শর্ত পূরণ না করেই চলছে, যা ধ্রুব সত্য।

অনেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়েরই নেই স্থায়ী বা নিজস্ব ক্যাম্পাস, নেই শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসন ও পরিবহন ব্যবস্থা। নেই খেলাধুলা ও চিত্তবিনোদনের জায়গা। নেই গবেষণাধর্মী জার্নাল প্রকাশের ব্যবস্থা, নেই আপডেটেড ওয়েবসাইট, নেই দক্ষ জনবল, নেই প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষক, শ্রেণিকক্ষ, ল্যাব, সেমিনার রুম, কমনরুম ইত্যাদি। তাছাড়া অনেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধেই রয়েছে সার্টিফিকেট বাণিজ্য করা, শিক্ষার মান বজায় না রাখা, নিয়মিত সিন্ডিকেট সভা আহ্বান না করা, বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনাসংক্রান্ত শর্ত ভঙ্গসহ নানা অভিযোগ।

সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিয়ন্ত্রক সংস্থা হচ্ছে ইউজিসি। সংস্থাটি সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগসূত্র রেখে এসব বিশ্ববিদ্যালয়কে নানাভাবে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, বিভিন্ন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের অনিয়ম-দুর্নীতির ব্যাপারে ইউজিসিকে যেভাবে সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে ও হুশিয়ারি উচ্চারণ করতে দেখা যায়, ঠিক সেভাবে কিন্তু দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা অনিয়ম-দুর্নীতি রোধে ইউজিসিকে ভূমিকা পালন করতে দেখা যায় না।

অথচ পাবলিক কিংবা প্রাইভেট, সেটা যে ধরনের বিশ্ববিদ্যালয়-ই হোক না কেন; ওইসব বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি রোধে ইউজিসির ভূমিকা পালন করা উচিত। যদিও দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত হওয়ার জন্য নিজস্ব আইন আছে, তবে তা রাষ্ট্রীয় আইন ও জনস্বার্থের ঊর্ধ্বে নয়। কারণ এসব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত হয় জনগণের কষ্টার্জিত টাকায়।

মুষ্টিমেয় কয়েকটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে দেশের প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান আজ নানাভাবে প্রশ্নবিদ্ধ। কিন্তু তাই বলে দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার মান এবং শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া ইত্যাদি যে কোনোভাবেই প্রশ্নবিদ্ধ নয়, তা বলা যাবে না।

এর প্রকৃষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায় ২০১৬ সালের ১৮ ডিসেম্বর প্রকাশিত দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা টিআইবির গবেষণা প্রতিবেদনের মাধ্যমে। টিআইবি তখন দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রভাষক নিয়োগে পদে পদে অনিয়ম-দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরেছিল।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, দেশের ১৩টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা করে দেখা গেছে, আটটি বিশ্ববিদ্যালয়েই প্রভাষক নিয়োগে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। এ পদে নিয়োগে ৩ থেকে সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত লেনদেন হয়েছে।

‘সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক নিয়োগ : সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক টিআইবির ওই গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, নিয়োগের আগে থেকেই বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম শুরু হয়। যেমন: নিয়োগ বোর্ড গঠন, সুবিধামতো যোগ্যতা পরিবর্তন বা শিথিল করা, জবাবদিহি না থাকা, কোনো কোনো শিক্ষক কর্তৃক পছন্দের শিক্ষার্থীদের একাডেমিক পরীক্ষার ফল প্রভাবিত করা এবং পরবর্তী সময়ে তাদের নিয়োগ দেয়া, ক্ষেত্রবিশেষে নারী শিক্ষার্থীর একাংশের সঙ্গে বিশেষ সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে একাডেমিক পরীক্ষায় নম্বর বাড়িয়ে দেয়া, পরীক্ষার আগে প্রশ্ন জানানো ও পরবর্তী সময়ে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়া ইত্যাদি।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ১২টিতেই কোনো না কোনো নিয়োগের ক্ষেত্রে ‘নোট অব ডিসেন্ট’কে কার্যকর পদক্ষেপ হিসেবে দেখা যায়নি এবং ১১টি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মবহির্ভূতভাবে বিজ্ঞপ্তির চেয়েও বেশি শিক্ষক নিয়োগ করা হয়। টিআইবির ওই গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশের পর ইউজিসি ওইসব বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে আদৌ কি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল?

১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর যেসব লক্ষ্য সামনে রেখে ইউজিসি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, সেগুলোর কতটুকু আজ পর্যন্ত বাস্তবায়ন ঘটেছে, তা সচেতন জনগণই ভালো বলতে পারবেন। যদিও এ ক্ষেত্রে ইউজিসির নানা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পূরণের পাশাপাশি ইউজিসি যদি দেশের পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রকৃত ও সমসাময়িক তথ্য-উপাত্ত নিয়ে সুষ্ঠুভাবে র‌্যাংকিং তথা অবস্থান নির্ধারণ করার উদ্যোগ গ্রহণ করে, তবে তা দেশের শিক্ষা ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটাতে ভূমিকা পালন করবে।

যদিও ২০১৪ সালের ৮ জুন অনুষ্ঠিত ইউজিসির এক সভায় দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর র‌্যাংকিং করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল; কিন্তু অজ্ঞাত কারণে সেই সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন এখন পর্যন্ত ঘটেনি। ইউজিসিসহ সবাই জানেন, শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড। তাই দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোসহ দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের অনিয়ম-দুর্র্নীতি বন্ধে এবং উচ্চশিক্ষার এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষাব্যবস্থাকে জনকল্যাণমুখী, আধুনিক ও বাস্তবসম্মত করার ক্ষেত্রে ইউজিসিকে অধিকতর চৌকস ও কার্যকর হতে হবে।

ড. কুদরাত-ই-খুদা বাবু : সহযোগী অধ্যাপক, আইন বিভাগ, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

[email protected]

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×