প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ়তায় আশাবাদী আমরা

  এ কে এম শাহনাওয়াজ ১৫ মে ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

মতামত

ছাত্রলীগের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যখন ভাষণ দিচ্ছিলেন তখন বাংলাদেশ একটি উজ্জ্বল ইতিহাসে নিজেকে যুক্ত করতে যাচ্ছিল।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের একদিন বিলম্বিত যাত্রার কারণে এ ঐতিহাসিক ঘটনাটি ২৪ ঘণ্টা পিছিয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত ইতিহাস রচিত হল। আমরা মহাকাশে নিজেদের গর্বিত পদচারণা শুরু করলাম। একের পর এক অগ্রগতির মাইলফলক স্পর্শ করছে বাংলাদেশ। দূরদর্শিতা, দৃঢ়তা এবং সাহসী শক্তিতে লক্ষপূরণে এগিয়ে যাওয়া নেতা হিসেবে ইতিহাসে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম লেখা থাকবে বেশ ঔজ্জ্বল্য নিয়েই।

বাতির নিচে যেমন অন্ধকার থাকে আমাদের এ অগ্রযাত্রার পথটিকে টেনে পিছিয়ে নেয়ার মতো অন্ধকারও আমাদের পিছু ছাড়ছে না। সুশাসন প্রতিষ্ঠার চেষ্টা এখনও অনেকটা অধরা। রাজনৈতিক দুর্নীতির সূত্রে ব্যাংক লুট বন্ধ করা যাচ্ছে না। সড়ক দুর্ঘটনার সূচক কেবল ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে। আর শিক্ষাঙ্গন একটি বিশৃঙ্খলার আবর্তে তলিয়ে যাচ্ছে। এমন এক বাস্তবতায় আমরা যখন বিশেষ করে শিক্ষাঙ্গন ও শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে দুশ্চিন্তা এবং হতাশাগ্রস্ত ঠিক এমন এক সময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগপ্রধান শেখ হাসিনা যে বক্তব্য দিলেন তাতে সরকারের বর্তমান দৃষ্টিভঙ্গিরই প্রকাশ ঘটেছে। তার ভাষণ শুনে এ সংকট সময়ে আশাবাদী হওয়ার যথেষ্ট কারণ দেখতে পাচ্ছি।

রাজনীতিবিদদের বক্তব্যে দু’ধরনের সত্য থাকে। একটির নামকরণ রাজনীতিবিদগণই করেছেন। তাদের ভাষায় ‘রাজনৈতিক বক্তব্য’। অর্থাৎ সত্যাসত্য বিচারের দরকার নেই। রাজনৈতিক স্বার্থে অনেক কিছু বলতে হয়। অন্যটি দিকনির্দেশনা দেয়া সিদ্ধান্তমূলক বক্তব্য। ৩৪ বছর শিক্ষকতায় যুক্ত থাকা অতি সাধারণ মানুষ হিসেবে আমার মনে হয়েছে শিক্ষানীতি ও শিক্ষা সংক্রান্ত অগ্রগতি নিয়ে যেসব কথা বলা হয় তা ‘রাজনৈতিক বক্তব্যের’ ক্যাটাগরিতে পড়ে। আর ছাত্র ও শিক্ষক রাজনীতির নৈরাজ্য এবং সংকট নির্দিষ্ট করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তার তথা সরকারি নীতির কথা যেভাবে দৃঢ়তার সঙ্গে বলেছেন তাকে নিশ্চয়ই রাজনৈতিক বক্তব্য নয়- সরকারি নীতি হিসেবেই চিহ্নিত করতে পারি।

আমাদের দেশে চলমান শিক্ষানীতি বা শিক্ষা ব্যবস্থাপনা কোনো দিকনির্দেশনা দিতে পারছে না। নিুমাধ্যমিক আর মাধ্যমিক পর্যায়ে ঘন ঘন নিরীক্ষা আর নীতিনির্ধারণ শিক্ষার্থীদের গিনিপিগ বানিয়ে ছাড়ছে। বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার মতো দক্ষ শিক্ষিত জনশক্তি তৈরি করার মতো দূরদর্শী নীতি আমরা নির্ধারণ করতে পারছি বলে মনে হচ্ছে না। শিক্ষার উন্নয়নে বর্তমান সরকারের আমলে নানামুখী নীতি নির্ধারণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হচ্ছে ক্রমাগত, কিন্তু এসবের আঁতুড়ঘরেই থেকে যাচ্ছে নানা ত্রুটি। ফলে কোনো পদক্ষেপই তেমন সাফল্য আনতে পারছে না। খুব কঠিন করে মন্তব্য করতে হলে বলব, বছরের শুরুতে উৎসবমুখরভাবে শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌঁছে দেয়া ছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয় রাজনৈতিক বক্তব্য এড়িয়ে বড়মুখ করে তেমন সাফল্যের কথা বলতে পারবে বলে আমার মনে হয় না।

এমন একটি সংকটের সময়ে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘকালের দুরারোগ্য ব্যাধি ছাত্রলীগের উচ্ছৃঙ্খল আচরণ সরকারের সব সদিচ্ছা ও শুভকাজের সাফল্যে বারবার কালিমা লেপন করছে আর সাধারণ মানুষকে করে তুলছে হতাশ। জনমনে প্রশ্ন ঘুরছিল এ ভেবে যে আওয়ামী লীগের নেতানেত্রীরা সত্যিই এদের সংযত করতে চান কিনা। নাকি লাঠিয়াল হিসেবে পেতে চান। এ আশঙ্কার কারণ রয়েছে। ছাত্রলীগের ক্যাডাররা বড় রকম অন্যায় করলে- শিক্ষাঙ্গনকে উত্তপ্ত করে তুললে যখন শাসন করার পরিবর্তে নেতারা বলতেন, ‘এসব সুবোধ ছাত্রলীগ ক্যাডারদের কাজ নয় লীগের ভেতর অনুপ্রবেশকারী ভিন্ন মেরুর ছাত্রদের অপকীর্তি,’ তখন আমাদের হতাশ হতে হয়। তারা কেন বোঝেন না, এসব সংলাপ ছাত্রলীগকে নিষ্প্রভ করে দেয়। কারণ এতে তো প্রশ্ন উঠতেই পারে ছাত্রলীগ নেতারা এতই অপদার্থ যে, বিরুদ্ধ বলয়ের ছেলেরা অবলীলায় ঢুকে পড়তে পারছে এবং নৈরাজ্য করে যাচ্ছে ছাত্রলীগের ব্যাজ গায়ে এঁটে! এসব বালখিল্যসুলভ কথা যে ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষকে ক্ষুব্ধ করে তা তারা বুঝতে চান না।

আমাদের বিশ্বাস হয় না যে, ক্যাম্পাসে সাধারণ ছাত্রছাত্রীর মধ্যে ছাত্রলীগের জনপ্রিয়তা যে শূন্যের কোঠায় তা তারা বোঝেন না। বোঝেন বলেই ছাত্র সংসদের নির্বাচনের কথা মুখেও উচ্চারণ করেন না। ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানের খবর পত্রিকায় পড়তে গিয়ে জানলাম ছাত্রলীগের একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন আছে, যার নাম ‘মাতৃভূমি সাংস্কৃতিক সংসদ’। কিন্তু এ দেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো ক্যাম্পাসে কেউ এ সংসদের নাম শুনেছেন কিনা আমার সন্দেহ। কারণ ছাত্রলীগ ক্যাম্পাসে সংস্কৃতি চর্চায় ভূমিকা রাখতে পারে এ সত্য তো ক্যাম্পাসবাসী ভুলতে শুরু করেছে। বরঞ্চ ক্যাম্পাসের সাংস্কৃতিক সংগঠনের অনুষ্ঠানে হামলা করার বহু অভিযোগ আছে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনকল্যাণের নানা ক্ষেত্রে ছাত্রদের ভূমিকা রাখতে পরামর্শ দিয়েছেন। তাদের স্যাক্রিফাইস করার মনোবৃত্তি তৈরি করতে বলেছেন। কারণ তিনি নিশ্চয় খবর রাখেন ছাত্রলীগের তুর্কি তরুণরা দলীয়, ব্যক্তিক ও গোষ্ঠীস্বার্থ ছাড়া ছাত্রকল্যাণমূলক কার্যক্রমে সাধারণত অংশ নেয় না। বরঞ্চ ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ করে সাধারণ ছাত্রদের মিছিলে আসতে বাধ্য করে। হলের গেস্টরুমে নিয়ে সতীর্থ ছাত্রদের শাস্তি দিয়ে বীরত্ব জাহির করতে পছন্দ করে। কোটা আন্দোলন নিয়ে যে যত মতলবি বিতর্ক তুলুন না কেন এসব ছাত্র অধিকারের বিষয়। এখানে কেন ছাত্রলীগ দ্বিধা বিভক্ত হবে! সরকারি বা দলীয় লাঠিয়াল হতে হবে কেন! আর কিছু না পারলেও নীরব থাকতে পারত। এর বদলে লাঠি নিয়ে আন্দোলনকারী সতীর্থদের তাড়া করবে কেন? বক্তৃতার মঞ্চে ছাত্রলীগের উজ্জ্বল ইতিহাসের কথা বলা হয়। সেই সোনালি সময়ের ছাত্রলীগের সঙ্গে কি এ সময়ের ছাত্রলীগকে মেলানো যাবে?

ছাত্রলীগের এ সংকটগুলো সম্ভবত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিবেচনায় এনেছেন। ছাত্রলীগের ছেলেদের সংযত হওয়ার কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন। ভাংচুরের মতো উচ্ছৃঙ্খল আচরণ সহ্য করা হবে না বলে জানিয়েছেন। তিনি আদর্শিক রাজনীতির পথে ফিরতে বলেছেন ওদের। জানিয়েছেন আদর্শ ধারণ না করতে পারলে কোনো সংগঠনই টিকে থাকতে পারে না। ছাত্রলীগের নামের সঙ্গে যেভাবে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি আর দুর্বৃত্ত আচরণের দুর্নাম জড়িয়ে আছে তাতে সরকারের এতসব অর্জন মাঝে মাঝে ম্লান হয়ে যাচ্ছে। এমন সব বাস্তবতার সামনে দাঁড়িয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে দৃঢ় অবস্থানের কথা ঘোষণা করেছেন এর বাস্তবায়নটাই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব ছাত্রলীগকে দিনে দিনে প্রশ্রয় দিয়ে অনেকটাই লাগাম ছাড়া করে ফেলেছেন। সন্ত্রাসী বানিয়েছেন। লোভী করে তুলেছেন। ফলে এখন নাটাইয়ের সুতো গুটিয়ে আনাটা কঠিন হবে বৈকি! কিন্তু অসাধ্য তো কিছু নয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশকে যে উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার যুদ্ধে বিজয়ী বীরের ভূমিকা রাখছেন তা অবাধ্য ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হোক নিশ্চয়ই কেউ চাইবেন না। আর সময়ের দাবিতে পরিবর্তন আনতে তো হবেই। আমরা বিশ্বাস করি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শুভইচ্ছা বাস্তবায়নে সাধারণ মানুষের পূর্ণ সমর্থন থাকবে।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তৃতায় ক্যাম্পাস রাজনীতি অর্থাৎ দলীয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত শিক্ষকদেরও হিতোপদেশ দিয়েছেন। ক্যাম্পাসগুলোয় ক্ষুদ্র স্বার্থে আওয়ামী লীগ সমর্থিত শিক্ষক গ্রুপগুলোও এখন বহুধা বিভক্ত হয়ে পড়েছে। আন্তঃদলীয় কোন্দল ছড়িয়ে পড়ছে। কাদা ছোড়াছুড়ি চলছে। সম্মানিত শিক্ষকরা নিজেদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটাচ্ছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সিনেট অধিবেশন নিয়ে এমন লজ্জাজনক ঘটনা ঘটেছিল। এমন নষ্ট অপসংস্কৃতির প্রকাশ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়েও সাম্প্রতিক সময়ে ঘটেছে। নিজেদের মধ্যে লাগালাগির কারণে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি ও ডিন নির্বাচনে আওয়ামী লীগপন্থীদের ভরাডুবি হয়েছে বললে অত্যুক্তি হবে না। শিক্ষকদের এসব স্বার্থের দ্বন্দ্বের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তেমনিভাবে শিক্ষার পরিবেশও নষ্ট হচ্ছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এ সংকট সম্পর্কে অবহিত আছেন। তাই তিনি দলীয় রাজনীতিতে যুক্ত শিক্ষকদেরও সতর্ক করেছেন। আন্তঃদলীয় সংঘাত পরিহার করতে পরামর্শ নয়- বলা যায় নির্দেশই দিয়েছেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর এসব নির্দেশ বাস্তবায়নে তার দলীয় শিক্ষকরা কি তাকে সাহায্য করবেন? দলীয় প্রধানের নির্দেশের প্রতি কি সম্মান জানাতে পারবেন? আমাদের যথেষ্ট সংশয় রয়েছে।

আমরা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রাজনীতির দিকে দৃষ্টি দিতে পারি। মাস কয়েক আগে প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছায় বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের আচার্য রাষ্ট্রপতি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামকে নতুন মেয়াদে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। এটি যৌক্তিক হোক বা অযৌক্তিক, ভালো লাগুক বা মন্দ, একই দলের শিক্ষকদের দলীয় নেত্রী ও মহামান্য রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান জানানো উচিত ছিল। কিন্তু খোলস থেকে বেরোতে পারলেন না বঙ্গবন্ধুর নাম ভাঙিয়ে করা সংগঠনের শিক্ষকরা। তারা বিক্ষোভ জানালেন মহামান্য রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে। আদালতে রিট পর্যন্ত করলেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সভাপতির নির্দেশের প্রতি দলীয় শিক্ষকরা শ্রদ্ধা দেখাতে পারবেন সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। কারণ প্রধানমন্ত্রীর সতর্কবার্তার একদিন পরই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যবিরোধী বঙ্গবন্ধুর আদর্শের পোশাক পরা শিক্ষকদের গ্রুপ উপাচার্যের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের অংশ হিসেবে উপাচার্য ভবনের আঙ্গিনায় প্যান্ডেল খাটিয়ে প্রতীকী সিনেটের আয়োজন করেছেন। এ কাণ্ডটি অন্য কোনো শিক্ষক দল করলে গণতান্ত্রিক বিক্ষোভ বলে মানা গেলেও আওয়ামী লীগ সমর্থক শিক্ষক গ্রুপের কাছে অভিপ্রেত হয়নি। তারা সরাসরি তাদের নেতার সুবচনকে উপেক্ষা করেছেন। অবশ্য দলীয় বা সাধারণ শিক্ষকদের মধ্যে এর তেমন প্রভাব পড়েনি। পত্রিকার সংবাদে জানলাম, এ প্রতীকী সিনেট অধিবেশনে শিক্ষক ও অন্যান্য মিলে জনা বিশেক মানুষ উপস্থিত ছিল।

আপাতদৃষ্টিতে চলমান ছাত্র ও শিক্ষক রাজনীতির আদর্শে কোনো তফাৎ নেই। কারও মধ্যে রাজনীতির আদর্শিক দর্শন কাজ করে না। ক্ষুদ্র চাওয়া-পাওয়ার পেছনে ছুটছেন সবাই। এতে দল ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কারও কিছু যায় আসে না।

এতকিছুর পরও আমরা পরিবর্তন প্রত্যাশা করি। আমরা মনে করি পচনধরা রাজনৈতিক বাস্তবতায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শুভ পরামর্শ সংশ্লিষ্ট সবাই মান্য করবেন, এমন ভাবার কারণ নেই। প্রয়োজন শক্ত হাতে সব ক্লেদ শোধন করা। আমরা বিশ্বাস করতে চাই, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ় বক্তব্য নিষ্ফল হবে না। পরিবর্তন আনতে হলে এবং বাংলাদেশের অগ্রগতির ধারাকে বেগবান করতে হলে শক্ত হাতে সব অনর্থকারীকে সংযত করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর এ দৃঢ়তায় দেশবাসীর পূর্ণ সমর্থন থাকবে এ কথা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়।

ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ : অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

[email protected]

 

 

আরও পড়ুন

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
.