ষড়যন্ত্রকারীদের মুখোশ উন্মোচনে প্রয়োজন কমিশন

  এবিএম আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ জানার জন্য যে কমিশনের দাবি উঠেছে তা বিচ্ছিন্ন কোনো দাবি নয়।

উল্লেখ্য, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জনএফ কেনেডি হত্যার সাত দিনের মধ্যে ‘ওয়ারেন কমিশন’ গঠন করা হয়েছিল। ভারতের জাতির পিতা মহাত্মা গান্ধী হত্যাকাণ্ডের পর বিচারে নাথুরাম গডসের ফাঁসি হলেও ষড়যন্ত্রকারীদের বের করতে জাস্টিস জীবন লাল কাপুরের নেতৃত্বে কমিশন গঠন করা হয় যাকে বলা হয় ‘কাপুর কমিশন’।

পরবর্তী সময়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী ঘাতকের বুলেটে প্রাণ হারালে আদালতে বিচার সম্পন্ন হলেও জাস্টিস মনোহর লাল প্রাণনাথ ঠাকুরের নেতৃত্বে কমিশন গঠন করা হয়, যাকে বলা হয় ‘ঠাকুর কমিশন’।

এমনকি রাজীব গান্ধী হত্যার পরও ‘জৈন কমিশন’ গঠন করে ভারত সরকার। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর বাংলাদেশে কোনো কমিশন গঠন না হলেও সেসময় যুক্তরাজ্যে একটি কমিশন গঠন করা হয়।

কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন ব্রিটিশ পার্লামেন্ট সদস্য স্যার টমাস উইলিয়াম কিউসি, সদস্য ছিলেন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সাবেক প্রেসিডেন্ট ও আয়ারল্যান্ডের সাবেক মন্ত্রী ও শান্তিতে নোবেলজয়ী শন ম্যাকব্রাইড, ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সদস্য জেফরি টমাস এবং সচিবের দায়িত্ব পালন করেছিলেন অব্রে রোজের মতো বিশ্ববিখ্যাত ও সর্বজন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিরা।

১৯৮০ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর কমিশন প্রথম বৈঠক বসে এবং ১৯৮১ সালে বাংলাদেশে এসে অনুসন্ধানের জন্য ভিসার আবেদন করলে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান অনুমতি দেননি। ফলে কমিশন অনুসন্ধানে ব্যর্থ হলেও ১৯৮২ সালের ২০ মার্চ প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

যাতে প্রতিবাদ করে বলা হয়, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের ক্ষেত্রে আইনি বিচার প্রক্রিয়াকে তার নিজস্ব পথে এগোতে দেয়া হয়নি এবং এর জন্য তৎকালীন সরকারই দায়ী। এ কমিশনের নাম ছিল ‘শেখ মুজিব মার্ডার ইনকোয়ারি: প্রিলিমিনারি রিপোর্ট অব দ্য কমিশন অব ইনকোয়ারি’, যা লন্ডন থেকে প্রকাশিত হয়।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডে কে কী ভূমিকা রেখেছে, পেছনের ষড়যন্ত্রকারী কারা, কুশীলব কারা- এটি আজ উন্মোচিত হওয়া প্রয়োজন। ১৯৭৬ সালে বিলেতে আইটিভি চ্যানেলের ওয়ার্ল্ড ইন অ্যাকশন প্রোগ্রামে সাংবাদিক অ্যান্থনি মাসকারেনহাসকে দেয়া সাক্ষাৎকারে কর্নেল ফারুক জানায়, ১৯৭৫-এর ২০ মার্চ সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটের দিকে সে জেনারেল জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বলে, ‘The country requires a change. We have to have a change. We, the junior officers have already worked it out. We want your support and leadership.' উত্তরে জিয়া বলেন, 'If you want to do something, you junior officers should do it yourself.' (অ্যান্থনি মাসকারেনহাস, Bangladesh: A Legacy of Blood, page- 54, Hodder and Stroughton, London 1986)।

এ সাক্ষাতের সত্যতা সম্পর্কে ১৯৭৬ সালের জুলাইয়ে জেনারেল জিয়াউর রহমান যখন লন্ডন সফর করেন, তখন অ্যান্থনি মাসকারেনহাস তাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জিয়ার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন, Zia did not dey it- nor did he confirm it! বিশিষ্ট মার্কিন সাংবাদিক লরেন্স লিফশুলজ দ্য ডেইলি স্টারে ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘Zia played perhaps the most crucial of all roles. He was the key 'Shadow Man'. He (Zia) assured Rashid that he would make certain that the forces in the Army would not move against him and his men if they succeeded.’

এমনকি বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার সাক্ষী কর্নেল শাফায়াত জামিলের সাক্ষ্যে প্রকাশ, বঙ্গবন্ধু হত্যার পর মুহূর্তেই যখন জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে যান তখন দেখেন জিয়াউর রহমান সেভ করছেন। তিনি জিয়াকে বলেন, ‘The President has been killed. Sir, what are your orders?’ এবং উত্তরে জিয়া বলেন, ‘So what, President is dead? Vice-president is there. Get your troops ready. Uphold the Constitution.’

জিয়াউর রহমানের এ শীতল আচরণ ও সার্বিক অনুসন্ধানের পর লিফশুলজ এ সিদ্ধান্তে উপনীত হন, ‘The evidence increasingly points to the fact that Zia was one of the principal architects of the coup and played a much more significant role than Khondakar Mustaque Ahmed. '(Lawrence Lifschulty. 'A long road in search of the truth' August 15,1975. Dhaka Tribune, 14 August 2018)।

সর্বশেষ বঙ্গবন্ধু হত্যার অন্যতম সাজাপ্রাপ্ত আসামি ক্যাপ্টেন মাজেদ ফাঁসির রায় কার্যকর করার পূর্বমুহূর্তে স্বীকারোক্তিতে জানান, জেনারেল জিয়া ১৫ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে ১১টায় ক্যান্টনমেন্ট অডিটোরিয়ামে সেনাবাহিনীর সৈনিক ও অফিসারদের মোটিভেট করে বলেন, যে ঘটনা গত রাতে ঘটে গেছে তোমরা সেসব নিয়ে কোনোরকম মাথা ঘামাবে না, এটি জাতীয় ব্যাপার, এটি আমাদের ব্যাপার নয়।

এমনকি তিনি বঙ্গভবনে গিয়ে খুনিদের সঙ্গে দেখা করতেন এবং খুনিরাও তার সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করত! এখান থেকেও প্রমাণিত হয় জিয়াউর রহমান জড়িত ছিলেন।

ইতিহাসের নির্মোঘ সত্য, বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রেক্ষাপট তৈরি করেছিল জাসদ। জাসদের ভূমিকা সম্পর্কে মার্কিন সাংবাদিক লরেন্স লিফশুলজ লিখেছেন, ‘মুজিব উৎখাতের কয়েক মাস আগে থেকে জাসদ এক গণঅভ্যুত্থানের প্রস্তুতি নিচ্ছিল।

স্বাধীনতাযুদ্ধের সাবেক সৈনিক সমবায়ে গঠিত বিপ্লবী গণবাহিনী ও কার্যত সৈনিকদের গোপন সংগঠন বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা; জাসদের এ দুই সশস্ত্র শাখা নিয়ে গোপন সামরিক অধিনায়ক তাহেরের নেতৃত্বে এ প্রস্তুতি চলছিল।’ (অসমাপ্ত বিপ্লবী, লিফশুলজ, পৃষ্ঠা ১৯, বাংলা সংস্করণ)। বিশিষ্ট গবেষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মহিউদ্দিন আহমেদের মতে, তাহের ১৫ আগস্টের অভ্যুত্থানে সরাসরি অংশ নেননি।

তবে ওইদিনই অভ্যুত্থানকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেন। তাহের মেজর রশীদের অনুরোধে সকাল ৯টায় ঢাকা বেতার কেন্দ্রে যান। তার পরামর্শে ডালিমরা সশস্ত্রবাহিনীর তিন প্রধানকে বেতার ভবনে নিয়ে আসেন অভ্যুত্থানকারীদের পক্ষে বিবৃতি দেয়ার জন্য।

দুদিন পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নঈম জাহাঙ্গীর নারায়ণগঞ্জে তাহেরের বাসায় যান পরিস্থিতি আঁচ করতে। তাহের আক্ষেপ করে নঈমকে বললেন, ‘ওরা বড় রকমের একটা ভুল করেছে। শেখ মুজিবকে কবর দিতে অ্যালাও করা ঠিক হয়নি। এখন তো সেখানে মাজার হবে। উচিত ছিল লাশটা বঙ্গোপসাগরে ফেলা দেয়া’ (মহিউদ্দিন আহমদ, জাসদের উত্থানপতন : অস্থির সময়ের রাজনীতি)।

মার্কিন সাংবাদিক লরেন্স লিফশুলজ, ‘বাংলাদেশ: দ্য আনফিনিসড রেভুলেশন’ বইয়ে প্রকাশ করেছেন, মার্কিন বিদেশ দফতরের অফিসাররা তাদের বলেছেন, যে চক্রটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করে, তাদের প্রতিনিধিরা ১৯৭৪ সালের শরৎকালে ঢাকার মার্কিন দূতাবাসে এসে এ ব্যাপারে সাহায্য চায়।

ওই বিদেশ দফতরের সূত্র থেকেই জানা যায়, ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের সিআইয়ের স্টেশন চিফ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট অর্থাৎ বঙ্গবন্ধুকে হত্যার দিন পর্যন্ত চক্রান্তকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে। ওই সূত্রেই লিফশুলজকে জানিয়েছে, মাহবুবুল আলম চাষী, তাহেরউদ্দিন ঠাকুর, এবিএস সফদার ছিলেন তখন মার্কিন গুপ্তচর সংস্থা সিআইএ’র মুখ্য এজেন্ট।

লরেন্স লিফশুলজ ও নিউইয়র্কের ‘দ্য নেশন’ পত্রিকায় সহকারী সম্পাদক কাই বার্ডের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন সমীক্ষা চালিয়ে তারা এ সিদ্ধান্তে এসে পৌঁছেন, বঙ্গবন্ধু হত্যায় আমেরিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। ভারতীর সাংবাদিক পরেশ সাহার ‘মুজিব হত্যার তদন্ত’ বইয়ে রয়েছে, ঢাকার সিআইএ স্টেশন চিফ ফিলিপ চেরি বলেন, ঘাতক চক্রের সঙ্গে সিআইএ’র যোগাযোগটা এত ভালো ছিল যে, অভ্যুত্থানের খবর পেয়ে তারা অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠাতে পেরেছিলেন।

ফিলিপ স্বীকার করেন, তিনি যখন যুক্তরাষ্ট্রে খবর পাঠান, তখনও (ঢাকায়) অভ্যুত্থান চলছিল। প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনা থেকে পরেশ সাহা আরও লিখেছেন, শেখ মুজিবকে যেদিন হত্যা করা হয়, সেদিন রাতে মার্কিন দূতাবাস খুবই কর্মচঞ্চল ছিল। উচ্চপদস্থ অনেক অফিসারই সেদিন ঘুমোতে যাননি।

১৯৭৫-এর জুনে জুলফিকার আলী ভুট্টো কাকুলের পাকিস্তান সামরিক একাডেমিতে সেনা কর্মকর্তাদের এক সমাবেশে বলেন, ‘এ অঞ্চলে শিগগিরই কিছু পরিবর্তন ঘটতে যাচ্ছে।’ (জুলফি ভুট্টো অব পাকিস্তান, স্ট্যানলি উলপার্ট)।

কমিউনিস্ট পার্টির নেতা আবদুল হক ১৯৭৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টোকে ‘আমার প্রিয় প্রধানমন্ত্রী’ সম্বোধন করে এক চিঠি লেখেন : আমার প্রিয় প্রধানমন্ত্রী, পুতুল মুজিব চক্র এখন জনগণ থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন।

এ চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবহারের জন্য অর্থ, অস্ত্র ও ওয়্যারলেস সরঞ্জাম প্রদানের আবেদন জানাচ্ছি। চিঠিটি পাওয়ার পর তিনি ‘অত্যন্ত জরুরি’ বলে মন্তব্য করেন এবং এ ‘সৎ লোকটি’কে (আবদুল হক) ‘কার্যকর সাহায্য দেয়ার সুপারিশ করেন।

ভুট্টোর আরেকজন এজেন্ট আবদুল মালেক বাংলাদেশবিরোধী তৎপরতা চালানোর উদ্দেশ্যে সৌদি আরব যান। সেখান থেকে ১৯৭৫ সালের ২২ জানুয়ারি ভুট্টোকে চিঠি লেখেন ‘আমার প্রিয় নেতা’ সম্বোধন করে।

চিঠির জবাবে ভুট্টো ধর্মমন্ত্রী মাওলানা কায়সার নিয়াজীকে সৌদি আরব ও আরব আমিরাতে পাঠান। উদ্দেশ্য সংশ্লিষ্ট দেশের কূটনৈতিক, আর্থিক সাহায্য তথা অস্ত্রের জোগান নিশ্চিত করা (মুজিবকে শান্তিতে থাকতে দেননি ভুট্টো, সোহরাব হাসান, প্রথম আলো, ৯ আগস্ট ২০১৫)।

স্ট্যানলি উলপার্টের বইয়ে আছে ‘দুই বছর ধরে ভুট্টো কয়েকটি মুজিববিরোধী দলকে তার গোপন স্বেচ্ছাধীন তহবিল থেকে অর্থ সাহায্য অব্যাহত রাখেন এবং এর বিনিময়ে ফল লাভ করেছিলেন।’

২০০০ সালে স্ট্যানলি উলপার্টের ঢাকা সফরের সময় লন্ডন প্রবাসী সাংবাদিক আবদুল মতিন তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, ‘বিনিময়ে ফল লাভ বলতে আপনি কী বুঝিয়েছেন? মুজিব হত্যায় কি পাকিস্তান জড়িত ছিল?’ উলপার্টের উত্তর, ‘হ্যাঁ, আপনি তা বলতে পারেন’ (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব : কয়েকটি ঐতিহাসিক দলিল, র‌্যাডিকেল এশিয়া পাবলিকেশন্স, লন্ডন, ২০০৮)।

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড ছিল দেশীয় ও আন্তর্জাতিক চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রের বাস্তব রূপদান। শুধু সামরিক বাহিনীর তরুণ বিশৃঙ্খল সদস্যরাই নয়, জড়িত ছিলেন ভেতর ও বাইরের অনেক রাজনীতিকও। তাই তো বঙ্গবন্ধুর লাশ যখন পড়ে ছিল ৩২ নম্বরের সিঁড়িতে, তার মন্ত্রিসভার ২১ জন সদস্য যোগ দিয়েছিল খুনি খন্দকার মোশতাকের মন্ত্রিসভায়!

তাই ভেতর ও বাইরের মুখোশ উন্মোচনসহ আরও কিছু বিষয়ের জন্যও কমিশন গঠনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। পঁচাত্তর-পরবর্তী জারিকৃত সামরিক ফরমান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত পাঠ্যবই ও সংবাদ প্রচারের মাধ্যমে ’৭৫-পরবর্তী প্রজন্মকে বিকৃত ইতিহাস শেখানো হয়েছে। তাই ইতিহাসকে তার সঠিক পথে নিয়ে আসতে হবে।

ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে জানাতে হবে জাতির পিতাকে কারা হত্যা করেছে। ’৭৫-এর ১৫ আগস্টের সেই ব্যর্থতার কারণে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর গ্রেনেড হামলা হয়। ভবিষ্যতে এ ধরনের ষড়যন্ত্রের পুনরাবৃত্তি প্রতিরোধ করতে হবে।

বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের পথ রুদ্ধ করার কলঙ্ক বাঙালি জাতির ওপর রয়েছে। নতুন করে প্রমাণের সুযোগ এসেছে, কমিশন গঠন করে জড়িতদের মুখোশ উন্মোচনের মাধ্যমে বাঙালি জাতিকে পাপমোচন এবং কলঙ্কমুক্ত করার।

ব্যারিস্টার এবিএম আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার : ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল, আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত