ছন্দে ছন্দে ছড়ায় ছড়ায় আসর মাতাতেন তিনি
jugantor
ছন্দে ছন্দে ছড়ায় ছড়ায় আসর মাতাতেন তিনি

  মিলন কান্তি দে  

১৭ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

‘দাদুভাই নেই’-সত্য হলেও প্রথমে এটা মেনে নিতে কষ্ট হয়েছিল আমার। কারণ আমাদের বন্ধুত্ব ছিল খুবই গভীর। গল্পে আড্ডায় আলোচনায় দুজনের মধ্যে খুনসুটি লেগেই থাকত। সব খবরই রাখতাম। করোনাভাইরাসে দুবার আক্রান্ত হয়েছিলেন। তারপর এ মহামারি থেকে মুক্তি পেলেও বয়সের ধাক্কা আর সামলাতে পারেননি। বাসায় বিছানায় পড়েছিলেন প্রায় ছয় মাস। এর মধ্যে বহু চেষ্টা করে মুঠোফোনে একবার মাত্র একটু কথা বলতে পেরেছি। অন্য প্রান্ত থেকে ভেসে এলো কয়েকটি শব্দ-‘এখন আর ফোন করো না, অসুবিধায় আছি। দোয়া করো আমার জন্য।’ মূক ও বধির হয়ে গেলাম। পুরো শরীর যেন অবশ হয়ে গেল। এরপর থেকে প্রায় প্রতিদিনই দৈনিক যুগান্তরে খোঁজখবর নিতাম-‘দাদুভাইয়ের খবর কী?’ সবচেয়ে অস্বস্তিকর ও মর্মান্তিক শোক সংবাদটি পেলাম সেদিন রোববার দুপুরে, পার্থিব জগতের সব হিসাব-নিকাশ চুকিয়ে তিনি চিরদিনের জন্য চলে গেছেন ওই পরপারে। ৮৫ বছরের মৃত্যু-অসময় কিংবা অপরিণত নয় অবশ্যই, কিন্তু কোনো কোনো মহিমাময় মৃত্যু আমাদের কাছে সহ্যের অতীত। তেমনই একজন অজাতশত্রু ছিলেন রফিকুল হক দাদুভাই। একাধারে বিভিন্ন গুণের অধিকারী-ছড়াকার, নাট্যকার, শিশু সংগঠক, সম্পাদক, গীতিকার, লেখক। তবে শিশুদের প্রতিভা বিকাশের জন্য ছড়া সাহিত্যে তিনি যে অবদান রেখে গেছেন তার তুলনা তিনি নিজেই।

১৯৭৩ সালে, এখন থেকে ৪৮ বছর আগে দাদুভাইয়ের সঙ্গে আমার প্রথম সাক্ষাৎ। আমি সবেমাত্র অধুনালুপ্ত সাপ্তাহিক চিত্রালীতে যাত্রা বিষয়ে লেখালেখি শুরু করেছি। দাদুভাই তখন দৈনিক পূর্বদেশে ‘চাঁদের হাট’ নামে একটি পাতা দেখতেন। আসা-যাওয়ার এক পর্যায়ে একদিন তার মুখোমুখি হলাম। আমার পরিচয়, ঠিকুজি বিস্তারিত জানার পর তিনি আমাকে ধরে বলতে গেলে ঠেলতে ঠেলতে নিয়ে গেলেন ডি এ রশীদের কক্ষে। রশীদ সাহেব তখন দৈনিক পূর্বদেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের একজন (পত্রিকায় কোন দায়িত্বে ছিলেন, এ বয়সে ঠিক মনে পড়ছে না)। হো হো করে হাসতে হাসতে বলতে লাগলেন-দাদুভাই, এই যে পেয়েছি একজন খাঁটি মানুষ। যাত্রাওয়ালা, যাত্রাদলে অভিনয় করে, রাজা-বাদশাহ সেজে গ্রামবাংলার মানুষকে যারা জাগিয়ে তুলছেন, তাদেরই একজন প্রতিনিধি। সেই পরিচয় কালে কালে আরও নিবিড় হয়েছে। কে কোথায় আছি আমরা, সব সময় খোঁজখবর রাখতাম। তিনি দৈনিক জনতা, দৈনিক রূপালী, দৈনিক লাল সবুজে থাকাকালে অনেক যাত্রাপ্যান্ডেলে নিয়ে গিয়েছি। তিনি অখণ্ড মনোযোগ দিয়ে যাত্রাপালা দেখতেন এবং অভিনয় শেষে যাত্রাদল মালিক ও শিল্পীকুশলীদের উদ্দেশে বলতেন-‘চালিয়ে যান, চালিয়ে যান। এ ধরনের অভিনয় ও সংলাপ বাংলাদেশের প্রাণ। আপনারাই তো খাঁটি শিল্পী, আপনারাই তো দেশটাকে জাগাবেন।’ তিনি রংপুরের মানুষ। রংপুরের সাহিত্য সংস্কৃতি নিয়ে কথা বলতে গর্ববোধ করতেন। অবিভক্ত বাংলায় বাংলাভাষার প্রথম পত্রিকা ‘রংপুরের বার্তাবহ’ যে রংপুর থেকে প্রকাশিত হয়েছিল, এ তথ্যটি তিনি আমাদের জানান। আরও জানান, রংপুরেই জন্মগ্রহণ করেন বিখ্যাত নাট্যকার, ‘ছেঁড়াতার’ ও ‘দুঃখির ঈমান’ নাটকের রচয়িতা তুলসী লাহিড়ী। সেই ইংরেজ আমলে কলকাতা থেকে রংপুরে এসেছিলেন নাট্যাচার্য শিশির কুমার ভাদুড়ী এবং ফিরে যাওয়ার সময় এ তকমাটিও দিয়ে যান-রংপুর হচ্ছে নাটকের দেশ। এমনই আরও কত কথা কত গল্প যে তিনি আমাদের শোনাতেন!

রফিকুল হক দাদুভাইয়ের অনেক স্মৃতিকথা, অনেক ইতিহাস আজকের তরুণ প্রজন্মের কাছে অজানা। দুই একটি এখানে উল্লেখ করছি, ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর চিকিৎসার জন্য ওই বছরেই তিনি আবার লন্ডন যান। সেখান থেকে ফিরে আসার সময় দৈনিক পূর্বদেশের বিশেষ সংখ্যার প্রথম পাতায় একটি মিষ্টি মধুর কবিতা লিখেছিলেন দাদুভাই। শিরোনাম- ‘ফিরে আইস বন্ধু।’ আবেগ উচ্ছ্বাসে, শব্দ চয়ন ও বিন্যাসে কবিতাটি সেই সময়ে সর্বমহলে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। তিনি ছিলেন প্রাণখোলা ও হাসি হুল্লোড়ে মেতে থাকা মানুষ। শুষ্ক, প্রাণহীন, নিরস মুহূর্তগুলো তার আগমনে সরস ও প্রাণবন্ত হয়ে উঠত। ছন্দে-ছন্দে, ছড়ায়-ছড়ায় তিনি পরিবেশকে আনন্দমুখর করে রাখতেন। একটি ঘটনার কথা মনে পড়ে। শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠান হবে। অন্যতম অতিথি আমাদের দাদুভাই। কিন্তু তিনি গিয়ে দেখেন হলে লোকজন তেমন নেই। শুধু আয়োজকদের ক’জন দাঁড়িয়ে। ব্যাপারটা কী? দাদুভাই জানতে পারলেন অনুষ্ঠানের জন্য হল বরাদ্দ দিয়েও একাডেমি কর্তৃপক্ষ আবার তা বাতিল করেছে। তিনি তখন উদ্যোক্তাদের বললেন, ‘শিল্পকলা একাডেমি বাতিল করেছে? তাহলে শিল্পকলা না বলে ওকে সাগরকলা বানিয়ে দাও।’ হাসতে হাসতে সবার পেটে খিল পড়ার মতো অবস্থা। আমি লক্ষ করতাম তার ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ, হাস্য পরিহাস শুধু হালকা রঙ্গরসের খোরাক জোগাত না। ওর মধ্যে বেরিয়ে আসত দেশ ও জাতির বর্তমান দৃশ্যপট এবং কিছু কিছু মানুষের নৈতিক অবক্ষয়ের চিত্র। দৈনিক যুগান্তরের বিচ্ছু ম্যাগাজিনে তিনি যে ‘কুট্টুস’ লিখতেন, তাতে এ সত্যতার পরিচয় মেলে। তিনি প্রায়ই বলতেন, ‘বঙ্গবন্ধু সোনার বাংলাদেশ গড়ার জন্য আমৃত্যু জেল-জুলুম সহ্য করেছেন, কিন্তু তার সেই সোনার বাংলা এখন কই? শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার মতো তেমন লোক কই? ঘুণ ধরে গেছে ভাই, দেশের সব জায়গায় ঘুণ ধরে গেছে।’

সবশেষে বলব, রফিকুল হক দাদুভাইয়ের সঙ্গে যারা মিশেছেন, কথা বলেছেন, তারা আমার সঙ্গে একমত হবেন যে, এমন সুন্দর সতেজ সংবেদনশীল বাঙালি মন এ সমাজে খুব বেশি খুঁজে পাওয়া যাবে না। আপন মহিমায় সৃজনশীলতায় মানুষের মনে চিরঞ্জীব হয়ে থাকবেন আমাদের দাদুভাই।

মিলন কান্তি দে : যাত্রাব্যক্তিত্ব

ছন্দে ছন্দে ছড়ায় ছড়ায় আসর মাতাতেন তিনি

 মিলন কান্তি দে 
১৭ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

‘দাদুভাই নেই’-সত্য হলেও প্রথমে এটা মেনে নিতে কষ্ট হয়েছিল আমার। কারণ আমাদের বন্ধুত্ব ছিল খুবই গভীর। গল্পে আড্ডায় আলোচনায় দুজনের মধ্যে খুনসুটি লেগেই থাকত। সব খবরই রাখতাম। করোনাভাইরাসে দুবার আক্রান্ত হয়েছিলেন। তারপর এ মহামারি থেকে মুক্তি পেলেও বয়সের ধাক্কা আর সামলাতে পারেননি। বাসায় বিছানায় পড়েছিলেন প্রায় ছয় মাস। এর মধ্যে বহু চেষ্টা করে মুঠোফোনে একবার মাত্র একটু কথা বলতে পেরেছি। অন্য প্রান্ত থেকে ভেসে এলো কয়েকটি শব্দ-‘এখন আর ফোন করো না, অসুবিধায় আছি। দোয়া করো আমার জন্য।’ মূক ও বধির হয়ে গেলাম। পুরো শরীর যেন অবশ হয়ে গেল। এরপর থেকে প্রায় প্রতিদিনই দৈনিক যুগান্তরে খোঁজখবর নিতাম-‘দাদুভাইয়ের খবর কী?’ সবচেয়ে অস্বস্তিকর ও মর্মান্তিক শোক সংবাদটি পেলাম সেদিন রোববার দুপুরে, পার্থিব জগতের সব হিসাব-নিকাশ চুকিয়ে তিনি চিরদিনের জন্য চলে গেছেন ওই পরপারে। ৮৫ বছরের মৃত্যু-অসময় কিংবা অপরিণত নয় অবশ্যই, কিন্তু কোনো কোনো মহিমাময় মৃত্যু আমাদের কাছে সহ্যের অতীত। তেমনই একজন অজাতশত্রু ছিলেন রফিকুল হক দাদুভাই। একাধারে বিভিন্ন গুণের অধিকারী-ছড়াকার, নাট্যকার, শিশু সংগঠক, সম্পাদক, গীতিকার, লেখক। তবে শিশুদের প্রতিভা বিকাশের জন্য ছড়া সাহিত্যে তিনি যে অবদান রেখে গেছেন তার তুলনা তিনি নিজেই।

১৯৭৩ সালে, এখন থেকে ৪৮ বছর আগে দাদুভাইয়ের সঙ্গে আমার প্রথম সাক্ষাৎ। আমি সবেমাত্র অধুনালুপ্ত সাপ্তাহিক চিত্রালীতে যাত্রা বিষয়ে লেখালেখি শুরু করেছি। দাদুভাই তখন দৈনিক পূর্বদেশে ‘চাঁদের হাট’ নামে একটি পাতা দেখতেন। আসা-যাওয়ার এক পর্যায়ে একদিন তার মুখোমুখি হলাম। আমার পরিচয়, ঠিকুজি বিস্তারিত জানার পর তিনি আমাকে ধরে বলতে গেলে ঠেলতে ঠেলতে নিয়ে গেলেন ডি এ রশীদের কক্ষে। রশীদ সাহেব তখন দৈনিক পূর্বদেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের একজন (পত্রিকায় কোন দায়িত্বে ছিলেন, এ বয়সে ঠিক মনে পড়ছে না)। হো হো করে হাসতে হাসতে বলতে লাগলেন-দাদুভাই, এই যে পেয়েছি একজন খাঁটি মানুষ। যাত্রাওয়ালা, যাত্রাদলে অভিনয় করে, রাজা-বাদশাহ সেজে গ্রামবাংলার মানুষকে যারা জাগিয়ে তুলছেন, তাদেরই একজন প্রতিনিধি। সেই পরিচয় কালে কালে আরও নিবিড় হয়েছে। কে কোথায় আছি আমরা, সব সময় খোঁজখবর রাখতাম। তিনি দৈনিক জনতা, দৈনিক রূপালী, দৈনিক লাল সবুজে থাকাকালে অনেক যাত্রাপ্যান্ডেলে নিয়ে গিয়েছি। তিনি অখণ্ড মনোযোগ দিয়ে যাত্রাপালা দেখতেন এবং অভিনয় শেষে যাত্রাদল মালিক ও শিল্পীকুশলীদের উদ্দেশে বলতেন-‘চালিয়ে যান, চালিয়ে যান। এ ধরনের অভিনয় ও সংলাপ বাংলাদেশের প্রাণ। আপনারাই তো খাঁটি শিল্পী, আপনারাই তো দেশটাকে জাগাবেন।’ তিনি রংপুরের মানুষ। রংপুরের সাহিত্য সংস্কৃতি নিয়ে কথা বলতে গর্ববোধ করতেন। অবিভক্ত বাংলায় বাংলাভাষার প্রথম পত্রিকা ‘রংপুরের বার্তাবহ’ যে রংপুর থেকে প্রকাশিত হয়েছিল, এ তথ্যটি তিনি আমাদের জানান। আরও জানান, রংপুরেই জন্মগ্রহণ করেন বিখ্যাত নাট্যকার, ‘ছেঁড়াতার’ ও ‘দুঃখির ঈমান’ নাটকের রচয়িতা তুলসী লাহিড়ী। সেই ইংরেজ আমলে কলকাতা থেকে রংপুরে এসেছিলেন নাট্যাচার্য শিশির কুমার ভাদুড়ী এবং ফিরে যাওয়ার সময় এ তকমাটিও দিয়ে যান-রংপুর হচ্ছে নাটকের দেশ। এমনই আরও কত কথা কত গল্প যে তিনি আমাদের শোনাতেন!

রফিকুল হক দাদুভাইয়ের অনেক স্মৃতিকথা, অনেক ইতিহাস আজকের তরুণ প্রজন্মের কাছে অজানা। দুই একটি এখানে উল্লেখ করছি, ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর চিকিৎসার জন্য ওই বছরেই তিনি আবার লন্ডন যান। সেখান থেকে ফিরে আসার সময় দৈনিক পূর্বদেশের বিশেষ সংখ্যার প্রথম পাতায় একটি মিষ্টি মধুর কবিতা লিখেছিলেন দাদুভাই। শিরোনাম- ‘ফিরে আইস বন্ধু।’ আবেগ উচ্ছ্বাসে, শব্দ চয়ন ও বিন্যাসে কবিতাটি সেই সময়ে সর্বমহলে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। তিনি ছিলেন প্রাণখোলা ও হাসি হুল্লোড়ে মেতে থাকা মানুষ। শুষ্ক, প্রাণহীন, নিরস মুহূর্তগুলো তার আগমনে সরস ও প্রাণবন্ত হয়ে উঠত। ছন্দে-ছন্দে, ছড়ায়-ছড়ায় তিনি পরিবেশকে আনন্দমুখর করে রাখতেন। একটি ঘটনার কথা মনে পড়ে। শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠান হবে। অন্যতম অতিথি আমাদের দাদুভাই। কিন্তু তিনি গিয়ে দেখেন হলে লোকজন তেমন নেই। শুধু আয়োজকদের ক’জন দাঁড়িয়ে। ব্যাপারটা কী? দাদুভাই জানতে পারলেন অনুষ্ঠানের জন্য হল বরাদ্দ দিয়েও একাডেমি কর্তৃপক্ষ আবার তা বাতিল করেছে। তিনি তখন উদ্যোক্তাদের বললেন, ‘শিল্পকলা একাডেমি বাতিল করেছে? তাহলে শিল্পকলা না বলে ওকে সাগরকলা বানিয়ে দাও।’ হাসতে হাসতে সবার পেটে খিল পড়ার মতো অবস্থা। আমি লক্ষ করতাম তার ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ, হাস্য পরিহাস শুধু হালকা রঙ্গরসের খোরাক জোগাত না। ওর মধ্যে বেরিয়ে আসত দেশ ও জাতির বর্তমান দৃশ্যপট এবং কিছু কিছু মানুষের নৈতিক অবক্ষয়ের চিত্র। দৈনিক যুগান্তরের বিচ্ছু ম্যাগাজিনে তিনি যে ‘কুট্টুস’ লিখতেন, তাতে এ সত্যতার পরিচয় মেলে। তিনি প্রায়ই বলতেন, ‘বঙ্গবন্ধু সোনার বাংলাদেশ গড়ার জন্য আমৃত্যু জেল-জুলুম সহ্য করেছেন, কিন্তু তার সেই সোনার বাংলা এখন কই? শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার মতো তেমন লোক কই? ঘুণ ধরে গেছে ভাই, দেশের সব জায়গায় ঘুণ ধরে গেছে।’

সবশেষে বলব, রফিকুল হক দাদুভাইয়ের সঙ্গে যারা মিশেছেন, কথা বলেছেন, তারা আমার সঙ্গে একমত হবেন যে, এমন সুন্দর সতেজ সংবেদনশীল বাঙালি মন এ সমাজে খুব বেশি খুঁজে পাওয়া যাবে না। আপন মহিমায় সৃজনশীলতায় মানুষের মনে চিরঞ্জীব হয়ে থাকবেন আমাদের দাদুভাই।

মিলন কান্তি দে : যাত্রাব্যক্তিত্ব

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন