আমার ছাত্রদেরই শুধু দায়ী করতে পারি না

  একেএম শাহনাওয়াজ ১০ জুলাই ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

আমার ছাত্রদেরই শুধু দায়ী করতে পারি না
ছবি- সংগৃহীত

দুই পর্ব মিলে লম্বা সময় ধরে আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রক্ষমতায় আছে। শাসন ক্ষমতায় আওয়ামী লীগ নিজ অবস্থান অনেকটা পাকাপোক্ত করে ফেলেছে। প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি নিজ নেতৃত্বের দুর্বলতা ও নানা বৈরী পরিস্থিতিতে এখন ক্ষয়িষ্ণু দশায়।

আওয়ামী লীগের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার মতো এখনও তৃতীয় কোনো রাজনৈতিক দল দাঁড়ায়নি। আওয়ামী লীগ একটি ঐতিহ্যবাহী দল। জন্ম থেকেই এ দলের আদর্শের সঙ্গে জড়িয়ে আছে গণতন্ত্র। এ আদর্শকে শক্তভাবে পরিচর্যা করতে পারলে দল ও দেশ উভয়েরই উপকার হতো। কিন্তু বর্তমান সময়ের আওয়ামী লীগ নেতৃত্বের মধ্যে সেই আত্মবিশ্বাস দেখা যাচ্ছে না। ফলে যে পথে হাঁটা আওয়ামী লীগের উচিত নয়- প্রয়োজনও নেই, সে পথেই হাঁটছে।

নব্যধনী ভুঁইফোড় পরিবার হঠাৎ শক্তিমান হয়ে উঠলে যেমন বেপরোয়া হয়ে পড়ে, আওয়ামী লীগ নেতাদের অনেকের মধ্যে তেমন মনোভাবের প্রকাশ দেখা যাচ্ছে। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তেমন প্রতিদ্বন্দ্বী দল না থাকায় আওয়ামী লীগেরই রয়েছে জয়লাভ করে পুনরায় সরকার গঠনের সম্ভাবনা। এতে অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করছেন তখন পায়ের ভিত আরও শক্ত হওয়ার কারণে এ বেপরোয়াভাব যদি আরও বেড়ে যায়!

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসায় পর থেকেই তাদের সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তাদের প্রভাব বলয় বাড়াতে থাকে। সহিংস হয়ে ওঠে এরা। এটি এ দেশের রাষ্ট্রক্ষমতায় আসা-যাওয়া করা সব দলের সময়েরই স্বাভাবিক চিত্র। বিরোধী মতের ছাত্র সংগঠনগুলোকে পেশিশক্তিতে দমন করতে থাকে। অনেকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে যুক্ত হয়ে পড়ে। কিন্তু আওয়ামী লীগের নেতারা দৃশ্যত তাদের তেমন শাসন করেনি। বরঞ্চ প্রশ্রয় দিয়েছে। আমি শিক্ষক।

ছাত্র যত বেয়াড়া হয়ে পড়ুক, একটু হলেও তার প্রতি আমার পক্ষপাতিত্ব থাকবে। আমরা কাছে থেকে দেখি দলীয় সুবিধা ও শক্তি পাওয়ার জন্য ছাত্রদের রাজনীতির বলয়ে ঢুকিয়ে কীভাবে অমানবিক সন্ত্রাসী বানান দলীয় নেতারা। ক্যাম্পাসে পেশিশক্তির দাপট দেখানো ছাড়া ছাত্রলীগকে ছাত্রকল্যাণমুখী কার্যক্রমে অংশ নিতে কোনো নির্দেশ কি এ পর্যন্ত বড় দলের নেতারা দিয়েছেন? বা তেমন নির্দেশ পালিত হয়েছে?

ক্যাম্পাসে এখন সাহিত্য-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সাধারণত ছাত্রলীগ অনুপস্থিত থাকে। শুধু তাই নয় মতের মিল না হলে সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর কর্মসূচিতে অনেক সময় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ‘কথা না শোনার’ অপরাধে কখনও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হতে হয় সাংস্কৃতিক কর্মীদের। ছাত্রলীগ পরিচালিত কোনো সাংস্কৃতিক সংগঠনের অস্তিত্ব বা গৃহীত কার্যক্রমের খবর কেউ বলতে পারবে না। তাহলে কি ছাত্র সংগঠনের এসব নেতাকর্মী সরকারের লাঠিয়াল হিসেবেই নিজেদের পরিচিতি ধরে রাখবে?

অথচ ছাত্রলীগের একটি গৌরবের ইতিহাস রয়েছে। তবে আজকের পরিচালকরা কেন কালিমালিপ্ত করছেন এ উজ্জ্বল সংগঠনকে? সাধারণ মানুষের কাছে এখন ছাত্রলীগ কোনো আদুরে সংগঠন নয়। অনেকটা গণবিচ্ছিন্নই বলা যাবে। এর দায় কি শুধু ছাত্রলীগের সদস্য তরুণ ছেলেমেয়েদের? দায় অনেকটাই নিতে হবে আওয়ামী লীগের বড় নেতাদেরও।

এখন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যদি ছাত্রসংসদ নির্বাচন দেয়া হয় এবং নিরপেক্ষভাবে ভোট দেয়ার পরিবেশ থাকে তবে ছাত্রলীগ নেতাদের জিতে আসা কঠিন হবে। এ সত্যটি যে আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব বোঝেন না তা নয়। তাই আওয়ামী লীগের মতো গণতান্ত্রিক দল রাষ্ট্রক্ষমতায় থেকেও ছাত্রসংসদ নির্বাচন দিতে সাহস পায় না।

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলনে সর্বশ্রেণীর ছাত্র অনেকদিন থেকে আন্দোলন করছে। এ আন্দোলন কতটুকু যৌক্তিক সে বিচার আলাদা। এর ভেতর কী ষড়যন্ত্র আছে সাধারণদের পক্ষে বোঝা কঠিন। বর্তমান আলোচনায় সে প্রসঙ্গের অবতারণা করতে চাই না। তবে ছাত্রকল্যাণমূলক এ ধরনের দাবিতে সব শ্রেণী ও দলের ছাত্রছাত্রীরই অংশ নেয়ার কথা। সরকার পক্ষেরও কর্তব্য ছিল সমস্যা বড় হওয়ার আগেই একটি যৌক্তিক সমাধানে আসা। কিন্তু আমাদের সরকার নাকি দলীয় পরামর্শের চেয়ে কোনো কোনো ক্ষেত্রে আমলা পরামর্শে নীতি নির্ধারণ করেন।

গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের সহজ শর্তে গাড়ি কেনার ঋণ এবং গাড়ির ব্যয় নির্বাহের জন্য মোটা ভাতা দিয়েও এক্সেলেটর চেপে কর্মের গাড়ির গতি বাড়ানো যায়নি। আবার দামি মোবাইল কিনে দিয়েও ডিজিটাল গতি বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়নি। তাদের ধীরে চলার নীতির কারণে সরকারকে প্রায়ই বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয়। আমলা ও রাজনৈতিক নেতাদের বুদ্ধি কখনও কখনও আলাদা হওয়ার কথা।

আওয়ামী লীগের মতো দলের রাজনৈতিক নেতৃত্বের ছাত্র আন্দোলনের চরিত্র বোঝা উচিত। অথচ কোটা আন্দোলনকে ঘিরে সরকারি নেতা-মন্ত্রীদের ব্লেমগেম দুর্ভাগ্যজনক। নিজেদের ব্যর্থতার দায় অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিতে হাজার হাজার ছাত্রছাত্রীকে রাজাকার বলা হল। ক্ষোভে কষ্টে যখন শিক্ষার্থীদের কেউ গায়ে রাজাকার পোস্টার সেঁটে মিছিলে নামল তখন আবার অনেক আওয়ামী লীগ সমর্থক টকশো-পণ্ডিত হাস্যকরভাবে বলতে লাগলেন ওরা ঠিকই তো রাজাকার- নয়তো গায়ে রাজাকার লিখবে কেন!

উল্টাপাল্টা বলে নিজ সন্তানদের জামায়াত-শিবির বানানো হল। বিরোধী দল তো এ সুযোগ নেবেই। এখন বিএনপি যখন কোটা আন্দোলনকারীদের পক্ষে কথা বলছে তখন আবার নেতারা এর মধ্যে ষড়যন্ত্র খুঁজে বেড়াচ্ছেন।

আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকঘরে গিয়ে মাঝে মাঝে বিস্মিত হই আর আমাদের সরকারি বিধায়কদের গতি নিয়ে ভাবি। প্রতিবার কোটা আন্দোলনকে যখন রক্তাক্ত করে থামিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হয়- এবং অতঃপর এ নিয়ে যখন সরকার পক্ষ বেকায়দায় পড়ে তখনই একবার করে সরকারি কমিটিকে জরুরি সভায় বসতে দেখি। শিগগিরই রিপোর্ট জমা দেয়ার কথা শুনি। সেদিনও মন্ত্রিপরিষদের সচিব জানালেন বিষয়টি এত সহজ নয়- তাই বিলম্ব হচ্ছে। এখানেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকঘর প্রসঙ্গ এলো।

একটি ব্যাংকের শাখা চালাতে কত কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রয়োজন হয়। অবশ্য ব্যাংকে কাজের পরিধিও বেশি। ডাকঘরেও এখন প্রচুর ক্লায়েন্ট ভিড় করছে। ব্যাংকগুলোতে আমানতের সুদ কমে যাওয়ায় অনেকেই পারিবারিক সঞ্চয়পত্র কিনতে ভিড় বাড়াচ্ছে। ক্যাম্পাসের ডাকঘরটি ছোট্ট ২ কক্ষবিশিষ্ট। এক কক্ষে চিঠিপত্র-পার্সেল ইত্যাদি গ্রহণ, সংরক্ষণ, বিতরণ ইত্যাদি কাজ চলে। এখানে ২-৩ জন কর্মচারী কাজ করেন। অন্য কক্ষে একজন পোস্টমাস্টার ম্যাডাম একা বসেন। তার এখানেই সঞ্চয়পত্র করা মানুষের ভিড়। ছোট্ট কক্ষে দু’জন ক্লায়েন্ট বসতে পারেন। বাকিরা ঘাড়ের ওপর দাঁড়িয়ে থাকেন। খুব ঝামেলা হলে মাঝে মাঝে একজন কর্মচারী এসে সাহায্য করেন।

পোস্টমাস্টার দুর্গার মতো তার দুই হাতকে দশ হাত বানিয়ে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র করাচ্ছেন। সবার পরবর্তী করণীয় বুঝিয়ে দিচ্ছেন। যারা মাসিক ভিত্তিতে লাভের টাকা উঠিয়ে নেবেন তাদের টাকা বুঝিয়ে দিচ্ছেন। অন্য যে কোনো সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের কাজের চাপ সামাল দিতে অন্তত ৫ জন কর্মকর্তার প্রয়োজন পড়ত। অথচ হাসিমুখে একজন পোস্টমাস্টার প্রায় একা সমুদয় দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

অন্যদিকে মাসের পর মাস চলে যায় আর ডিজিটাল বাংলাদেশের দায়িত্ববান কর্মকর্তারা প্রতি ধাক্কায় একটু একটু আগান। জানি না আমাদের গুণী রাজনীতিকরা আবার তাদের পেছন থেকে টেনে ধরে গতি ধীর করে দেন কিনা!

প্রথম ৩১ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারের সামনে কোটা আন্দোলনকারীদের অহিংস সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রলীগের হামলাকে না হয় শক্তিমানদের তাৎক্ষণিক উত্তেজনার প্রতিক্রিয়া হিসেবে মানা গেল। এরপর কী হল? এসব শিক্ষার্থী তো সবারই চেনা। তদুপরি এ দেশের নাগরিক তো বটেই। এ দেশের সচেতন মানুষ আশা করেছিল আওয়ামী লীগের নেতা-মন্ত্রীরা আহত ছাত্রদের প্রতি সহমর্মিতা দেখাবেন। দুঃখ প্রকাশ করবেন। ছাত্রলীগের এসব জঙ্গিদের শাসন করবেন।

সাংবাদিক আর ক্যাম্পাসের ছাত্রছাত্রী এদের চিনতে পারল, মিডিয়ার কল্যাণে দেশবাসী জানতে পারলেও এসব অপরাধীকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী চিনতেই পারল না! ছাত্রলীগের ছেলেদের দোষ কতটুকু! এর পরবর্তী ঘটনাবলিতে মনে হতে লাগল ছাত্রলীগের ছেলেরা শুধুই লাঠিয়াল।

পিটিয়ে ঠাণ্ডা করার নির্দেশ এসেছে ওপর থেকে। না হলে এ ঘটনার পর যেখানে সংযত করার কথা ছাত্রলীগের ছেলেদের, সেখানে ৩ জুলাই দেশজুড়ে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে ছাত্রলীগের জঙ্গিরা একযোগে ঝাঁপিয়ে পড়ল কীভাবে? রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকে যেভাবে প্রকাশ্যে হাতুড়িপেটা, লাঠিপেটা করে মুমূর্ষু বানানো হল, পেটানোর পর পুলিশ এলেও হাতুড়ি আর লাঠিওয়ালাদের ছুঁয়েও দেখল না। দয়াপরবশ হয়ে মৃতপ্রায় ছেলেটিকে হাসপাতালে পাঠাল। কোনো সভ্য দেশ হলে সরকারপক্ষের দায়িত্ববানদের অভিভাবকের আবেগ নিয়ে পাশে দাঁড়ানোর কথা। কিন্তু কাউকে পাওয়া গেল না।

এক সময় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের অভয়ারণ্য ছিল। ওদের রগকাটা, হাতকাটার বীভৎসতার কথা শুনতাম। ছাত্রলীগ কি এখন নিজেদের এই ভয়ংকর ঐতিহ্যের উত্তরাধিকার মনে করছে? তাহলে নেতা-মন্ত্রীরা অহেতুক কোটা আন্দোলনে থাকা ছেলেমেয়েদের জামায়াত-শিবির আর বিএনপির ষড়যন্ত্র বলছেন কেন? সাধারণ মানুষ তো এসব অপকীর্তি সরকারি দলের নেতৃত্বের ব্যর্থতা আর সরকারের দুর্বলতা হিসেবেই মনে করছে। না হলে এসবের প্রতিবাদে শহীদ মিনারে শিক্ষক, অভিভাবক ও নাগরিক সমাজের মানুষ প্রতিবাদী জমায়েতে উপস্থিত হলে পুলিশ হামলে পড়বে কেন? তাহলে কি এটি গণতান্ত্রিক দেশ নয়! দেশে কি জরুরি অবস্থা চলছে? মতপ্রকাশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে কি আদেশ জারি হয়েছে?

কয়েকজন মাননীয় মন্ত্রী ও অতিকথক নেতা যেভাবে কোটা আন্দোলনকারী ছাত্রছাত্রী এবং সন্ত্রাসের শিকার সবার প্রতি সহানুভূতি দেখিয়ে প্রতিবাদ জানানো শিক্ষক অভিভাবকদের সরকারবিরোধী আর জামায়াত, শিবির ও বিএনপির পক্ষে ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে প্রকাশ্যে সার্টিফিকেট দিচ্ছেন, তাতে বেলাশেষে আওয়ামী লীগ বন্ধু হারাচ্ছে কিনা এ সত্যটি গভীরভাবে ভেবে দেখতে অনুরোধ করব।

সন্ত্রাসের যোগ্যতায় ছাত্রলীগকে যেভাবে শিবিরের চেয়েও ভয়ংকর বানানো হচ্ছে, এর প্রতিফল কি ঐতিহ্যবাহী দল আওয়ামী লীগের নেতারা ভেবে দেখছেন? একটি বিষয় বুঝে পাই না, আওয়ামী লীগ তো আর বিএনপি নয়। এ দলে অনেক নেতাই ছাত্র রাজনীতি করে বেড়ে উঠেছেন। তাহলে কীসের মায়াজালে তারা আজ বিভ্রান্ত? একবার ভেবে দেখুন তো এই কোটা আন্দোলন এবং এর পরবর্তী ধারাক্রম দীর্ঘ ছাত্র আন্দোলনের ইতিহাসে নতুন কিছু? এমন আন্দোলন এতটা বেড়ে ওঠার কি কোনো সুযোগ ছিল?

নিষ্পত্তি হতে পারত অনেক আগেই। আর এ সময়ের দমন-পীড়ন ও নেতাদের লাগামহীন কথা আওয়ামী লীগের জন্য ভালো কোনো ফল বয়ে আনবে? এখন তো আমাদের ভাবতে হচ্ছে, ষড়যন্ত্র বাইরে নয়- সরকার আর সরকারি দলের ভেতরেই চলছে। একে আত্মঘাতী ষড়যন্ত্র বলা চলে।

ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ : অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

[email protected]

ঘটনাপ্রবাহ : কোটাবিরোধী আন্দোলন ২০১৮

 

 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
.