জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস

আইনটির বাস্তবায়নে ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে

  রেবেকা সুলতানা ২৮ এপ্রিল ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস

আজ জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস। ‘উন্নয়ন আর আইনের শাসনে এগিয়ে চলছে দেশ, লিগ্যাল এইডের সুফল পাচ্ছে সারা বাংলাদেশ’- এ স্লোগান প্রতিপাদ্য করে ৬ষ্ঠবারের মতো জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার উদ্যোগে দিবসটি উদযাপিত হচ্ছে।

২০১৩ সাল থেকে প্রতিবছর ২৮ এপ্রিল জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত বিচারপ্রার্থীকে আইন-আদালতের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আইনি সহায়তা দিতে আইনগত সহায়তা আইন-২০০০ প্রণীত হয়েছে। আইনটি সঠিকভাবে কার্যকর করার লক্ষ্যে সরকারি উদ্যোগ হিসেবে এ আইনের মাধ্যমে গঠিত জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা কাজ করছে।

আইনগত সহায়তা প্রদান আইন জনগণের জন্য সরকারের একটি সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা। সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- ‘সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান ও আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।’ এ ছাড়া সংবিধানের ৩১ ও ৩৩ নম্বর অনুচ্ছেদে ন্যায়বিচার ও সর্বজনীন মানবাধিকারের কথা যথেষ্ট গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়েছে।

১৯৪৮ সালের ‘সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণাপত্রের’ অনুচ্ছেদ ৭-এ কোনো ধরনের বৈষম্য ছাড়া আইনি প্রতিকার পাওয়ার ক্ষেত্রে সমান অধিকারের কথা উল্লেখ রয়েছে। আর অনুচ্ছেদ ৯-এ কোনো ব্যক্তিকে নির্বিচারে আটক না রাখার নির্দেশনা রয়েছে।

এসব অধিকার বিবেচনায় নিয়ে আইনগুলো অর্থবহ করে তুলে এর সফল বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যেই মূলত আইনগত সহায়তা কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। এ আইনের আওতায় প্রণয়ন করা হয়েছে একটি বিধিমালা। প্রতিটি জেলায় রয়েছে জেলা কমিটি, এমনকি উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদেও রয়েছে আইনগত সহায়তা প্রদান কমিটি।

এসব কমিটির মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে গরিব ও অসচ্ছল ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের আর্থসামাজিক প্রতিবন্ধকতার কারণে বিচার প্রাপ্তিতে অসমর্থ ব্যক্তিদের আইনি অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। আইনগত সহায়তা প্রদান বলতে ‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইন-২০০০’-এর ২(ক) উপধারা অনুযায়ী আইনগত সহায়তার অর্থ- আর্থিক অসচ্ছলতা অথবা অন্যান্য আর্থসামাজিক কারণে ন্যায়বিচার প্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থীকে আইনি সহায়তা প্রদান করা।

যে কোনো অসচ্ছল ব্যক্তি- যার বার্ষিক গড় আয় ৫০ হাজার টাকার ঊর্ধ্বে নয়; কর্মক্ষম নন অথবা আংশিক কর্মক্ষম বা কর্মহীন মুক্তিযোদ্ধা- যার বার্ষিক গড় আয় ৭৫ হাজার টাকার বেশি নয়; বয়স্ক ভাতা পাচ্ছেন এমন ব্যক্তি; ভিজিডি কার্ডধারী দুঃস্থ মা; অসচ্ছল, পাচারের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত নারী বা শিশু, উপার্জনে অক্ষম ও অসহায় বিধবা; স্বামী পরিত্যক্তা ও দুস্থ নারী, আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে আদালতে অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে অক্ষম ব্যক্তি; প্রতিবন্ধী ও বিনা বিচারে আটক ব্যক্তি; যিনি আত্মপক্ষ সমর্থন করতে জেল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সুপারিশকৃত ‘অসচ্ছল’ এবং আদালত কর্তৃক ঘোষিত ‘অসচ্ছল’ ব্যক্তি এ আইনের আওতায় আইনগত সহায়তা পাবেন।

দেওয়ানি ও ফৌজদারি যে কোনো মামলায়ই আইনগত সহায়তা প্রদান করা হয়। সাধারণত স্ত্রীর বিনা অনুমতিতে স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করলে, স্বামী শারীরিক নির্যাতন করলে, যৌতুক দাবি কিংবা যৌতুকের জন্য নির্যাতন করলে, অ্যাসিড নিক্ষেপ, পাচার, অপহরণ, ধর্ষণ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কর্তৃক আটক বা গ্রেফতার সংক্রান্ত যে কোনো ফৌজদারি মামলায় আইনি সহায়তা দেয়া হয়। এ ছাড়া দেওয়ানি মামলার মধ্যে সন্তানের অভিভাবকত্ব, ভরণপোষণ, দেনমোহর আদায়, বিবাহবিচ্ছেদ, সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার, দলিল বাতিল, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, সম্পত্তি বণ্টন বা বাটোয়ারা, ঘোষণামূলক মামলা ও চুক্তি সংক্রান্ত মামলার ক্ষেত্রে বিনা মূল্যে আইনগত সহায়তা প্রদান করা হয়।

প্রতিটি জেলা আদালতে আইনগত সহায়তা কার্যালয় রয়েছে। সেখান থেকে আবেদনপত্র সংগ্রহ করে সরাসরি আবেদন করা যায়। জেলখানায় কারা কর্মকর্তা ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদকের কার্যালয়েও আবেদনপত্র পাওয়া যায়।

জাতীয় মহিলা সংস্থার জেলা ও উপজেলা কার্যালয়েও এ ফরম পাওয়া যায়। আবেদন ফরম পূরণ করে জেলা আইনগত সহায়তা কার্যালয়ে জমা দেয়ার পর কর্তৃপক্ষ আবেদন যাচাই করে আইনজীবী নিয়োগ করে আইনগত সহায়তা প্রদান করে।

নিঃসন্দেহে এটি বিচার ব্যবস্থায় সব স্তরে সমতা নিশ্চিত করতে এবং ধনী-গরিব নির্বিশেষে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তবে চলমান কিছু সমস্যার কারণে আইনটির সুফল সাধারণ মানুষ সেভাবে ভোগ করতে পারছেন না। এগুলোর মধ্যে অন্যতম প্রচারণার অভাব।

দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ এ আইনটি সম্পর্কে এখনও অবহিত নয়। যদিও সরকারি বিভিন্ন প্রচারণামূলক উদ্যোগ রয়েছে, তথাপি মাঠপর্যায়ে ব্যাপক প্রচারণা না হলে আইনটি সম্পর্কে নির্ধারিত জনগোষ্ঠী (টার্গেটেড পিপলস) সেভাবে ধারণা না পাওয়ার কারণে এর সুফল থেকে বঞ্চিত থাকবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই।

কাজেই ব্যাপক প্রচারণার পাশাপাশি সেবা প্রদান প্রক্রিয়া আরও ত্বরান্বিত করা প্রয়োজন। দ্রুত সেবা প্রদান নিশ্চিত করা না গেলে অবহেলিত জনগোষ্ঠী আইনটির প্রতি শ্রদ্ধা হারাবে, যা এ আইন প্রণয়নের মহৎ উদ্দেশ্যকে ব্যাহত করবে। এ ছাড়া দ্রুত আইনগত সহায়তা প্রদানে আইনটির প্রক্রিয়াজনিত কিছু দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠা জরুরি।

প্রতি মাসে জেলা আইনগত সহায়তা কমিটি মাত্র একবার সভায় বসেন। জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত আইনগত সহায়তা কমিটি প্রণয়ন করলেও কমিটিগুলোর ওপর অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করা হচ্ছে কিনা, তা দেখভালের কোনো ব্যবস্থা নেই। ফলে কমিটিগুলো কার্যত নিষ্ক্রিয়।

যদিও সময়ে সময়ে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার উদ্যোগে কমিটিগুলো সক্রিয় করার চেষ্টা চালানো হয়েছে, তথাপি এনজিওগুলোর কাজ শেষ হওয়ার পর কমিটিগুলো পূর্বের নিষ্ক্রিয় অবস্থায় ফিরে গেছে। আইনগত সহায়তা প্রদান কার্যালয় জেলা কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে আইন সহায়তা প্রার্থীর জন্য আইনজীবী নিয়োগ করলেও মামলা ফাইল করার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়সীমা না থাকায় বিচারপ্রার্থী দীর্ঘসূত্রতার সম্মুখীন হয়ে আস্থা হারায়। জেলা আইনগত সহায়তা কমিটি আবেদন যাচাই-বাছাই করে আইনজীবী নিয়োগ করলেও পরবর্তী সময়ে মামলাগুলো ‘ফলোআপের’ কোনো ব্যবস্থা থাকে না; তাই অনেক সময় প্রত্যাশিত সফলতা পাওয়া যায় না।

এ আইনে আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায় সম্বলহীন ও নানাবিধ আর্থসামাজিক কারণে বিচার প্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থীকে আইনগত পরামর্শ প্রদান, আইনজীবীর ফি প্রদান ও মামলার খরচ প্রদানসহ অন্য যে কোনো সহায়তা প্রদানের কথা উল্লেখ রয়েছে।

এখানে মামলার খরচসহ অন্য যে কোনো সহায়তা বলতে কী বোঝানো হয়েছে, তা স্পষ্ট নয়। আইনগত সহায়তা প্রদান কার্যালয়ে একজন সহকারী জজ লিগ্যাল এইড অফিসারের দায়িত্ব পালন করলেও জনবল সংকটের পাশাপাশি মামলা পর্যবেক্ষণ সেল না থাকায় মামলাগুলোর সুষ্ঠু তদারকি সম্ভব হচ্ছে না।

এ আইনের আওতায় আইনজীবী ফি ও মামলা সংক্রান্ত ব্যয় প্রদান করা হলেও বিচারপ্রার্থীর বারবার বিচারিক প্রক্রিয়ায় আদালতে হাজিরা প্রদান, সাক্ষীর হাজিরা নিশ্চিত করা ইত্যাদি কারণে যে ব্যয় হয়, তা প্রদান না করার কারণে দরিদ্র ও অসহায় বিচারপ্রার্থীরা একসময় উৎসাহ হারিয়ে বিচারবিমুখ হয়ে পড়ে।

আইনজীবী নিয়োগের পর মামলার বর্তমান অবস্থা, হাজিরার তারিখ ইত্যাদি খোঁজখবর নিয়মিত রাখার জন্য যে ধরনের জনবল প্রয়োজন, তা আমাদের আইনগত সহায়তা প্রদান কার্যালয়ে থাকে না বিধায় বিচারপ্রার্থীরা তথ্যপ্রাপ্তির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

আইনজীবীর ফি’র পরিমাণ যথেষ্ট নয় বলে নামকরা আইনজীবীরা লিগ্যাল এইডের মামলাগুলোর প্রতি আগ্রহ দেখান না। ফলে অসহায় বিচারপ্রার্থীরা ন্যায়বিচার পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিকূলতার সম্মুখীন হয়। অনেক ক্ষেত্রে আইনজীবীরা লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে পাঠানো বিচারপ্রার্থীর কাছে আলাদা করে কাগজপত্র ও ফাইল সংরক্ষণের অজুহাত দেখিয়ে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করে থাকেন। এতেও বিচারপ্রার্থীরা আইনটির প্রতি আস্থা হারায়।

এসব সমস্যা দ্রুত কাটিয়ে উঠতে না পারলে কার্যত আইনটির সুফল অবহেলিত জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছবে না, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বস্তুত অবহেলিত ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য প্রণীত ‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইন’-এর সুফল নিশ্চিত করতে হলে তৃণমূল পর্যায়ে আইনটি সম্পর্কে ব্যাপকভাবে প্রচারণার উদ্যোগ নিতে হবে।

বেসরকারি সংস্থাগুলোকে আইনগত সহায়তা নিয়ে কাজ করার পরিধি ও সুযোগ বৃদ্ধির পাশাপাশি জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের কমিটিগুলো সক্রিয় করে তাদের কাজে লাগানো যেতে পারে। আইনজীবী নিয়োগের পর মামলা ফাইল করার জন্য সুনির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেয়ার পাশাপাশি একটি মনিটরিং সেল চালু করা প্রয়োজন।

জেলা কমিটি মাসিক সভায় চলমান মামলাগুলোর সর্বশেষ অবস্থার রিপোর্ট উপস্থাপন বাধ্যতামূলক করা হলে দীর্ঘসূত্রতা হ্রাস পাবে ও ফলোআপ নিশ্চিত হবে। জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের কমিটিগুলো পর্যবেক্ষণ ও তদারকির পাশাপাশি তাদের মধ্যে একটি সেতুবন্ধ তৈরির উদ্যোগ নেয়া জরুরি।

আদালতে বিচারপ্রার্থী ও সাক্ষীর উপস্থিতি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় যাতায়াত ভাতা প্রদানের ব্যবস্থা করা সম্ভব হলে এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হবে বলে মনে করছি।

মামলা সংক্রান্ত যে কোনো তথ্য বিচারপ্রার্থীকে সঠিকভাবে সঠিক সময়ে জানানোর জন্য একটি তথ্য সেল চালু করা যেতে পারে। বিশেষত্ব অনুযায়ী প্যানেল আইনজীবীদের নিয়ে একটি তালিকা আইনগত সহায়তা প্রদান কার্যালয়ে টানিয়ে দেয়া যেতে পারে, যাতে বিচারপ্রার্থীরা সহজেই তাদের পছন্দ অনুযায়ী আইনজীবী নির্বাচন করতে পারে।

আইনজীবীদের সম্মানী বৃদ্ধির পাশাপাশি নৈতিক মানদণ্ডের ভিত্তিতে প্যানেল আইনজীবীদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ প্রদান করা গেলে তা অত্যন্ত ফলপ্রসূ হবে। প্যানেল আইনজীবীদের সঙ্গে জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন লিগ্যাল এইড কমিটির প্রতিনিধিদের সমন্বয় সভার আয়োজন করা হলে আইনটির কার্যকারিতা আরও বাড়বে, এতে কোনো সন্দেহ নেই।

দেশের প্রত্যেক অসহায় মানুষ সরকারের এরকম একটি মহৎ উদ্যোগের আওতায় এসে আইনি অধিকার প্রতিষ্ঠা করে তাদের সাংবিধানিক অধিকার ভোগ করতে পারবে বলে আমরা স্বপ্ন দেখি। এ আইনের সফলতা নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে সমাজে ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে।

একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং জাতি-ধর্ম-বর্ণ ও ধনী-গরিব বিবেচনায় না নিয়ে সমতাভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে কল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল হোক, এটাই প্রত্যাশা।

রেবেকা সুলতানা : উন্নয়নকর্মী ও নির্বাহী পরিচালক, অন্যচিত্র উন্নয়ন সংস্থা

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter