মা-অন্তপ্রাণ এক নেতার কথা
jugantor
মা-অন্তপ্রাণ এক নেতার কথা

  বিমল সরকার  

১৪ মে ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ইংরেজিতে একটি কথা আছে-‘উই লিভ ইন ডিড্স, নট ইন ইয়ারস’। আমরা বেঁচে থাকি আমাদের কাজের মধ্য দিয়ে, কতদিন বাঁচলাম এ পৃথিবীতে, বয়সের সেই পরিসংখ্যান দিয়ে নয়। মানুষের জীবনের অনিত্যতা-নিত্যতা নিয়ে সংস্কৃতে সুন্দর একটি শ্লোক আছে, যার মর্মার্থ হচ্ছে : চিত্ত চঞ্চল; বিত্তও তা-ই। আজ যে আমির, কাল সে ফকির। জীবন-যৌবন কিছুই চিরস্থায়ী নয়-সবই ক্ষণস্থায়ী। যিনি কীর্তিমান শুধু তারই মরণ নেই। তিনি থাকেন মানুষের মনের মন্দিরে চিরজীবী হয়ে।

বাঙালিকুলগৌরব ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মাতৃভক্তি নিয়ে অনেক গল্প প্রচলিত আছে। মায়ের আদেশ পালনে কলেজের চাকরিকে উপেক্ষা করে ভরা বর্ষায় রাতের আঁধারে সাঁতরিয়ে খরস্রোতা দামোদর নদ পার হয়ে বীরসিংহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছে ‘মা, মা আমি এসেছি ...।’

এ গল্পের কথা ঘরে ঘরে উচ্চারিত হয়। বাঙালিসহ এমন মা-অন্তপ্রাণ আরও অনেকের জীবন ঘিরে প্রচলিত আছে নানা গল্প ও কাহিনি। এমনই এক ব্যক্তিত্ব ভারতের একসময়কার রেলমন্ত্রী ও পরবর্তীকালে প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী। তার মতো সাত্ত্বিক, কর্মনিষ্ঠ ও পূতচরিত্র রাজনীতিতে বিরল। উপমহাদেশ ভাগের পর জওহরলাল নেহেরুর মন্ত্রিসভায় লালবাহাদুর শাস্ত্রী পাঁচ বছর (১৯৫২-১৯৫৬) ছিলেন রেলমন্ত্রী।

একটি মর্মান্তিক রেল-দুর্ঘটনার পর এর দায় স্বীকার করে কোনোরকম কালক্ষেপণ না করে তিনি পদত্যাগ করেন। ভারতে স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত (১৯৪৭-২০২২) পঁচাত্তর বছরে মোট অন্তত ৪০ ব্যক্তি গুরুত্বপূর্ণ রেল মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন বা করে চলেছেন। তাদের মধ্যে দীনেশ ত্রিবেদীসহ (২০১১-২০১২) নানা পরিস্থিতিতে আরও দুই-তিনজন রেলমন্ত্রী দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করলেও লালবাহাদুর শাস্ত্রীর নামটি এক্ষেত্রে ভারতসহ বিভিন্ন দেশের মানুষের কাছে বিশেষ স্মরণীয় হয়ে আছে।

জওহরলাল নেহেরুর মৃত্যুর পর দেশের দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রীর (১৯৬৪-১৯৬৬) দায়িত্বভার বর্তায় লালবাহাদুর শাস্ত্রীর ওপর। ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে ঐতিহাসিক ‘তাসখন্দ চুক্তি’ স্বাক্ষরের কয়েক ঘণ্টা পর তাসখন্দেই (বর্তমানে উজবেকিস্তানের রাজধানী) তিনি আকস্মিক মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

মহৎপ্রাণ লালবাহাদুর শাস্ত্রীকে নিয়ে অনেক সত্য ঘটনা এখনো মানুষের মুখে মুখে ফেরে। এমনই একটি ঘটনা উল্লেখ করতে চাই। শাস্ত্রী তখন রেলমন্ত্রী। মন্ত্রী হিসাবে তিনি কোনো প্রটোকল নিতেন না। সাধারণ নাগরিকের মতোই প্যাসেঞ্জার ট্রেনে বাড়ি এসে মাকে দেখেই আবার চলে যেতেন দিল্লি।

একদিন মা জিজ্ঞেস করলেন, ‘দিল্লিতে তুই কী করিস?’ জবাবে তিনি বললেন, ‘রেলে ছোট্ট একটা কাজ করি।’ মা পাল্টা প্রশ্ন করে বললেন, ‘তুই প্রতিদিন বাড়ি আসিস না কেন?’ লাল উত্তর দিলেন, ‘ছুটি পাই না, তাই আসতে পারি না।’ এবার মা বললেন, ‘ঠিক আছে, ছুটি না পেলে আসার দরকার নেই। আমি গিয়েই তোকে দেখে আসবো। কেমন করে যাবো শুধু তাই বল।’ শাস্ত্রীজি বললেন, ‘তুমি এখান থেকে ট্রেনে উঠে দিল্লি স্টেশনে নামবে। তারপর স্টেশনমাস্টারের কাছে গিয়ে বললেই তিনি আমাকে ডেকে দেবেন।’

পরের সপ্তাহে ছেলের পছন্দের নানা খাবার বানিয়ে দিল্লি যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হলেন মা। তিনি জানতেন না দিল্লির গাড়ি কখন আসে এবং কখন ছেড়ে যায়। তাই নিজের সুবিধামতো বাড়ি থেকে বের হয়ে স্টেশনে পৌঁছেই দেখলেন একটি গাড়ি ছেড়ে চলে যাচ্ছে। আরেকটি গাড়ি অপেক্ষায় তিনি প্লাটফরমে গিয়ে বসে পড়লেন। তাকে একা বসে থাকতে দেখে একজন কুলি জিজ্ঞেস করল, ‘বুড়ি মা, তুমি কোথায় যাবে?’

বুড়ি বললেন, ‘দিল্লি।’

‘দিল্লির গাড়ি তো এইমাত্র ছেড়ে গেল।’

‘তাতে কী হয়েছে। আবার যে গাড়ি আসবে সেই গাড়িতেই উঠে পড়ব।’

‘সে গাড়ি তো আসবে বিকেলে।’

‘তাহলে বিকেলেই যাব।’

‘দিল্লিতে তুমি কার কাছে যাবে?’

‘আমার ছেলে লালের কাছে। সে রেলের চাকরি করে।’

বুড়ির মুখে এমন কথা শুনে উপস্থিত লোকেরা ভাবল তার বোধহয় মাথা খারাপ। এভাবে তাকে পাগল ভেবে যে যেমন পারল তেমন করেই বুড়িকে প্রশ্ন করে মজা নিতে শুরু করল। লোকজন হাসাহাসি করে বলে উঠল, ‘হায় হায়, তুমি তো তাহলে রেলমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রীর মা?’

এবারও বুড়ির সোজা উত্তর-‘না-না, আমার ছেলের নাম তো কেবলই লাল। আর সে তো মন্ত্রী না।’

হৈ-হুল্লোড় দেখে স্টেশনমাস্টার এগিয়ে এলেন। তিনি তাকে উঠিয়ে নিয়ে অফিস রুমে বসালেন। এরপর কয়েকটি প্রশ্ন করে নিশ্চিত হলেন যে, এই বুড়িই রেলমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রীর মা। তিনি বিষয়টি দিল্লিতে জানিয়ে দিলেন।

বিকালের ট্রেনে রেলমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী এসে তার মাকে জড়িয়ে ধরে শিশুর মতো কান্নাকাটি শুরু করে দিলেন এবং বললেন, ‘মা তুমি সত্যি সত্যি আমাকে দেখার জন্য দিল্লি যাচ্ছ! এটা আমার জানা ছিল না। আমি এসে গেছি মা, তুমি বাড়ি চলো।’

তখন লালবাহাদুর শাস্ত্রীকে মা শুধু দুটি প্রশ্ন করেছিলেন-‘তু লাল ছে লাল বাহাদুর শাস্ত্রী কব বন গয়া? রেল কো ছোটা কর্মচারী ছে মন্ত্রী কব বন গয়া? ইয়ে পাতা তু মুঝে কিউ নেহি দিয়া’ (তুই লাল থেকে লালবাহাদুর শাস্ত্রী কবে হলি? রেলের ছোট কর্মচারী থেকে মন্ত্রী কবে হলি? এটা তুই আমাকে বলিসনি কেন?)

উত্তরে শাস্ত্রী বলেছিলেন, ‘মা আমি এখনো তোমার সেই ছোট্ট লালই আছি।’

‘ভারতরত্ন’ খেতাবে ভূষিত লালবাহাদুর শাস্ত্রীর জন্ম ১৯০৪ সালে ভারতের মোগলসরাইয়ে আর মৃত্যু ১৯৬৬ সালে তাসখন্দে। এমন মহৎহৃদয় ব্যক্তিত্ব সব দেশে এবং সবকালেই আদর্শ ও অনুপ্রেরণার উৎস।

বিমল সরকার : অবসরপ্রাপ্ত কলেজ শিক্ষক

মা-অন্তপ্রাণ এক নেতার কথা

 বিমল সরকার 
১৪ মে ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ইংরেজিতে একটি কথা আছে-‘উই লিভ ইন ডিড্স, নট ইন ইয়ারস’। আমরা বেঁচে থাকি আমাদের কাজের মধ্য দিয়ে, কতদিন বাঁচলাম এ পৃথিবীতে, বয়সের সেই পরিসংখ্যান দিয়ে নয়। মানুষের জীবনের অনিত্যতা-নিত্যতা নিয়ে সংস্কৃতে সুন্দর একটি শ্লোক আছে, যার মর্মার্থ হচ্ছে : চিত্ত চঞ্চল; বিত্তও তা-ই। আজ যে আমির, কাল সে ফকির। জীবন-যৌবন কিছুই চিরস্থায়ী নয়-সবই ক্ষণস্থায়ী। যিনি কীর্তিমান শুধু তারই মরণ নেই। তিনি থাকেন মানুষের মনের মন্দিরে চিরজীবী হয়ে।

বাঙালিকুলগৌরব ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মাতৃভক্তি নিয়ে অনেক গল্প প্রচলিত আছে। মায়ের আদেশ পালনে কলেজের চাকরিকে উপেক্ষা করে ভরা বর্ষায় রাতের আঁধারে সাঁতরিয়ে খরস্রোতা দামোদর নদ পার হয়ে বীরসিংহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছে ‘মা, মা আমি এসেছি ...।’

এ গল্পের কথা ঘরে ঘরে উচ্চারিত হয়। বাঙালিসহ এমন মা-অন্তপ্রাণ আরও অনেকের জীবন ঘিরে প্রচলিত আছে নানা গল্প ও কাহিনি। এমনই এক ব্যক্তিত্ব ভারতের একসময়কার রেলমন্ত্রী ও পরবর্তীকালে প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী। তার মতো সাত্ত্বিক, কর্মনিষ্ঠ ও পূতচরিত্র রাজনীতিতে বিরল। উপমহাদেশ ভাগের পর জওহরলাল নেহেরুর মন্ত্রিসভায় লালবাহাদুর শাস্ত্রী পাঁচ বছর (১৯৫২-১৯৫৬) ছিলেন রেলমন্ত্রী।

একটি মর্মান্তিক রেল-দুর্ঘটনার পর এর দায় স্বীকার করে কোনোরকম কালক্ষেপণ না করে তিনি পদত্যাগ করেন। ভারতে স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত (১৯৪৭-২০২২) পঁচাত্তর বছরে মোট অন্তত ৪০ ব্যক্তি গুরুত্বপূর্ণ রেল মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন বা করে চলেছেন। তাদের মধ্যে দীনেশ ত্রিবেদীসহ (২০১১-২০১২) নানা পরিস্থিতিতে আরও দুই-তিনজন রেলমন্ত্রী দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করলেও লালবাহাদুর শাস্ত্রীর নামটি এক্ষেত্রে ভারতসহ বিভিন্ন দেশের মানুষের কাছে বিশেষ স্মরণীয় হয়ে আছে।

জওহরলাল নেহেরুর মৃত্যুর পর দেশের দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রীর (১৯৬৪-১৯৬৬) দায়িত্বভার বর্তায় লালবাহাদুর শাস্ত্রীর ওপর। ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে ঐতিহাসিক ‘তাসখন্দ চুক্তি’ স্বাক্ষরের কয়েক ঘণ্টা পর তাসখন্দেই (বর্তমানে উজবেকিস্তানের রাজধানী) তিনি আকস্মিক মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

মহৎপ্রাণ লালবাহাদুর শাস্ত্রীকে নিয়ে অনেক সত্য ঘটনা এখনো মানুষের মুখে মুখে ফেরে। এমনই একটি ঘটনা উল্লেখ করতে চাই। শাস্ত্রী তখন রেলমন্ত্রী। মন্ত্রী হিসাবে তিনি কোনো প্রটোকল নিতেন না। সাধারণ নাগরিকের মতোই প্যাসেঞ্জার ট্রেনে বাড়ি এসে মাকে দেখেই আবার চলে যেতেন দিল্লি।

একদিন মা জিজ্ঞেস করলেন, ‘দিল্লিতে তুই কী করিস?’ জবাবে তিনি বললেন, ‘রেলে ছোট্ট একটা কাজ করি।’ মা পাল্টা প্রশ্ন করে বললেন, ‘তুই প্রতিদিন বাড়ি আসিস না কেন?’ লাল উত্তর দিলেন, ‘ছুটি পাই না, তাই আসতে পারি না।’ এবার মা বললেন, ‘ঠিক আছে, ছুটি না পেলে আসার দরকার নেই। আমি গিয়েই তোকে দেখে আসবো। কেমন করে যাবো শুধু তাই বল।’ শাস্ত্রীজি বললেন, ‘তুমি এখান থেকে ট্রেনে উঠে দিল্লি স্টেশনে নামবে। তারপর স্টেশনমাস্টারের কাছে গিয়ে বললেই তিনি আমাকে ডেকে দেবেন।’

পরের সপ্তাহে ছেলের পছন্দের নানা খাবার বানিয়ে দিল্লি যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হলেন মা। তিনি জানতেন না দিল্লির গাড়ি কখন আসে এবং কখন ছেড়ে যায়। তাই নিজের সুবিধামতো বাড়ি থেকে বের হয়ে স্টেশনে পৌঁছেই দেখলেন একটি গাড়ি ছেড়ে চলে যাচ্ছে। আরেকটি গাড়ি অপেক্ষায় তিনি প্লাটফরমে গিয়ে বসে পড়লেন। তাকে একা বসে থাকতে দেখে একজন কুলি জিজ্ঞেস করল, ‘বুড়ি মা, তুমি কোথায় যাবে?’

বুড়ি বললেন, ‘দিল্লি।’

‘দিল্লির গাড়ি তো এইমাত্র ছেড়ে গেল।’

‘তাতে কী হয়েছে। আবার যে গাড়ি আসবে সেই গাড়িতেই উঠে পড়ব।’

‘সে গাড়ি তো আসবে বিকেলে।’

‘তাহলে বিকেলেই যাব।’

‘দিল্লিতে তুমি কার কাছে যাবে?’

‘আমার ছেলে লালের কাছে। সে রেলের চাকরি করে।’

বুড়ির মুখে এমন কথা শুনে উপস্থিত লোকেরা ভাবল তার বোধহয় মাথা খারাপ। এভাবে তাকে পাগল ভেবে যে যেমন পারল তেমন করেই বুড়িকে প্রশ্ন করে মজা নিতে শুরু করল। লোকজন হাসাহাসি করে বলে উঠল, ‘হায় হায়, তুমি তো তাহলে রেলমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রীর মা?’

এবারও বুড়ির সোজা উত্তর-‘না-না, আমার ছেলের নাম তো কেবলই লাল। আর সে তো মন্ত্রী না।’

হৈ-হুল্লোড় দেখে স্টেশনমাস্টার এগিয়ে এলেন। তিনি তাকে উঠিয়ে নিয়ে অফিস রুমে বসালেন। এরপর কয়েকটি প্রশ্ন করে নিশ্চিত হলেন যে, এই বুড়িই রেলমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রীর মা। তিনি বিষয়টি দিল্লিতে জানিয়ে দিলেন।

বিকালের ট্রেনে রেলমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী এসে তার মাকে জড়িয়ে ধরে শিশুর মতো কান্নাকাটি শুরু করে দিলেন এবং বললেন, ‘মা তুমি সত্যি সত্যি আমাকে দেখার জন্য দিল্লি যাচ্ছ! এটা আমার জানা ছিল না। আমি এসে গেছি মা, তুমি বাড়ি চলো।’

তখন লালবাহাদুর শাস্ত্রীকে মা শুধু দুটি প্রশ্ন করেছিলেন-‘তু লাল ছে লাল বাহাদুর শাস্ত্রী কব বন গয়া? রেল কো ছোটা কর্মচারী ছে মন্ত্রী কব বন গয়া? ইয়ে পাতা তু মুঝে কিউ নেহি দিয়া’ (তুই লাল থেকে লালবাহাদুর শাস্ত্রী কবে হলি? রেলের ছোট কর্মচারী থেকে মন্ত্রী কবে হলি? এটা তুই আমাকে বলিসনি কেন?)

উত্তরে শাস্ত্রী বলেছিলেন, ‘মা আমি এখনো তোমার সেই ছোট্ট লালই আছি।’

‘ভারতরত্ন’ খেতাবে ভূষিত লালবাহাদুর শাস্ত্রীর জন্ম ১৯০৪ সালে ভারতের মোগলসরাইয়ে আর মৃত্যু ১৯৬৬ সালে তাসখন্দে। এমন মহৎহৃদয় ব্যক্তিত্ব সব দেশে এবং সবকালেই আদর্শ ও অনুপ্রেরণার উৎস।

বিমল সরকার : অবসরপ্রাপ্ত কলেজ শিক্ষক

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন