তিস্তা চুক্তি বিষয়ে জোর তৎপরতা চালাতে হবে

  আসিফ নজরুল ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

তিস্তা চুক্তি

তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে ভারতের দায়-দায়িত্ব থাকলেও দেশটি সেই দায়িত্ব পালনে আন্তরিকতার পরিচয় দিচ্ছে না। গঙ্গা চুক্তির এক অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে, সমতা ও কোনো পক্ষই যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় তার ভিত্তিতে অন্যান্য অভিন্ন নদীর ক্ষেত্রেও অবিলম্বে পানিবণ্টন চুক্তি বাস্তবায়ন করা হবে।

ভারত উজানের দেশ। দেশটি যদি অভিন্ন নদীর পানিবণ্টন চুক্তিতে আগ্রহী না হয়, তাহলে বাংলাদেশ নানাভাবে বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক যাতে সবসময় ভালো থাকে তার জন্য বাংলাদেশ সবসময় আন্তরিকতার পরিচয় দিলেও ভারত একইরকম আন্তরিকতার পরিচয় দিচ্ছে না।

তিস্তার পানিবন্টন চুক্তি বাস্তবায়নে ভারত কোনো কোনো রাজ্যের আপত্তিকে অজুহাত হিসেবে বিভিন্ন সময় উপস্থাপন করেছে। তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তিটি হবে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে। ভারতের এক বা একাধিক রাজ্যের আপত্তির কথা বলে এ চুক্তির বাস্তবায়ন থেকে দেশটি যেভাবে বারবার পিছিয়ে যাচ্ছে, তা দুঃখজনক।

বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বহুমাত্রিক দিক রয়েছে। কাজেই তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে নানাভাবে দরকষাকষি করতে পারে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে উল্লিখিত দাবি আদায়ের জন্য আরও জোরালো তৎপরতা অব্যাহত রাখতে হবে। এই তৎপরতার অংশ হিসেবে বাংলাদেশকে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে বিষয়টি তুলে ধরতে হবে। নদীবিষয়ক বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুসমর্থন করলে বাংলাদেশ আরও জোরালোভাবে এ বিষয়ে ভারতের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে পারবে।

আসিফ নজরুল : অধ্যাপক, আইন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×