চামড়া শিল্প ও মুক্তবাজার সংকট

  মুঈদ রহমান ২৫ আগস্ট ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

চামড়া

কোরবানির পশুর চামড়া নিয়ে এবার যে অযৌক্তিক তামাশা করা হল, এর ফলে কার কী লাভ হল জানি না, তবে চূড়ান্তভাবে বঞ্চিত হল আয়ের দিক থেকে এ দেশের একেবারে নিুতলার মানুষ- এতিম-মিসকিনরা। প্রাথমিক পর্যায়ে যাদের কাছ থেকে চামড়া সংগ্রহ করা হয়, সেই কোরবানিদাতারা চামড়া থেকে অর্জিত সম্পূর্ণ টাকাটাই গরিবের মাঝে দান করে থাকেন; যেটুকু দরাদরি করেন তা গরিবের স্বার্থেই। ধারণা করা হয়, এ বছর বাংলাদেশে ১ কোটি ১৮ লাখেরও বেশি পশু কোরবানি দেয়া হয়েছে।

এর মধ্যে ৪৫ লাখ ৮২ হাজার গরু-মহিষ, ৭২ লাখ ছাগল-ভেড়া এবং ৬ হাজার ৫৫৩টি অন্য পশু। আমরা সবাই একটা হিসাবের ধারণা নিতে পারি। একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে একটি মহিষ-গরুর চামড়ার গড় ন্যায্য দাম ৯০০ টাকা ধরলে অঙ্কটা দাঁড়ায় প্রায় ৪১২ কোটি টাকা। ছাগল-ভেড়ার গড় ন্যায্য দাম ১০০ টাকা ধরলে এ ক্ষেত্রে দাঁড়ায় প্রায় ৭২ কোটি টাকা। মোট ৪৮৪ কোটি টাকার মামলা। আমাদের ধারণাটা অমূলক নয় এ জন্য যে, ব্যাংকগুলো এবার চামড়া কেনা বাবদ ট্যানারিগুলোকে ৬০০ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে।

সরকারি হিসাবমতে, এ দেশে ভিক্ষুকের সংখ্যা ৬ লাখ, তবে বেসরকারি হিসাবমতে তা ২০ লাখের কম নয়। তাছাড়া অনেক গরিব আত্মীয় আছেন, যারা ভিক্ষা করেন না বটে, তবে চামড়ার টাকা আশা করেন, সব মিলিয়ে অঙ্কটা ৩০ লাখের কম নয়; মাদ্রাসা ও এতিমখানার শিক্ষার্থীরাও এর একটা অংশ পায়। সবকিছু বাদ দিয়ে আপনি যদি নিট হিসাব করেন, তাহলে দেখবেন এ কোরবানির ঈদে চামড়া বাবদ প্রতিটি গরিব মানুষকে কমপক্ষে ১৬১৩ টাকা বঞ্চিত করা হয়েছে। প্রকৃত পুঁজিবাদে শোষণ থাকে; তবে একটা রুচিরও বিষয় থাকে।

কিন্তু আনকালচারড পুঁজিবাদীদের সে রুচি থাকে না। এবারের ডেঙ্গু-বাণিজ্যেও আমরা তার প্রমাণ পেয়েছি। গরিব মানুষের জনপ্রতি ১৬১৩ টাকার কথা বাদ দিলাম। কেননা সারা বছরের খালিপেট তো আর ওই টাকায় ভরবে না! ভাবনার বিষয় হল, মুনাফার জন্য আমরা কত নিচে নামতে পারি! এবং রাষ্ট্রীয় পুঁজি ব্যবহার করে যারা আজ হাজার কোটি টাকার মালিক তাদের দৃষ্টিভঙ্গি কী? আমাদের সমাজে একটি সাধারণ কথা প্রচলিত আছে, ‘বাপ মরার জন্য কাঁদছি না, কাঁদছি যমে যে বাড়ি চিনেছে।’ আজকের তৃণমূল পর্যায়ে চামড়ার প্রতি যে ধরনের অবিচার করা হয়েছে, তা থেকে বড় ট্যানারি মালিকরা রেহাই পাবেন না- এ কথা বললে ছোট মুখে বড় কথা বলা হবে না।

