দেবাশীষের মৃত্যু অনেক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে

  একেএম শাহনাওয়াজ ২২ মে ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ড. একেএম শাহনাওয়াজ

যেসব সচেতন মানুষ বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান চালচিত্র দেখে ও শুনে বিষণ্ণবোধ করেন, তারা যদি আমাদের মতো ভেতরটা গভীরভাবে দেখতে পেতেন তবে হতাশায় নিমজ্জিত হতেন। আসলে এ অঞ্চলে যা ঘটছে তা বিপন্ন করছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্যকে।

বিশ্ববিদ্যালয় যেখানে জ্ঞানচর্চা ও জ্ঞানসৃষ্টির সাধন কেন্দ্র, সেখানে নানা অনাচার নিষ্প্রভ করে দিচ্ছে সবকিছু। বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈশ্বিক ধারণার বিপরীতে চলছে বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। বিশ্ববিদ্যালয়কে বলা হয় মুক্তচিন্তা চর্চার সূতিকাগার। এখানে চলবে জ্ঞানচর্চা এবং এর শক্তিতে সৃষ্টি হবে নতুন নতুন জ্ঞান। তাই বিশ্বের নানা অঞ্চলে নতুন নতুন আবিষ্কার ও উদ্ভাবনে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদেরই কৃতিত্ব দেখা যায়। পাশে থাকে মেধাবী শিক্ষার্থীরা।

বাংলাদেশের গুণী অধ্যাপকদের নাম যে শোনা যায় না তেমন নয়। তবে অধিকাংশই যখন দেশের বাইরের বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা করেন এবং গুণের স্বীকৃতি পান, তখন প্রতিভার পরিচয় মেলে। আজ এমন এক বিপর্যস্ত অবস্থায় এসে আমরা দাঁড়িয়েছি যে, বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বিশ্ব রেটিংয়ের তলানিতেও যেন জায়গা করে নিতে পারছে না। আন্তর্জাতিক অঙ্গনের কথা বাদ দিলেও জাতীয় প্রয়োজনে যে মেধাবী জনশক্তি তৈরি হবে, সেই ভরসাও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে করা যাচ্ছে না।

এরপরও যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় মেধাবী ও সৃজনশীল ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকের অবস্থান নেই তেমন নয়। কিন্তু তাদের পরিমার্জন করবে কে? তারা প্রণোদনা পাবেন কোথা থেকে? দলমতের ঊর্ধ্বে ওঠে প্রতিভাবান গুণীকে কি সম্মান দেয়া হয় এ সমাজে? রাজনীতিকরণের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন মুক্তচিন্তার মেধাবী শিক্ষক ও শিক্ষার্থী কোণঠাসা হয়ে আছেন। আর দাবড়ে বেড়াচ্ছেন রাজনৈতিক লেবাসধারীরা। জ্ঞানচর্চা ও জ্ঞানসৃষ্টির সুসংবাদ তেমন না পাওয়া গেলেও নানা অপকীর্তির খবর গণমাধ্যমে পাওয়া যায়।

এতে ধীরে ধীরে ভূলুণ্ঠিত হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মান। এমন বাস্তবতায় বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসম্মত শিক্ষার কাঠামো বজায় থাকার কথা নয়। অপরাজনীতির অন্ধকার বিশ্ববিদ্যালয়, বিশেষ করে প্রশাসনের নিয়ন্ত্রকদের যেভাবে কলুষিত করছে, এর সাম্প্রতিক মর্মান্তিক ঘটনা পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র দেবাশীষ মণ্ডলের আত্মহত্যা।

পত্রিকার সংবাদে যেটুকু জানা গেছে, এর সারসংক্ষেপ হচ্ছে- ভালো ফল করা দেবাশীষের স্বপ্ন ছিল নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়ার। লক্ষ্যপূরণের কাছাকাছি চলে এসেছিলেন। শুধু ফলই ভালো করেছেন তা নয়, গবেষণায়ও যুক্ত ছিলেন। মেধাবী ও অনুসন্ধিৎসু ছাত্রছাত্রীদের গবেষক শিক্ষকরা নিজ গবেষণায় ব্যক্তিগতভাবে সহকারী হিসেবে যুক্ত করে নেন।

পৃথিবীজুড়েই বিশ্ববিদ্যালয়ের এটি স্বাভাবিক চিত্র। তেমন যোগ্যতা ছিল বলেই দেবাশীষ নিজ শিক্ষকদের সঙ্গে গবেষণায় যুক্ত ছিলেন বলে পত্রিকার ভাষ্যে জানা যায়। তাছাড়া এ হতভাগ্য ছেলেটি নিজ যোগ্যতার কারণেই কুষ্টিয়া শহরে রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয় নামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন।

এরপরের অভিযোগটি মারাত্মক। আমরা বহুদিন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনৈতিক বিবেচনার পাশাপাশি নিয়োগ বাণিজ্যের কথা শুনে আসছি। কিন্তু একে সত্য বা ভুল প্রমাণ করার জন্য সরকার বা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন কখনও দায়িত্ব নিয়ে এগিয়ে আসেনি। বড় কোনো তদন্ত পরিচালিত হয়নি।

নিহত দেবাশীষের দরিদ্র পরিবার জানিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি হওয়ার পূর্বশর্ত ছিল ১০ লাখ টাকা ঘুষ প্রদান করা। পরে তা বেড়ে ১৫ লাখে দাঁড়ায়। পরিবার জমিজমা বিক্রি করে জোগাড় করে টাকা। পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আত্মঘাতী দেবাশীষ নিজেই জানিয়েছিল স্বয়ং ভিসি নাকি এ অর্থবাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত। অবশ্য এমন মারাত্মক অভিযোগ প্রমাণ ছাড়া আমরা গ্রহণ করতে চাই না। তবে দেবাশীষের মনঃকষ্ট আমি নিজেকে দিয়ে কিছুটা অনুভব করতে পারি। সাড়ে তিন দশক আগে আমারও স্বপ্ন ছিল নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়া।

এ লক্ষ্যে পড়াশোনা করে উজ্জ্বল সার্টিফিকেটেরও অধিকারী হয়েছিলাম। অনেক ভালো ভালো চাকরির সুযোগ থাকলেও তা গ্রহণ করিনি। শিক্ষক হওয়াটাই ছিল আরাধ্য। ভাগ্যিস সে যুগে এ সময়ের মতো নষ্ট রাজনীতিকরণ শুরু হয়নি বিশ্ববিদ্যালয়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন তথা ভিসিরা তখন দায়বদ্ধ ছিলেন না সরকারি তদবির বা নেতানেত্রীদের আদেশ মান্য করতে। নিয়োগ বাণিজ্য অচেনা বস্তু ছিল। না হলে আমার মতো রাজনীতিবিচ্ছিন্ন মুক্তচিন্তার ছাত্র কবে বানের জলে ভেসে যেতাম। শিক্ষক হওয়ার অলীক স্বপ্নটুকু থেকে যেত।

তেমনটি হলে আমার যে মর্মযাতনা হতো- দেবাশীষের কি এর চেয়ে কম কিছু হয়েছে? উপরন্তু গরিব বাবার জমি বিক্রি করেও শেষে স্বপ্নপূরণ সম্ভব হল না- এ যাতনা তো শতগুণ বেশি। এরপরও বলব, মনের দিক থেকে অনেক উঁচুতে ছিলেন দেবাশীষ, তাই সুইসাইড নোটে কাউকে দায়ী করে যাননি।

অবশ্য কোনো অভিযোগকেই শেষ সত্য বলে সিদ্ধান্ত নেয়া যায় না। নিয়োগ বাণিজ্য নিয়ে পবিপ্রবি’র প্রশাসন ও ভিসির বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে, সঠিক তদন্ত ছাড়া কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছা অন্যায় হবে। সে পর্যন্ত নিশ্চয়ই অপেক্ষা করতে হবে সবাইকে।

পত্রিকায় দেখলাম, ভিসি দুঃখ প্রকাশ করে বলেছেন দেবাশীষের এভাবে আত্মঘাতী হওয়া উচিত হয়নি। সামনে আরও শিক্ষক নিয়োগ হবে। তখন ওকে শিক্ষক করা হতো। তাহলে তো বিশ্বাস করা যায়, দেবাশীষ শিক্ষক হওয়ার যোগ্য ছিলেন। আমি জানি, এ পর্যন্ত এসে অনেক পাঠকেরই জানতে ইচ্ছে হবে দেবাশীষের বদলে যে প্রার্থী নিয়োগের জন্য সুপারিশ পেয়েছেন তার একাডেমিক যোগ্যতা কত বেশি উচ্চতায় ছিল। অবশ্য এসব প্রশ্নের জবাব থাকে প্রশাসনের কাছে। যেমন একটি জাতীয় পত্রিকার রিপোর্টে দেখলাম ভিসি বলেছেন, ‘চাকরির একটি নিয়োগ বোর্ড থাকে। আমি চাইলেও কাউকে একা নিয়োগ দিতে পারি না।’ কথাটি সত্য। কিন্তু ভেতরের সত্যটি আরও কঠিন।

১৯৭৩-এর অধ্যাদেশের আওতায় পাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতন্ত্র যেমন গণতন্ত্র নয়- বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ বোর্ডও তেমন নিয়োগ বোর্ড নয়। কথাটি খোলাসা করি। অধ্যাদেশের আওতায় নানা ক্যাটাগরিতে নির্বাচন হয় বটে কিন্তু তাতে নানা কৌশল কাজ করে। এ কারণে নিজেদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ ঝগড়াঝাঁটি না থাকলে সরকার পক্ষই জিতে যায়। এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ প্রশাসন-পরিচালক অর্থাৎ ভিসি নির্বাচন সরকারি রাজনৈতিক ইচ্ছাতেই হয়। অবৈধ বলা হয় না যখন সিনেট কর্তৃক প্যানেল নির্বাচন হয়। সেখানেই বা কতটুকু গণতন্ত্র থাকে?

সিনেটের ছক এমনভাবে কাটা থাকে যে, শুধু নির্বাচন নয়- নানা কোটা থেকে সদস্য যুক্ত হন। সেখানে সাধারণত সরকারি ইচ্ছারই প্রতিফলন ঘটে। এজন্য শিক্ষক নিয়োগ অনেকের ভাষায় এখন ভোটার নিয়োগে পর্যবসিত হয়েছে। নিজ এবং দলীয় স্বার্থ রক্ষার জন্য কমবেশি সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসিরা সতর্কতার সঙ্গে নিয়োগ বোর্ড গঠন করেন। বোর্ডের সদস্য তেমন হওয়া চাই, যারা প্রশাসনের ইচ্ছাকে সমর্থন দেবেন। এরপরও মাঝেমধ্যে নিয়োগ বোর্ডের কোনো কোনো শিক্ষক যে নিজ ব্যক্তিত্ব ও বিবেকের কারণে ভিন্নমত উত্থাপন করেন না তা নয়।

এতে বিশেষ লাভ হয় বলে মনে হয় না। আমার অনেক সহকর্মী এর বাস্তব উদাহরণ হিসেবে মাঝেমধ্যে আমাকে টেনে আনেন। প্রায় ৩৪ বছর শিক্ষকতা করেছি। এর মধ্যে দেশের রাজনীতিতে এরশাদ, বিএনপি ও আওয়ামী লীগের শাসন আমল পার করেছি বারকয়েক। কোনো আমলেই নিজ বা অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ বোর্ডের অভ্যন্তরীণ অথবা বহিস্থ সদস্য হিসেবে আমার নাম প্রস্তাবিত হয়নি। অথচ আমার ছাত্র, তস্য ছাত্ররা বোর্ডগুলোর সদস্য হয়ে আসছেন।

কারণ একটিই, তা হচ্ছে নষ্ট রাজনীতির সঙ্গে নিজেকে কখনও জড়াইনি, যা সত্য তা-ই বলার চেষ্টা করেছি। ফলে নিয়োগ বোর্ডে আমার মতো দুরাচারের উপস্থিতি বর্তমান ধারার কোনো ভিসিরই কাম্য হতে পারে না। এ কারণেই বলছি, নিয়োগ নিয়ে কোনো সংকট হলে নিয়োগদাতারা যখন নির্বাচন বোর্ডের কথা বলে দায় এড়ান, তা বর্তমান বাস্তবতায় একেবারেই আত্মরক্ষার দুর্বল চেষ্টা বলা যেতে পারে। কথার শেষ অস্ত্র তো থাকেই- ‘ভালো ফল আছে বটে তবে ভাইভাতে ভালো করেনি।’

এক দশক ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগে রাজনৈতিক বিবেচনা ছাড়াও অর্থ বাণিজ্যের কথা চলে আসছে। গত বছর বা আগের বছর সম্ভবত টিআইবি’র রিপোর্টে বলা হয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হতে হলে ১০ লাখ থেকে ২০ লাখ টাকা ঘুষ লাগে। ক্যাম্পাসের ভেতরেও এমন নানা কথা আমরা শুনি। সাধারণভাবে এসব প্রমাণ করা সহজ নয়।

যারা অর্থের বিনিময়ে চাকরি বা শিক্ষকতা পান তারা সাধারণত মুখ খুলেন না। যারা পান না তারা অমন সত্য কখনও কখনও প্রকাশ করেন। কিন্তু এসব অভিযোগ প্রমাণ করার উপায় কী? তবে গুণমান ও নানা বিবেচনায় আজকাল নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের অনেকেই আমাদের হতাশ করছে।

এ সত্য মানতে হবে, এমন গোলমেলে বাস্তবতা এদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সম্মানসূচককে ক্রমে নিুগামী করছে। যেহেতু সব ক্ষমতাই রাষ্ট্রীয় বিধায়কদের হাতে কুক্ষিগত, তাই ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে হলে তাদেরই আগে ঘুরে দাঁড়াতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মান সমুন্নত থাকলেই সম্ভব মানসম্মত শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ ফিরে পাওয়া। আমি দৃঢ়ভাবে মনে করি, সব বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অন্যায় ও দুর্নীতির অভিযোগের সত্যাসত্য নিরূপণ জরুরি। এজন্য প্রয়োজন নিরপেক্ষ বিচারবিভাগীয় তদন্ত।

অন্তত শিক্ষক নিয়োগ কতটা স্বচ্ছ হয়, তা বোঝার জন্য প্রাথমিকভাবে প্রতিটি নিয়োগ বোর্ডকে পরীক্ষা করা যেতে পারে- অন্তত রাজনৈতিক বিবেচনা কতটা কাজ করেছে তা বোঝার জন্য। অতঃপর অন্তত ১০ বছরে নিয়োগের জন্য আবেদনকারীদের কাগজপত্র পরীক্ষা করা যেতে পারে। তাতে করে প্রাথমিক ধারণা চলে আসবে নিয়োগে মেধা, অর্থ না রাজনৈতিক বিবেচনা কোনটির প্রভাব বেশি ছিল।

যদি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভেতরগত অসুস্থতার খোলনলচে বদলানো না যায়, তবে বিশ্ববিদ্যালয় সম্মান নিয়ে দাঁড়াতে পারবে না। দুর্বল ব্যবস্থাপনার কারণে আর যোগ্য মেধাবী শিক্ষকের অভাবে শিক্ষার মান ক্রমে নিুমুখী হবে। মেধাবী দক্ষ জনশক্তি যদি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে না বেরোতে পারে, তবে মধ্যম আয়ের দেশ, অতঃপর উন্নত বিশ্বের কাতারে আমাদের পৌঁছানো কি খুব সহজ হবে?

দেশের উন্নয়নের সূচকের সঙ্গে কি একটি দেশের উচ্চশিক্ষাঙ্গনের ঔজ্জ্বল্য গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক নয়? সবকিছুকে ক্ষমতাসীনদের রাজনীতির বলয়বন্দি করে রাখা দেশপ্রেমিকতার পরিচায়ক নয়। যদি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় একটি সুস্থ-স্বচ্ছ বিধি-ব্যবস্থা জারি থাকত, তাহলে কি দেবাশীষ মণ্ডলের মতো মেধাবী ছাত্রকে আত্মহননের পথে যেতে হতো? এ কথা বিশ্বাসে রাখতে হবে- সুস্থ পরিবেশ, দলীয় রাজনীতির বলয়মুক্তি, শিক্ষা গবেষণার জন্য যোগ্য অবকাঠামো আর মেধাবী শিক্ষক ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলো জ্ঞানচর্চা আর জ্ঞানসৃষ্টির পীঠস্থান হতে পারবে না।

ড. একেএম শাহনাওয়াজ : অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

[email protected]

 

 

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
bestelectronics

 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
.