শিক্ষাবিষয়ক প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম হোক অর্থপূর্ণ

  ড. আবদুস সাত্তার মোল্লা ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বিদ্যালয়

নামের বড়াই করো নাকো, নাম দিয়ে কী হয়

নামের মাঝে পাবে নাকো সবার পরিচয়।

নামের বড়াই করা ভালো নয় (নাম, জন্মসূত্র ও জীবনকালের পরিবর্তে মানুষের গর্বের বিষয় হল তার কাজ, জীবনের অর্জন)। আর কিছু জিনিসের নামের সঙ্গে কাজের মিলও থাকে না। কিন্তু তাই বলে নাম গুরুত্বহীন নয়। নামকরণ অর্থাৎ অর্থবোধকভাবে ও সঠিকভাবে বিভিন্ন জিনিসের নাম দেয়া তো রীতিমতো বিদ্যার একটি শাখা হিসেবে স্বীকৃত।

কোনো মানবসৃষ্ট প্রতিষ্ঠানের নাম হতে হয় অর্থবোধক, সহজবোধ্য শব্দ দিয়ে গঠিত, যথাসম্ভব শ্রুতিমধুর ও সংক্ষিপ্ত। কিন্তু দেশে শিক্ষাবিষয়ক বেশকিছু প্রতিষ্ঠানের নাম যথেষ্ট অর্থবোধক নয়, কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের কাজের আওতার সঙ্গে নামের সঙ্গতির অভাবও রয়েছে। এসব জাতীয় প্রতিষ্ঠানের নাম সঠিক শব্দ ও ভাষায় প্রকাশ করার উদ্যোগ নেয়ার একটি ভালো সময় এ ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি।

প্রথমেই আলোচনা করা যাক দেশের পরীক্ষা পরিচালনা ও সনদ প্রদানকারী ‘শিক্ষা বোর্ড’ নামে পরিচিত প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ে। উল্লেখ্য, আধুনিক শিক্ষা পরিকল্পনার কেন্দ্রে রয়েছে শিক্ষাক্রম। শিক্ষাক্রমের প্রধান চারটি উপাদান হচ্ছে- শিক্ষার উদ্দেশ্য (যাকে এখন সুনির্দিষ্টভাবে দক্ষতা ও যোগ্যতাও বলা হয়), বিষয়বস্তু (যা প্রধানত পাঠ্যপুস্তকে লেখা হয়), শিখন-শেখানো প্রক্রিয়া (শিক্ষার্থীরা যে বাস্তব অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যায়) এবং মূল্যায়ন পদ্ধতি (যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত উদ্দেশ্যগুলো কতটা অর্জন করেছে তা মাপা হয়)।

শুধু মূল্যায়ন পদ্ধতিই হতে পারে নানারকম। শিক্ষার চিন্তন ক্ষেত্রের মূল্যায়ন বেশিরভাগ বলা ও লেখার মাধ্যমে করা যায়, ভাবাবেগ ক্ষেত্রের মূল্যায়নের জন্য দরকার হয় দীর্ঘ সময়ের পর্যবেক্ষণ, আর মনোপেশিজ ক্ষেত্রের মূল্যায়ন করতে হয় বাস্তব কাজ দেখে।

ওই বোর্ডগুলো শিক্ষাক্রমের নির্দেশনা মোতাবেক প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করে, লিখিত (এবং কিছু ক্ষেত্রে ব্যবহারিক) পরীক্ষা গ্রহণ করে, ফলাফল প্রকাশ ও সনদ প্রদান করে। এ পরীক্ষা শিক্ষার সব ধরনের উদ্দেশ্যের অর্ধেকও মাপতে পারে না। শিক্ষা-সম্পর্কিত সব কাজের বড়জোর আট ভাগের এক ভাগের দায়িত্ব পালনকারী বোর্ডগুলোর নাম কি (পূর্ণ) ‘শিক্ষা বোর্ড’ হতে পারে?

দেখে নেয়া যাক পরীক্ষা পরিচালনা ও সনদ প্রদানকারী এরূপ প্রতিষ্ঠান অন্যান্য দেশে কী নামে পরিচিত হয়। মালয়েশিয়ানরা ৪০-৫০ বছর আগেও আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে, মেডিকেল কলেজে পড়ে গিয়ে, বলা যায়, বিশ্বমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছে; এখন আমরা সে দেশে শিখতে যাই। দেশটি তার পরীক্ষা পরিচালনা ও সনদ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের নাম রেখেছে Malaysian Examinations Council।

সিঙ্গাপুরে এরূপ প্রতিষ্ঠানের নাম Examinations and Assessment Board। থাইল্যান্ড এরূপ প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়েছে National Institute of Educational Testing Service। নেপালে পরীক্ষা পরিচালনা ও সনদ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের নাম National Examination Board।

যে ইংরেজরা আমাদের দেশে আধুনিক শিক্ষা প্রবর্তন করে গেছে, তাদের পরীক্ষা পরিচালনা ও সনদ প্রদানকারী সব বোর্ডের সম্মিলিত প্রতিষ্ঠানের নাম Assessment and Qualifications Alliance। আর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এরূপ প্রতিষ্ঠানের নাম Educational Testing Service এবং College Entrance Examination Board।

উল্লিখিত দেশগুলো পরীক্ষা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের নামের সঙ্গে ‘পরীক্ষা’ (Examination বা Testing) শব্দটি রেখেছে। আমাদের পরীক্ষা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম ‘শিক্ষা বোর্ড’ বহাল রাখা কি ঠিক? আংশিক হলেও বোর্ডগুলো তো শিক্ষার কাজই করে!

তাহলে এগুলোকে ‘শিক্ষা বোর্ড’ বলতে অসুবিধা কী? এ ক্ষেত্রে অন্তত দুটো বড় অসুবিধার কথা বলা যায়। একটি হচ্ছে, নামটি যথেষ্ট অর্থবোধক নয়; অপরটি ভাবমূর্তি সম্পর্কিত। দ্বিতীয়টি বেশি মারাত্মক এ কারণে যে, নামটি ভুল ভাবমূর্তি তৈরি করে।

দেশে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা এবং জুনিয়র স্কুল (ও দাখিল) সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষা প্রবর্তনের পর অনেকে বলছেন, আমরা পরীক্ষার ওপর অতিরিক্ত গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষার্থীদের ‘পরীক্ষার্থী’ বানিয়ে ফেলেছি।

বাস্তবে ‘পরীক্ষা বোর্ড’কে শুরু থেকেই ‘শিক্ষা বোর্ড’ নাম দিয়ে আমরা বুঝিয়ে দিয়েছি যে, পরীক্ষা দেয়া এবং তা পাস করাই আমাদের শিক্ষার প্রধান লক্ষ্য; পরীক্ষাই যেন ‘সম্পূর্ণ শিক্ষা’! এভাবে নামটি পরীক্ষার বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভাবমূর্তি তৈরি করেছে, যা পূর্ণ শিক্ষার সমকক্ষের দাবিদার হয়ে উঠেছে।

আমরা পরীক্ষা পরিচালনাকারী বোর্ডগুলোর নামে, বিশেষত ইংরেজিতে আরও একটি ভুল করে রেখেছি। ঢাকা ও রাজশাহী ‘শিক্ষা বোর্ড’ (১৯৬১) এবং কুমিল্লা বোর্ড (১৯৬২) যখন প্রতিষ্ঠিত হয় তখন শিক্ষার মাধ্যমিক স্তর (১০ম শ্রেণিতে শেষ) এবং উচ্চশিক্ষা স্তরের (১৩শ শ্রেণিতে শুরু) মাঝখানে ‘ইন্টারমিডিয়েট’ নামে দু’বছরের (১১শ-১২শ শ্রেণি) একটি শিক্ষাস্তর ছিল।

তখন Secondary ও Intermediate নামে মাত্র দুটো প্রাক-বিশ্ববিদ্যালয় পাবলিক পরীক্ষাই গ্রহণ করা হতো। সুতরাং বোর্ডগুলোর ইংরেজি নাম Board of Intermediate and Secondary Education (BISE)-এর Board of Intermediate and Secondary অংশ ঠিক ছিল, ভুল ছিল শুধু Education শব্দের ব্যবহারে। কিন্তু ১৯৬৩ সালে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষা ‘উচ্চমাধ্যমিক’ (Higher Secondary) নামে মাধ্যমিক স্তরের সর্বোচ্চ উপস্তর হিসেবে মাধ্যমিক শিক্ষাস্তরের অংশে পরিণত হয়।

বর্তমানে বিশ্বের সব দেশের শিক্ষা প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ- এই তিন স্তরে বিন্যস্ত; প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষার মাঝখানে কোনো ‘ইন্টারমিডিয়েট’ স্তর নেই।

অথচ ১৯৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত যশোর বোর্ড এবং সবশেষে ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত ময়মনসিংহ বোর্ডসহ সব কটিকেই আমরা এখনও Board of Intermediate and Secondary Education নামে ডেকে চলেছি।

১৯৬৩ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ৫৫ বছরেও আমরা ‘ইন্টারমিডিয়েট’কে ভুলতে পারিনি! পরের তিন বছরেও কি পেরেছি? পাকিস্তান এখনও Board of Intermediate and Secondary Education নামটি বহাল রেখেছে। আমরা কি পাকিস্তানকে অনুসরণ করব?

বাংলাদেশে সম্প্রতি প্রবর্তিত জেএসসি পরীক্ষাটি মাধ্যমিক শিক্ষাস্তরের প্রথম পাবলিক পরীক্ষা; তাই এ পরীক্ষাটিও ওই বোর্ডগুলোই নিয়ে থাকে।

সুতরাং মাধ্যমিক স্তরের তিনটি উপস্তরের পাবলিক পরীক্ষা গ্রহণ ও সনদ প্রদানকারী বোর্ডগুলোর যুক্তিসঙ্গত নাম হতে পারে বাংলায় ‘মাধ্যমিক পরীক্ষা বোর্ড’; ইংরেজিতে Board of Secondary Examinations (BSE) বা Secondary Examinations Board (SEB)।

বাংলাদেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা-পরিকল্পনার মূল দায়িত্ব পালন করে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (জাশিপাবো)। ন্যাশনাল কারিকুলাম ডেভেলপমেন্ট সেন্টার এবং টেক্সটবুক বোর্ড একীভূত হয়ে ১৯৮৪ সালে যখন এ প্রতিষ্ঠানটি জন্মলাভ করে তখন শিক্ষাক্রম তৈরি ও পরিমার্জনের জন্য সৃষ্টি করা হয়েছিল একক ‘শিক্ষাক্রম উইং’। ২০০৪ সালে প্রাথমিক শিক্ষাক্রমের জন্য পৃথক উইং সৃষ্টি করা হয়।

সে বছর থেকে প্রথম সৃষ্ট ‘শিক্ষাক্রম উইং’ শুধু মাধ্যমিক শিক্ষাক্রমের কাজ করে আসছে। মন্ত্রণালয়ের নবনিযুক্ত সচিব মো. মাহবুব হোসেন ১৯ জানুয়ারি প্রথমবারের মতো জাশিপাবো পরিদর্শনে এলে তাকে জানানো হয়, এ বোর্ডের চারটি উইংয়ের মধ্যে দুটো শিক্ষাক্রম নিয়ে কাজ করে : একটি ‘প্রাথমিক শিক্ষাক্রম উইং’, অন্যটি ‘শিক্ষাক্রম উইং’। তিনি প্রশ্ন তুললেন- একটির নাম ‘প্রাথমিক শিক্ষাক্রম উইং’ হলে অন্যটি ‘মাধ্যমিক শিক্ষাক্রম উইং’ নয় কেন?

সচিব মহোদয়ের পর্যবেক্ষণ অত্যন্ত যৌক্তিক। একটি জিনিস ভেঙে দু’ভাগ হয়ে গেলে কোনোটাকেই আর ‘পূর্ণ’ বলে দাবি করা যায় না। ২০০৪ সাল থেকে জাশিপাবোতে একক ‘শিক্ষাক্রম উইং’-এর কোনো বাস্তব অস্তিত্ব নেই; কিন্তু প্রথমে সৃষ্ট শিক্ষাক্রম উইংয়ের নামে মাঝে মাঝে বন্ধনীতে ‘মাধ্যমিক’ বিশেষণটি লেখা হলেও এখনও আইন ও বিধানের মাধ্যমে এর সঙ্গে ‘মাধ্যমিক’ শব্দটি যুক্ত হয়নি।

তবে ২০১৮ সালে জাশিপাবোর জন্য একটি নতুন আইন তৈরি হয়েছে। এ আইনে জাশিপাবোতে চারটি নতুন উইং সৃষ্টি করার কথা বলা হয়েছে। আর বর্তমান শিক্ষাক্রম উইংয়ের নাম দেয়া হয়েছে ‘মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাক্রম উইং’।

বোঝা যাচ্ছে, যারা এ আইনের খসড়া করেছিলেন তারা বুঝতে পারেননি যে উচ্চমাধ্যমিক মাধ্যমিক স্তরেরই অংশ। এ উইংটি নিম্নমাধ্যমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক মোট তিনটি উপস্তরের শিক্ষাক্রম নিয়েই কাজ করে। তাহলে কি এর নাম নিম্নমাধ্যমিক, (মধ্য) মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক রাখা হবে? আসলে এর যৌক্তিক নাম হবে ‘মাধ্যমিক শিক্ষাক্রম উইং’। কিন্তু ভুলভাবে তৈরি খসড়া জাতীয় সংসদে পাস হয়ে গেজেট হয়ে যাওয়ায় এখন বিধান তৈরির সময় এর সংশোধন কঠিন হয়ে পড়েছে।

এবার খোদ মন্ত্রণালয় এবং এর বিভাগগুলোর নামের প্রতি মনোযোগ দেয়া যাক। স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম শিক্ষার সঙ্গে ধর্ম, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি মিলে একটি মন্ত্রণালয় ছিল। ১৯৭৪ ও ১৯৮৪ সালে দু’বার শাখা কর্তনের পরও শিক্ষার সঙ্গে ‘বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি’ যুক্ত থেকে যায়।

১৯৯৩ সালে শুধু শিক্ষা বিষয়ে মন্ত্রণালয় গঠিত হয়। ২০০৩ সালে প্রাথমিক ও গণশিক্ষার জন্য পৃথক মন্ত্রণালয় সৃষ্টি হয়। সুতরাং সে বছর থেকে একক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বাস্তব অস্তিত্ব নেই। শিক্ষাস্তরের ভিত্তিতে বিভক্ত দুটো মন্ত্রণালয়ের একটি এর দায়িত্বের আওতা মোতাবেক ‘প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়’ নাম নিয়েছে।

কিন্তু মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত বৃহত্তর অংশটি আজও এর যৌক্তিক নাম ‘মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয়’ ধারণ করেনি। এতে মনে হতে পারে, পৃথক মন্ত্রণালয় গঠন করলেও আমরা প্রাথমিক শিক্ষাকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছি না।

বৃহত্তর মন্ত্রণালয়টিতে শিক্ষার ধারা বা উপব্যবস্থার ভিত্তিতে দুটো বিভাগ খোলা হয়েছে। একটি কাজ করে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা নিয়ে; এর নামও ‘কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ’। কিন্তু প্রধানত সাধারণ শিক্ষাধারার দায়িত্বে নিয়োজিত বিভাগটির নাম রাখা হয়েছে ‘মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ’ (যা পূর্ণ মন্ত্রণালয়ের কাজের আওতা বোঝায়)।

বিশেষায়িত ‘প্রকৌশল’ (‘কারিগরি’ শিক্ষার উচ্চতর রূপ) বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব বিশ্ববিদ্যালয় এবং মাধ্যমিক স্তরের সাধারণ শিক্ষার ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত আলোচ্য বিভাগটির যুক্তিসঙ্গত নাম হতে পারে ‘সাধারণ ও প্রকৌশল শিক্ষা বিভাগ’।ড. আবদুস সাত্তার মোল্লা : শিক্ষা গবেষক এবং সদস্য, বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডার

[email protected]ymail.com

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

 
×