মানবসম্পদের উন্নয়ন হবে
jugantor
মানবসম্পদের উন্নয়ন হবে

  অসিত বরন দাশ  

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

শিক্ষার্থী

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুযায়ী শিক্ষার গুণগত মানের দিকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। বর্তমানে দেশ ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ট বা জনসংখ্যার স্বর্ণালি ধাপে রয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে এই জনসংখ্যার সুবিধাকে কাজে লাগাতে হলে তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষ মানবসম্পদ দরকার। নতুন কারিকুলামের মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রমকে করা হবে আনন্দময় এবং শ্রেণিকক্ষকেন্দ্রিক, যা শিক্ষার গুণগতমান বৃদ্ধি করবে।

শিক্ষায় এই বৈপ্লবিক পথ পরিবর্তন বর্তমান সরকারের সময়োপযোগী ভাবনার ফল। বর্তমান কারিকুলাম হবে শিক্ষার ৫ম আবর্তন। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এই কারিকুলাম প্রণীত হয়েছে। মাধ্যমিকে যোগ্যতাভিত্তিক মূল্যায়ন চালু করা হয়েছে। ৩য় শ্রেণি পর্যন্ত কোনো পরীক্ষা নেই। ২০২৩ সাল থেকে পিইসি ও জেএসসি পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। ১০ম শ্রেণিতে বিষয় হবে ১০টি এবং বিজ্ঞান, কলা, বাণিজ্য কোনো বিভাজন থাকবে না। একাদশ ও দ্বাদশে দুই ধরনের মূল্যায়নের কথা বলা হয়েছে। সামষ্টিক মূল্যায়ন অর্থাৎ পরীক্ষাকেন্দ্রিক হবে ৭০ শতাংশ এবং শ্রেণিকক্ষকেন্দ্রিক ধারাবাহিক মূল্যায়ন হবে ৩০ শতাংশ।

শিক্ষা কারিকুলামের এই পরিবর্তনে বড় ভূমিকা পালন করবে পাঠ্যবই। তথ্যপ্রযুক্তিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার আলোকে দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টির মাধ্যমে নতুন কারিকুলাম বাংলাদেশকে উন্নতির স্বর্ণশিখরে নিয়ে যাবে। বঙ্গবন্ধুকন্যার হাত ধরে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার স্বপ্ন পূরণ হবে।

অসিত বরন দাশ : অধ্যক্ষ, চাঁদপুর সরকারি কলেজ, চাঁদপুর

মানবসম্পদের উন্নয়ন হবে

 অসিত বরন দাশ 
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
শিক্ষার্থী
প্রতীকী ছবি

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুযায়ী শিক্ষার গুণগত মানের দিকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। বর্তমানে দেশ ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ট বা জনসংখ্যার স্বর্ণালি ধাপে রয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে এই জনসংখ্যার সুবিধাকে কাজে লাগাতে হলে তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষ মানবসম্পদ দরকার। নতুন কারিকুলামের মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রমকে করা হবে আনন্দময় এবং শ্রেণিকক্ষকেন্দ্রিক, যা শিক্ষার গুণগতমান বৃদ্ধি করবে।

শিক্ষায় এই বৈপ্লবিক পথ পরিবর্তন বর্তমান সরকারের সময়োপযোগী ভাবনার ফল। বর্তমান কারিকুলাম হবে শিক্ষার ৫ম আবর্তন। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এই কারিকুলাম প্রণীত হয়েছে। মাধ্যমিকে যোগ্যতাভিত্তিক মূল্যায়ন চালু করা হয়েছে। ৩য় শ্রেণি পর্যন্ত কোনো পরীক্ষা নেই। ২০২৩ সাল থেকে পিইসি ও জেএসসি পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। ১০ম শ্রেণিতে বিষয় হবে ১০টি এবং বিজ্ঞান, কলা, বাণিজ্য কোনো বিভাজন থাকবে না। একাদশ ও দ্বাদশে দুই ধরনের মূল্যায়নের কথা বলা হয়েছে। সামষ্টিক মূল্যায়ন অর্থাৎ পরীক্ষাকেন্দ্রিক হবে ৭০ শতাংশ এবং শ্রেণিকক্ষকেন্দ্রিক ধারাবাহিক মূল্যায়ন হবে ৩০ শতাংশ।

শিক্ষা কারিকুলামের এই পরিবর্তনে বড় ভূমিকা পালন করবে পাঠ্যবই। তথ্যপ্রযুক্তিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার আলোকে দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টির মাধ্যমে নতুন কারিকুলাম বাংলাদেশকে উন্নতির স্বর্ণশিখরে নিয়ে যাবে। বঙ্গবন্ধুকন্যার হাত ধরে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার স্বপ্ন পূরণ হবে।

অসিত বরন দাশ : অধ্যক্ষ, চাঁদপুর সরকারি কলেজ, চাঁদপুর

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন