বাংলাদেশের যুব রাজনীতির পথিকৃৎ
jugantor
জন্মদিন
বাংলাদেশের যুব রাজনীতির পথিকৃৎ

  মাহবুবুর রহমান পলাশ  

০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ ফজলুল হক মনি। বাংলাদেশের যুব রাজনীতির পথিকৃৎ এ মানুষটিকে বয়সের কারণে স্বচক্ষে দেখার সৌভাগ্য হয়নি; কিন্তু যুব রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার কারণে দেশে যুব রাজনীতির পুরোধা বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতার সম্পর্কে দিন দিন জানার আগ্রহ তৈরি হয়।

১৯৩৯ সালের ৪ ডিসেম্বর টুঙ্গিপাড়ায় ঐতিহাসিক শেখ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন শেখ ফজলুল হক মনি। তার বাবা মরহুম শেখ নূরুল হক বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি এবং মা মেজ বোন আছিয়া খাতুন। ১৯৫৬ সালে ঢাকার নবকুমার থেকে ম্যাট্রিক, ১৯৫৮ সালে ঢাকার জগন্নাথ কলেজ থেকে (বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়) ইন্টারমিডিয়েট, ১৯৬০ সালে বরিশালের বিএম কলেজ থেকে বিএ এবং ১৯৬২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে এমএ এবং পরবর্তী সময়ে এলএলবি পাশ করেন। ছাত্র অবস্থায় শেখ মনি ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। ১৯৬০-৬৩ সালে তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

তিনি ১৯৬২ সালে কুখ্যাত হামদুর রহমান শিক্ষা কমিশনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়ার কারণে আটক হন এবং ছয় মাস বিনা বিচারে আটক থাকার পর মুক্তি পান। গণবিরোধী শিক্ষানীতি ও সরকারের দমন-পীড়নের প্রতিবাদে ১৯৬৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন উৎসবে তদানীন্তন গভর্নর মোনায়েম খানের হাত থেকে ডিগ্রি সার্টিফিকেট না নিয়ে আন্দালনে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য শেখ মনির এমএ ডিগ্রি কেড়ে নেওয়া হয়। কিছুদিন পর তিনি গ্রেফতার হন।

১৯৬৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত তাকে দেশরক্ষা আইনে আটক রাখা হয়। এ সময় তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মিথ্যা মামলা করা হয়। ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু প্রণীত স্বাধিকার সনদ ঐতিহাসিক ছয় দফা আন্দোলনে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জের শ্রমিক শ্রেণিকে সংগঠিত করেন শেখ ফজলুল হক মনি। বঙ্গবন্ধু তখন কারাগারে ছিলেন। ঐতিহাসিক ৭ জুনের হরতাল সফল করতে অসামান্য ভূমিকা রাখেন শেখ মনি।

এ হরতাল সফল না হলে বাঙালির মুক্তির সংগ্রাম পিছিয়ে যেত। এ কারণে পাকিস্তান সরকার তার বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি করে এবং জুলাইয়ে তাকে গ্রেফতার করে। তিনি মুক্ত হন ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান সফল হওয়ার পর। ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনের অন্যতম পরিকল্পনাকারী ছিলেন তিনি।

যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শেখ ফজলুল হক মনি। চতুর্মুখী প্রতিভাবান এক যুবনেতা। বীর মুক্তিযোদ্ধা এ নেতা একাধারে একজন সাংবাদিক, লেখক ও বাঙালি সংস্কৃতির একনিষ্ঠ ধারক। আমরা শেখ মনিকে জানি যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে ১৯৭২ সালে যুবলীগ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি এ দেশে যুব রাজনীতির সূচনা করেন। যুবলীগের প্রথম চেয়ারম্যানও শেখ ফজলুল হক মনি।

বর্তমানে প্রযুক্তির কল্যাণে গুগল ঘেঁটে চমৎকার নেতৃত্ব গুণসম্পন্ন এ যুবনেতার সম্পর্কে জেনে আশ্চর্য ও অভিভূত হই। একজন মানুষ এত গুণাবলির অধিকারী হয় কী করে! মনে মনে খুঁজতে থাকি তার সমসাময়িক রাজনীতিক কে কে আছেন। আমার ভাগ্য ভালো, পেয়ে যাই সর্বজন শ্রদ্ধেয় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য এবং আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট সৈয়দ রেজাউর রহমান স্যারকে।

একদিন স্যারের কাছে শেখ মনি ভাইয়ের কথা জানতে চাইলে উত্তরে জানতে পারি, স্যার ছিলেন মনি ভাইয়ের একান্ত সহচর। বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং পরে প্রেসিডিয়াম মেম্বার ও মুজিব বাহিনীর অন্যতম সদস্য। স্যার বললেন, মনি ভাই ছিলেন এক কথায় জিনিয়াস, বঙ্গবন্ধু মনি ভাইয়ের মেধা-মনন-সাহসিকতা দেখেই তার আপন ভাগ্নেকে তার সঙ্গে রাজনীতিতে এনেছিলেন।

বিজ্ঞ আইনজীবী রেজাউর স্যার বলেন, ঘাতকরা পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর আগে কেন মনি ভাইকে হত্যা করেছিল, তা জানো? প্রতি-উত্তরে আমি না-সূচক বাক্য উচ্চারণ করলে স্যার বলেন, চিন্তা করে দেখো; উত্তর পাবে।

আমি বাংলাদেশের যুব রাজনীতির পথিকৃৎকে নিয়ে লেখার সাহস করছি আমার মানসিক শক্তি দিয়ে; কিন্তু যত গভীরে যাচ্ছি-ভয়ও পাচ্ছি, আবার এমন একজন গুণীজন সম্পর্কে লিখতে উত্তেজনাও অনুভব করছি। আজ ৪ ডিসেম্বর যুব রাজনীতির আইকন এ নেতার জন্মদিন। যুব রাজনীতির সঙ্গে লাখো যুবক যুক্ত থাকলেও শেখ মনির সম্পর্কে আমরা অনেক কিছুই জানি না। মুক্তিযুদ্ধে গঠিত মুজিব বাহিনীর কমান্ডার ছিলেন তিনি। বিমানবাহিনী গঠনের মূল চিন্তাধারা ছিল যে মানুষটির, তিনি হলেন শেখ মনি।

তিনি ছিলেন একজন সাংবাদিক, লেখক ও বাঙালি সংস্কৃতির একনিষ্ঠ ধারক। ১৯৭২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তার সম্পাদনায় সাপ্তাহিক বাংলার বাণী পত্রিকা দৈনিকে রূপান্তরিত হয়। ১৯৭৩ সালের ২৩ আগস্ট তিনি সাপ্তাহিক সিনেমা পত্রিকা প্রকাশ করেন। ১৯৭৪ সালের ৭ জুন তার সম্পাদনায় ইংরেজি দৈনিক বাংলাদেশ টাইমস প্রকাশিত হয়। তার রচিত গল্পের সংকলন বৃত্ত ১৯৬৯ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।

সম্প্রতি সংকলনটি আবারও প্রকাশিত হয়েছে ‘গীতারায়’ নামে। এ সংকলনের ‘অবাঞ্ছিত’ গল্পটি নিয়ে টেলিফিল্মও হয়েছে। শিশু-কিশোরদের সংগঠন শাপলা কুঁড়ির আসরের তিনি প্রতিষ্ঠাতা। বাবার আদর্শে বিশ্বাসী বর্তমান চেয়ারম্যান অধ্যাপক শেখ ফজলে শামস পরশ যুবলীগের দায়িত্ব নিয়ে যুবলীগকে মানবিক যুবলীগে রূপান্তরিত করেছেন। যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাকে পেয়ে গর্বিত।

মাহবুবুর রহমান পলাশ : সহ সভাপতি, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগ

জন্মদিন

বাংলাদেশের যুব রাজনীতির পথিকৃৎ

 মাহবুবুর রহমান পলাশ 
০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ ফজলুল হক মনি। বাংলাদেশের যুব রাজনীতির পথিকৃৎ এ মানুষটিকে বয়সের কারণে স্বচক্ষে দেখার সৌভাগ্য হয়নি; কিন্তু যুব রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার কারণে দেশে যুব রাজনীতির পুরোধা বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতার সম্পর্কে দিন দিন জানার আগ্রহ তৈরি হয়।

১৯৩৯ সালের ৪ ডিসেম্বর টুঙ্গিপাড়ায় ঐতিহাসিক শেখ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন শেখ ফজলুল হক মনি। তার বাবা মরহুম শেখ নূরুল হক বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি এবং মা মেজ বোন আছিয়া খাতুন। ১৯৫৬ সালে ঢাকার নবকুমার থেকে ম্যাট্রিক, ১৯৫৮ সালে ঢাকার জগন্নাথ কলেজ থেকে (বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়) ইন্টারমিডিয়েট, ১৯৬০ সালে বরিশালের বিএম কলেজ থেকে বিএ এবং ১৯৬২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে এমএ এবং পরবর্তী সময়ে এলএলবি পাশ করেন। ছাত্র অবস্থায় শেখ মনি ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। ১৯৬০-৬৩ সালে তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

তিনি ১৯৬২ সালে কুখ্যাত হামদুর রহমান শিক্ষা কমিশনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়ার কারণে আটক হন এবং ছয় মাস বিনা বিচারে আটক থাকার পর মুক্তি পান। গণবিরোধী শিক্ষানীতি ও সরকারের দমন-পীড়নের প্রতিবাদে ১৯৬৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন উৎসবে তদানীন্তন গভর্নর মোনায়েম খানের হাত থেকে ডিগ্রি সার্টিফিকেট না নিয়ে আন্দালনে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য শেখ মনির এমএ ডিগ্রি কেড়ে নেওয়া হয়। কিছুদিন পর তিনি গ্রেফতার হন।

১৯৬৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত তাকে দেশরক্ষা আইনে আটক রাখা হয়। এ সময় তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মিথ্যা মামলা করা হয়। ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু প্রণীত স্বাধিকার সনদ ঐতিহাসিক ছয় দফা আন্দোলনে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জের শ্রমিক শ্রেণিকে সংগঠিত করেন শেখ ফজলুল হক মনি। বঙ্গবন্ধু তখন কারাগারে ছিলেন। ঐতিহাসিক ৭ জুনের হরতাল সফল করতে অসামান্য ভূমিকা রাখেন শেখ মনি।

এ হরতাল সফল না হলে বাঙালির মুক্তির সংগ্রাম পিছিয়ে যেত। এ কারণে পাকিস্তান সরকার তার বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি করে এবং জুলাইয়ে তাকে গ্রেফতার করে। তিনি মুক্ত হন ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান সফল হওয়ার পর। ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনের অন্যতম পরিকল্পনাকারী ছিলেন তিনি।

যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শেখ ফজলুল হক মনি। চতুর্মুখী প্রতিভাবান এক যুবনেতা। বীর মুক্তিযোদ্ধা এ নেতা একাধারে একজন সাংবাদিক, লেখক ও বাঙালি সংস্কৃতির একনিষ্ঠ ধারক। আমরা শেখ মনিকে জানি যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে ১৯৭২ সালে যুবলীগ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি এ দেশে যুব রাজনীতির সূচনা করেন। যুবলীগের প্রথম চেয়ারম্যানও শেখ ফজলুল হক মনি।

বর্তমানে প্রযুক্তির কল্যাণে গুগল ঘেঁটে চমৎকার নেতৃত্ব গুণসম্পন্ন এ যুবনেতার সম্পর্কে জেনে আশ্চর্য ও অভিভূত হই। একজন মানুষ এত গুণাবলির অধিকারী হয় কী করে! মনে মনে খুঁজতে থাকি তার সমসাময়িক রাজনীতিক কে কে আছেন। আমার ভাগ্য ভালো, পেয়ে যাই সর্বজন শ্রদ্ধেয় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য এবং আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট সৈয়দ রেজাউর রহমান স্যারকে।

একদিন স্যারের কাছে শেখ মনি ভাইয়ের কথা জানতে চাইলে উত্তরে জানতে পারি, স্যার ছিলেন মনি ভাইয়ের একান্ত সহচর। বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং পরে প্রেসিডিয়াম মেম্বার ও মুজিব বাহিনীর অন্যতম সদস্য। স্যার বললেন, মনি ভাই ছিলেন এক কথায় জিনিয়াস, বঙ্গবন্ধু মনি ভাইয়ের মেধা-মনন-সাহসিকতা দেখেই তার আপন ভাগ্নেকে তার সঙ্গে রাজনীতিতে এনেছিলেন।

বিজ্ঞ আইনজীবী রেজাউর স্যার বলেন, ঘাতকরা পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর আগে কেন মনি ভাইকে হত্যা করেছিল, তা জানো? প্রতি-উত্তরে আমি না-সূচক বাক্য উচ্চারণ করলে স্যার বলেন, চিন্তা করে দেখো; উত্তর পাবে।

আমি বাংলাদেশের যুব রাজনীতির পথিকৃৎকে নিয়ে লেখার সাহস করছি আমার মানসিক শক্তি দিয়ে; কিন্তু যত গভীরে যাচ্ছি-ভয়ও পাচ্ছি, আবার এমন একজন গুণীজন সম্পর্কে লিখতে উত্তেজনাও অনুভব করছি। আজ ৪ ডিসেম্বর যুব রাজনীতির আইকন এ নেতার জন্মদিন। যুব রাজনীতির সঙ্গে লাখো যুবক যুক্ত থাকলেও শেখ মনির সম্পর্কে আমরা অনেক কিছুই জানি না। মুক্তিযুদ্ধে গঠিত মুজিব বাহিনীর কমান্ডার ছিলেন তিনি। বিমানবাহিনী গঠনের মূল চিন্তাধারা ছিল যে মানুষটির, তিনি হলেন শেখ মনি।

তিনি ছিলেন একজন সাংবাদিক, লেখক ও বাঙালি সংস্কৃতির একনিষ্ঠ ধারক। ১৯৭২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তার সম্পাদনায় সাপ্তাহিক বাংলার বাণী পত্রিকা দৈনিকে রূপান্তরিত হয়। ১৯৭৩ সালের ২৩ আগস্ট তিনি সাপ্তাহিক সিনেমা পত্রিকা প্রকাশ করেন। ১৯৭৪ সালের ৭ জুন তার সম্পাদনায় ইংরেজি দৈনিক বাংলাদেশ টাইমস প্রকাশিত হয়। তার রচিত গল্পের সংকলন বৃত্ত ১৯৬৯ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।

সম্প্রতি সংকলনটি আবারও প্রকাশিত হয়েছে ‘গীতারায়’ নামে। এ সংকলনের ‘অবাঞ্ছিত’ গল্পটি নিয়ে টেলিফিল্মও হয়েছে। শিশু-কিশোরদের সংগঠন শাপলা কুঁড়ির আসরের তিনি প্রতিষ্ঠাতা। বাবার আদর্শে বিশ্বাসী বর্তমান চেয়ারম্যান অধ্যাপক শেখ ফজলে শামস পরশ যুবলীগের দায়িত্ব নিয়ে যুবলীগকে মানবিক যুবলীগে রূপান্তরিত করেছেন। যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাকে পেয়ে গর্বিত।

মাহবুবুর রহমান পলাশ : সহ সভাপতি, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগ

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন