দক্ষ জনবল তৈরির পূর্বশর্ত মানসম্পন্ন শিক্ষা

  ড. শরীফ এনামুল কবির ২২ জুলাই ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

শিক্ষা
ফাইল ছবি

পুরো শিক্ষাব্যবস্থা যদি একটি কাঠামো হয়, প্রাথমিক শিক্ষা তার ভিত্তি। ভিত্তি দুর্বল হলে তার ফল পাওয়া দুষ্কর। শিক্ষার মৌলিক পাঠদান প্রাথমিকেই হয়।

তাকে মৌলিক অক্ষর জ্ঞানের পাশাপাশি এ সময়ে ন্যায়-নীতি, সততা, আদর্শ, চরিত্র সম্পর্কে জ্ঞান দেয়া হয়। এর প্রারম্ভিক পর্ব যদিও পরিবারে, তবে প্রারম্ভিকতার ভিত্তি স্থায়ী হয় শিক্ষার প্রাথমিক স্তরে।

খুদে শিক্ষার্থীদের কাছে তাদের শিক্ষকরাই পৃথিবীর সবচেয়ে জ্ঞানী। শিক্ষক যা বলবেন, সেটাই ধ্রুব সত্য। একজন শিক্ষার্থী দেশ, জাতি ও সমাজের প্রতি কতটুকু দায়িত্বশীল হবে এটি অনেকাংশেই নির্ভর করে তার প্রাথমিক জীবনের শিক্ষার ওপর।

প্রাথমিক শিক্ষা খাতে সংখ্যা দিয়ে বিবেচনা করলে দেখা যাবে উন্নতি হয়েছে ঠিকই, তবে যে গতিতে হওয়ার কথা ছিল তা হয়নি। বরং কিছু ক্ষেত্রে মানের অবনতি ঘটেছে।

প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করা শিক্ষার্থীদের এক-তৃতীয়াংশের মৌলিক অক্ষর ও সংখ্যা জ্ঞানে দুর্বলতা থেকে যাচ্ছে এখনও। শিক্ষা মন্ত্রণালয় বারবার শিক্ষা প্রসারের ফিরিস্তি তুলে ধরছে।

প্রতি বছর কত শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পাচ্ছে, কত শিক্ষার্থী পাস করছে, শতকরা পাসের হার কত বাড়ল- এসব পরিসংখ্যান নিয়ে শিক্ষাসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তুষ্ট থাকতে দেখা যাচ্ছে।

তারা গণমাধ্যমে তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলে সন্তুষ্টিসূচক বক্তব্য দিচ্ছেন। আসল চিত্র কত ভয়াবহ হতে পারে, তা মাঠপর্যায়ের চিত্র অবলোকন করলে বোঝা যায়।

শিক্ষার সুযোগ বাড়াতে দেশে প্রতি বছরই গড়ে উঠছে নতুন নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। পুরনো প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার্থী ধারণক্ষমতাও বাড়ানো হচ্ছে। ফলে গত কয়েক বছরে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা আকারের দিক থেকে বেশ প্রসারিত হয়েছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বৃদ্ধির পাশাপাশি বেড়েছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সংখ্যাও। তবে প্রশ্ন রয়ে গেছে এর গুণগত মান নিয়ে। যোগ্য ও প্রশিক্ষিত শিক্ষকের অপ্রতুলতা, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পরীক্ষাকেন্দ্রিক মনোভাব এবং ত্র“টিপূর্ণ শিক্ষা ও পরীক্ষা পদ্ধতির ফলে শিক্ষার গুণগত মান বাড়ছে না।

গত কয়েক বছরে শিক্ষাব্যবস্থায় যে উন্নয়ন হয়েছে সেটি কেবল সংখ্যায়, মানে নয়। তাহলে পরিতৃপ্তির কী আছে?

বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) তথ্যমতে, ২০০৯ সালে দেশে স্বায়ত্তশাসিত, সরকারি ও বেসরকারি মিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ছিল ৮১।

২০১৭ সালে এসে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৩৩-এ। আর ২০০৯ সালে দেশে কলেজের সংখ্যা ছিল ৩ হাজার ৩৪৭। ২০১৭ সালে এসে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৪১৯-এ। সে হিসাবে এক দশকের কম সময়ে দেশে কলেজের সংখ্যা বেড়েছে এক হাজারেরও বেশি।

এ সময়ে বেড়েছে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যাও। ২০০৯ সালে দেশে বিদ্যালয়ের সংখ্যা ছিল ১৯ হাজার ৮৩। ২০১৭ সালে এসে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার ৪৬৭-এ।

চলতি বছরের প্রথম চার মাসে আরও কিছু বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও বিদ্যালয়কে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। সে হিসাবে ২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত আড়াই হাজারের বেশি মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা পর্যালোচনা করি যদি, স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ছিল মাত্র চার, আর বিশেষায়িত দুটি মিলে মোট ছয়। বর্তমানে সে সংখ্যা দেড়শ’র ঘর ছুঁই ছুঁই করছে।

এর আগে শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছিলেন, বর্তমানে দেশে শিক্ষা মন্ত্রণালয়াধীন ১৩৪টি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। ‘বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়’ এবং ‘শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়’ নামে আরও দুটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের লক্ষ্যে মন্ত্রিপরিষদে আইন অনুমোদিত হয়েছে।

সবার জন্য উচ্চশিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে দেশের প্রতিটি জেলায় একটি করে সাধারণ-বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে।

সংসদে সরকারি দলের সদস্য বেগম পিনু খানের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও সারা দেশে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের ঘোষণা দিয়ে বলেছিলেন, দেশের প্রতিটি জেলায় সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে একটি করে সাধারণ-বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে।

এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এর মধ্যে কুষ্টিয়া জেলায় ‘রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়’ নামে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন ও পরিচালনার সাময়িক অনুমতি প্রদান করা হয়েছে।

আমাদের শিক্ষার্থী বাড়ার তুলনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বৃদ্ধির সংখ্যাটি ইতিবাচক। তবে শিক্ষার মান উন্নয়নে আরও কিছু বিষয় মনে রাখা জরুরি, যা শিক্ষা ও গবেষণার মানের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

বিশ্বজনীনতার যুগে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তন ও উন্নয়ন হচ্ছে। প্রতি বছর সফটওয়্যার নতুন ভার্সন পাচ্ছে, নতুন নতুন প্যাকেজ ও টুল বের হচ্ছে। নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপনের ক্ষেত্রেও জ্ঞান-বিজ্ঞানের নতুন সংযোজন সম্পর্কে সতর্ক হতে হবে।

বিদ্যালয় পর্যায় থেকেই এসব বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে। জ্ঞান-বিজ্ঞান ও শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের সর্বশেষ আর্টিকেল, বই, রিপোর্ট সম্পর্কে অবগত থাকার ব্যবস্থা করতে হবে।

তবেই জ্ঞানচর্চা ও জ্ঞান-উৎপাদনের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় আমাদের জয় অবশ্যম্ভাবী। আমাদের বেশিরভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই গবেষণারত শিক্ষার্থীদের আবাসন ব্যবস্থা নেই। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়েও এসব শিক্ষার্থীর হলে থাকার নিয়ম নেই।

বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসিক হল থাকার পরও পিএইচডি লেভেলে শিক্ষার্থীদের আবাসনের ব্যবস্থা না থাকাটা সুষ্ঠু গবেষণার অন্তরায়। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এখন আর মৌলিক কোনো গবেষণা হয় না বললেই চলে। নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এ বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

যদিও এসব ক্ষেত্রে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তীক্ষ্ণ নজরদারি রয়েছে, এটা আশার দিক। বিশ্ববিদ্যালয় হওয়া উচিত অগাধ জ্ঞানের আধার। দেশের ইতিহাস-ঐতিহ্যকে ধারণ করে বিশ্ববিদ্যালয় আঙিনায় গড়ে উঠবে শহীদ মিনার, স্মৃতিসৌধসহ জাতীয় ও ঐতিহ্যগত নানা স্থাপনা।

মুক্ত জ্ঞান ও সংস্কৃতিচর্চাকেন্দ্র শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বিশ্বজনীন করে গড়ে তুলবে। থাকবে উন্মুক্ত পাঠাগার, আধুনিক সাইবার ক্যাফে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতর গড়ে উঠবে ক্যাফেটেরিয়া, স্টেশনারি, ফটোকপি, প্রিন্টিং-টাইপিং, খাবারের দোকানসহ বিভিন্ন ধরনের শিক্ষার্থীর প্রয়োজনীয় দোকানপাট।

এসব বিষয়ে পরিকল্পনা থাকতে হবে। আদর্শ শিক্ষক-গবেষক জাতির মূল্যবান সম্পদ, অনুসরণীয় আদর্শ। শিক্ষক-গবেষকদের জ্ঞান, দক্ষতা ও প্রজ্ঞা ভবিষ্যৎ জাতি গঠনের অন্যতম নিয়ামক শক্তি। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ্য ও গবেষণাপ্রবণ শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপনে আমরা যেমন এগিয়ে, তেমনি গুণগত মান নিয়েও প্রশ্ন রয়ে গেছে। সংখ্যাগত দিক থেকে প্রসার দেখা গেলেও গুণগত মানের চিত্র সম্পূর্ণ উল্টো। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের তথ্য বলছে, শিক্ষার মানে দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে পিছিয়ে বাংলাদেশ।

আর বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে শিক্ষার মানের দিক থেকে ১৩০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৭৭। এক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে ভারত। তালিকায় বৈশ্বিকভাবে ভারতের অবস্থান ২৭।

বাকি দেশগুলোর মধ্যে শ্রীলংকা ৩৮, পাকিস্তান ৬৬ ও নেপালের অবস্থান ৭০তম। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের ‘দ্য হিউম্যান ক্যাপিটাল রিপোর্ট ২০১৭’তে বাংলাদেশ সম্পর্কে বলা হয়েছে, জনবহুল দেশটিতে পড়াশোনা শেষ করার পর শিক্ষার্থীদের একটা বড় অংশ বেকার থাকে। দেশটির প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থাও নিুমানের। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে বিশেষায়িত বিষয়ের সংখ্যা খুবই কম।

এমন অবস্থা পর্যালোচনা করে বলাই যায়, কেবল সংখ্যা বাড়িয়ে শিক্ষার মানোন্নয়ন সম্ভব নয়। যত্নবান হতে হবে আরও কতকগুলো বিষয়ে। এসব ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশের সঙ্গে সঙ্গে গুরুত্ব দিতে হবে যোগ্য শিক্ষক নিয়োগেও। তবে শিক্ষকদের বেতনভাতার বিষয়টিও আলোচনার দাবি রাখে।

কেননা, যথাযোগ্য প্রাপ্তি না থাকলে শিক্ষকও ক্লাসে পাঠদানে মনোনিবেশ করতে ব্যর্থ হবেন। সরকারি বিভিন্ন গবেষণায়ও শিক্ষার নিুমানের বিষয়টি উঠে এসেছে। মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার মান যাচাইয়ে ২০১৫ সালে একটি জরিপ চালায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর।

এতে দেখা যায়, অষ্টম শ্রেণীর অর্ধেকের বেশি শিক্ষার্থীর বাংলা, ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে কাঙ্ক্ষিত দক্ষতা নেই। বিষয়ভিত্তিক শিখনমান যাচাইয়ে লার্নিং অ্যাসেসমেন্ট অব সেকেন্ডারি ইন্সটিটিউশনস (লাসি) শীর্ষক জরিপটি চালানো হয় দেশের ৩২টি জেলার ৫২৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ওপর।

এতে অংশ নেয় ষষ্ঠ ও অষ্টম শ্রেণীর ৩১ হাজার ৬২০ জন শিক্ষার্থী। ওই জরিপ প্রতিবেদন বলছে, অষ্টম শ্রেণীর ৬৬ শতাংশ শিক্ষার্থীর ইংরেজিতে প্রয়োজনীয় দক্ষতা নেই। এছাড়া গণিতে দক্ষতা নেই ৬৫ ও বাংলায় ৫১ শতাংশ শিক্ষার্থীর। ব্যানবেইসের তথ্যমতে, দেশের মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোয় পাঠদানে নিয়োজিত আছেন মোট ২ লাখ ৪৩ হাজার ৫৫৩ জন শিক্ষক।

এর মধ্যে ৭১ হাজার ৭০২ জন শিক্ষকের কোনো ধরনের প্রশিক্ষণ নেই। এ হিসাবে মাধ্যমিক পর্যায়ের ২৯ দশমিক ৬৬ শতাংশ শিক্ষক প্রশিক্ষণ ছাড়াই পাঠদান করছেন।

শিক্ষার মানোন্নয়নে সরকারের অনেক উদ্যোগ রয়েছে। এখন নিজেদের সচেতনতা দরকার। কেবল মানসম্মত শিক্ষা বা উন্নততর অবকাঠামো নির্মাণই যথেষ্ট নয়।

শিক্ষার্থীদের আগামী দিনের জন্য সৎ, দক্ষ, দেশপ্রেমিক ও উদার মানবিক গুণাবলি সম্পন্ন অসাম্প্রদায়িক সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষকদের দায়িত্ব নিতে হবে।

নিয়মিত অ্যাসেম্বলি, শিক্ষার্থীদের শপথ পাঠ করানো, জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া, জাতীয় পতাকার প্রতি সম্মান প্রদর্শনে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত পাঠ্যক্রমের বাইরে নিতে হবে; তাদের জ্ঞানমুখী করতে হবে।

নির্ধারিত পাঠের বাইরে ক্রীড়া ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন, জাতীয় দিবস উদযাপন, বইপড়া প্রতিযোগিতা, মা দিবস আয়োজনসহ নানা কর্মসূচি পালনে অভ্যস্ত করে তুলতে হবে।

এতে শিশুদের মানবিক বিকাশ ঘটে। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে তাদের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। বিদ্যালয়ে ক্ষুদে লাইব্রেরি বা বুক কর্নার স্থাপন করতে হবে।

একেকজন শিক্ষককে একেকটি দায়িত্ব দিতে হবে। প্রধান শিক্ষককে তা মনিটর করতে হবে। মাস শেষে শ্রেষ্ঠ পাঠককে পুরস্কার দিতে হবে; এতে তাদের মধ্যে বইপড়ার প্রতিযোগিতা বাড়বে। সর্বোপরি শিক্ষার সার্বিক উন্নয়নে প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষকসহ মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তৎপর হতে হবে।

এসব যে কেবল মুখের কথা, বক্তৃতা-বিবৃতির বিষয় নয়, তা বলাই বাহুল্য। আমরা এ বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপ কামনা করি।

ড. শরীফ এনামুল কবির : সাবেক সদস্য, পাবলিক সার্ভিস কমিশন; সাবেক উপাচার্য, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

[email protected]

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter