ইয়াহিয়া খানের ঢাকা আগমন ও আলোচনার নাটক

  এ কে এম শাহনাওয়াজ ২৪ মার্চ ২০২০, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ইয়াহিয়া খান। ছবি: সংগৃহীত

১৯৭১-এর মার্চ মাসের সূচনায়ই মোটামুটি নিশ্চিত হওয়া গিয়েছিল নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও ইয়াহিয়া খান-ভুট্টো গং বাঙালির হাতে পাকিস্তানের রাষ্ট্রক্ষমতা তুলে দেবে না; বরং বাঙালির ন্যায্য দাবিকে অগ্রাহ্য করতে ষড়যন্ত্রের পথে হাঁটবে।

তাই বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ২ মার্চ থেকে শুরু হয় অসহযোগ আন্দোলন। নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে উত্তাল হয়ে ওঠে পূর্ব পাকিস্তান। ছাত্র-জনতা বঙ্গবন্ধুর কাছে দাবি তুলে স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়ার। এরই অগ্নিময় পথ ধরে ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু তার ঐতিহাসিক ভাষণ দেন।

পরবর্তী দিকনির্দেশনা পেয়ে যায় বাঙালি। ওদিকে পশ্চিম পাকিস্তানি নীতিনির্ধারকরা বুঝে যান প্রকৃত অবস্থা। নিয়মতান্ত্রিক কোনো পথে না হেঁটে তারা বাঙালিকে স্তব্ধ করার ভয়ংকর সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে। গণহত্যার নীলনকশা প্রাথমিকভাবে আঁকা হয়ে যায়। গোপন সামরিক প্রস্তুতির জন্য শুধু কালক্ষেপণ।

এমন অশুভ ইচ্ছে পূরণের অভিলাষেই ইয়াহিয়া খান ১৫ মার্চ বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে আলোচনার কথা বলে ঢাকায় আসেন। ঢাকাতে তাকে বাঙালিদের পক্ষ থেকে সেদিন স্বাগত জানানো হয়নি। বিমানবন্দরের সব পথ সাধারণ মানুষের জন্য বন্ধ করে দেয়া হয়।

চারদিকে সৈন্যরা পাহারায় ছিল। প্রেসিডেন্টকে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত ছিল ১৮ পাঞ্জাব ব্যাটালিয়নের এক কোম্পানি সৈন্য। মেশিনগানে সজ্জিত গাড়ি ছিল। যদিও ঢাকা সফর সম্পর্কে বঙ্গবন্ধু প্রকাশ্যে ঘোষণা করেছিলেন ‘প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়াকে বাংলাদেশের অতিথি হিসেবে স্বাগত জানানো হবে।’

এ সময় ভারতের আকাশসীমা দিয়ে পাকিস্তানি বিমান চলায় নিষেধাজ্ঞা ছিল। তাই ইয়াহিয়ার বিমান শ্রীলংকা ঘুরে ঢাকায় পৌঁছে বিকাল ৩টায়।

এ সময় পূর্ব পাকিস্তানের পরিস্থিতি কতটা নাজুক ছিল, তা পাকিস্তানি মেজর সিদ্দিক সালিকের গ্রন্থে (Witness to Surrebder) জীবন্ত হয়ে উঠেছে। তিনি লিখেন, ‘আমি অনেক প্রেসিডেন্ট আর দেশের প্রধানদের আগমন দেখেছি; কিন্তু ১৫ মার্চ ঢাকায় যে পরিবেশের মধ্যে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান এসে অবতরণ করলেন, তা আমি কখনই ভুলব না।

বিমানবন্দরে প্রবেশের সব রাস্তা বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। টার্মিনাল ভবনের ছাদের ওপর স্টিলের হেলমেট পরা প্রহরীদের দাঁড় করানো হয়। বিমানবন্দর ভবনের প্রতিটি সদস্যকে ভালোভাবে পরীক্ষা করে দেখা হয়।

পিচঢালা পথে প্রবেশের একমাত্র রাস্তা পিএএফ গেটে সেনাবাহিনীর ভারি অস্ত্রে সজ্জিত একটি দলকে বসানো হয়। পদাতিক সৈন্যের (১৮ পাঞ্জাব) ট্রাকভর্তি একটি কোম্পানি (প্রায় ১০০ জনের) ফটকের বাইরে মেশিনগান নিয়ে অপেক্ষা করতে থাকে প্রেসিডেন্টকে সঙ্গে করে শহরে নিয়ে যাওয়ার জন্য।

সতর্কতার সঙ্গে বাছাই করা অল্প কয়েকজন কর্মকর্তাকে বিমানবন্দরের ভেতরে থাকার অনুমতি দেয়া হয়। তাদের বিশেষ নিরাপত্তা পাস দেয়া হয়, আমাকেসহ।

কোনো ফুলের তোড়া ছিল না, ছিল না কোনো বেসামরিক কর্মকর্তা, শহরের অভিজাতদের কেউ নেই, নেই সাংবাদিকদের ধাক্কাধাক্কি বা ক্যামেরার ক্লিক। এমনকি সরকারি ফটোগ্রাফারকেও অনুমতি দেয়া হয়নি। এ ছিল এক অদ্ভুত ভীতিকর পরিবেশ, যেখানে জড়িয়ে ছিল মৃত্যুর স্তব্ধতা।’

১৬ মার্চ ইয়াহিয়া খান বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে প্রথম বৈঠক করেন। এ বৈঠক প্রায় আড়াই ঘণ্টা চলে। কিন্তু দেশজুড়ে উত্তপ্ত রাজনৈতিক অবস্থার কোনো পরিবর্তন হয়নি। এ পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম সেনানিবাসে বাঙালি অফিসারদের মধ্যে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। তারা পাক সেনাশাসকদের ভয়ানক ষড়যন্ত্রের কিছুটা আঁচ করতে পারেন।

পাশাপাশি গোপনে নিজেদের প্রস্তুত করতে থাকেন। এ সেনা অফিসারদের অন্যতম চট্টগ্রামের ইপিআর সদর দফতরের অ্যাডজুটেন্ড মেজর রফিকুল ইসলামের গ্রন্থে (লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে, মুক্তধারা, চতুর্থ প্রকাশ, ১৯৯১, পৃ.৫৩-৫৪) এ সময়ের কিছু খণ্ডচিত্র পাওয়া যায়। তার বর্ণনা থেকে ১৭ মার্চের একটি চিত্র এখানে উদ্ধৃত করা হল-

‘...আমার একজন বিশ্বস্ত অফিসার ক্যাপ্টেন হারুন ছিলেন ইপিআর-১৭ উইং-এর সদর দফতর কাপ্তাইয়ে। আমি তার সঙ্গে আলোচনা এবং করণীয় সম্পর্কে কিছু বলার জন্য মার্চের প্রথম সপ্তাহে তাকে আমার বাসভবনে আসতে বললাম। আমি তাকে শেষবারের মতো প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেই মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে। তখনই আমি তাকে গোপনীয় সাংকেতিক বার্তার অর্থ জানিয়ে দেই।

কাপ্তাই এলাকার সব অপারেশনের দায়িত্ব তার ওপর অর্পিত ছিল এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী পরে চট্টগ্রামে আমার সঙ্গে যোগ দেয়ার কথা ছিল। আমার সমর সদর দফতর করা হয়েছিল চট্টগ্রাম রেলওয়ে হিল এলাকায়।

১৭ মার্চ আমি চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর তরুণ বাঙালি অফিসারদের পূর্বাপর ঘটনা এবং আমার প্রস্তাবিত কর্মপন্থা অবহিত করার জন্য সারসন রোডের আমার বাসায় আমন্ত্রণ জানালাম।

সন্ধ্যার ঠিক পরে ক্যাপ্টেন অলি, ক্যাপ্টেন খালেকুজ্জামান এবং লেফটেন্যান্ট শমসের মবিন বেবিট্যাক্সিতে এলেন। সেসময় আমি আমার বাসার লনে পায়চারি করতে করতে কোন কথা দিয়ে কথা শুরু করব এবং কী পরামর্শ দেব, সে সম্পর্কেই ভাবছিলাম। কিছুক্ষণ পর ক্যাপ্টেন হারুন, ডা. জাফর এবং জনাব কায়সারও এলেন।

ডা. জাফরের সঙ্গে আগেই কথা হয়েছিল যে, প্রথমে আমরা আমার বাসায় মিলিত হব। তারপর যে যার পথে শহর থেকে ২০ মাইল দূরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরিয়ান জনাব আলমের বাসায় গিয়ে পুনরায় মিলিত হব। জনাব আলমকে এ কথা আগেই বলা ছিল। আমাদের বৈঠক সম্পর্কে পুরোপুরি গোপনীয়তা রক্ষার জন্যই এরূপ ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

