স্বদেশ ভাবনা

সব আসনে জয়লাভের আকাঙ্ক্ষা!

  আবদুল লতিফ মন্ডল ১১ জুলাই ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

জয়লাভ,

৭ জুলাই গণভবনে আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভার তৃতীয় ধাপে আগত নেতাদের উদ্দেশে বক্তব্য প্রদানকালে প্রধানমন্ত্রী ও দলটির সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একটি আসনও হারানো যাবে না। তিনি আরও বলেন, সব দ্বন্দ্ব নিরসন করে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। মনোনয়ন দেয়ার ক্ষেত্রে তৃণমূলের মতামত নেয়া হবে। তারপরও যাকে নৌকা প্রতীক দেয়া হবে, তার পক্ষে সবাইকে কাজ করতে হবে। অনেকদিন ক্ষমতায় থাকলে যা হয়, মনে হয় এ একটা আসনে না জিতলে কী হবে, তা করলে হবে না, প্রতিটা আসন গুরুত্বপূর্ণ। কোনো আসন নিয়ে অমনোযোগী হওয়ার সুযোগ নেই। অমনোযোগী হওয়া মানেই হবে সে আসনে পরাজয়। এ কারণে আমাদের সরকার গঠনের সুযোগ ব্যর্থ হতে পারে।’

এছাড়া তিনি সংসদের বাইরে প্রধান বিরোধী দল বিএনপির সমালোচনা করেছেন। বহুদলীয় গণতন্ত্রে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সব আসনে জেতার প্রবল আকাঙ্ক্ষা কেন সুষ্ঠু নির্বাচনের ইঙ্গিত দেয় না এবং কেন তা গণতন্ত্রের বিকাশে সহায়ক নয়, তা আলোচনা করাই এ নিবন্ধের উদ্দেশ্য।

বাংলাদেশের সাড়ে চার দশকে দলীয় সরকারের সময়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, দলীয় সরকারের সময়ে অনুষ্ঠিত কোনো জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি এবং কোনো জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় সরকার পরাজিত হয়নি। স্বাধীনতার পরপরই ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ অনুষ্ঠিত প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে ভয়ভীতি প্রদর্শন, রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা ও প্রশাসনযন্ত্রকে ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে। নির্বাচন কমিশন জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের ২৯৩টিতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের বিজয়ী ঘোষণা করে।

সরকারবিরোধী দলগুলোর তৎপরতা, দুর্নীতি, আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দল, ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ ইত্যাদি মোকাবেলার অজুহাতে ১৯৭৫ সালের জানুয়ারিতে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যম বহুদলীয় সংসদীয় সরকারব্যবস্থার পরিবর্তে প্রতিষ্ঠা করা হয় একদলীয় রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার পদ্ধতি। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে দেশের জনগণ যে নিরবচ্ছিন্ন বহুদলীয় গণতন্ত্রের স্বপ্ন দেখেছিল, স্বাধীনতার ঊষালগ্নেই তা ধূলিসাৎ হয়ে যায়। এ পরিপ্রেক্ষিতে সেনাবাহিনীর কতিপয় উচ্চাভিলাষী সদস্য ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের উপস্থিত সব সদস্যকে হত্যা করে।

১৫ আগস্ট পটপরিবর্তনের পর দু’জন সামরিক শাসক সামরিক ও বেসামরিক পোশাকে প্রায় ১৫ বছর দেশ শাসন করেন। বেসামরিক পোশাকে রাজনৈতিক দল গঠন করে তারা যে তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন, সেসব নির্বাচনে জয়লাভের জন্য তারা মাঠপ্রশাসনসহ পুরো প্রশাসনযন্ত্রকে ব্যবহার করেন। জনগণ সহজেই বুঝতে পারেন, সরকারের প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপে পরিচালিত হচ্ছে নির্বাচন। নির্বাচনের ফল আগে থেকেই ছকে বাঁধা থাকায় রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় তা কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি। মানুষ নির্বাচনের ওপর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলে।

রাজনীতিকদের মধ্যে সৃষ্ট পারস্পরিক অবিশ্বাস এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার গণদাবির পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৯৬ সালের মার্চে বিএনপি সরকারের আমলে প্রবর্তিত হয় নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা। এ সরকার পদ্ধতির অধীনে তিনটি (সপ্তম, অষ্টম ও নবম) জাতীয় সংসদ নির্বাচন জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হয়।

সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত নবম সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে। যে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জন্য তারা অন্য দু’টি বিরোধী দল জাতীয় পার্টি ও জামায়াতে ইসলামীর পাশাপাশি বিএনপির শাসনামলে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলেছিল এবং সংসদ থেকে পদত্যাগ করেছিল, ক্ষমতায় এসে তারাই সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদ নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করে।

প্রধান বিরোধী দল বিএনপি ও তাদের সহযোগী ১৮টি দল নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবিতে সরকারকে রাজি করাতে ব্যর্থ হয়ে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম সংসদ নির্বাচন বর্জন করলে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ অনেকটা এককভাবে সে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে পুনরায় ক্ষমতায় আসে। এতে দেশে গণতন্ত্র পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে পড়ে। ওই নির্বাচনের পর ১১ জানুয়ারি (২০১৪) লন্ডনের বিখ্যাত দি ইকোনমিস্ট পত্রিকায় এক প্রতিবেদনে মন্তব্য করা হয়, বাংলাদেশে গণতন্ত্র পচে গেছে। বিশ্ব গণতান্ত্রিক সূচক ২০১৭-তে বাংলাদেশ ৮ ধাপ পিছিয়েছে।

বিশ্বের ১৬৭ দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৯২তম। গত মার্চে জার্মান গবেষণা সংস্থা ‘বাটেলসম্যান স্টিফটাং’ কর্তৃক প্রকশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে বাংলাদেশের সরকারকে বিশ্বের স্বৈরতান্ত্রিক সরকারগুলোর কাতারভুক্ত করা হয়েছে। ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০১৭ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘নির্বাচনের মানে অবনতি ঘটায় এক সময়ের পঞ্চম বৃহৎ গণতন্ত্রের এ দেশটি ফের স্বৈরতন্ত্র হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।’

এখানেই শেষ নয়। সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকার জাতীয় সংসদ বহাল রেখে সংসদ নির্বাচনের বিতর্কিত বিধান প্রবর্তন করে। এতে বলা হয়, মেয়াদ অবসানের কারণে সংসদ ভেঙে যাওয়ার ক্ষেত্রে ভেঙে যাওয়ার পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে সংসদ সদস্যদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এতে আরও বিধান করা হয় যে, সংসদের মেয়াদ অবসানের পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে অনুষ্ঠিত নির্বাচনকালে সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ পদে বহাল থাকবেন।

এতে দশম সংসদের প্রায় একদলীয় নির্বাচনে কমবেশি ৯০ ভাগ আসনে জয়ী আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যরা (তাদের অনেকে মন্ত্রী হয়েছেন) ক্ষমতায় থাকবেন এবং তাদের অধিকাংশই একাদশ সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী হবেন। তাছাড়া কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষভাবে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্বাচন পরিচালনায় ব্যর্থ হওয়ায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সমর্থিত বা মনোনীত প্রার্থীরা এ সব নির্বাচনে নিরঙ্কুশভাবে জয়লাভ করেন।

গত বছরের মাঝামাঝি নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপে বিএনপি ও জাতীয় পার্টিসহ অধিকাংশ রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধি সংসদ ভেঙে দিয়ে আগামী সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের যে সুপারিশ করে, সরকার তা মেনে না নিলে সংসদের তিন-চতুর্থাংশের বেশি আসনে অধিষ্ঠিত ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্য, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোয় আওয়ামী লীগের সমর্থন ও মনোনয়নে অনেকটা একচেটিয়াভাবে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের প্রভাবমুক্ত হয়ে একাদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানে সব দলের জন্য ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ তৈরি করা কমিশনের পক্ষে প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে।

আর যে ফ্যাক্টরটি আগামী সংসদ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের বিজয়ে সহায়কের ভূমিকা পালন করতে পারে তা হল প্রশাসন। আওয়ামী লীগের দীর্ঘ প্রায় দশ বছরের একটানা শাসনামলে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বশাসিত সংস্থা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইত্যাদিতে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি বিপুল অংশ সরকারের আনুকূল্যে অপ্রত্যাশিত সুযোগ-সুবিধা পেয়ে দলটির অনুরক্ত হয়ে পড়েছেন।

আগামী সংসদ নির্বাচনের সময় এদের মধ্য থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে এবং মাঠ প্রশাসনে নিয়োগ দেয়া হবে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ভাবাদর্শে বিশ্বাসী যারা কেন্দ্রীয় সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত থাকবেন, তারা মনে-প্রাণে চাইবেন একাদশ সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করে আওয়ামী লীগ আবার সরকার গঠন করুক। আগামী সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে জয়ী করতে এ সব কর্মকর্তারা মাঠ প্রশাসনে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের ওপর যে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করবেন, তা অনেকটা জোর দিয়ে বলা যায়।

বাস্তব অবস্থার কারণে কেন্দ্রীয় সরকারের এ সব ক্ষমতাবান কর্মকর্তার প্রভাবমুক্ত হয়ে মাঠপ্রশাসনে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের পক্ষে নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন পরিচালনা করা কঠিন হবে। আর মাঠপ্রশাসনের কর্মকর্তারা জানেন যে, বর্তমান সরকার পুনরায় ক্ষমতায় আসলে সরকারই তাদের রক্ষা করাসহ সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করবে। তাই নির্বাচন কমিশন কোনো শাস্তি দিলেও শেষমেশ তা কার্যকর হবে না। উপর্যুক্ত অবস্থার সদ্ব্যবহার করে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনে সব আসনে জয়লাভে বিশ্বাসী হয়ে উঠেছে।

কোনো কোনো রাজনৈতিক বিশ্লেষকের মতে, এখন বাংলাদেশের রাজনীতিতে যে অবস্থা দেখা যাচ্ছে, তা আসলে হাইব্রিড রেজিম (দোআঁশলা ব্যবস্থা)। এ ব্যবস্থায় দৃশ্যত গণতন্ত্রের কিছু কিছু উপাদান থাকলেও সেগুলো প্রধানত শক্তি প্রয়োগের ওপর নির্ভর করে। ফলে রাষ্ট্রের নিপীড়ক যন্ত্রগুলো আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি শক্তিশালী হয় এবং তাদের এক ধরনের দায়মুক্তি দেয়া হয়। পূর্বোক্ত জার্মান গবেষণা সংস্থা ‘বাটেলসম্যান স্টিফটাং’-এর প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বাকস্বাধীনতায় বাধা, অনিরপেক্ষ নির্বাচন ও ক্ষমতায় যাওয়ার আকাক্সক্ষা- এ তিনটি বিষয়কে বিশ্বের স্বৈরতান্ত্রিক সরকারগুলো দমন-পীড়নের উপায় হিসেবে বেছে নিয়েছে।

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও এর বিকাশে অংশগ্রহণমূলক ও সুষ্ঠু নির্বাচনের বিকল্প নেই- সে নির্বাচন জাতীয় বা স্থানীয় যে পর্যায়েই অনুষ্ঠিত হোক। প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনে জাতীয় সংসদের সবক’টি আসনে জয়লাভের যে আকাক্সক্ষা পোষণ করছেন তা বহুদলীয় গণতন্ত্রে নির্বাচনী ব্যবস্থা ও ফলাফলের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এটি আগামী সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নের ইঙ্গিত বহন করে না।

বহুদলীয় সংসদীয় সরকারব্যবস্থার অনুসারী পৃথিবীর কোনো দেশের সংসদ নির্বাচনে এমন ঘটনার নজির আছে বলে জানা নেই। বিরোধী দলের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিলে বাধা দিয়ে, ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা সৃষ্টি করে অথবা তাদের ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে না দিয়ে সেখানে ভোটগ্রহণে নিয়োজিত দলীয় কর্মকর্তা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সহায়তায় দলীয় কর্মীদের ব্যালট পেপারে সিলমারা ও জাল ভোট প্রদানের মাধ্যমে জয় ছিনিয়ে নেয়া যে কোনো দেশে একটি স্বৈরতান্ত্রিক সরকারের পক্ষেই সম্ভব।

দেশে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের আগামী সংসদ নির্বাচনে সব আসনে জয়ী হওয়ার আকাক্সক্ষার মধ্যে এ ধরনের নির্বাচন আয়োজনের স্বপ্ন লুক্কায়িত আছে কিনা, এ প্রশ্ন অনেকের। ২০১৪ সালের জানুয়ারির অংশগ্রহণহীন সংসদ নির্বাচন তাদের সে স্বপ্ন পূরণে উৎসাহিত করে থাকতে পারে।

আবদুল লতিফ মন্ডল : সাবেক সচিব, কলাম লেখক

[email protected]

 

 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
.