করোনা নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন কাপড়ের ফ্রি মাস্ক
jugantor
করোনা নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন কাপড়ের ফ্রি মাস্ক

  ড. মো. আজিজুর রহমান  

১৩ এপ্রিল ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মহামারি মোকাবিলায় সব কৌশল সব দেশের জন্য কার্যকর নয়। যে কৌশল আমেরিকা-ইউরোপের জন্য প্রযোজ্য, বাংলাদেশের জন্য তার ফল হতে পারে উলটো। তাই করোনা মহামারি মোকাবিলায় আমাদের দেশের জন্য সবচেয়ে ভালো উপায় কী হতে পারে, তা নিয়ে গবেষণা হওয়া এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের আর্থসামাজিক অবস্থা, স্বাস্থ্য ও অন্যান্য অবকাঠামো, কালচার, শিক্ষার হার, রোগব্যাধি সম্পর্কে সচেতনতা, আইন মেনে চলার প্রবণতা, মানুষের সার্বিক আচরণ ইত্যাদি বিষয় আমলে নিতে হবে। করোনার ভয়াবহ পরিস্থিতির মাঝেও দেশের অধিকাংশ মানুষের স্বাস্থ্যবিধি এবং চলাচলে নিষেধাজ্ঞা না-মানার প্রবণতা প্রমাণ করে দেশের মানুষ স্বাস্থ্য সম্পর্কে খুবই অসচেতন এবং আইন বা সরকারি কোনো নির্দেশনা মানার ব্যাপারে উদাসীন।

আমার মতে, করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে কার্যকর পন্থা হবে তিন স্তরবিশিষ্ট উন্নত কাপড়ের মাস্ক সবার জন্য বিনা মূল্যে বিতরণ করা। সাধারণ সার্জিক্যাল মাস্ক দেশে বহুলভাবে ব্যবহৃত হলেও বাজারে বিক্রি হওয়া এ ধরনের অনেক মাস্ক নিুমানের এবং তা করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে খুব একটা কার্যকর নয়। এর তুলনায় কাপড়ের মাস্ক অনেক বেশি কার্যকর ও আরামদায়ক। কাপড়ের মাস্কের অন্য একটি সুবিধা হলো এটি ধুয়ে ও শুকিয়ে বারবার ব্যবহার করা যায়।

গার্মেন্ট পণ্য রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে দ্বিতীয়। দেশে রয়েছে চার হাজারেরও বেশি গার্মেন্ট কারখানা। তাই ১৬ কোটি মানুষের জন্য ৪৮ কোটি মাস্ক (সবার জন্য তিনটি করে) দ্রুত তৈরি ও বিতরণ করা খুব কঠিন কাজ নয়। একজনের তিনটি কাপড়ের মাস্ক থাকলে সেগুলো নিয়মিত ধুয়ে প্রতিদিন পরিষ্কার মাস্ক পরতে সুবিধা হবে।

নোংরা মাস্ক ব্যবহারে হিতে বিপরীত হতে পারে। বিনা মূল্যে মাস্ক পেলে সবাই তা পরতে উৎসাহিত হবে এবং মাস্ক না-পরলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া সহজ এবং তা মানবিক হবে। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, কলকারখানা, শপিংমল, বাজারঘাট-সব চালু করে দেওয়া যাবে।

শুধু নিশ্চিত করতে হবে সব মানুষ যাতে বাসা থেকে বের হওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই মাস্ক যথাযথভাবে পরে নেয়। মাস্ক না-পরলে কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা রাখতে হবে। পাশাপাশি নিশ্চিত করতে হবে অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি যেমন, শারীরিক দূরত্ব ও ঘনঘন হাত ধোয়া। পর্যটন কেন্দ্র, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং বাজারগুলোয় জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। অনলাইনে পণ্য ক্রয় এবং হোম ডেলিভারি বাড়াতে হবে।

দেশের ১৬ কোটি মানুষের জন্য ৪৮ কোটি উন্নতমানের মাস্ক তৈরি ও বিতরণে খরচ হবে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৪৪০ কোটি টাকা (৩০ টাকা করে দাম ধরে)। ব্যবসায়ী সংগঠন ঢাকা চেম্বার অব কমার্সের (ডিসিসিআই) হিসাব অনুযায়ী একদিন হরতাল বা বড় ধরনের দুর্যোগের কারণে কলকারখানা ও দোকান বন্ধ থাকায় দৈনিক প্রায় ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা ক্ষতির সম্মুখীন হয় সামগ্রিক অর্থনীতি। তার মানে একদিন যে আর্থিক ক্ষতি হয় তার চেয়ে কম টাকাতেই সম্ভব করোনার বিস্তার নিয়ন্ত্রণ করা।

করোনা নিয়ন্ত্রণে এলে শুধু আর্থিক ক্ষতি থেকে দেশ রক্ষা পাবে তা নয়, শিক্ষাক্ষেত্রেও ক্ষতি কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। এক বছরের বেশি সময় ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কারণে দেশের শিক্ষার যে সার্বিক ক্ষতি হয়েছে, তা পুষিয়ে উঠতে অনেক বেগ পেতে হবে।

বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, দেশের প্রায় ৪০ হাজার কিন্ডারগার্টেন স্কুল বন্ধ থাকায় এগুলোর ওপর নির্ভরশীল প্রায় ১০ লাখ শিক্ষক-কর্মচারী মানবেতর জীবনযাপন করছেন। স্কুল-কলেজের অধিকাংশ ছাত্রছাত্রী পড়াশোনা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। শিক্ষায় বৈষম্য তৈরি হয়েছে। করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে থাকলে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর চাপ কমবে।

স্বাস্থ্যখাতের একটা বড় অংশ এখন খরচ হচ্ছে করোনা টেস্ট ও চিকিৎসায়। করোনা রোগীর চাপ সামলাতে না-পেরে স্বাস্থ্যব্যবস্থা এখন ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে প্রতিদিন করোনা শনাক্ত ও মৃত্যুর হার সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে সরকার চলমান ঢিলেঢালা লকডাউন শেষ হওয়ার পর আবার ১৪ এপ্রিল থেকে এক সপ্তাহের কঠোর লকডাউনের উদ্যোগ নিয়েছে। এ সময়ে জরুরি সেবা ছাড়া সব ধরনের সরকারি-বেসরকারি অফিস, আদালত, মার্কেট, দোকানপাট, যানবাহন বন্ধ রাখার চিন্তা করা হচ্ছে।

এর ফলে এক সপ্তাহে দেশের কী পরিমাণ ক্ষতি হবে তা অনুমেয়। তবে এক সপ্তাহের লকডাউনের পরও অবস্থার উন্নতি না-হলে হয়তো সরকার বাধ্য হবে এর সময়সীমা বাড়াতে। এটি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত যে, করোনার ভয়াবহ পরিস্থিতি সামলাতে লকডাউন বেশ কার্যকর (ল্যানসেট, ই-ক্লিনিক্যাল মেডিসিন, ২০২০)। কিন্তু এক সপ্তাহের লকডাউন তেমন কোনো কাজে আসবে না। ল্যানসেট, ই-ক্লিনিক্যাল মেডিসিনে প্রকাশিত এক গবেষণাসহ আরও কয়েকটি গবেষণা বলছে, কঠোর লকডাউনের সুফল পেতে ১৪ থেকে ১৮ দিন পর্যন্ত লেগে যাবে।

সুতরাং, বর্তমান পরিস্থিতিতে কমপক্ষে ১৪ দিনের একটি কঠোর লকডাউনের বিকল্প নেই। এর পাশাপাশি দ্রুততম সময়ের মধ্যে ভাইরাস প্রতিরোধী তিন স্তরবিশিষ্ট উন্নতমানের মাস্ক তৈরির কাজ শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে এবং লকডাউনের সুফল পাওয়ার পরপরই শুরু করতে হবে বিনা মূল্যে মাস্ক বিতরণ ও ব্যবহার এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মানার ওপর কঠোর নজরদারি। এর ফলে দেশ ভবিষ্যতে আরও লকডাউনের কবল থেকে বাঁচবে। বাঁচবে দেশের মানুষ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অর্থনীতি।

ড. মো. আজিজুর রহমান : সহযোগী অধ্যাপক, ফার্মেসি বিভাগ; প্রশাসক, জনসংযোগ দপ্তর, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

ajijur.rubd@gmail.com

করোনা নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন কাপড়ের ফ্রি মাস্ক

 ড. মো. আজিজুর রহমান 
১৩ এপ্রিল ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মহামারি মোকাবিলায় সব কৌশল সব দেশের জন্য কার্যকর নয়। যে কৌশল আমেরিকা-ইউরোপের জন্য প্রযোজ্য, বাংলাদেশের জন্য তার ফল হতে পারে উলটো। তাই করোনা মহামারি মোকাবিলায় আমাদের দেশের জন্য সবচেয়ে ভালো উপায় কী হতে পারে, তা নিয়ে গবেষণা হওয়া এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের আর্থসামাজিক অবস্থা, স্বাস্থ্য ও অন্যান্য অবকাঠামো, কালচার, শিক্ষার হার, রোগব্যাধি সম্পর্কে সচেতনতা, আইন মেনে চলার প্রবণতা, মানুষের সার্বিক আচরণ ইত্যাদি বিষয় আমলে নিতে হবে। করোনার ভয়াবহ পরিস্থিতির মাঝেও দেশের অধিকাংশ মানুষের স্বাস্থ্যবিধি এবং চলাচলে নিষেধাজ্ঞা না-মানার প্রবণতা প্রমাণ করে দেশের মানুষ স্বাস্থ্য সম্পর্কে খুবই অসচেতন এবং আইন বা সরকারি কোনো নির্দেশনা মানার ব্যাপারে উদাসীন।

আমার মতে, করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে কার্যকর পন্থা হবে তিন স্তরবিশিষ্ট উন্নত কাপড়ের মাস্ক সবার জন্য বিনা মূল্যে বিতরণ করা। সাধারণ সার্জিক্যাল মাস্ক দেশে বহুলভাবে ব্যবহৃত হলেও বাজারে বিক্রি হওয়া এ ধরনের অনেক মাস্ক নিুমানের এবং তা করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে খুব একটা কার্যকর নয়। এর তুলনায় কাপড়ের মাস্ক অনেক বেশি কার্যকর ও আরামদায়ক। কাপড়ের মাস্কের অন্য একটি সুবিধা হলো এটি ধুয়ে ও শুকিয়ে বারবার ব্যবহার করা যায়।

গার্মেন্ট পণ্য রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে দ্বিতীয়। দেশে রয়েছে চার হাজারেরও বেশি গার্মেন্ট কারখানা। তাই ১৬ কোটি মানুষের জন্য ৪৮ কোটি মাস্ক (সবার জন্য তিনটি করে) দ্রুত তৈরি ও বিতরণ করা খুব কঠিন কাজ নয়। একজনের তিনটি কাপড়ের মাস্ক থাকলে সেগুলো নিয়মিত ধুয়ে প্রতিদিন পরিষ্কার মাস্ক পরতে সুবিধা হবে।

নোংরা মাস্ক ব্যবহারে হিতে বিপরীত হতে পারে। বিনা মূল্যে মাস্ক পেলে সবাই তা পরতে উৎসাহিত হবে এবং মাস্ক না-পরলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া সহজ এবং তা মানবিক হবে। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, কলকারখানা, শপিংমল, বাজারঘাট-সব চালু করে দেওয়া যাবে।

শুধু নিশ্চিত করতে হবে সব মানুষ যাতে বাসা থেকে বের হওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই মাস্ক যথাযথভাবে পরে নেয়। মাস্ক না-পরলে কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা রাখতে হবে। পাশাপাশি নিশ্চিত করতে হবে অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি যেমন, শারীরিক দূরত্ব ও ঘনঘন হাত ধোয়া। পর্যটন কেন্দ্র, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং বাজারগুলোয় জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। অনলাইনে পণ্য ক্রয় এবং হোম ডেলিভারি বাড়াতে হবে।

দেশের ১৬ কোটি মানুষের জন্য ৪৮ কোটি উন্নতমানের মাস্ক তৈরি ও বিতরণে খরচ হবে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৪৪০ কোটি টাকা (৩০ টাকা করে দাম ধরে)। ব্যবসায়ী সংগঠন ঢাকা চেম্বার অব কমার্সের (ডিসিসিআই) হিসাব অনুযায়ী একদিন হরতাল বা বড় ধরনের দুর্যোগের কারণে কলকারখানা ও দোকান বন্ধ থাকায় দৈনিক প্রায় ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা ক্ষতির সম্মুখীন হয় সামগ্রিক অর্থনীতি। তার মানে একদিন যে আর্থিক ক্ষতি হয় তার চেয়ে কম টাকাতেই সম্ভব করোনার বিস্তার নিয়ন্ত্রণ করা।

করোনা নিয়ন্ত্রণে এলে শুধু আর্থিক ক্ষতি থেকে দেশ রক্ষা পাবে তা নয়, শিক্ষাক্ষেত্রেও ক্ষতি কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। এক বছরের বেশি সময় ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কারণে দেশের শিক্ষার যে সার্বিক ক্ষতি হয়েছে, তা পুষিয়ে উঠতে অনেক বেগ পেতে হবে।

বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, দেশের প্রায় ৪০ হাজার কিন্ডারগার্টেন স্কুল বন্ধ থাকায় এগুলোর ওপর নির্ভরশীল প্রায় ১০ লাখ শিক্ষক-কর্মচারী মানবেতর জীবনযাপন করছেন। স্কুল-কলেজের অধিকাংশ ছাত্রছাত্রী পড়াশোনা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। শিক্ষায় বৈষম্য তৈরি হয়েছে। করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে থাকলে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর চাপ কমবে।

স্বাস্থ্যখাতের একটা বড় অংশ এখন খরচ হচ্ছে করোনা টেস্ট ও চিকিৎসায়। করোনা রোগীর চাপ সামলাতে না-পেরে স্বাস্থ্যব্যবস্থা এখন ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে প্রতিদিন করোনা শনাক্ত ও মৃত্যুর হার সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে সরকার চলমান ঢিলেঢালা লকডাউন শেষ হওয়ার পর আবার ১৪ এপ্রিল থেকে এক সপ্তাহের কঠোর লকডাউনের উদ্যোগ নিয়েছে। এ সময়ে জরুরি সেবা ছাড়া সব ধরনের সরকারি-বেসরকারি অফিস, আদালত, মার্কেট, দোকানপাট, যানবাহন বন্ধ রাখার চিন্তা করা হচ্ছে।

এর ফলে এক সপ্তাহে দেশের কী পরিমাণ ক্ষতি হবে তা অনুমেয়। তবে এক সপ্তাহের লকডাউনের পরও অবস্থার উন্নতি না-হলে হয়তো সরকার বাধ্য হবে এর সময়সীমা বাড়াতে। এটি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত যে, করোনার ভয়াবহ পরিস্থিতি সামলাতে লকডাউন বেশ কার্যকর (ল্যানসেট, ই-ক্লিনিক্যাল মেডিসিন, ২০২০)। কিন্তু এক সপ্তাহের লকডাউন তেমন কোনো কাজে আসবে না। ল্যানসেট, ই-ক্লিনিক্যাল মেডিসিনে প্রকাশিত এক গবেষণাসহ আরও কয়েকটি গবেষণা বলছে, কঠোর লকডাউনের সুফল পেতে ১৪ থেকে ১৮ দিন পর্যন্ত লেগে যাবে।

সুতরাং, বর্তমান পরিস্থিতিতে কমপক্ষে ১৪ দিনের একটি কঠোর লকডাউনের বিকল্প নেই। এর পাশাপাশি দ্রুততম সময়ের মধ্যে ভাইরাস প্রতিরোধী তিন স্তরবিশিষ্ট উন্নতমানের মাস্ক তৈরির কাজ শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে এবং লকডাউনের সুফল পাওয়ার পরপরই শুরু করতে হবে বিনা মূল্যে মাস্ক বিতরণ ও ব্যবহার এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মানার ওপর কঠোর নজরদারি। এর ফলে দেশ ভবিষ্যতে আরও লকডাউনের কবল থেকে বাঁচবে। বাঁচবে দেশের মানুষ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অর্থনীতি।

ড. মো. আজিজুর রহমান : সহযোগী অধ্যাপক, ফার্মেসি বিভাগ; প্রশাসক, জনসংযোগ দপ্তর, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

ajijur.rubd@gmail.com

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন