শতফুল ফুটতে দাও

কোটা সংস্কার আন্দোলনের একটি ব্যবচ্ছেদ

  ড. মাহবুব উল্লাহ্ ১৮ এপ্রিল ২০১৮, ১২:০৭ | প্রিন্ট সংস্করণ

মতামত

বাংলাদেশের ছাত্রসমাজ সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে হঠাৎ ফুঁসে উঠেছিল। মনে হয়েছিল এ যেন এক স্পি­ন্টার ও বারুদবিহীন বোমার বিস্ফোরণ! তাদের আন্দোলন ছিল লক্ষণীয়ভাবে শান্তিপূর্ণ ও অহিংস।

কিন্তু ছন্দপতন ঘটল পুলিশের হস্তক্ষেপের ফলে। পুলিশ বাহিনীর কর্মকর্তারা ভেবেছিলেন আন্দোলনটি মারাত্মক সহিংস রূপ ধারণ করবে। সুতরাং ছাত্রছাত্রীদের বিশাল সমাবেশ ভেঙে দেয়ার জন্য শটগান থেকে গুলি চালানো হল। সঙ্গে ছিল জলকামানের মহড়া! শটগানের গুলিতে এক হিসাব মতে ৫০ এবং অন্য হিসাব মতে ৭০ ছাত্র আহত হয়েছিল।

বহু ছাত্র ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গুলির আঘাতের জন্য জরুরি চিকিৎসা নিয়েছে। আমাদের পুলিশ বাহিনীর ব্যবহৃত অস্ত্রে পরিবর্তন এসেছে। এক সময় থ্রি নট থ্রি রাইফেল দাঙ্গা বা বিক্ষোভ দমনে ব্যবহৃত হতো। থ্রি নট থ্রি রাইফেলের গুলি বিদ্ধ হলে অনেকেরই তাৎক্ষণিক মৃত্যু ঘটত।

অথবা অনেককে চিরজীবনের জন্য পঙ্গুত্ববরণ করতে হতো। সেখান থেকে পরিস্থিতির অনেক পরিবর্তন হয়েছে। এখন ব্যবহার হয় রাবার বুলেট। এর প্যালেট সাধারণত শরীরের গভীরে প্রবেশ করে না। প্যালেট বিদ্ধ ব্যক্তি আহত হয়, তার শরীর থেকে রক্ত ঝরে এবং সে ভীত হয়ে পিছু হটে।

কিন্তু কোনো কোনো সময় এ প্যালেট শরীরের স্পর্শকাতর জায়গায় আঘাত করলে মারাত্মক ঝুঁকির সৃষ্টি হয়। বেশ কিছুদিন আগে এক ছাত্র চোখে প্যালেট বিদ্ধ হয়ে শেষ পর্যন্ত দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছে।

ভারতের চেন্নাইতে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কিন্তু তাতেও কোনো কাজ হয়নি। এবারের কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীদের ওপর নির্বিচারে যেভাবে শটগানের গুলি ছোড়া হয়েছে তাতে বিক্ষোভকারীদের হটিয়ে দেয়া সম্ভব হয়নি। বরং বিক্ষোভ আরও জোরালো হয়েছে।

রাতব্যাপী বিক্ষোভ চলেছে এবং পরদিন রাজধানীর প্রায় সব সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী রাজপথে নেমে পড়েছেন। আন্দোলন শুধু ঢাকা শহরেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, ছড়িয়ে পড়েছিল দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। এক সংবাদভাষ্য অনুযায়ী দেশের ৭১টি জায়গায় সড়ক অবরোধ হয়েছিল।

ফলে গোটা দেশই অচলাবস্থার মধ্যে পড়ার সম্মুখীন হয়েছিল। পুলিশ যদি একটু সংযম প্রদর্শন করত এবং বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করত তাহলে বিক্ষোভকারীদের ক্ষোভ কিছুটা হলেও নিরসন হতো।

সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হল আন্দোলনকারীদের প্রতিহত করতে সরকার সমর্থক ছাত্র সংগঠনও বল প্রয়োগ করার চেষ্টা করেছে। অবশ্য এ ছাত্র সংগঠনের অনেকেই আবার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে যোগও দিয়েছিল।

সরকার সমর্থক ছাত্র সংগঠনের ভূমিকা দেখে আমাদের মতো বয়সের মানুষদের স্মৃতিতে ভেসে উঠেছিল পাকিস্তান আমলে সরকারপন্থী ছাত্রসংগঠন এনএসএফের মাস্তানদের নিষ্ঠুরতার ছবি।

ষাটের দশকের বড় অংশজুড়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরকারবিরোধী গণতন্ত্রকামী ছাত্রছাত্রীদের দমিয়ে রাখতে হেন নৃশংসতা নেই যার আশ্রয় তারা নেয়নি। তারা স্বনামধন্য শিক্ষকদের গায়েও হাত তুলেছিল, এমনকি তাদের মেরে ফেলার উপক্রম করেছিল।

এছাড়া প্রায় প্রতিদিন হলে-হোস্টেলে এনএসএফের পান্ডারা নানারকম ঔদ্ধত্য ও বাড়াবাড়ি করত, যার ফলে সরকারবিরোধী ছাত্ররা প্রচণ্ড অপমান বোধ করত। একদিকে যেমন আঞ্চলিক বৈষম্য ছাত্রছাত্রীদের বিক্ষুব্ধ করে তুলেছিল, অন্যদিকে এনএসএফের হাতে দিনের পর দিন নিগৃহীত হয়ে বেশির ভাগ ছাত্রছাত্রী হয়ে উঠেছিল চরম পাকিস্তানবিরোধী।

তরুণদের এ ক্ষোভই শেষ পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধ রূপে পরিণত হয়। ওই সময় ছাত্রলীগের বন্ধুরাও এনএসএফের নির্যাতনের হাত থেকে রেহাই পাননি। আমরা যারা ছাত্র ইউনিয়নের মতো বাম সংগঠনে সম্পৃক্ত ছিলাম তাদের ওপর এনএসএফের আক্রোশটি ছিল অনেক বেশি। কারণ এনএসএফের পিতৃ সংগঠন মুসলিম লীগ বামপন্থীদের রাষ্ট্রের শত্রু হিসেবে গণ্য করত।

তাদের এ মনোভাব ১৯৪৮ সাল থেকেই সৃষ্টি হয়েছিল। আদর্শগত পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও ছাত্র ইউনিয়ন ও ছাত্রলীগের মধ্যে সরকারবিরোধী আন্দোলনের মোর্চা তৈরি হতো। আবার কখনও কখনও বিচ্ছিন্ন বিক্ষিপ্তভাবে ছাত্র ইউনিয়ন ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘাত ঘটত।

তবে সেই সময় এসব সংঘাতকে একপাশে ঠেলে রেখে সব সরকারবিরোধী ছাত্র সংগঠনেরই লক্ষ্য ছিল ছাত্রদের স্বার্থ, শিক্ষার অধিকার, পূর্ববাংলার প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের বৈষম্যের অবসান এবং সার্বিক গণতান্ত্রিক অধিকারের জন্য লড়াই করা। সেদিনও ছাত্র আন্দোলন ছিল পূর্ববাংলার উদীয়মান মধ্যবিত্ত শ্রেণীর আকাঙ্ক্ষার বহিঃপ্রকাশ।

বর্তমানে যারা সরকারপন্থী ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত আছে, তাদের ছাত্র আন্দোলনের ইতিহাসের এ নির্যাসটুকু সম্পর্কে সচেতন করা হয় কিনা, জানি না। যদি সত্যিকার অর্থে তাদের সচেতন করে তোলা হতো, তাহলে নিশ্চয়ই এরা এমন নগ্নভাবে সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের বিরুদ্ধে দাঁড়াত না। তারা বুঝতে পারত এ ধরনের অসংযত এবং অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ শাসক দলের জন্যও মঙ্গলকর নয়।

কিন্তু দুর্ভাগ্য, ক্ষমতা এমনই এক মত্ততা যার নেশায় অনেকেই দিগি¦দিক জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়ে। আমি আশা করব, এ দেশের সব গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দল যাদের ছাত্রদের মধ্যে অঙ্গসংগঠন রয়েছে, তারা যেন দেয়ালে লিখন থেকে শিক্ষা নেয়। অন্যথায় গণতন্ত্রের লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব হবে না এবং আমাদের রাষ্ট্রটিও সুসংহত হয়ে গড়ে উঠবে না।

এবার সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে যে আন্দোলন হয়েছে, সেই আন্দোলনে বিদ্যমান প্রথাগত কোনো ছাত্র সংগঠন নেতৃত্ব দেয়নি। সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের প্ল্যাটফর্ম থেকেই এ আন্দোলন পরিচালিত হয়েছে।

সবশেষে শুনতে পেলাম এদের একটা কেন্দ্রীয় কমিটিও আছে। কীভাবে এ কেন্দ্রীয় কমিটি গঠিত হয়েছে, তা আমাদের মতো সাধারণ মানুষ অবগত নয়। তবে গোয়েন্দারা জানলেও জানতে পারে। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে গোয়েন্দারা কি বুঝতে পেরেছিল এ আন্দোলনের প্রতি ব্যাপক বিশাল এবং স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন ও সংহতি গড়ে উঠবে।

সরকার যদি একটু বেশি রকম গোয়েন্দানির্ভর হয়ে ওঠে, তাহলে তার পরিণতি খুব ভালো হয় না। কারণ গোয়েন্দারা হয়তো খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারে কে কোথায় কী করছে। কিন্তু একটি আন্দোলনের সোশ্যাল ডায়নামিক্স তারা অনেক সময় বুঝে উঠতে পারে না।

তাই সরকারকেও সঠিক পরামর্শটি দিতে পারে না। মরহুম আতাউর রহমান খান সাহেব, যিনি আওয়ামী লীগ কর্তৃক গঠিত তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন তিনি তার স্মৃতিকথা সংবলিত ‘ওজারতির দুই বছর’ গ্রন্থে গোয়েন্দা তথ্য সম্পর্কে কিছু মজার কথা লিখেছেন।

জানি না আজ যারা রাজনৈতিক নেতৃত্ব দেন, তাদের মধ্যে ক’জন তার এ সুখপাঠ্য এবং অন্তরভেদী গ্রন্থটি পড়েছেন। এটি পড়া থাকলে রাজনীতিতে অনেক ভুলভ্রান্তি এড়ানো সম্ভব হতো।

কেন বিদ্যমান ছাত্র সংগঠনগুলো এ আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে ব্যর্থ, সেটাও অনুসন্ধানের বিষয়। তবে মনে হয় এসব ছাত্র সংগঠনের নেতৃত্ব ছাত্রছাত্রীদের মনের কথাটি বুঝতে সক্ষম নয়। এ ছাড়া পিতৃ সংগঠনের লেজুড়বৃত্তি এদের অন্ধ করে দেয়।

এ সংগঠনগুলো গণতান্ত্রিক প্রথা পদ্ধতি অনুযায়ী গড়ে ওঠে না। যারা নেতৃত্বে থাকে তাদের ধ্যান জ্ঞান হয়ে দাঁড়ায় ক্ষমতার প্রতিপত্তি বিস্তার কিংবা সংগঠনের পদ-পদবি অর্জন।

এর ফলে সাধারণ ছাত্রদের সঙ্গে এদের দূরত্ব অনেক বেড়ে যায়। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সমাজবিজ্ঞান ও মনস্তত্ত্বের শিক্ষকদের গবেষণার জন্য একালের শিক্ষার্থীদের মনস্তত্ত্ব ও সামাজিকায়ন গবেষণার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে পারে।

তারা যদি এ কাজে এগিয়ে আসেন এবং নির্মোহভাবে পরিস্থিতির অনুসন্ধান ও বিশ্লেষণ করেন, তাহলে দেশ জাতি ও সমাজ বহুলভাবে উপকৃত হবে।

লক্ষণীয় বিষয় হল, এবারও ছাত্র আন্দোলনের যে বিস্ফোরণটি হয়েছে তার মূলে রয়েছে বাংলাদেশের উঠতি মধ্যবিত্তের বিকাশের আকাঙ্ক্ষা।

আনন্দের বিষয় হল, এ আকাঙ্ক্ষা নির্বিচারে কার্যকর করার দাবি জানাননি ছাত্রছাত্রীরা। তাদের দাবির মূল বিষয়টি ছিল মেধার বিস্তৃততর স্বীকৃতি এবং তার সঙ্গে অনগ্রসরদের প্রতি সহৃদয় বিবেচনা। তারা মেধাবহির্ভূত কোটা কমিয়ে আনার দাবি করেছে। কিন্তু কোটা সমূলে উৎপাটনের দাবি করেনি।