আগত অফিসারদের আমি জানাই, তাদের সঙ্গে আমার গুরুত্বপূর্ণ কিছু আলোচনা আছে এবং আলম সাহেবের বাসায় গিয়ে তারা কথা বলতে রাজি কি না। অফিসাররা সম্মতি জানালেন; তারপর ডা. জাফর, জনাব আতাউর রহমান কায়সার এবং আমি একটি গাড়িতে আর ক্যাপ্টেন অলি, হারুন, খালেকুজ্জামান এবং মবিন ক্যাপ্টেন হারুনের ভক্সওয়াগনে জনাব আলমের বাসার উদ্দেশে রওনা হয়ে গেলাম।

সেখানে এদের সঙ্গে আমার প্রায় আধঘণ্টা কথা হল। ডা. জাফর এবং জনাব কায়সার বাড়ির চারপাশে সতর্ক দৃষ্টি রাখছিলেন। আমি তাদের বললাম, ‘পাকিস্তান সেনাবাহিনী বাঙালিদের ওপর হামলা চালানোর জন্য শক্তি সঞ্চয় করছে।

প্রস্তুতি পূর্ণ হলেই তারা আঘাত হানবে। ওদের আঘাত হানার জন্য আমরা তৈরি না হলে ওরা আমাদের সবাইকে হত্যা করবে। এ অবস্থায় আমাদের কি সশস্ত্র আক্রমণের প্রস্তুতি নেয়া উচিত নয়? ওদের আগেই আমাদের আক্রমণ করা দরকার।

অফিসাররা আমার সঙ্গে একমত হলেন। ঘটনার ভয়াবহতা সম্পর্কে অফিসাররা অবহিত দেখে আমি খুশি হলাম। আমি তাদের বললাম, প্রায় ১৫০০ বাঙালি ইপিআর সেনা নিয়ে আমি প্রস্তুত রয়েছি এবং ঠিক সময়ে ওদের ওপর আঘাত হানব। আমি মনে করি, আপনারাও খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আপনাদের সৈন্যদল নিয়ে আমার সঙ্গে যোগ দেবেন।

আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম, যেহেতু ডা. জাফরের পক্ষে চিকিৎসক হিসেবে আমাদের সঙ্গে যে কোনো সময় দেখা করা সম্ভব হবে এবং তাতে কেউ কিছু সন্দেহ করতে পারবে না। কাজেই তার মাধ্যমে আমাদের প্রত্যেকের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করা হবে। এরপর রাত সাড়ে ১০টায় বৈঠক শেষ করে আমরা যার যার বাসায় ফিরে এলাম।

ঢাকার প্রেসিডেন্ট হাউসে ইয়াহিয়ার তখন কার্যত বন্দিদশা। বিরাট সশস্ত্র রক্ষীদল ছাড়া তিনি চলাফেরা করতে পারেন না। পূর্ব পাকিস্তানে তখন শেখ মুজিবের কিংবা তার দলের নির্দেশ ছাড়া কিছুই চলছিল না, কোনো কাজই হচ্ছিল না। আওয়ামী লীগের নির্দেশাবলিই ছিল তখন দেশের সর্বোচ্চ আইন। ইয়াহিয়ার কর্তৃত্ব প্রহসনে পরিণত হয়েছিল।’

ইয়াহিয়া খানের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এই ১৭ মার্চে। ১ ঘণ্টাব্যাপী চলা বৈঠক শেষে বঙ্গবন্ধু সাংবাদিকদের জানালেন, ‘আলোচনা চলবে।’ এতে অনেকে অনুমান করেন, আলোচনায় তেমন একটা অগ্রগতি হয়নি। প্রকৃতপক্ষে ইয়াহিয়া খানের প্রতি মানুষের তেমন একটা আস্থা ছিল না।

ক্রমে স্পষ্ট হচ্ছিল, এই বৈঠক ছিল ভুট্টো-ইয়াহিয়ার একটি সাজানো নাটক। সময়ক্ষেপণ ছাড়া আর কিছু নয়। এর মধ্যে একটি ঘটনা ঘটে। বাঙালি অসহযোগ আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে আর এর সঙ্গে একাত্ম হয়েছেন প্রেসিডেন্টের বাঙালি পাচক নূরু মিয়া। তিনি প্রেসিডেন্টের খাবার তৈরি করছেন না।

ইয়াহিয়া খান তিনদিন খাওয়ার কষ্টে আছেন। শুকনো খাবার খেয়ে কোনো মতে দিন কাটাচ্ছেন। এ কথা জানতে পেরে বঙ্গবন্ধু প্রেসিডেন্টের জন্য রুটি আর বুটের ডালের ব্যবস্থা করতে বলেন।

১৭ মার্চেই ইয়াহিয়া খান টিক্কা খানকে পরিকল্পনা অনুযায়ী এগিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দেন। মূল অপারেশনাল পরিকল্পনার খসড়া প্রণয়নের জন্য ১৮ মার্চ সকালে জিওসির কার্যালয়ে মেজর জেনারেল খদিম রাজা ও মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলি বৈঠকে বসেন। এ সময় সম্ভবত গণহত্যার পরিকল্পনা পাকা করা হয়।

১৯ মার্চ বেলা ১১টায় মুজিব-ইয়াহিয়া বৈঠক শুরু হয়। মানুষ উন্মুখ হয়ে আছে বৈঠকের ফলাফল জানার জন্য। বৈঠক শেষ হলে সাংবাদিকরা ঘিরে ধরেন বঙ্গবন্ধুকে। বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘সবচাইতে ভালো কিছুর আশা করছি এবং সবচাইতে খারাপের জন্যও প্রস্তুত রয়েছি।’ এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে আলোচনার অচলাবস্থার একটি ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

একই দিন সন্ধ্যায় ইয়াহিয়া খানের উপদেষ্টার সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর উপদেষ্টা হিসেবে জনাব তাজউদ্দীন আহমদ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং ড. কামাল হোসেনের মধ্যে দুই ঘণ্টাব্যাপী আলোচনা চলে। ঠিক একই সময়ে ঢাকার অদূরে জয়দেবপুরে পাক বাহিনীর একটি দলের সঙ্গে বাঙালি বিক্ষোভকারীদের মধ্যে এক ভয়ানক সংঘর্ষ বেধে যায়।

১৯ মার্চ জয়দেবপুরে মুক্তিযুদ্ধের একটি প্রারম্ভিক বিস্ফোরণ ঘটল বলা যেতে পারে। এদিন ঢাকা ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জাহানজেব আরবাব ৬ জন অফিসার এবং ৭০ জন সৈন্য নিয়ে জয়দেবপুর যাচ্ছিলেন।

জানা যায়, চীনা সহযোগিতায় নির্মিত অর্ডিন্যান্স ফ্যাক্টরি প্রহরারত ইপিআরের একটি দলকে নিরস্ত্র করার উদ্দেশ্যেই তারা সেখানে যাচ্ছিলেন। খবর পেয়ে জনসাধারণ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে এবং রাস্তায় রাস্তায় ব্যারিকেড সৃষ্টি করে।

ব্রিগেডিয়ার তখন অস্ত্রের মুখে বেসামরিক লোকদের সহায়তায় ব্যারিকেডগুলো সরিয়ে এগোতে থাকেন। এ পরিস্থিতিতে বিক্ষুব্ধ জনতা আরও দৃঢ়তর প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে জাহানজেব তার সৈন্যদের গুলিবর্ষণের নির্দেশ দেন। এ ঘটনায় দু’জন নিহত ও পাঁচজন আহত হয় বলে সরকার স্বীকার করে। বেসরকারি হিসাব অনুযায়ী, এখানে সেদিন আনুমানিক ১৫০ জন নিহত হয়।

বস্তুত এদিনই মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়ে গিয়েছিল। বাকি আলোচনা ছিল ইয়াহিয়া খানের কালক্ষেপণ। তিনি ক্যান্টনমেন্ট থেকে গণহত্যা শুরু করার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার সংবাদ পান ২৫ মার্চ। এই সূত্রে অপরাহ্নে হঠাৎ বৈঠক স্থগিত করে দিয়ে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট সোজা এয়ারপোর্টে চলে যান। গণহত্যার সবুজ সংকেত দিয়ে আকাশে ওড়েন।

ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ : অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

[email protected]

ঘটনাপ্রবাহ : মুজিববর্ষ

আরও
আরও খবর
 

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত