চামড়া ক্রয় শৈথিল্যে বঞ্চিত দুস্থ-এতিম
jugantor
চামড়া ক্রয় শৈথিল্যে বঞ্চিত দুস্থ-এতিম

  ড. মো. ফখরুল ইসলাম  

০৫ আগস্ট ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

এবারের কোরবানি ঈদের নামাজের পর সকাল ৯টায় পশু কোরবানি দিয়েছি। উঠোনের লিচু গাছের ছায়ায় সকাল থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চামড়া রাখা ছিল। ক্রেতা আসেনি, বিক্রি হয়নি।

অর্ধশতাব্দী ধরে দেখে আসছি কোরবানির পশুর চামড়ার কদর। এর আগে প্রতি বছর দেখেছি ঈদের দিন কোরবানি শুরু হওয়ার আগেই ফড়িয়া ক্রেতারা বাড়ি বাড়ি ঘুরে চামড়ার দরদাম ঠিকঠাক করে কেনার প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হতো।

গরিব-মিসকিনদের বেশি দান করতে পারবেন এই আশায় যিনি বেশি দাম দিতেন, তার কাছেই চামড়া বিক্রি করে দিতেন। গতবারের মতো এবারও এর ব্যতিক্রম ঘটেছে। এবারও চামড়া কিনতে কেউ আসেনি। শেষে এক এতিমখানায় ফোন করে চামড়াগুলো নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করেছি, তারা নিয়ে গেছে। তারা কোথাও সেগুলো বিক্রি করতে পেরেছে কিনা জানি না!

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন পত্রিকায় চোখ বুলাতেই কোরবানির পশুর চামড়া নিয়ে ট্যানারি মালিকদের কারসাজি ও কোরবানিকারীদের দুরবস্থার সংবাদগুলো খুব ব্যথিত করল। নওগাঁর এক গ্রামে চামড়া বিক্রি না হওয়ায় নদীতে ভাসিয়ে দেয়া হয়েছে, যা পরিবেশের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। তবে কোথাও কোথাও সংরক্ষণের অভাবে ও পরিবেশ দূষণের ভয়ে মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে।

করোনা মহামারী যেমন আমাদের চেতনাকে মানবিক পর্যায়ে নাড়া দিয়েছে, তেমনি কোরবানির পশুর চামড়া নিয়ে কারসাজি ও দুরবস্থার সাম্প্রতিক চিত্রগুলো আমাদের অর্থনীতি ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ভিত্তিকে নাড়া দিয়েছে।

একটি পত্রিকা উল্লেখ করেছে- ‘এতিম-গরিবদের হক মেরে দিল ট্যানারি মালিকদের সিন্ডিকেট’।

ঢাকার মহাখালীর এক মাদ্রাসা শিক্ষক জানিয়েছেন, ওই এলাকার মানুষ কোরবানির চামড়া মাদ্রাসার ফান্ডে দেন। চামড়া বিক্রির এই টাকা এতিম ও দরিদ্র শিশুদের পড়াশোনা ও খাবারের খাতে খরচ করা হয়। এ ধরনের হাজার হাজার বেসরকারি সাধারণ ও ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এতিম, অসহায়, অবহেলিত শিশু শিক্ষার্থীরা কোরবানির পশুর চামড়া বিক্রির অর্থ দিয়ে পড়াশোনা ও খাবারের খরচ মিটিয়ে থাকে।

একটি ভিন্ন প্রেক্ষাপটে উদ্যাপিত হয়েছে এবারের কোরবানি ঈদ। প্রথমদিকে করোনার ভয়ে শহরের বিত্তশালী মানুষ কোরবানি না করার মনোভাব নিলে বাজারে পশুর দাম কমে যায়। ফলে পশু ব্যবসায়ীরা পানির দামে পশু বিক্রি করে বাড়ির পথে রওয়ানা দিলে ঠিক ঈদের একদিন আগে রাজধানীসহ দেশের সব বড় শহরের পশুর হাট শূন্য হয়ে পড়ে। পশুর দাম সস্তা শুনে শহরের মানুষ হাটে ছুটে যায়। তখন ক্রেতা বেশি হওয়ায় পশু নিয়ে কাড়াকাড়ি শুরু হয় এবং ৪০ হাজার টাকার গরুর দাম বেড়ে ১ লাখ টাকা হয়ে যায়। দাম আকাশচুম্বি শুনে রাজধানীর আশপাশের খামারি ও গৃহস্থরা তাদের ছোট-বড় সব পোষা পশু নিয়ে হাটে হাজির হলে পশু সংকট কিছুটা কেটে যায় এবং মানুষ কোনো না কোনোভাবে কোরবানির পশু সংগ্রহ করে। এভাবে করোনাভীতি উপেক্ষা করে মানুষ এবার কোরবানি দিতে সমর্থ হয়েছে।

কিন্তু চামড়া বিক্রি নিয়ে গভীর সংকটে পড়েছে তারা। ফড়িয়া চামড়া ক্রেতারা বাড়িতে চামড়া কিনতে আসেনি এবার। ফলে অনেকে ব্যাক্তিগত গাড়ি ও ভ্যান ভাড়া করে নিকটস্থ গোলায় চামড়া নিয়ে গেছে বিক্রির জন্য। পোস্তা এলাকায় চামড়া কিনতে বসা একজন ব্যবসায়ী বলেছেন, খুব সস্তায় তিনি চামড়া কিনেছেন। ১০০-২০০ টাকায় গরুর চামড়া এবং চার পিস ছাগলের চামড়া মাত্র ১০ টাকায় কিনেছেন! দূর-দূরান্ত থেকে চামড়া বিক্রি করতে এসে অনেকের ভ্যান ও ভট্ভটি ভাড়া ওঠেনি।

চামড়া আমাদের জাতীয় সম্পদ। এ খাতে ব্যবসার বিপর্যয়ের অর্থ হল হাজার হাজার মানুষের জীবন-জীবিকা নিয়ে টানাটানি। কওমি মাদ্রাসা, এতিমখানা ও লিল্লাহ্ বোর্ডিংগুলোর বার্ষিক আয়ের বড় উৎস হল কোরবানির পশুর চামড়া।

চামড়া বিক্রির অর্থ কোনো কোরবানিদাতা নিজে ভোগ করেন না। এ অর্থের পুরোটাই গরিব-দুখীদের দান করা হয়। এতে সমাজের নিুআয়ের মানুষের অভাব কিছুটা দূর হয়ে শান্তি ফিরে আসে, অপরাধ কমে। ফলে সামাজিক স্থিতিশীলতা তৈরি হয়। তাই বৃহত্তর সামাজিক শান্তি ও প্রগতির লক্ষ্যে কোরবানির পশুর চামড়া বিক্রির অর্থের দাবিদার তারাই।

শুধু নিজেদের অতি মুনাফার কথা চিন্তা না করে ট্যানারি মালিকদের এ দিকটি নিয়ে ভাবা উচিত। করোনার কারণে দেশের জনস্বাস্থ্যের বর্তমানে ক্রান্তিকাল চলছে। তার ওপর পরিবেশের বিরূপ প্রতিক্রিয়া বিদ্যমান। এমতাবস্থায় দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রফতানি আয়ের উৎস চামড়া শিল্পকে সিন্ডিকেটের কালো থাবা থেকে বাঁচানো জরুরি এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অসহায়, এতিম শিশু শিক্ষার্থীদের মৌলিক অধিকার রক্ষা করা এবং গরিব-দুখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য সবার এগিয়ে আসা উচিত।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের চামড়া সংক্রান্ত কন্ট্রোল সেলের পরামর্শের কথা আগেভাগে প্রচারিত না হওয়ায় দেশের মানুষ সে সম্পর্কে অবগত হতে পারেননি। এছাড়া বন্যা ও করোনার ভয়ে সেই পরামর্শ মেনে মানুষ আদৌ চামড়ায় লবণ দিয়ে সংরক্ষণ করতে উৎসাহী হবে কিনা তা ব্যাখ্যা ও পর্যালোচনা করা হয়নি। এর চেয়ে সিন্ডিকেটের কারসাজি ভাঙ্গা নিয়ে মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ বেশি প্রয়োজন ছিল।

যেখানে বড় বড় মহারথীর মাধ্যমে দুর্নীতিকে একটা শিল্প হিসেবে বিকশিত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করার পথ খোলা থাকে, সেখানে চামড়া শিল্পে সিন্ডিকেটের গভীর কারসাজি কীভাবে খর্বিত হবে তা বলাই বাহুল্য। প্রতি বছর শুধু ঈদ সমাগত হলে চামড়া নিয়ে হুলস্থুল না করে আমাদের জাতীয় সম্পদ চামড়া শিল্পকে বাঁচাতে আগামী বছরগুলোর জন্য সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা নেয়া উচিত।

ড. মো. ফখরুল ইসলাম : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন, সমাজকর্ম বিভাগের প্রফেসর ও সাবেক চেয়ারম্যান

[email protected]

 

চামড়া ক্রয় শৈথিল্যে বঞ্চিত দুস্থ-এতিম

 ড. মো. ফখরুল ইসলাম 
০৫ আগস্ট ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

এবারের কোরবানি ঈদের নামাজের পর সকাল ৯টায় পশু কোরবানি দিয়েছি। উঠোনের লিচু গাছের ছায়ায় সকাল থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চামড়া রাখা ছিল। ক্রেতা আসেনি, বিক্রি হয়নি।

অর্ধশতাব্দী ধরে দেখে আসছি কোরবানির পশুর চামড়ার কদর। এর আগে প্রতি বছর দেখেছি ঈদের দিন কোরবানি শুরু হওয়ার আগেই ফড়িয়া ক্রেতারা বাড়ি বাড়ি ঘুরে চামড়ার দরদাম ঠিকঠাক করে কেনার প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হতো।

গরিব-মিসকিনদের বেশি দান করতে পারবেন এই আশায় যিনি বেশি দাম দিতেন, তার কাছেই চামড়া বিক্রি করে দিতেন। গতবারের মতো এবারও এর ব্যতিক্রম ঘটেছে। এবারও চামড়া কিনতে কেউ আসেনি। শেষে এক এতিমখানায় ফোন করে চামড়াগুলো নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করেছি, তারা নিয়ে গেছে। তারা কোথাও সেগুলো বিক্রি করতে পেরেছে কিনা জানি না!

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন পত্রিকায় চোখ বুলাতেই কোরবানির পশুর চামড়া নিয়ে ট্যানারি মালিকদের কারসাজি ও কোরবানিকারীদের দুরবস্থার সংবাদগুলো খুব ব্যথিত করল। নওগাঁর এক গ্রামে চামড়া বিক্রি না হওয়ায় নদীতে ভাসিয়ে দেয়া হয়েছে, যা পরিবেশের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। তবে কোথাও কোথাও সংরক্ষণের অভাবে ও পরিবেশ দূষণের ভয়ে মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে।

করোনা মহামারী যেমন আমাদের চেতনাকে মানবিক পর্যায়ে নাড়া দিয়েছে, তেমনি কোরবানির পশুর চামড়া নিয়ে কারসাজি ও দুরবস্থার সাম্প্রতিক চিত্রগুলো আমাদের অর্থনীতি ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ভিত্তিকে নাড়া দিয়েছে।

একটি পত্রিকা উল্লেখ করেছে- ‘এতিম-গরিবদের হক মেরে দিল ট্যানারি মালিকদের সিন্ডিকেট’।

ঢাকার মহাখালীর এক মাদ্রাসা শিক্ষক জানিয়েছেন, ওই এলাকার মানুষ কোরবানির চামড়া মাদ্রাসার ফান্ডে দেন। চামড়া বিক্রির এই টাকা এতিম ও দরিদ্র শিশুদের পড়াশোনা ও খাবারের খাতে খরচ করা হয়। এ ধরনের হাজার হাজার বেসরকারি সাধারণ ও ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এতিম, অসহায়, অবহেলিত শিশু শিক্ষার্থীরা কোরবানির পশুর চামড়া বিক্রির অর্থ দিয়ে পড়াশোনা ও খাবারের খরচ মিটিয়ে থাকে।

একটি ভিন্ন প্রেক্ষাপটে উদ্যাপিত হয়েছে এবারের কোরবানি ঈদ। প্রথমদিকে করোনার ভয়ে শহরের বিত্তশালী মানুষ কোরবানি না করার মনোভাব নিলে বাজারে পশুর দাম কমে যায়। ফলে পশু ব্যবসায়ীরা পানির দামে পশু বিক্রি করে বাড়ির পথে রওয়ানা দিলে ঠিক ঈদের একদিন আগে রাজধানীসহ দেশের সব বড় শহরের পশুর হাট শূন্য হয়ে পড়ে। পশুর দাম সস্তা শুনে শহরের মানুষ হাটে ছুটে যায়। তখন ক্রেতা বেশি হওয়ায় পশু নিয়ে কাড়াকাড়ি শুরু হয় এবং ৪০ হাজার টাকার গরুর দাম বেড়ে ১ লাখ টাকা হয়ে যায়। দাম আকাশচুম্বি শুনে রাজধানীর আশপাশের খামারি ও গৃহস্থরা তাদের ছোট-বড় সব পোষা পশু নিয়ে হাটে হাজির হলে পশু সংকট কিছুটা কেটে যায় এবং মানুষ কোনো না কোনোভাবে কোরবানির পশু সংগ্রহ করে। এভাবে করোনাভীতি উপেক্ষা করে মানুষ এবার কোরবানি দিতে সমর্থ হয়েছে।

কিন্তু চামড়া বিক্রি নিয়ে গভীর সংকটে পড়েছে তারা। ফড়িয়া চামড়া ক্রেতারা বাড়িতে চামড়া কিনতে আসেনি এবার। ফলে অনেকে ব্যাক্তিগত গাড়ি ও ভ্যান ভাড়া করে নিকটস্থ গোলায় চামড়া নিয়ে গেছে বিক্রির জন্য। পোস্তা এলাকায় চামড়া কিনতে বসা একজন ব্যবসায়ী বলেছেন, খুব সস্তায় তিনি চামড়া কিনেছেন। ১০০-২০০ টাকায় গরুর চামড়া এবং চার পিস ছাগলের চামড়া মাত্র ১০ টাকায় কিনেছেন! দূর-দূরান্ত থেকে চামড়া বিক্রি করতে এসে অনেকের ভ্যান ও ভট্ভটি ভাড়া ওঠেনি।

চামড়া আমাদের জাতীয় সম্পদ। এ খাতে ব্যবসার বিপর্যয়ের অর্থ হল হাজার হাজার মানুষের জীবন-জীবিকা নিয়ে টানাটানি। কওমি মাদ্রাসা, এতিমখানা ও লিল্লাহ্ বোর্ডিংগুলোর বার্ষিক আয়ের বড় উৎস হল কোরবানির পশুর চামড়া।

চামড়া বিক্রির অর্থ কোনো কোরবানিদাতা নিজে ভোগ করেন না। এ অর্থের পুরোটাই গরিব-দুখীদের দান করা হয়। এতে সমাজের নিুআয়ের মানুষের অভাব কিছুটা দূর হয়ে শান্তি ফিরে আসে, অপরাধ কমে। ফলে সামাজিক স্থিতিশীলতা তৈরি হয়। তাই বৃহত্তর সামাজিক শান্তি ও প্রগতির লক্ষ্যে কোরবানির পশুর চামড়া বিক্রির অর্থের দাবিদার তারাই।

শুধু নিজেদের অতি মুনাফার কথা চিন্তা না করে ট্যানারি মালিকদের এ দিকটি নিয়ে ভাবা উচিত। করোনার কারণে দেশের জনস্বাস্থ্যের বর্তমানে ক্রান্তিকাল চলছে। তার ওপর পরিবেশের বিরূপ প্রতিক্রিয়া বিদ্যমান। এমতাবস্থায় দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রফতানি আয়ের উৎস চামড়া শিল্পকে সিন্ডিকেটের কালো থাবা থেকে বাঁচানো জরুরি এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অসহায়, এতিম শিশু শিক্ষার্থীদের মৌলিক অধিকার রক্ষা করা এবং গরিব-দুখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য সবার এগিয়ে আসা উচিত।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের চামড়া সংক্রান্ত কন্ট্রোল সেলের পরামর্শের কথা আগেভাগে প্রচারিত না হওয়ায় দেশের মানুষ সে সম্পর্কে অবগত হতে পারেননি। এছাড়া বন্যা ও করোনার ভয়ে সেই পরামর্শ মেনে মানুষ আদৌ চামড়ায় লবণ দিয়ে সংরক্ষণ করতে উৎসাহী হবে কিনা তা ব্যাখ্যা ও পর্যালোচনা করা হয়নি। এর চেয়ে সিন্ডিকেটের কারসাজি ভাঙ্গা নিয়ে মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ বেশি প্রয়োজন ছিল।

যেখানে বড় বড় মহারথীর মাধ্যমে দুর্নীতিকে একটা শিল্প হিসেবে বিকশিত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করার পথ খোলা থাকে, সেখানে চামড়া শিল্পে সিন্ডিকেটের গভীর কারসাজি কীভাবে খর্বিত হবে তা বলাই বাহুল্য। প্রতি বছর শুধু ঈদ সমাগত হলে চামড়া নিয়ে হুলস্থুল না করে আমাদের জাতীয় সম্পদ চামড়া শিল্পকে বাঁচাতে আগামী বছরগুলোর জন্য সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা নেয়া উচিত।

ড. মো. ফখরুল ইসলাম : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন, সমাজকর্ম বিভাগের প্রফেসর ও সাবেক চেয়ারম্যান

[email protected]