অনগ্রসরদের প্রতি তাদের empathy খুবই প্রশংসনীয়। কারণ অনগ্রসররাও, যারা হতে পারে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী এবং দরিদ্র মুক্তিযোদ্ধা তারাও রাষ্ট্রীয় আনুকূল্য পেলে মেধার বিকাশ ঘটাতে পারে। এদের জন্য শতকরা ১০ ভাগ কোটা রাখার দাবি জানানো হলেও এর হিসাবে একেবারেই কোনোরকম হেরফের ঘটানো যাবে না, এমন কথাও সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের অনড় দাবি ছিল বলে মনে হয়নি।

বাংলাদেশে শিক্ষিত বেকারদের সমস্যা একটি বারুদের বাক্স হয়ে উঠেছে। সরকার যত লোককে সিভিল সার্ভিসসহ নানা চাকরিতে নিয়োগ দিতে পারে, সংখ্যার দিক থেকে সেটি বেকারদের সংখ্যার তুলনায় খুবই অপ্রতুল। এ জন্য বেসরকারি খাত এবং আত্মকর্মসংস্থানমূলক কাজের প্রসার বড় ভূমিকা পালন করতে পারে।

কিন্তু কর্মসংস্থান এবং কর্ম অনুসন্ধানকারীদের মধ্যে ফারাকটি যে বিরাট, এ বাস্তবতাও বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া ছাত্রছাত্রীরা বুঝতে পারবে না, এমন নয়। তবে এমন কঠিন অবস্থার মধ্যেও তারা যে মেধাতন্ত্রের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে, তাতে সব দল ও সব মতের রাজনীতিবিদদের আনন্দবোধ করা উচিত। কারণ মেধার প্রতি অবহেলা করে একটি শক্তিশালী এবং উন্নত জাতি গড়ে উঠতে পারে না।

এবারকার আন্দোলনে সবচেয়ে দুঃখজনক ও নিন্দনীয় যে ঘটনাটি ঘটেছে তাহল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবনে ধ্বংসলীলা ও তাণ্ডবের ঘটনা! ঘটনার নৃশংসতা ও হিংস্র রূপ দেখে দায়িত্বশীল কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন, এটা ছিল খুব প্রশিক্ষিত ব্যক্তিদের কাজ। সুতরাং এ ঘটনা সম্পর্কে নিরপেক্ষ, অনুপুঙ্খ এবং বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত হওয়া উচিত। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের খুঁজে বের করতে হবে এবং যথোপযুক্ত শাস্তির বিধান করতে হবে। তবে আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য এবং আন্দোলন সম্পর্কে প্রশ্ন সৃষ্টি করার জন্য সুযোগসন্ধানীরা এমন কাজ করতে পারে বলে অনেকেই মনে করেন। আশা করি দোষী খোঁজার নামে যেন কোনোরকমের witch hunting না করা হয়। ইতিমধ্যে এর কিছু লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। আবারও আশা করব, সবার সুমতি হবে এবং সবার মধ্যে শুভবুদ্ধির উদয় হবে। এ আন্দোলনে বঙ্গবন্ধু এবং বৈষম্য শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। কোটা বাতিল ঘোষণার পর পুষ্পমাল্যসহ প্রধানমন্ত্রীর ছবি উঁচিয়ে তুলে ধরে তার প্রতি অভিনন্দনও জানানো হয়েছে। সুতরাং এই আন্দোলনে শাসক দলের আদর্শিক কর্তৃত্বই বহাল থেকেছে। তবে ক্ষোভ ও বঞ্চনার বোধও ব্যাপক ও বিশালভাবে প্রকাশ পেয়েছে। কাজেই দেয়ালের লিখনটি সঠিকভাবে পাঠ করা জরুরি এবং সমস্যাটির বাস্তবসম্মত প্রশাসনিক সুরাহা কালক্ষেপণ না করে করাই বাঞ্ছনীয়।

ড. মাহ্বুব উল্লাহ্ : অধ্যাপক ও অর্থনীতিবিদ

ঘটনাপ্রবাহ : কোটাবিরোধী আন্দোলন ২০১৮

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
×