গরিবের চাওয়া কম, তাই পাওয়াও কম। দু’দিনেই সব ভুলে গিয়ে স্বাভাবিক হতে পারি। কিন্তু ধনীদের চাওয়ারও শেষ নেই, পাওয়ারও শেষ নেই। সেই পথে বিঘ্ন ঘটলে রাতের ঘুম হারাম হয়ে যাওয়ার কথা। আজ চামড়া শিল্প তৈরি পোশাকের পর দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রফতানি খাত। এ খাত থেকে আমরা কম-বেশি ৮ হাজার কোটি টাকা আয় করে থাকি। এরকম একটি খাতে এত বড় বিপর্যয়ের কারণ ও প্রতিকার আমাদের খুঁজে বের করতে হবে। খুব আবেগের সঙ্গে কথা বলে, কাউকে এককভাবে দায়ী করে হয়তো আপাত স্বস্তি পাওয়া যাবে; কিন্তু চামড়া শিল্পের প্রকৃত সমস্যা থেকে যাবে আলোচনার বাইরে। তাই চামড়া শিল্পকে নিয়ে আপাদমস্তক ভাবতে হবে।

১৯৪০ সালের দিকে নারায়ণগঞ্জে আরপি সাহা নামে এক ব্যবসায়ীর হাত ধরে ট্যানারি শিল্পের যাত্রা শুরু। পরে ১৯৬৫ সালে সে সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৩০-এ এবং ১৯৭১ সালে তা হয় ৩৫। কিন্তু সমস্যা হল, এ ৩৫টি ট্যানারির মধ্যে ৩০টিরই মালিক ছিল পশ্চিম পাকিস্তানি। স্বাভাবিকভাবেই ১৯৭২ সালে ট্যানারিগুলোকে সরকারীকরণ করা হয়েছিল; কিন্তু অনবরত লোকসানের মুখে পড়ায় ৭০-এর দশকের শেষদিকে এগুলোকে ব্যক্তি মালিকানায় দিয়ে দেয়া হয়। বর্তমানে ট্যানারির সংখ্যা ২৩০ ছাড়িয়ে গেছে, তবে অত্যাধুনিক ট্যানারির সংখ্যা ৩০-এর বেশি নয়। লক্ষণীয় বিষয় হল, সারা দেশের মোট ট্যানারির ৮৫ শতাংশই ঢাকায় অবস্থিত।

মুক্তবাজার অর্থনীতি কার্যত কোনো অর্থনীতি নয়, এটা কোনো সরল সমীকরণও নয়- জোড়াতালি দেয়া একটা সাময়িক ব্যবস্থা মাত্র; লাইফ সাপোর্ট ব্যবহার করে যতদিন বাঁচিয়ে রাখা যায়। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ‘প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিউর’ এই মতকে কখনোই প্রাধান্য কিংবা গুরুত্ব দেয় না; আসুক তো সমস্যা, দেখা যাবে- অনেকটা এ ধরনের মানসিকতা! বাংলাদেশের চামড়া শিল্প এখন সে দশাই ভোগ করছে। আজ থেকে ৩০ বছরেরও বেশি সময় আগে ১৯৮৮ সালে স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষকের সঙ্গে ইউএনডিপির একটা প্রজেক্টে চামড়া শিল্প নিয়ে কাজ করার সুযোগ হয়েছিল।

সেসময়ে আমরা অ্যাপেক্স লেদারের স্বত্বাধিকারী সৈয়দ মঞ্জুর এলাহীর (পরবর্তী সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের শিল্প উপদেষ্টা) সাক্ষাৎকার নিয়েছিলাম। তিনি বলেছিলেন, তার প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ক্ষমতার মাত্র ৬০ শতাংশ ব্যবহার করতে পারছিলেন। বাদবাকি ৪০ শতাংশ ব্যবহার করতে পারছিলেন না কাঁচামালের অভাবে। প্রসঙ্গক্রমে তিনি এ-ও বলেছিলেন, ‘কুষ্টিয়া গোট স্কিন’ নামে একটি চামড়া আছে যা ইতালিয়ানরাও বিশেষভাবে জানেন; কিন্তু আনফরচুনেটলি সেই চামড়াটা সংগ্রহ করতে পারছেন না ‘বিকজ অব স্মাগলিং’।

সেসময়ে কাঁচা চামড়া বিদেশে রফতানি হতো এবং সরকার বর্গফুটপ্রতি রফতানি প্রণোদনাও দিত। তাই স্থানীয় শিল্পপতিরা তাদের মেশিনের ক্যাপাসিটির পূর্ণ ব্যবহার করতে পারতেন না। তাদের স্বার্থেই ১৯৯১ সাল থেকে কাঁচা চামড়া রফতানি বন্ধ করে দেয় সরকার। আজ তারাই প্রাথমিক স্তরের চামড়া সংগ্রহকারীদের দুর্বলতার সুযোগ নিচ্ছে। সরকার যেই না ঘোষণা দিয়েছে, কাঁচা চামড়া প্রয়োজনে রফতানি করা হবে, তখনই ট্যানারি মালিকদের টনক নড়েছে এবং আলোচনায় বসে আড়তদারদের সঙ্গে একটা সমঝোতা করার চেষ্টা করছে। তবে লুকোচুরি খেলে একটা শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখা যায় না।

আন্তর্জাতিক বাজারে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের দাম ও চাহিদার পড়তির কথা বলা হচ্ছে। এর প্রভাব এ দেশে পড়বে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু দাম কমার মাত্রা কতখানি? আমাদের এ দেশীয় চামড়া কিনতে পারছেন না অথচ গেল বছর প্রায় ১ হাজার কোটি টাকার বিদেশি চামড়া আমদানি করেছে ট্যানারি মালিকরা। আরও দেখার বিষয় হল, তারা বিদেশ থেকে নগদ টাকায় চামড়া আমদানি করছে ঠিকই; কিন্তু আমাদের আড়তদারদের বাকি পরিশোধ করছে না। এখনও আড়তদারদের ট্যানারি মালিকদের কাছে ১০০ কোটি টাকারও বেশি পাওনা রয়েছে। বছরের পর বছর এত টাকা বাকি রয়ে গেলে আড়তদারদের ‘লাভের গুড় পিঁপড়ায় খাবে’।

আজ চামড়া শিল্পের যে হাল তাতে এককভাবে হয়তো কাউকে দায়ী করা যাবে না, তবে কারণগুলো নির্ণয় করা যাবে। মাঠ পর্যায় থেকে শিল্প পর্যন্ত চামড়ার বেহাল দশার ২৯টি কারণ চিহ্নিত করেছেন অনুসন্ধানীরা : ১. সঠিক পরিকল্পনার অভাব; ২. সাভারে কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার (সিইপিটি) নির্মাণ কাজ শেষ না করে কারখানা স্থানান্তর; ৩. সাভারে ট্যানারিপল্লীতে অবকাঠামোগত সুবিধা দেয়ার ক্ষেত্রে সরকারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না করা; ৪. নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ ও সময়মতো গ্যাস সংযোগ দিতে না পারা; ৫. লোডশেডিং; ৬. জেনারেটর ব্যবস্থা ভালো না হওয়া; ৭. সড়ক যোগাযোগে অব্যবস্থাপনা; ৮. চামড়া কাটার পর বর্জ্য কোথায় ফেলা হবে তা নির্ধারণ করতে না পারা; ৯. জমির দলিল হস্তান্তরসহ নানা বিষয়ে চামড়া ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সরকারের দূরত্ব;

১০. তিন বছরেও সাভারের চামড়া শিল্পনগরীতে প্রত্যাশা অনুযায়ী সুবিধা নিশ্চিত করতে না পারা; ১১. কারখানা স্থাপনের পরও অনেক প্রতিষ্ঠান উৎপাদনে যেতে না পারায় রফতানি আদেশ বাতিল হয়ে যাওয়া; ১২. হাজারীবাগে ২০৫টি কারখানা থাকলেও সাভারে মাত্র ১৫০টি প্লট বরাদ্দ দেয়া; ১৩. প্লট না পাওয়া ৫৪টি কারখানা বন্ধ হওয়ায় এসব কারখানার শ্রমিকের বেকার হয়ে যাওয়া; ১৪. অবৈধ পথে চামড়া পাচার; ১৫. বিশ্ববাজারে দরপতনে দেশের চামড়া শিল্পের অবস্থান আন্তর্জাতিক বাজারে দুর্বল হয়ে যাওয়া; ১৬. টানা কয়েক বছর ধরে চামড়া রফতানি আয় কমে যাওয়া; ১৭. আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে পণ্যের আধুনিকায়নে সামঞ্জস্য না থাকা; ১৮. চীন-মার্কিন বাণিজ্য যুদ্ধ;

১৯. বিশ্ববাজারে চামড়ার জুতার পরিবর্তে সিনথেটিক বা কাপড়জাতীয় জুতার আগ্রহ বৃদ্ধি; ২০. চামড়াজাত পণ্যের উৎপাদন কমে যাওয়া; ২১. চামড়া শিল্পকে পরিবেশবান্ধব করে গড়ে না তোলা; ২২. ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী কারখানার পরিবেশ উন্নত না করা; ২৩. চাহিদার তুলনায় ব্যাংক ঋণ না পাওয়া; ২৪. পুঁজি সংকট; ২৫. দক্ষ শ্রমিকের সংকট; ২৬. গতবারের চামড়া এখনও প্রক্রিয়াজাত করতে না পারা; ২৭. আগের বছরের সংগৃহীত কাঁচা চামড়ার গুণগত মান কমে যাওয়া; ২৮. নতুন চামড়া সংরক্ষণে স্থান সংকট এবং ২৯. আমলাতান্ত্রিক জটিলতা (এম মিজানুর রহমান সোহেল, যুগান্তর অনলাইন সংস্করণ, ১৪ আগস্ট, ২০১৯)। ২০০৩ সালে নেয়া কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগারের (সিইপিটি) কাজ গত ১৬ বছরেও সম্পন্ন করতে পারেনি সরকার। সুতরাং চামড়া শিল্পের সংকট নিরসন এখন কোনো টকশোর মাধ্যমে করা সম্ভব নয়, প্রয়োজন বড় ধরনের আন্তরিক সমন্বয় ও উদ্যোগ।

বর্তমান চামড়া শিল্প, বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে চামড়ার অবিশ্বাস্য দরপতন এবং মানুষের ক্ষোভ নিয়ে মিডিয়ায় অনেক কথাই হচ্ছে, নানাজন নানাজনকে দুষছেন। কিন্তু এত কথার মাঝে যে সত্যটি আড়ালে আছে তা হল ‘মুক্তবাজার অর্থনীতির’ অকার্যকারিতা, অসারতা। আমরা অনেকেই মুক্তবাজার অর্থনীতির গুণগানে বিভোর। তাই যদি হয়, তাহলে একজন ট্যানারি মালিক বলতেই পারেন, ৫ টাকায় চামড়া বেচলে বেচ, নইলে না। মুক্তবাজারে এ কথায় দোষ নেই। আবার আড়তদারও বলতে পারেন, আমি ট্যানারিতে কাঁচা চামড়া বিক্রি না করে তা রফতানি করব। সে ক্ষেত্রে তাকে বাধা দেয়া ‘মুক্তবাজার’ বিধিসম্মত নয়।

কিন্তু তখনই চিৎকার শোনা যাবে- দেশীয় শিল্পকে বাঁচাও। যে শিল্প আমাকে মেরে ফেলছে সে শিল্পকে আমি কী করে বাঁচাব? প্রতিযোগিতার দুর্বল জায়গা এখানেই, মুক্তবাজারের ধারণা এখানে অচল। তাই এ অচল ধারণার বাইরে এসে শিল্প মালিক, আড়তদার ও মৌসুমি সংগ্রাহকদের মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য (ন্যায্য নয়) দাম নির্ধারণ করা হয়; এতে করে সব পক্ষই টিকে থাকার চেষ্টা করে। আপনি এটাকে ‘মুক্তবাজার অর্থনীতি’ না বলে ‘সমঝোতার অর্থনীতি’ বলতে পারেন, যদিও এর স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন আছে।

তারপরও সমঝোতা নিয়ে যতদিন চলা যায় ততদিনই চলতে পারবেন। এর ব্যত্যয় ঘটলে খুব অল্প সময়েই খেসারত দিতে হবে। আমাদের মোট চাহিদার ৪৮ শতাংশ চামড়া আসে কোরবানির পশু থেকে, এবারে মাঠ পর্যায়ে ক্ষোভের কারণে প্রায় ২০ শতাংশ চামড়া বিনষ্ট হয়েছে। সমঝোতার বন্ধন ফিকে হলে আগামী বছর তা ৮০ শতাংশও হতে পারে, যেটা আমরা কামনা করি না। আর গরিবের প্রাপ্য যা গেছে, তা ইহজনমে ফেরত পাওয়া যাবে না।

মুঈদ রহমান : অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×