খোলা জানালা

নভেল করোনাভাইরাসের ভূ-রাজনীতি

  তারেক শামসুর রেহমান ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

করোনাভাইরাস
করোনাভাইরাস। ফাইল ছবি

ভাইরাসটির নাম এখন COVID-19, যা করোনাভাইরাস নামেই পরিচিতি পেয়েছে। এ করোনাভাইরাস এখন একটি আতঙ্কের নাম। চীনের উহান শহরে যার প্রাদুর্ভাব ঘটে এবং দ্রুত চীনের আরও কয়েকটি শহরে ছড়িয়ে পড়ে। একই সঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে চীনের পার্শ্ববর্তী হংকং, তাইওয়ানসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায়। গেল সপ্তাহের খবর- চীনের পর সিঙ্গাপুরে সবচেয়ে বেশি লোক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে।

চীন এখন কার্যত বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন। এ ভাইরাসে প্রতিদিনই মৃতের সংখ্যা বাড়ছে এবং ধারণা করছি এ সংখ্যা কয়েক হাজারে উন্নীত হবে আগামী কিছুদিনের মধ্যে। এ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুধু যে চীনের অর্থনীতির জন্য বড় ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে তা নয়, বরং বিশ্বের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতেও বড় আঘাত হানবে, যা হয়তো আমরা দেখতে পাব আগামী ৫-৬ মাস পর।

চীনে এ করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব নিয়ে নানা প্রশ্ন, নানা জিজ্ঞাসা। হঠাৎ করেই কি এ ভাইরাসের আবির্ভাব ঘটল? আর চীনেই বা কেন ঘটল? কেন ইউরোপ কিংবা যুক্তরাষ্ট্রে এ মহামারীটি ছড়িয়ে পড়ল না? যারা ‘ষড়যন্ত্র তত্ত্বে’ বিশ্বাস করেন, তারা চীনে এ ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ার পেছনে একটা ‘ষড়যন্ত্রের’ গন্ধ খুঁজে পেয়েছেন। বিবিসির একটি প্রতিবেদনেও (৮ ফেব্রুয়ারি) পরোক্ষভাবে এ ‘ষড়যন্ত্রের’ কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে রাশিয়ার টিভি চ্যানেল ওয়ানের একটি প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, এ ভাইরাসটি কৃত্রিমভাবে ল্যাবরেটরিতে উৎপাদন করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ার এক ল্যাবে এটি তৈরি করা হয়। ভাইরাসটি একটি জৈব মারণাস্ত্র। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে চীনের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দেয়া। আর পরীক্ষাগারে এমনভাবে এ ভাইরাসটি তৈরি করা হয়েছে, যাতে শুধু এশিয়ার মানুষদেরই তা আক্রান্ত করতে পারে।

এ ভাইরাসটিকে বলা হচ্ছে ‘জাতিগত বায়ো উইপন’। উহানে যারা মারা গেছে, তারা সবাই চৈনিক। তবে সেখানে একজন মার্কিন নাগরিকের মৃত্যুর খবরও ছাপা হয়েছে। এখন ওই মার্কিন নাগরিকের মাধ্যমেই কি এ ভাইরাসটি ছড়াল? যদিও বলা হচ্ছে, ৩১ ডিসেম্বর (২০১৯) চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরের একটি সামুদ্রিক বাজারে প্রথম করোনাভাইরাসের আবির্ভাব ঘটে। আবার বলা হচ্ছে, বাদুড়জাতীয় প্রাণী থেকে এ ভাইরাসের উৎপত্তি। এর পেছনে আদৌ কোনো ‘ষড়যন্ত্র’ আছে কিনা, কিংবা বাইরের ‘শক্তি’র কোনো ইন্ধন আছে কিনা, তা চীনা সংবাদপত্রে এখনও প্রকাশিত হয়নি। কিংবা চীনের পক্ষ থেকেও এ ধরনের অভিযোগ উত্থাপন করা হয়নি।

তবে এটি তো বলতেই হবে, চীন একটি বড় শক্তি। ভাইরাস চিহ্নিত করার ব্যর্থতা কিংবা তথাকথিত ‘ষড়যন্ত্র’ রোধ করার ব্যর্থতা বিশ্বে চীনের গ্রহণযোগ্যতা অনেকাংশে হ্রাস করবে। হয়তো চীন এটি বিবেচনায় নেবে! কতগুলো বিষয় এখানে বিবেচনায় নিতে হবে। এক. চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ‘বাণিজ্যযুদ্ধ’ এবং শেষ মুহূর্তে এ বাণিজ্যযুদ্ধ এড়াতে চীন-যুক্তরাষ্ট্র একটি বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের পরপরই চীনের উহানে এ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঘটল। চীনের অর্থনীতিকে দুর্বল করতে এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আরও বেশি নির্ভরশীল করতে চীনকে বাধ্য করার উদ্দেশ্যেই এ ভাইরাস তথা জৈব অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে- ‘ষড়যন্ত্র তত্ত্বের’ সমর্থকরা এভাবে এর ব্যাখ্যা করতে পারেন।

দুই. উহান কেন? উহানকে (হুবাই প্রদেশের রাজধানী) বলা হয় ‘শিকাগো অব দি ইস্ট’। শিল্প তথা গাড়ির খুচরা যন্ত্রাংশ সরবরাহের কেন্দ্রস্থল হচ্ছে উহান। ‘হাই-টেক’ শিল্পের যন্ত্রাংশও জোগান দেয় উহান। Tsinghua Unigroup (একটি সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানি), BOE Technology Group-এর মতো বিশ্ববিখ্যাত কোম্পানির কারখানা উহানে অবস্থিত। স্মার্টফোন Xiaomi'র নিজস্ব Artificial Intelligence Development সেন্টার রয়েছে উহানে। চীনের অটো শিল্পের সদর দফতরও এই উহানে।

অত্যাধুনিক সব বাস ও যানবাহন এখানে তৈরি হয়। টেসলার (ইলেকট্রিক কার) যন্ত্রাংশ এখানে তৈরি হয়। নিক্কি এশিয়ান রিভিউয়ের মতে, হুবাই প্রদেশে যেসব কারখানা আছে, সেখানে ২০১৮ সালে ২.৪২ মিলিয়ন অর্থাৎ ২৪ লাখ ২ হাজার গাড়ি তৈরি হয়েছে, যা কিনা ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও থ্যাইল্যান্ডে যে সংখ্যক গাড়ি তৈরি হয়েছিল, তার চেয়ে বেশি। জেনারেল মোটরস, হোন্ডা, ফ্রান্সের পিএসএ গ্রুপ (যারা সবাই গাড়ি উৎপাদন করে), তাদের উহানে যৌথ কারখানা আছে।

শুধু উহানেই মোটরগাড়ির ৫০০ খুচরা যন্ত্রাংশ কারখানা আছে। এমনকি Pfizer, JHL Biotech, Fresenius- এসব বহুজাতিক ওষুধ কোম্পানির কারখানা রয়েছে উহানে।

চীনের অর্থনীতির ৪ শতাংশ জোগান দেয় এ উহান শহর (নিক্কি এশিয়ান রিভিউ, ৪ ফেব্রুয়ারি)। প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ‘Made in China 2025’-এর যে মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছেন, তাতে উহানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করার কথা। কিন্তু এখন সবকিছু ভণ্ডুল হয়ে গেল। সেখানে শিল্পপ্রতিষ্ঠানে উৎপাদন পুরোপুরিভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে তা বিশ্ববাজারেও একটি প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করবে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইলেকট্রিক কার টেসলা যথেষ্ট জনপ্রিয় হয়েছে। পরিবেশবান্ধব এ গাড়ির জন্য মানুষ সেখানে বেশি করে ঝুঁকছে। সরকার এ গাড়ির জন্য কর মওকুফ করেছে।

এই টেসলা গাড়ির যন্ত্রাংশ উৎপাদন হয় উহানে। উহানে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে টেসলার যন্ত্রাংশ এখন সরবরাহ করা যাবে না। ফলে সরবরাহ ব্যাহত হবে। এতে করে সুবিধা পাবে অন্যান্য গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। Apple-এর আইফোন সম্পর্কে আমরা সবাই অবগত আছি। এই আইফোন তৈরি হয় উহানে।

চীনে আইফোন উৎপাদিত হলেও তা চীনে বিক্রি হয় না। বিক্রি হয় যুক্তরাষ্ট্রে। স্টারবাক্স কফি সম্পর্কে আমরা নিশ্চয়ই অবগত। এ স্টারবাক্স কফির বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্রের পর চীনে। এ ব্যবসায়ও এখন বড় ধরনের ধস নেমেছে।

ষড়যন্ত্র তত্ত্বের কথাটা এজন্যই এসেছে যে, চীনের অর্থনীতিকে একটি বিপর্যয়কর পরিস্থিতির মধ্যে ফেলে দিলে কারা লাভবান হবে? করোনাভাইরাসের কারণে চীনের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে, এটি বলার অপেক্ষা রাখে না। চীনের রফতানি খাতে এখন শ্লথগতি আসবে। চীন তার ‘ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড’ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোকে এক কাতারে নিয়ে আসার উদ্যোগ নিয়েছিল।

এটি একটি বিরাট কর্মযজ্ঞ। এর মাধ্যমে বিশ্বে চীনের গ্রহণযোগ্যতা একদিকে যেমনি বৃদ্ধি পাবে, ঠিক তেমনি অন্যদিকে হ্রাস পাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক কর্তৃত্ব করার প্রবণতা। ‘ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড’ ছিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি এক ধরনের চ্যালেঞ্জ। ষড়যন্ত্র তত্ত্বের সমর্থকরা এর সঙ্গে চীনের বর্তমান পরিস্থিতিকে মেলাতে পারেন। এবং এক ধরনের ‘ষড়যন্ত্র’ আবিষ্কার করতে পারেন।

নিঃসন্দেহে চীন এ মুহূর্তে একটি বিশ্বশক্তি। চীন বিশ্বে যে পরিবর্তন ডেকে এনেছে, তাতে যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃত্ব অনেক অংশেই খর্ব হয়েছে। আমরা কিছু তথ্য দিয়ে বিষয়টি বোঝাতে চেষ্টা করব।

সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে চীন অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে, যা মার্কিন স্ট্র্যাটেজিস্টদের চিন্তায় ফেলে দিয়েছে (পাঠক, সদ্য প্রকাশিত আমার বই ‘চীন বিপ্লবের ৭০ বছর’ পড়ে দেখতে পারেন)। এটি সত্য, এ মুহূর্তে জিডিপিতে চীন যুক্তরাষ্ট্র থেকে কিছুটা পিছিয়ে আছে। সাধারণ নিয়মে যুক্তরাষ্ট্রের জিডিপি যেখানে ১৯.৩৯ ট্রিলিয়ন ডলার, সেখানে চীনের জিডিপি ১২.২৪ ট্রিলিয়ন ডলার। বিশ্বে চীনের অবস্থান দ্বিতীয় (কিন্তু ক্রয়ক্ষমতার ভিত্তিতে জিডিপি-পিপিপিতে চীনের অবস্থান শীর্ষে, ২৯.৭ ট্রিলিয়ন ডলার।

যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান দ্বিতীয়, ২২.২ ট্রিলিয়ন ডলার)। অর্থনীতিবিদরা যে প্রাক্কলন করেছেন, তাতে সাধারণ নিয়মে জিডিপিতে ২০৫০ সালে চীন শীর্ষে অবস্থান করবে। তখন যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান হবে দ্বিতীয়। ২০৩০ সাল পর্যন্ত অর্থনীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃত্ব বজায় থাকবে (২৪.৮ ট্রিলিয়ন ডলার, চীনের ২২.১ ট্রিলিয়ন ডলার)। কিন্তু ২০৫০ সালে এ দৃশ্যপট বদলে যাবে।

৫৮.৫ ট্রিলিয়ন ডলার (পিপিপি) নিয়ে চীন থাকবে শীর্ষে। যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান হবে তিন নম্বরে, ৩৪.১ ট্রিলিয়ন ডলার (ভারত ২ নম্বরে, ৪৪.১ ট্রিলিয়ন ডলার)। সুতরাং চীনের অর্থনীতি যে পশ্চিমাদের কাছে টার্গেট হবে, তা বলাই বাহুল্য। চীনের ‘রেয়ার আর্থ’ নামে দুটি বিরল মৃত্তিকা উপাদান রয়েছে, যা বিশ্বের কোনো দেশের নেই। এ দুটি উপাদানের নাম হচ্ছে হালকা বিরল মৃত্তিকা উপাদান বা এলআরইই এবং ভারী বিরল মৃত্তিকা উপাদান বা এইচআরইই। ইট্রিয়াম ও স্ক্যান্ডিয়ামের একত্রিতভাবে বিরল মৃত্তিকা উপাদান হিসেবে পরিচিত। এগুলো খুব অল্প পরিমাণে ব্যবহৃত হলেও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা খাত এবং উদীয়মান ও সম্ভাব্য প্রযুক্তির কাছে এর তাৎপর্য অনেক।

বাজারের বেশির ভাগ অংশের ওপর চীনের নিয়ন্ত্রণ দুর্লভ মৃত্তিকা উপাদানগুলোকে ভূ-রাজনৈতিক প্রাসঙ্গিকতা দিয়েছে। যেভাবেই হোক যুক্তরাষ্ট্র এ বিরল মৃত্তিকার ওপর চীনের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ কমাতে চাইবে। ষড়যন্ত্র তত্ত্বটি এ কারণেই প্রাসঙ্গিক।

সিরিয়াস পাঠকরা স্মরণ করতে পারেন ১৯৭৮-১৯৮১ সালে কিউবার পরিস্থিতির কথা। ওই সময় ৫ লাখ মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছিল। ফিদেল কাস্ত্রো তখন অভিযোগ করেছিলেন, এটি যুক্তরাষ্ট্রের ‘biological attack’। অর্থাৎ জৈব রাসায়নিক হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র! যদিও ওই অভিযোগের কোনো সত্যতা খুঁজে পাওয়া যায়নি। আরেকটি তথ্য দেই- পৃথিবীর ২৫টি দেশে যুক্তরাষ্ট্রের জৈব রাসায়নিক ল্যাব রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের Military Threat Reduction Agency এসব ল্যাব পরিচালনা ও গবেষণার জন্য ২.১ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ করেছে। মূলত চারটি দেশ বা অঞ্চল (চীন, রাশিয়া, ইরান ও মধ্য আফ্রিকা তথা পশ্চিম আফ্রিকাকে কেন্দ্র করেই এসব জৈব রাসায়নিক ল্যাবে গবেষণা হয় (Covert Geopolitics-এ Julia Papsheva’র প্রবন্ধ)।

ওইসব ল্যাবে কী ধরনের গবেষণা হয়, তা অনেকেই জানে না। যুক্তরাষ্ট্র কখনও তা স্বীকারও করেনি। সুতরাং হঠাৎ করেই চীনে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব, এর কারণে এ যাবৎ হাজারের ওপর মানুষের মৃত্যু এবং সেই সঙ্গে চীনের অর্থনীতিতে ধস নেমে আসা- সব মিলিয়ে সেই ষড়যন্ত্র তত্ত্বকেই সামনে নিয়ে আসে। আমরা জানি না এর প্রকৃত রহস্য আদৌ কোনোদিন জানতে পারব কিনা।

কিংবা চীন নিজে তা স্বীকার করে বিশ্ববাসীর কাছে তার ‘অযোগ্যতার’ কথা বিশ্ববাসীকে জানান দিতে চাইবে কিনা, তা-ও আমি নিশ্চিত নই। তবে বাস্তবতা হচ্ছে, উহানের করোনাভাইরাসের ‘ঘটনা’ চীনের রাজনৈতিক ও বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন আনবে (Global Voices, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২০)। শুধু তাই নয়, এমন মন্তব্যও করা হয়েছে যে, ‘The coronavirus threatens the Chinese Communist Party's grip on power' (South China Morning Post, 9 February 2020)। এ ধরনের মন্তব্য কতটুকু বাস্তবসম্মত, তা শুধু আগামী দিনগুলোই বলতে পারবে। নিঃসন্দেহে এ ধরনের ‘ঘটনা’ চীনের জন্য একটি ‘শিক্ষা’।

তারেক শামসুর রেহমান : প্রফেসর ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক

[email protected]

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস

আরও
আরও পড়ুন

'কোভিড-১৯' সর্বশেষ আপডেট

# আক্রান্ত সুস্থ মৃত
বাংলাদেশ ৩৩০ ৩৩ ২১
বিশ্ব ১৬,০৪,৫৩৫ ৩,৫৬,৬৬০ ৯৫,৭৩৪
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত