ঘৃণা নয়, সামাজিকভাবে মূল্যায়ন করুন

  সালাহ্উদ্দিন নাগরী ১৪ জানুয়ারি ২০২০, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

হিজড়া
হিজড়া। ছবি: সংগৃহীত

কিছুদিন আগে এক আত্মীয়ের বিয়ে উপলক্ষে বাসায় লাইটিংয়ের সুবাদে বিয়ের দিন বিকালে উগ্র সাজসজ্জা ও পোশাকের একদল মানুষ বাসার সামনে এসে হাজির। কেয়ারটেকার কলাপসিবল গেটের তালা খুলে না দেয়ায় সবাই মিলে তাকে পিটিয়ে মাটিতে শুইয়ে দেয়।

চিৎকার-চেঁচামেচিতে কনের দায়িত্বশীল এক আত্মীয় পড়িমড়ি করে নিচে নেমে এলেন। বিয়েতে ওদের বকশিশ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ৩ হাজার টাকা দিয়ে কোনোমতে হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন।

সমাজসেবা অধিদফতরের ‘হিজড়া জনগোষ্ঠীর জীবন মানোন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন নীতিমালা ২০১৩’তে বলা হয়েছে, হিজড়া সম্প্রদায় বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার একটি ক্ষুদ্র অংশ হলেও আবহমানকাল থেকেই এ জনগোষ্ঠী অবহেলিত ও অনগ্রসর হিসেবে পরিচিত।

সব নাগরিক সুবিধা ভোগের অধিকার সমভাবে প্রাপ্য হলেও তারা পারিবারিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্যের শিকার বলে প্রতীয়মান। তাদের প্রতি সদয় আচরণ ও তাদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় সচেষ্ট হওয়া পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র সবার দায়িত্ব।

একই নীতিমালার ‘হিজড়া’র কেতাবি সংজ্ঞায় বলা হচ্ছে- চিকিৎসাবিজ্ঞান অনুসারে ক্রোমোজোমের ত্রুটির কারণে জন্মগত যৌন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, যাদের দৈহিক ও জেনেটিক কারণে নারী বা পুরুষ কোনো শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করা যায় না।

সমাজে এ জনগোষ্ঠী হিজড়া হিসেবে পরিচিত। এ নীতিমালার আওতায় হিজড়া বলতে সমাজে যিনি হিজড়া হিসেবে পরিচিত এবং যিনি নিজেকে হিজড়া পরিচয় দিতে ইতস্ততবোধ করেন না তাকে বোঝাবে।

উইকিপিডিয়া বলছে, হিজড়া শব্দটি একটি উর্দু শব্দ, যা জেনেটিক আরবি ধাতুমূল হিজর (গোত্র হতে পরিত্যক্ত) থেকে এসেছে। পরবর্তী সময়ে তা হিন্দি ভাষায় বিদেশি শব্দ হিসেবে প্রবেশ করেছে।

এর অনেক সমার্থক শব্দ আছে- শিখণ্ডী, খোজা, তৃতীয় লিঙ্গ, উভলিঙ্গ, নপুংসক, ইংরেজি ও আরবিতে যথাক্রমে ট্রান্সজেন্ডার ও খুনসা। আমাদের সমাজে হিজড়া শব্দটির দ্যোতনা ইতিবাচক নয়।

সাধারণ মানুষের চলাচলের জায়গা, রাস্তাঘাট, পাড়া-মহল্লা, রাস্তার মোড়, ট্রাফিক সিগন্যাল, বাস, লঞ্চ, ট্রেন স্টেশন, যানবাহন সবখানেই এদের উপস্থিতি। অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি, টাকা-পয়সা চাওয়া, না পেলে গালাগালি, তর্কে জড়ালে অপদস্থ, হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটে। তাই অনেকেই হিজড়াদের বিড়ম্বনার সঙ্গেই তুলনা করে থাকেন।

নির্ভার হয়ে বাঁচতে হিজড়ারা বাস করে দলবদ্ধভাবে, খুঁজে নেয় আলাদা সমাজ। প্রত্যেক দলে একজন গুরু মা থাকেন। রাজধানী ঢাকায় ৫ গুরুর আওতায় প্রায় ১৫ হাজার হিজড়া রয়েছেন। একজন গুরুর অধীনে ৮-১০টি দল থাকে।

‘হিজড়া’রা কেন এ জীবন বেছে নিয়েছে? তাদের সম্মানজনক জীবনযাপনের ক্ষেত্র কি আমরা তৈরি করতে পেরেছি? তাদের এ জীবন থেকে সরিয়ে আনার জন্য আমাদের উদ্যোগ কতটুক? প্রচলিত সমাজব্যবস্থায় এরা যথাযথ সহযোগিতা, সহমর্মিতা তো পায়ই না, ওদের সঙ্গে আমাদের আচরণ স্বাভাবিক নয়।

অনেক ক্ষেত্রে তাদের মানুষ হিসেবেই গণ্য করা হয় না। যেখানেই যায়, কিছু পয়সা-কড়ি দিয়ে দূর দূর করে তাড়িয়ে দেয়া হয়। তাদের যে পয়সা-কড়ি দেয়া হয়, সেটা যে তাদের প্রতি খুব সহানুভূতিশীল হয়ে দেয়া হয় তা নয়, তারা যেন তাড়াতাড়ি স্থান ত্যাগ করে সেজন্যই তা দেয়া হয়।

‘হিজড়া’ সন্তান জন্ম নিলে অনেক ক্ষেত্রে মা-বাবা যেমন তাকে হিজড়া আস্তানায় রেখে আসে, একইসঙ্গে হিজড়ারাও মনে করে ওই ধরনের যে কোনো শিশুর ওপর তাদের দাবি সবচেয়ে বেশি। তাই কোথাও কোনো হিজড়া শিশুর জন্মের খবর পেলে ওরা দলবল নিয়ে সেখানে হাজির হয়ে অনেকটা জোর করেই তার বাবা-মায়ের কাছ থেকে নিয়ে চলে আসে।

বর্তমান পরিপ্রেক্ষিতে কোনো পরিবার কি তার সন্তানকে হিজড়া হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিতে ও স্কুলে পাঠাতে পারবে? অনেক ক্ষেত্রে পরিবারও হিজড়া সন্তানকে দায় মনে করে। তাদের প্রতি যথাযথ আচরণ করতে পারে না। ফলে সে কিছুতেই নিজেকে মূল স্রোতের অংশ মনে করতে পারে না। অতএব পরিবার থেকে পালিয়েই যেন মুক্তি।

হিজড়া সম্প্রদায়ও আল্লাহতায়ালার সৃষ্টি। প্রতিবন্ধী মানুষের যেমন শারীরিক ত্রুটি থাকে, এটিও ঠিক তেমনি। ব্যাপক অর্থে তারা শারীরিক প্রতিবন্ধী, সূক্ষ্ম বিশ্লেষণে লিঙ্গ প্রতিবন্ধী বলা যেতে পারে। অন্যান্য প্রতিবন্ধীর মতো তারা আরও বেশি স্নেহ-মমতা, ভালোবাসা ও সহযোগিতা পাওয়ার হকদার।

মৌলিকভাবে ইসলাম মানুষকে পুরুষ ও নারী হিসেবে গণ্য করে থাকে। উভলিঙ্গ ব্যক্তিরাও মূলত নারী কিংবা পুরুষ। তাই তাদের ব্যাপারে আলাদা কোনো বিধান আরোপ করা হয়নি। উভলিঙ্গ যে ব্যক্তির মধ্যে যে বৈশিষ্ট্য বেশি থাকবে, তিনি সেই লিঙ্গের অন্তর্ভুক্ত হবেন। অন্য সন্তানের মতো তাদেরও সম্পত্তিতে অধিকার থাকবে।

নামাজ, রোজা ও পর্দা করবে লিঙ্গ অনুযায়ী। তাদের ইবাদতও হবে স্বাভাবিক আর দশটা মুসলমানের মতো। ইসলাম তাদের আলাদা চোখে দেখেনি। আমাদের দেশের অধিকাংশ লোক ধর্মভীরু, ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার চেষ্টা করে। তাই ইসলাম যেসব নির্দেশনা দিয়েছে সেগুলো তাদের জানাতে ও বোঝাতে এবং সেই মতো ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করতে হবে।

সরকার কর্তৃক তাদের তৃতীয় লিঙ্গের স্বীকৃতি প্রদান, ভোটাধিকার ও পাসপোর্টে ‘হিজড়া’ হিসেবে পরিচয় উল্লেখের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সরকারি হিসাবমতে, এদের সংখ্যা ১০ হাজারের মতো। বিভিন্ন এনজিও এবং এ সংক্রান্ত কাজের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের মতে, এদের সংখ্যা ৫০ হাজার থেকে ১ লাখের মতো।

তাদের জীবন মানোন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং আরও হচ্ছে। হিজড়াদের জীবন মানোন্নয়নে পূর্বে উল্লেখিত নীতিমালায় আরও বলা হচ্ছে, ‘অবহেলিত ও অনগ্রসর এ জনগোষ্ঠীর মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ, তাদের জন্য সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ, তাদের পারিবারিক, আর্থ-সামাজিক, শিক্ষা, বাসস্থান, স্বাস্থ্যগত উন্নয়ন এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, সর্বোপরি তাদের সমাজের মূল স্রোতধারায় এনে দেশের সার্বিক উন্নয়নে সম্পৃক্তকরণ অতি জরুরি হয়ে পড়েছে।’

হিজড়াদের কর্মে প্রবেশের সুযোগ ও পরিবেশ তৈরি করে দিতে হবে। তাদের স্বকর্মসংস্থানের জন্য অনুদান, সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থা করতে হবে। তাদের সরকারি ও নামকরা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরির ব্যবস্থার মাধ্যমে উদাহরণ তৈরি করতে হবে, যেন অন্যরাও তাদেরকে কাছে টেনে নিতে উদ্বুদ্ধ হয়।

মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে হিজড়ারা অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও বিভিন্ন সৃজনশীল কাজের সঙ্গে জড়িত। আশার কথা, চট্টগাম সিটি কর্পোরেশনে একদল হিজড়া কাজ করছে। আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে হিজড়া নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ঢাকা শহরেই কয়েকজন হিজড়া বিউটি পার্লার চালু করেছে।

সম্প্রতি সাতক্ষীরার কলারোয়ায় হিজড়া সম্প্রদায়ের দু’জন পৌর নির্বাচনে অংশগ্রহণও করেছিল। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কৃষ্ণনগর কলেজের অধ্যক্ষ মানবী বন্দোপাধ্যায় একজন নারী হিজড়া।

টেক্সাসের একজন মেয়র তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ। এগুলো খুবই উৎসাহব্যঞ্জক খবর। মালয়েশিয়া ও পাশ্চাত্যের দেশগুলোতে ওরা মা-বাবা, ভাই-বোনের সঙ্গেই বেড়ে ওঠে। আমাদেরও সে পথ অনুসরণ করতে হবে।

অনেকে সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করে কোনো সুনির্দিষ্ট এলাকায় তাদের চলাফেরা সীমিত করার কথা বলছেন। এটি দীর্ঘমেয়াদি কোনো সমাধান নয়। আমাদের দেশে জনসংখ্যার তুলনায় ওদের সংখ্যা নগণ্য। তাদের লেখাপড়ার বালাই নেই বললেই চলে। তারা দৃষ্টিকটু সাজপোশাক নেয়।

ভিক্ষা বা চাঁদা যেটাই বলি না কেন, তার ওপর নির্ভর করে জীবিকা নির্বাহ করে। ওরা বিদ্যমান সমাজ কাঠামোর একেবারে বাইরে অবস্থান করছে। তাদের ব্যাপারে অধিকাংশের ধারণা খুব একটি সুখকর নয়। তাই তারা যেন দলবদ্ধ হয়ে কোথাও চড়াও হতে না পারে, সে উদ্যোগ নিতে হবে।

রাস্তাঘাটে মানুষজনকে যেন বিব্রতকর অবস্থায় না ফেলে সেজন্য তাদের বোঝাতে ও প্রশিক্ষণ দিতে হবে। তাদের যেন চাঁদাবাজি ও ভিক্ষাবৃত্তিতে নামতে না হয়, সেজন্য জীবিকা নির্বাহের পুরো দায়িত্ব রাষ্ট্রকে নিতে হবে। তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা হিসেবে হিজড়াদের পোশাক ও সাজসজ্জায় পরিবর্তন আনার ব্যবস্থা করতে হবে।

হিজড়াদের দিয়ে যেহেতু পয়সা-কড়ি উপার্জন করা যায়, সেজন্য কোনো কোনো চক্র সাধারণ মানুষকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে হিজড়ায় পরিণত করছে। এ ধরনের হিজড়াকে বলা হয় ‘চিন্নি’।

আইনের কঠোর প্রয়োগের মাধ্যমে ‘চিন্নি’ তৈরি বন্ধ এবং দোষীদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে। চিকিৎসায় অনেক হিজড়াকে স্বাভাবিক দেহের মানুষে পরিণত করা যায়, যাদের লিঙ্গত্রুটি সামান্য তাদের বিনা অর্থে চিকিৎসার মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে দেয়ার উদ্যোগ নিতে হবে।

আরেকটি বিষয় চিন্তাভাবনা করা যেতে পারে- তাদের দলবদ্ধভাবে না রেখে পরিবারের কাছে পাঠিয়ে দিতে হবে। এ ব্যাপারে পিতা-মাতার নাম ঠিকানাসহ ডাটাবেজ তৈরির উদ্যোগ নিতে হবে। প্রত্যেকেই নিজ নিজ পরিবারে থাকবে।

ছোটবেলা থেকেই যদি পরিবারে রাখা যায়, সাধারণ স্কুল-কলেজে পড়ানো যায়, তবে তার সামগ্রিক গেটআপ সাধারণ আর দশটি মানুষের মতোই হবে। তাকে দলবদ্ধ হয়ে থাকতে হবে কেন? তারা কি ভিন গ্রহের বাসিন্দা?

হিজড়াদের ঘৃণা না করে সামাজিকভাবে মূল্যায়ন করতে হবে। আগে মেয়েশিশু জন্মগ্রহণ করলে জীবন্ত কবর দেয়া হতো এবং হাল আমলেও সতীদাহ প্রথায় স্ত্রীকে জ্বলন্ত চিতায় ঝাঁপ দিতে হতো। আমরা এসব থেকে সরে আসতে পেরেছি।

রেডিও, টিভি ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সহযোগিতায় মানুষের মাইন্ডসেট পরিবর্তন করতে হবে। সরকারি পর্যায় থেকে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালাতে হবে এবং দেশের সুধীজনদের অগ্রণী ভূমিকা নিতে হবে। কোনো পরিবারে হিজড়া সন্তান জন্মগ্রহণ করলে লজ্জিত বা কুণ্ঠিত হওয়ার কিছু নেই।

একটি পরিবারে প্রতিবন্ধী অসুস্থ সন্তান যদি থাকতে পারে, তবে হিজড়া সন্তান কেন থাকতে পারবে না? যে পরিবারে হিজড়া সন্তান থাকবে, সে পরিবারে সরকারি সুযোগ-সুবিধা বাড়িয়ে তাদের প্রতি আরও বেশি মনোযোগী করার ব্যবস্থা নিতে হবে।

ওই সম্প্রদায়ের যারা পূর্ণবয়স্ক হয়ে গেছে তাদের যদি পরিবারের কাছে পাঠানো না-ই যায়, তবে অন্তত দলে নতুনদের অন্তর্ভুক্তি ঠেকাতে হবে। তারা অবহেলার পাত্র নয়; তারা তো কারও সন্তান, কারও ভাই, কারও বোন বা রক্তের আত্মীয়।

তাদের মানুষের মতো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারলেই সার্থক পিতা-মাতা হিসেবে গর্ববোধ করা যাবে। হিজড়াদের জীবন মানোন্নয়নে সরকার যেসব কার্যক্রম গ্রহণ করেছে, সেগুলো সাফল্যমণ্ডিত করার জন্য আমাদেরও সচেষ্ট হতে হবে। তাদের গায়ে রং মাখিয়ে সং সাজিয়ে করুণার পাত্র হওয়ার পথ থেকে সরিয়ে আনার দায়িত্ব তো আমাদেরই।

সালাহ্ উদ্দিন নাগরী : সরকারি চাকরিজীবী

[email protected]

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

 
×