সত্যের পক্ষে থাকার দায় ও দায়িত্ব নিতে হবে

  এ কে এম শাহনাওয়াজ ২২ অক্টোবর ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

জাবিতে বিক্ষোভ
জাবিতে বিক্ষোভ। ফাইল ছবি

ভিসি উৎখাতের আন্দোলন নিয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের খ্যাতি বা কুখ্যাতি রয়েছে। মাস তিনেক আগেও পরিচিত জনের সঙ্গে দেখা হলে বলতেন, কী ব্যাপার আপনাদের হল কী, অনেকদিন থেকে আন্দোলনের কথা শুনছি না। ঝিমিয়ে পড়লেন নাকি? বুঝতাম হাসিমুখে একটি তির্যক শ্লেষ ছড়াচ্ছেন তারা।

আমি বলতাম, আন্দোলন করে জীবন্ত সচেতন মানুষ। জাহাঙ্গীরনগর পরিবারের মধ্যে বিপ্লবী চেতনা আছে। তাই তারা প্রতিবাদী। বলি বটে, তবে তা কতটা বিশ্বাস থেকে বলি তা বলতে পারব না।

আমার বেশ কয়েক মাস ধরে মনে হচ্ছিল প্রশাসনবিরোধী একটি আন্দোলনের চেষ্টা হতে পারে। তবে কোন দিক থেকে যাত্রা শুরু হবে বুঝতে পারছিলাম না। স্কুলের ক্লাসে ভাবসম্প্রসারণ করতে দিত ‘অর্থই সকল অনর্থের মূল’। আমাদের আশঙ্কা এখানেই ছিল। বছরখানেক আগে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট নির্বাচন হয়েছিল।

এ নির্বাচনে একটি শিক্ষক গ্রুপের বেশ তোড়জোড় ছিল। ভাবা হতো এ নির্বাচনে যারা শক্তিমান হবে তারাই পরবর্তী ভিসি প্যানেল নির্বাচনে কামিয়াব হবেন। এ গ্রুপটি আগেভাগেই দেশজুড়ে রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট বানানো এবং সম্পর্ক তৈরিতে ছোটাছুটি শুরু করে।

এর মধ্যে চাউর হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকতর উন্নয়নের জন্য শতাধিক কোটি টাকার বরাদ্দ আসছে। এরপর থেকে এ গ্রুপটির তৎপরতা আরও বেড়ে যায়। প্রচুর চাঁদার ফান্ড দিয়ে সিনেট নির্বাচনে নমিনেশন দিতে থাকেন গ্রুপ নেতারা। ক্যাম্পাসে রটনা হয় জাতীয় নির্বাচনের মতো কোটি টাকার তহবিল নিয়ে এ গ্রুপ মাঠে নেমেছে।

নির্বাচনে সাফল্যও পায় গ্রুপটি। তবে সরকারি দল করলেও সরকারের সুদৃষ্টি নেই এ গ্রুপের নেতাদের প্রতি। এ ধারণা ক্যাম্পাসের অনেকের মধ্যে। তাই সিনেট অধিবেশন বসিয়ে ভিসি প্যানেল নির্বাচন বিলম্বিত হয় বা স্থবির হয়ে পড়ে।

অন্যদিকে নির্বাচিত ভিসি ড. ফারজানা ইসলামের প্রথম মেয়াদ শেষ হলে মহামান্য রাষ্ট্রপতি তাকে দ্বিতীয় মেয়াদে ভিসির দায়িত্ব দেন। হয়তো সরকার ভেবেছে দেড় শতাধিক কোটি টাকার উন্নয়ন কার্যক্রম ক্লিন ইমেজের ভিসির দায়িত্বেই নিষ্পন্ন হোক।

এরপর থেকেই নানা ইস্যুতে প্রশাসন ও বিশ্ববিদ্যালয় অস্থিতিশীল করে তোলার চেষ্টা চলে; কিন্তু খুব একটা জমাতে পারেননি তারা। এর মধ্যে শোনা যায় প্রকল্পের বিশাল বরাদ্দ থেকে ৫ কোটি টাকার মতো ছাড় হয়েছে।

প্রথম পর্যায়ে কয়েকটি হল করার পদক্ষেপ নেয়া হয়। এটিকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়, কারণ বছরের পর বছর সিট সংকটের কারণে অসংখ্য বিদ্যার্থীকে গণরুমে থেকে অনেকটা দুঃসহ দিন কাটাতে হচ্ছে।

এ সময় ছাত্র-শিক্ষকদের একাংশ হল তৈরি করতে গাছ কেটে পরিবেশ নষ্ট করা হচ্ছে বলে আন্দোলন গড়ে তোলে। বলা হয়, এর পেছনেও সেই চিহ্নিত গ্রুপটির ইন্ধন রয়েছে। যাক, অনেক বাদ-প্রতিবাদ ও সমঝোতার পর এ আন্দোলন স্তিমিত হয়। পুরোদমে হল তৈরির যাত্রা শুরু হয় এবার।

ভাবলাম ইস্যু শেষ, আন্দোলনও শেষ। কিন্তু না, এবার আরও বড় ইস্যু তৈরি হল। অভিযোগটিও মারাত্মক। মাননীয় ভিসি ও তার পরিবারের লোকজন মিলে নাকি ছাত্রলীগ নেতাদের নির্মাণ কাজের জন্য দুই কোটি টাকা ভাগ-বাটোয়ারা করেছেন। এর পক্ষে একটি অডিও ক্লিপও প্রচার করা হয়েছে।

এতে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় এক নেতার সঙ্গে জাবির ছাত্রলীগ নেতাদের টাকা ভাগ-বাটোয়ারার কথোপকথন রয়েছে। অবশ্য ভিসি মহোদয়ার কণ্ঠস্বর সেখানে ছিল না। ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রচার পেল। চারদিক থেকে নিন্দার ঝড় উঠল। ভিসি সংবাদকর্মীদের কাছে এসব অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করলেন।

আমি লক্ষ করেছি, এ দেশের মিডিয়া অধিকাংশ ক্ষেত্রে নেগেটিভ রিপোর্ট প্রচার করতে পছন্দ করে। তথ্যসূত্র দিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা করে না। এমন একটি মারাত্মক বিষয়কে আরও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দেখা উচিত ছিল। পুরো বিষয়টি আমার কাছে ধোঁয়াশার মতো রয়ে গেল। আন্দোলন আরেকটু জমল।

শিক্ষকদের সেই বিশেষ গ্রুপ ছাড়াও আন্দোলনে শরিক হলেন বামপন্থী কিছু শিক্ষক, কিছু বাম সংগঠন ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের শিক্ষার্থী। সংখ্যায় বড় না হলেও এদের অনেকের গুরুত্ব রয়েছে আমার কাছে। আমি আন্দোলনরত এমন এক সহকর্মীকে প্রশ্ন করলাম- কী বিশেষ তথ্য আছে যে তারা ভিসিকে দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত করছেন?

তিনি ছাত্রলীগ নেতাদের ফোনালাপের কথাটাই বলতে পারলেন। আমি আশ্বস্ত হতে পারলাম না, আবার অবিশ্বাসও করলাম না। এমন একটি অবস্থায় আমি পূর্বনির্ধারিত ভিজিটে যুক্তরাজ্যে চলে গেলাম।

তিন সপ্তাহ পর ফিরে এসে দেখি আন্দোলন চলছে। এবার লালকার্ড দেখানোর কর্মসূচি পালন করলেন আন্দোলনকারীরা। অর্থাৎ ভিসি মহোদয়াকে বিদায় নিতে বলছেন। আমি শিক্ষক রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকি না বলে নিরপেক্ষ জায়গায় দাঁড়াতে হয়।

কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের একজন বলে নিজের বিবেক ও তথ্যসূত্র বিচারে যে পক্ষে আমার কণ্ঠ সরব করা প্রয়োজন মনে করি সেখানে দাঁড়াই। অতীতের সব আন্দোলনে এভাবে আমার উপস্থিতি ছিল। এর মধ্যে জানলাম সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতরে আন্দোলনকারীরা অভিযোগ জানিয়েছেন।

মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও আচার্য বরাবরও চিঠি পাঠিয়েছেন। ইতিমধ্যে টেলিভিশনে শিক্ষা উপমন্ত্রীর বক্তব্য শুনলাম, তদন্ত করা যায় এমন কোনো তথ্য-প্রমাণসহ কোনো অভিযোগ পাননি বলে জানালেন।

শক্ত তথ্যে অভিযোগ না থাকায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয়ের কাছে পদ্মা সেতুর দুর্নীতির অভিযোগের মতো মনে হয়েছে ভিসির বিরুদ্ধে করা দুর্নীতির অভিযোগটিকে। যার কোনো ভিত্তি পাওয়া যায়নি।

আমি আরও জটিল অবস্থায় পড়লাম। অডিও ফোনালাপের বিষয়টিকে উড়িয়ে দিতে পারছি না বলে কে ঠিক কে বেঠিক এ অবস্থায় পড়লাম। আমি ভিসি মহোদয়ার একান্ত কাছের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করলাম।

দুর্নীতির অভিযোগ এবং ফোনালাপের বিষয়টি জানতে চাইলাম। যা জানলাম, এর শতভাগ যে বিশ্বাস করতে হবে তেমন নয়- তবে বাস্তবতার বিচারে পুরোটা অবিশ্বাসও করতে পারলাম না। বললেন, ভিসির কাছে কেন্দ্রীয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতারা নাকি এসেছিল বড় অঙ্কের চাঁদা দাবি করতে।

ভিসি তাদের ফিরিয়ে দিয়েছেন। এরপর অসুস্থতার কারণে ঢাকায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ভিসি। সেখানেও ছাত্রলীগ নেতারা গিয়েছে। সমুদয় টাকার ছয় ভাগ কমিশন দাবি করেছে। এখানেও ভিসি তার অপারগতা জানিয়েছেন। জানিয়েছেন টাকা দেয়ার এখতিয়ার তার নেই। এ টাকা ভিসি বরাবর ছাড় হয় না। চেকে স্বাক্ষর করার অধিকারও তিনি রাখেন না।

এবার ক্ষুব্ধ হয় ছাত্রলীগ নেতারা। ভিসিকে বিপদে ফেলতে নাকি এ ফোনালাপটি তারা তৈরি করে। পুরোটিই ফেক বলে দাবি করলেন এ শিক্ষক নেতা। এবার নতুন করে আমার ভাবতে হল। কিন্তু সংবাদমাধ্যমে শুধু আন্দোলনকারীদের বক্তব্যের আলোকে রিপোর্ট ছাপা হওয়ায় সত্যটি ক্রমে আড়াল হতে থাকে।

আমার পরিচিত এক সরকারি আমলা এসব রিপোর্ট পড়ে ছিছি করছিলেন, বললেন ভাবতে কষ্ট হয় একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি আর তার পরিবার মিলে এভাবে টাকা ভাগ-বাটোয়ারা করে! আমি বললাম, পুরো সত্য এখনও প্রকাশিত হয়নি। আপনি এমন সিদ্ধান্তে আসতে পারেন না। নেগেটিভ রিপোর্টের প্রতি মানুষের আগ্রহ থাকে। তিনি আমার কথা মানলেন না।

এর একদিন পর এক টিভি চ্যানেলে গিয়েছিলাম টকশোতে অংশ নেয়ার জন্য। টকশো শুরু হওয়ার আগে নানা গল্পে বিশ্ববিদ্যালয় প্রসঙ্গ এলো। একজন প্রবীণ সাংবাদিক বন্ধুও এসেছিলেন। তিনিও সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টের ভিত্তিতে ভিসির ভূমিকার সমালোচনা করতে লাগলেন। নিজের বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্নাম তো ভালো লাগে না, তাই আমি বিনীতভাবে প্রকৃত সত্য জানার জন্য অপেক্ষা করতে অনুরোধ করলাম।

এরই মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ কমিটির নিয়মিত বৈঠক হল। একজন শিক্ষক সদস্য ছাড় করা অর্থের হিসাব জানতে চাইলেন। এ রিপোর্টটি পরদিন প্রকাশ্যে প্রচার করা হল। পড়ে তো থ’। ঠিকই পাঁচ কোটি টাকা প্রাথমিকভাবে ছাড় করা হয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয় ট্রেজারার অফিসে যথাযোগ্য কর্তৃপক্ষ দুই কোটির কিছু বেশি টাকা উত্তোলন করে।

বাকি তিন কোটির মতো টাকা এখনও সরকারি কোষাগারে রয়েছে। উত্তোলিত টাকার সমুদয় হিসাব সভায় উপস্থাপন করা হয়েছে। এ টাকায় কনসালটিং ফার্মের ফি মেটানো ও হল নির্মাণের প্রাথমিক ব্যয়ে খরচ করা হচ্ছে। এ স্বচ্ছ হিসাবের পর বুঝতে পারলাম না ছাত্রলীগকে দুই কোটি টাকা ভিসি কোথা থেকে দিলেন?

এবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কলুষিত রাজনীতির বিষয়টি পরিষ্কার হল। কোনো মহল ঘোলা পানি তৈরি করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্ভাবনাময় উন্নয়নকে নিশ্চয়ই বাধাগ্রস্ত করতে চায়। উন্নয়ন ব্যয় না করতে পারায় ভিসির ওপর ব্যর্থতার দায় চাপানো যাবে। এভাবে বেকায়দায় ফেলার পাঁয়তারা হতে পারে বলে আমার মনে হল।

আমি মনে করি, ছাত্র ও শিক্ষকদের কিছু অংশের গড্ডলিকায় গা ভাসানোর কথা নয়। তবে ভুল তথ্য তাদেরও সাময়িক বিভ্রান্ত করতে পারে। আমার ধারণা, এবার তারা হয়তো আত্মচৈতন্যে ফিরে আসবেন।

আমরা যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন চাই, ষড়যন্ত্র আর র‌্যাগিং ধরনের নানা অন্যায় প্রতিহত করতে চাই, তারা একটি মঞ্চ তৈরির প্রয়োজন অনুভব করি। এভাবেই ক্যাম্পাসে তৈরি হয় ‘অন্যায়ের বিরুদ্ধে এবং উন্নয়নের পক্ষে জাহাঙ্গীরনগর’।

প্রকৃত সত্য প্রকাশিত হওয়ায় আন্দোলনে যুক্ত স্বল্পসংখ্যক ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষক, অফিসার, কর্মচারী সবাই এ মঞ্চে সংহতি প্রকাশ করে। এ মঞ্চের পক্ষ থেকে বিশাল মিছিল আর মানববন্ধন হয়। সন্ধ্যায় মোমবাতি প্রজ্বালন অনুষ্ঠান হয়। লোকারণ্য হয়ে যায় শহীদ মিনার এলাকা।

এসব প্রচারে যথেষ্ট কার্পণ্য দেখা যায় আমাদের মিডিয়ার। দেশবাসীকে ধোঁয়াশামুক্ত করার দায়িত্ব কিন্তু ছিল মিডিয়ারই। অথচ অনলাইন একটি পত্রিকার শিরোনাম দেখলাম, ‘ভিসিপন্থীদের মোমবাতি প্রজ্বালন’। আমি মিডিয়ার এই দশা দেখে অবাক হলাম।

খুব স্বাভাবিকভাবেই ঘটনাক্রমে এ মঞ্চটি বর্তমান পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের বিপক্ষে যাবে। তাই বলে কি সত্যের পক্ষে থাকা যাবে না! যেখানে এ মঞ্চে বিশ্ববিদ্যালয়ের কল্যাণ চিন্তায় সব মত-পথের শিক্ষক, কর্মচারী-কর্মকর্তা যোগ দিয়েছেন।

সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের অংশগ্রহণ দেখা গেছে, সেটি ভিসিপন্থী হয় কেমন করে! আমাকে প্রকৃত ভিসিপন্থী একজন শিক্ষক পত্রিকার সূত্রে টেলিফোনে মজা করে বললেন, ‘স্যার আপনিও ভিসিপন্থী হয়ে গেলেন!’ যাক এতে ভিসি মহোদয়ার আনন্দ হতে পারে। তিনি বলতে পারেন, বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সিংহভাগ মানুষ আমার পক্ষের!

আমি জানি না আন্দোলনকারী শিক্ষকদের কাছে এরপরও ভিসির দুর্নীতির পক্ষে শক্ত-অকাট্য প্রমাণ আছে কি না। থাকলে তা তারা মহামান্য আচার্যের সামনে উপস্থাপন করুক।

সত্যিই যদি ভিসির বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রমাণিত হয় তবে অন্যের কথা জানি না, আন্দোলনের সঙ্গে আমি সংহতি প্রকাশ করব। তা না হলে অনুরোধ করব সুবিধাপ্রত্যাশী কারও এজেন্ডা বাস্তবায়নের শক্তি না হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কল্যাণের পক্ষে এগিয়ে আসুন।

পুনশ্চ : লেখাটি শেষ করতেই টেলিফোন পেলাম টকশোতে আসা সেই প্রবীণ সাংবাদিক বন্ধুর। দুঃখ প্রকাশ করে বললেন, তিনি খোঁজ নিয়ে দেখেছেন ভিসির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর তেমন ভিত্তি নেই।

ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ : অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

[email protected]

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×