শিথিল লকডাউনে কীভাবে চলাচল করব

  ড. আনোয়ার খসরু পারভেজ ০৬ জুন ২০২০, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

অন্য অনেক দেশের মতো বাংলাদেশেও ‘কোভিড-১৯’ বহুল প্রচলিত করোনাভাইরাসজনিত লকডাউন শিথিল করা হয়েছে। ৩১ মে থেকে সরকারি ও বেসরকারি অফিস এবং ১ জুন থেকে গণপরিবহন চালু করা হয়েছে। লকডাউন উঠিয়ে নেয়া কিংবা শিথিল করা আনন্দ না বিষাদের, সে সম্পর্কে ‘সঠিক মন্তব্য’ করার সময় এখনও আসেনি। তবে বলা যায়, এক ভীতিকর ও উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার মধ্য দিয়ে আমাদের যাত্রা শুরু হয়েছে। মানুষকে আর ঘরে রাখা যাচ্ছে না। লক্ষণীয়, যারা মানুষকে বাইরে বের হতে বারণ করছে, ঘরে ফিরে যেতে বলছে, সেই বাহিনীর উল্লেখযোগ্যসংখ্যক সদস্য করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, মৃত্যুবরণও করছেন। ঘরে খাবার না থাকার কথা বলে রোজগারের উদ্দেশ্যে যে বাইরে বের হবেই, তাকে ছেড়ে না দিয়ে উপায় নেই। অপরদিকে করোনা সংক্রমণ থামানোর পাশাপাশি দেশের অর্থনীতি চালু রাখাও সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় অফিস-আদালত, কল-কারখানা খোলার প্রয়োজনীয়তা অস্বীকার করা যায় না। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর একাডেমিক কার্যক্রম চালু করার ব্যাপারে সতর্কতার বিকল্প নেই। যদিও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সীমিত আকারে অফিস খোলা নিয়ে আমরা ভিন্নতা লক্ষ করছি। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ১৫ জুন পর্যন্ত অফিস বন্ধ রাখার বিজ্ঞপ্তি জারি করলেও সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে তা পালন নিয়ে পার্থক্য লক্ষ করা গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অফিস খোলা নিয়ে যা ঘটেছে, একাডেমিক কার্যক্রম চালু নিয়ে যেন তা না ঘটে, সেটাই কাম্য।

আমরা মনে করি, একাডেমিক কার্যক্রম চালু করার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে অভিন্ন সিদ্ধান্ত হওয়া বাঞ্ছনীয়। প্রধানমন্ত্রী অবশ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ব্যাপারে বেশ সতর্ক মনোভাব ব্যক্ত করেছেন। ঝুঁকি থাকলে তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না খোলার পক্ষে মতপ্রকাশ করেছেন। এটিই আসলে সঠিক সিদ্ধান্ত হবে। কেননা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো গণজমায়েতের স্থান। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়লে, তা কেবল শিক্ষার্থীদের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ নয়; বরং তা পুরো কমিউনিটিতে ছড়িয়ে পড়তে পারে। বাংলাদেশের স্কুল-কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো এমনভাবে গড়ে উঠেছে যে, সেখানে পর্যাপ্ত দূরত্ব নিশ্চিত করে স্বাস্থ্যবিধি সম্পূর্ণরূপে মেনে ক্লাস পরিচালনা করা মোটেই সম্ভব নয়। আবাসিক হলগুলোতেও ছাত্রছাত্রীরা গাদাগাদি করে অবস্থান করে। সবগুলো আবাসিক হলেই গণরুম আছে। করোনার বিস্তারের জন্য গণরুম হতে পারে সবচেয়ে আতঙ্কের জায়গা। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আনা-নেয়ার জন্য পরিবহনগুলোতে সিটের বিপরীতে অনেক শিক্ষার্থী দাঁড়িয়ে যাতায়াত করে। এমন পরিস্থিতিতে স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত ভয়ংকর পরিণতি ডেকে আনতে পারে।

এ অবস্থায় শিক্ষা প্রসঙ্গে আমরা অতীতের কিছু দৃষ্টান্ত নিয়ে ভাবতে পারি। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় জাতীয় জীবনের সংকটকালে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা ভেঙে পড়েছিল। বাংলাদেশ সেই সংকট থেকে উত্তরণ লাভ করেছে। তৎকালীন সরকারের বুদ্ধিদীপ্ত সিদ্ধান্তে পরিস্থিতি বিবেচনা করে শিক্ষাব্যবস্থার ক্ষতি সামলে নিয়েছে। এবার করোনাকালীন সংকটে সরকার অতীতের মতো একটি চিন্তা করতে পারে। কেননা বিশ্লেষকদের মতে, এই করোনা সংক্রমণের চক্র হয়তো আরও দুই-তিন বছর ধরে চলতে থাকবে। কারণ এই রোগে আক্রান্ত মানুষের মধ্যে শতকরা ২৫ থেকে ৫০ ভাগের কোনো উপসর্গ লক্ষ করা যায় না। অবশিষ্ট ৫০ থেকে ৭৫ ভাগ, যাদের উপসর্গ প্রকাশ পায়- তাদের ৮০ ভাগের মধ্যে সামান্য উপসর্গ দেখা যায়। ১৪ ভাগ মাঝারি উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন এবং বাকি ৬ ভাগ ক্রিটিক্যাল রোগীর জন্য ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটের প্রয়োজন হয়। সবমিলিয়ে আক্রান্ত রোগীদের শতকরা প্রায় ৭০ ভাগ ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাওয়ার আশঙ্কা বেশি। তাই, এর মোকাবেলা বেশ জটিল। ব্যাপক পরিসরে টেস্টিং এক্ষেত্রে কার্যকর প্রভাব ফেলতে পারে। এখানে পিসিআর সংক্ষেপে জঞ-চঈজ পদ্ধতিটিই হল একমাত্র গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড।

তবে বলা প্রয়োজন, প্রায় ১৭ কোটি মানুষের বাংলাদেশে সবার জন্য এই পরীক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। আমরা লক্ষ করেছি, ৭ মার্চ ২০২০ খ্রিস্টাব্দ থেকে শুরু করে ২৮ মে ২০২০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মোট দুই লাখ ৭৫ হাজার ৭৭৬টি টেস্ট করা হয়েছে। কিন্তু এই সংখ্যাটি যথেষ্ট নয়। তাই এই সময়ে জঞ-চঈজ-এর পাশাপাশি সরকার কর্তৃক অনুমোদিত এবং স্বীকৃত সেরোলজিক্যাল কিট দিয়ে টেস্টের মাধ্যমে বিপুলসংখ্যক জনগোষ্ঠীর মধ্যে অ্যান্টিবডির উপস্থিতি নির্ণয় করা জরুরি হয়ে পড়েছে। আমরা মনে করি, করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি দ্রুত শনাক্তকরণে সেরোলজিক্যাল কিট দিয়ে টেস্টের অনুমোদন দ্রুত দেয়া অত্যন্ত জরুরি। এর মাধ্যমে দেশের কোন অংশ কতটুকু সংক্রমিত এবং কোন অংশ ইতোমধ্যে ইমিউনিটি লাভ করেছে, তা জানা যাবে। এছাড়া যাদের শরীরে পর্যাপ্ত অ্যান্টিবডি পাওয়া যাবে, তারা নির্বিঘ্নে কাজে যোগদান করতে পারবেন এবং তাদের রক্তের প্লাজমা সংগ্রহ করে মারাত্মকভাবে আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসায় লাগানো যাবে। অধিকন্তু উপসর্গহীন রোগীদেরও চিহ্নিত করা যাবে। সাধারণত এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের শরীরে ২-৩ সপ্তাহের মধ্যে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়।

রাষ্ট্রের বৃহৎ জনগোষ্ঠীর জীবন বাঁচানোর রসদ জোগানের মতো বৃহত্তর স্বার্থে সরকার ও রাষ্ট্রকে বাধ্য হয়ে লকডাউন শিথিল করলেও এই মহামারী সংক্রান্ত বিষয়ে সামান্য ভুল পথে হাঁটলেও সাধারণ মানুষের জীবন ও জীবিকার প্রশ্নে জাতিকে চরম মূল্য দিতে হতে পারে। তাছাড়া গোটা বিশ্ব আজ এই প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস মোকাবেলায় হার্ড-ইমিউনিটির পথে হাঁটছে। একটি বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর শতকরা প্রায় ৫০ থেকে ৭০ ভাগ জনসাধারণকে যদি কোনো নির্দিষ্ট জীবাণুর বিপরীতে ইমিউন করানো যায় তাহলে বাকিদের মধ্যে জীবাণুটি আর ছড়াবে না। যেহেতু ভ্যাকসিন আসতে আরও এক থেকে দুই বছর সময় লেগে যেতে পারে, তাই অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও এই হার্ড ইমিউনিটি অর্জন করতে চাচ্ছে এবং এটি অর্জিত হবে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর সংক্রমণের মধ্য দিয়ে। তবে এই হার্ড ইমিউনিটি অর্জন ততটা সহজসাধ্য নয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভ্যাকসিন ছাড়া জীবাণু সংক্রমণের মাধ্যমে হার্ড-ইমিউনিটি পেতে অনেক বছর সময় লেগে যেতে পারে। লন্ডন ইম্পেরিয়াল কলেজের তথ্য অনুযায়ী, এই ভাইরাসের সংক্রমণ হার (Reproduction number/R0) হল ১.৫-৩.৫, যা এর চলমান মহামারী সংক্রমণকেই নির্দেশ করে। আতঙ্কের বিষয় হল, শুধু হ্যান্ডশেকেই নয়, যৌনমিলনের সাহায্যেও এটি ছড়াতে পারে। আমাদের অপ্রতুল স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকেও এই পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য প্রস্তুত রাখা জরুরি। আইইডিসিআরের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী জুনের মাঝামাঝি নাগাদ করোনা আক্রান্ত রোগী আমাদের দেশে বাড়তে থাকবে এবং এতে করে পুনরায় লকডাউনে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বলা বাহুল্য, এ আশঙ্কা একেবারে উড়িয়ে দেয়া যায় না। লকডাউন-উত্তর পরিস্থিতিতে আমাদের কয়েকটি বিষয়ের প্রতি বিশেষ যত্নবান এবং দায়িত্বশীল হতেই হবে। আসুন, আমরা সেসব বিষয় জেনে তা সঠিকভাবে পালন করার চেষ্টা করি-

প্রথমত, মনে রাখতে হবে, লকডাউন শিথিল মানে স্বাস্থ্যবিধি শিথিল নয়। নিজের জীবনকে মূল্যায়ন করতে হবে এবং নিজের জীবনের স্বার্থে স্বাস্থ্যবিধি অবশ্যই পালন করতে হবে। জীবাণুনাশক দ্বারা হাত ধোয়ার বিকল্প নেই। কর্মক্ষেত্রে ১ মিটার সামাজিক দূরত্ব অবশ্যই বজায় রাখতে হবে। যদিও কয়েকটি দেশ ২ মিটার দূরত্বকে বেশি নিরাপদ মনে করছে। তবে, দীর্ঘ সময় সামাজিক দূরত্ব মেনে পারস্পরিক অবস্থান, কথোপকথন মোটেও সঠিক হবে না। যেমন, একসঙ্গে অনেকে মিটিং করা, লিফটে ওঠা ইত্যাদি। এছাড়া কর্মস্থলে পর্যাপ্ত বায়ু চলাচল খুব প্রয়োজনীয়, বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে। আমাদের হাঁচি-কাশির সময় কিছু ক্ষুদ্র ড্রপলেট কণা নিঃসৃত হয়, যার মাধ্যমে এ ভাইরাস সংক্রমণ ঘটে থাকে। সাধারণত আবদ্ধ জায়গাতে যেখানে ভেন্টিলেশন নেই, সেখানে এই ড্রপলেট বেশি সময় ধরে বাতাসে অবস্থান করে। তাই জাপানের NHK-world সংস্থা পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলবিহীন আবদ্ধ জায়গাতে অবস্থান পরিহার করতে বলেছে। আমাদের উচিত, অফিস এবং বাসা-বাড়ি, রুম, হোটেল-রেস্টুরেন্টগুলোতে পর্যাপ্ত বায়ু চলাচল নিশ্চিত করা এবং ত্রুটিপূর্ণ এসি পরিহার করা। আমেরিকার অরিজন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের একটি দল এবং চীনের গবেষকরা দেখিয়েছেন, সামাজিক দূরত্ব মানা সত্ত্বেও একটি রেস্টুরেন্টে সংক্রমণ ঘটেছে কেবল ত্রুটিপূর্ণ এসি এবং পর্যাপ্ত বায়ু চলাচল না থাকায়। উল্লেখ্য, এটা স্পষ্ট করে না যে, বাতাসের মাধ্যমে এই ভাইরাস ছড়ায়, তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই সতর্কতার বিকল্প নেই।

দ্বিতীয়ত, কমবেশি সবাই আমরা জানি, কীভাবে নিজেদের এবং বাসা-বাড়ি, অফিসকে এই ভাইরাসের সংস্পর্শ থেকে দূরে রাখা যেতে পারে। দুই মাস ধরে মেনে চলা স্বাস্থ্যবিধিগুলোকে জীবনের অংশ মনে করতে হবে এবং নিয়মিত চর্চায় রাখতে হবে। পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠ এবং শিশুদের আরও কয়েক মাস অবশ্যই ঘরে নিরাপদে রাখতে হবে। আমাদের সচরাচর কিছু বদ-অভ্যাস যেমন, ঘন ঘন হাত দিয়ে মুখ স্পর্শ করা, থুতু দিয়ে টাকা গণনা করা, ধূমপান করা, অনর্থক বা অপ্রয়োজনে লোক-সমাবেশ করা ইত্যাদি পরিহার করতে হবে। সর্বদা মাস্ক পরিধান করতে হবে। নিজের ব্যক্তিগত জিনিস অন্যের সঙ্গে শেয়ার করা আপাতত পরিহার করতে হবে। অফিসে বা অন্য কোথাও মুখোমুখি বসে আড্ডা দেয়া যাবে না। সরকারি নির্দেশ মোতাবেক অনলাইনে অফিস মিটিং করা অব্যাহত রাখতে হবে। যারা ঢাকার বাইরে যাওয়া-আসা করেছেন, তাদেরকে ১৪ দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত অফিসে আসতে নিষেধ করতে হবে।

তৃতীয়ত, গণপরিবহন চালু করা হয়েছে; আমরা যেন অবশ্যই গণপরিবহনগুলোকে নিয়মিত জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করি। গণপরিবহনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা সহজ নয়, এতদ্সত্ত্বেও সামাজিক দূরত্ব রক্ষায় সচেষ্ট থাকতে হবে। মাস্ক পরিধান করতে হবে এবং গণপরিবহনে হাঁটাহাঁটি বা ঘোরাঘুরি করা যাবে না। গণপরিবহন করোনা সংক্রমণের হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত। এ কারণে গণপরিবহনে মানব চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

চতুর্থত, যেহেতু করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কার্যকরী কোনো ওষুধ কিংবা ভ্যাকসিন আবিষ্কৃত হয়নি, এ অবস্থায় নিজেদের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোই একমাত্র হাতিয়ার হয়ে দেখা দিয়েছে। নিয়মমাফিক ঘুমাতে হবে। প্রত্যেহ ১৫ থেকে ৩০ মিনিট ব্যায়াম করতে হবে। ভিটামিন-ডি এর জন্য প্রতিদিন রোদ পোহাতে হবে। ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ফলমূল, শাকসবজি বেশি বেশি খেতে হবে। প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে। প্রতিদিন লেবু দিয়ে গরম পানি খাওয়া যেতে পারে। স্মরণ রাখতে হবে, সৃষ্টিকর্তার ওপর ভরসা রাখার পাশাপাশি রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোই এখন আমাদের একমাত্র ভরসা।

ড. আনোয়ার খসরু পারভেজ : গবেষক ও অধ্যাপক, মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়; প্রেষণে কোষাধ্যক্ষ, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

আরও খবর
 

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত