পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের বাঁচান

  মুহাম্মদ ইসমাইল হোসেন ২৮ জুলাই ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

পুঁজিবাজার

দেশের পুঁজিবাজার নিয়ে প্রতিদিন প্রচুর আলোচনা-সমালোচনা হয়। কিন্তু বিভিন্ন পত্রিকা ও টেলিভিশন চ্যানেলে পুঁজিবাজার নিয়ে যেসব কথাবার্তা হয়, সরকারের কানে তা ঢোকে বলে মনে হয় না। এ অবস্থায় পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট চেয়ারে বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জসহ অর্থ মন্ত্রণালয়ে যেসব সরকারি আমলা বসে আছেন, তারা পুঁজিবাজারকে গতিশীল ও পরিচ্ছন্ন করার ক্ষেত্রে কে কতটুকু আন্তরিক সে বিষয়ে সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে।

কারণ পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত যেসব কোম্পানি কোনোদিন ডিভিডেন্ড দেয় না বা দিতে পারে না সেসব কোম্পানির শেয়ারদর কারসাজির মাধ্যমে একশ’, দু’শ’, তিনশ’ গুণ বাড়িয়ে ফেললেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না বা তাদের লাগাম টেনে ধরা হচ্ছে না। অথচ জেড ক্যাটাগরির এসব জাঙ্ক শেয়ারকে ইচ্ছা করলেই ওটিসিতে পাঠানো যায়, বছরের পর বছর যারা ডিভিডেন্ড দিতে অক্ষম, বছরের পর বছর যেসব কোম্পানি উৎপাদনে নেই, সেসব কোম্পানিকে ডিলিস্টেট করা যায়।

কিন্তু তা না করে এসব কোম্পানিকেই দাপটের সঙ্গে টপ ট্রেডেড কোম্পানির তালিকায় তোলার সুযোগ করে দেয়া হচ্ছে! কারসাজি চক্র যখন এসব কোম্পানির দাম বাড়াতে বাড়াতে আকাশচুম্বী করে তোলে কেবল তখনই তাদের নামে মূল্য সংবেদনশীল তথ্য জানতে চেয়ে দায়সারা একটি পত্র জারি করা হয় মাত্র! আর এসব কোম্পানিও গৎবাঁধা প্রশ্নের জবাবে গৎবাঁধা জবাব দেয় যে, ‘তাদের কাছে মূল্যবৃদ্ধি বা মূল্য সংবেদনশীল কোনো তথ্য নেই।’ অর্থাৎ অজানা কারণেই দু’মাস, ছ’মাসের মধ্যে ওইসব কোম্পানির শেয়ারদর পাঁচ-ছয়শ’ ভাগ পর্যন্ত বেড়ে যায়।

উদাহরণ দিলে এমন অনেক কোম্পানিরই নাম উল্লেখ করা যায়; কিন্তু তার বোধহয় প্রয়োজন নেই। কারণ এসব কোম্পানির নাম সবাই জানেন। জানেন না শুধু নিয়ন্ত্রক সংস্থার কর্তাব্যক্তিরা। তা না হলে মুন্নু স্টাফলার্সের শেয়ার তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মূল্যে ক্রয়-বিক্রয় করা সম্ভব হতো না। দেশের সবচেয়ে নামিদামি বিএটিবিসি, বার্জার, বাটা সু, রেকিট বেনকিজার ইত্যাদি কোম্পানির চেয়েও মুন্নু স্টাফলার্সের প্রতিটি শেয়ারের মূল্য বেশি হতো না, গ্রামীণফোনের চেয়ে দশ গুণ, স্কয়ার ফার্মার চেয়ে পনেরো গুণ বেশি হতো না।

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণের নামে বড় বড় সরকারি চেয়ার দখল করে বসা হয়েছে, অথচ তাদের নাকের ডগায় ডিভিডেন্ড না দেয়া আজেবাজে কোম্পানিগুলোর শেয়ারদর কারসাজির মাধ্যমে ছয় মাস-এক বছরের মধ্যেই পাঁচ গুণ, দশ গুণ করে ফেলা হচ্ছে। সাভার রিফ্যাক্টরিজ, রেনউইক যজ্ঞেশ্বর, লিগ্যাসি ফুটওয়্যারসহ এ ধরনের ৮-১০টি কোম্পানির শেয়ারমূল্য এভাবে নির্বিবাদে ও নির্বিঘ্নে কারসাজি চক্র বাড়িয়ে চলেছে আর নিয়ন্ত্রক সংস্থার এমডি, চেয়ারম্যান, সদস্য, পরিচালক সাহেবরা মাসের পর মাস ধরে তা প্রত্যক্ষ করে চলেছেন।

সত্যি সেলুকাস, কী বিচিত্র এই দেশ! অথচ অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, বিএসইসি, ডিএসই ইত্যাদি সংস্থার সরকারি চেয়ারে যেসব ব্যক্তি বসে আছেন, তাদের শিক্ষা-দীক্ষা, জ্ঞান-গরিমা এসব দেখাশোনার জন্য উপযুক্ত বিবেচনায়ই তারা ওইসব পদ লাভ করেছেন এবং পুঁজিবাজারের অসৎবৃত্তি রোধ করে বাজারটিকে গতিশীল করার দায়িত্বও তারা গ্রহণ করেছেন। কিন্তু দুঃখের বিষয়, ওইসব ব্যক্তি বিষয়টি নিয়ে আদৌ মনোযোগী নন। নইলে অর্থমন্ত্রী এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে পুঁজিবাজারকে গতিশীল করার নির্দেশ এবং সাহায্য-সহযোগিতা প্রদানের পরও দেশের মানুষকে এ বিষয়ে কাক্সিক্ষত সাফল্য অর্জনের ব্যর্থতা প্রত্যক্ষ করতে হতো না।

আমাদের দেশের দুর্ভাগ্য, সরকারি আমলা-কর্মচারীদের অধিকাংশই তাদের ব্যক্তিগত চিন্তা-চেতনার বশবর্তী হয়ে দায়িত্ব পালন করেন। এমনকি তারা যে থালায় খান, সেই থালা ফুটো করতেও দ্বিধা করেন না। আলোচ্য ক্ষেত্রে যাদের হাতে পুঁজিবাজার ছেড়ে দেয়া হয়েছে, তাদের কেউ পুঁজিবাজারকে ফটকাবাজি বলে থাকেন, কেউবা এক ধরনের জুয়াড়ির বাজারও বলে থাকেন। অথচ এই শ্রেণীর কর্তাব্যক্তিদের যদি সরাসরি প্রশ্ন করা যায়, পুঁজিবাজার একটি দেশের অর্থনৈতিক উত্থানের অন্যতম প্রধান উৎস বা প্রাণশক্তি কিনা, তাহলে তারা ‘হ্যাঁ’ সূচক জবাব দেবেন। কারণ এ ক্ষেত্রে বিকল্প জবাব প্রদানের সুযোগ নেই।

একজন ব্যক্তি মধ্যবয়সে এসে অথবা ষাট বছর পার করে অবসরকালীন ভাতা বা ভূ-সম্পত্তি বিক্রি করে দুই-চার-পাঁচ কোটি টাকা যদি একত্রিত করতে পারেন এবং তিনি যদি ওই টাকা ব্যাংকে না রেখে নিজে সচল থাকার জন্য বা নিজেকে কিছুটা ব্যস্ত রাখার জন্য তার সঞ্চিত অর্থ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করেন, তাহলে তাকে কি ফটকাবাজ বলা যাবে? তিনি কি তার সারা জীবনের অর্থসম্পত্তি নিয়ে জুয়ার বাজারে যাবেন? কখনোই না। আবার এসব অর্থকড়ি নিয়ে এ বয়সে তিনি নতুন করে উদ্যোক্তা হতেও যাবেন না। কারণ উদ্যোক্তা হিসেবে বিনিয়োগ করে শ্রমিক-কর্মচারী সামলানো তার পক্ষে সম্ভব হবে না। সুতরাং এই শ্রেণীর ব্যক্তিবর্গ তাদের পুঁজি পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করলে দোষের কী?

আসল কথা হল, সরকার যাদের এ ক্ষেত্রে দায়িত্ব দিয়েছে, দায়-দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়ে সময়ে সময়ে তারা কথাবার্তা, আচার-আচরণে সৎ ও ভালো বিনিয়োগকারীদেরই আক্রমণ করে তাদের ক্ষতিসাধন করেন! অসৎ ও কারসাজি চক্রকে আড়াল করতে অথবা তাদের মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হয়ে মাঝেমধ্যেই তারা শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করেন।

এসব আমলা তাদের নিজ চেয়ার রক্ষা করা, নিজ চেয়ারের মান উন্নয়নসহ অন্যান্য ব্যক্তিগত সুবিধার জন্য শ্রম ও মেধা ব্যয় করার পর হয়তো আর কোনো কিছু করার সময় তাদের হাতে থাকে না। আর সে ক্ষেত্রে পুঁজিবাজারে সৎ ও ভালো বিনিয়োগকারীরা বছরের পর বছর যে মার খেতে থাকবেন সেটাই স্বাভাবিক। কারণ মুষ্টিমেয় খারাপ মানুষের কারসাজি বা ম্যানিপুলেশন ধরার সময় ও দক্ষতা তাদের হাতে অবশিষ্ট থাকে বলে মনে হয় না।

হিসাব করলে দেখা যাবে, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের ৮০-৯০ ভাগই সৎপথে উপার্জনের জন্য সেখানে বিনিয়োগ করেছেন। হতে পারে ১০-১৫ ভাগ মানুষ সেখানে কারসাজি বা ম্যানিপুলেশনের মাধ্যমে ব্যবসা করছেন, যা সব ব্যবসা-বাণিজ্যেই বিদ্যমান, অথচ ওই ১০-১৫ ভাগ মানুষই পুঁজিবাজারে তাদের বিজয়ডঙ্কা বাজিয়ে চলেছেন, বিজয় নিশান উড়িয়ে চলেছেন, দাপট দেখিয়ে খারাপ কোম্পানির শেয়ারদর বাড়িয়ে চলেছেন। আর ডিএসই, বিএসইসি, অর্থ মন্ত্রণালয় দর্শক হিসেবে এসব চেয়ে চেয়ে দেখছে।

আবার কোনো ভালো কোম্পানির শেয়ারদর একটু বাড়লেই তাদের মাথা গরম হয়ে যাচ্ছে। সে ক্ষেত্রে তারা রক্তচক্ষু দেখাতেও কসুর করছেন না! কিন্তু এভাবে এসব করে তারা যে মুষ্টিমেয় কারসাজি চক্রেরই পৃষ্ঠপোষকতা করে চলেছেন, সে কথা তাদের বোঝানোর ক্ষমতা বোধহয় কারোরই নেই। থাকলে এতদিনে অন্তত পুঁজিবাজারে সুবাতাস বইতো।

আমরা কিছুতেই বুঝে উঠতে পারছি না, আজ পর্যন্ত কেন পুঁজিবাজারে ভালো ভালো নতুন কোম্পানিকে তালিকাভুক্ত করা হচ্ছে না? কেন সেসব কোম্পানিকে বাজারের দিকে আকৃষ্ট করা হচ্ছে না বা বাধ্য করা হচ্ছে না? একটি দেশে কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিকে ব্যবসা করতে হলে কোম্পানির লভ্যাংশ সেই দেশের মানুষকেও দিতে হয়, আর তা করতে হলে সেই কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করতে হয় এবং সে তালিকাভুক্তি বাধ্যতামূলক।

অথচ লিভার ব্রাদার্স নামক কোম্পানিটিকে আজ পর্যন্ত তালিকাভুক্ত করা গেল না কেন, তা একমাত্র বিএসইসিই বলতে পারবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী যেহেতু এসব বিষয়ে ইতিবাচক ভূমিকায় অবতীর্ণ, সেহেতু নিয়ন্ত্রক সংস্থা ব্যর্থ কিনা সে বিষয়টিও ভেবে দেখা দরকার। আর এসব ভাবনা-চিন্তার পাশাপাশি নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে আরও ভেবে দেখতে হবে, অল্পকিছু মানুষকে কারসাজির বা ম্যানিপুলেশনের সুবিধা দিতে পুঁজিবাজারে কিছু অনিয়ম জিইয়ে রাখা হচ্ছে কিনা এবং এতে করে ওইসব অসাধু কোম্পানি, ব্রোকার হাউস ও ব্যক্তিকে ইনসাইড ট্রেডিং, সিরিয়াল ট্রেডিংয়ের সুবিধা দিয়ে বাজার থেকে অর্থ লুটের সুবিধা দেয়া হচ্ছে কিনা?

তাছাড়া কোনো কোম্পানি ভুয়া অডিট রিপোর্ট দাখিল করে সেই কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় বর্ধিত দেখিয়ে, পিই রেশিও কম দেখিয়ে চেষ্টা-তদবির করে তুলনামূলকভাবে বেশি প্রিমিয়াম আদায়ের মাধ্যমে শেয়ার ছেড়ে জনগণের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে কিনা, অর্থাৎ সেসব কোম্পানির ঋরহধহপরধষ উরংপষড়ংবৎ সঠিক কিনা, সে বিষয়গুলো যথাযথ পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হতে পারলে কেবল তখনই নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থরক্ষা সম্ভব। আর এখনও যেসব জেড ক্যাটাগরির কোম্পানিকে ওটিসি মার্কেটে পাঠানো হয়নি, যেসব কোম্পানি বছরের পর বছর কোনো ডিভিডেন্ড দেয় না বা উৎপাদনে নেই- এমন যেসব কোম্পানিকে ডিলিস্টেড করা হয়নি, সেই কাজগুলোও দ্রুত সম্পন্ন করা উচিত।

উপসংহারে বলতে চাই, বিএসইসির চেয়ারম্যানের পদটি সচিব মর্যাদা থেকে জ্যেষ্ঠ সচিবের মর্যাদায় উন্নীত করা হয়েছে। সরকার এসব পদ-পদবিকে উচ্চ থেকে উচ্চতর করবে, দেশের মানুষের তাতে আপত্তি থাকার কথা নয়। কিন্তু সেসব পদের প্রতি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সুবিচার করবেন সেটাও কাম্য। সরকারের প্রতি এ ক্ষেত্রে আবেদন, কোনো আমলা বা অধ্যাপককে কোনো জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব প্রদানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তার যোগ্যতা ও দক্ষতার যথেষ্ট প্রমাণ ছাড়া যেন সেসব পদে পদায়ন করা না হয়।

কারণ দেখা গেছে, কোনো প্রশাসনিক দক্ষতা না থাকা সত্ত্বেও কাউকে কাউকে প্রশাসনিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে এবং ব্যর্থতার পরও তার নিয়োগের মেয়াদ বাড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির ক্ষেত্রে এমনটি ঘটেছে কিনা জানি না। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি যে পুঁজিবাজারে বিদ্যমান অনিয়ম, কারসাজি, কারচুপি, সিরিয়াল ট্রেডিং, ইনসাইডার ট্রেডিং ইত্যাদি প্রতিরোধে যথাযথ ভূমিকা পালনে ব্যর্থ হচ্ছে, সে কথা বলাই বাহুল্য।

কারণ কিছু ব্যক্তি দিনের পর দিন, মাসের পর মাস, বছরের পর বছর তাদের অপকর্ম অব্যাহত রেখে পুঁজিবাজারকে কলঙ্কিত করে চলেছে, অথচ প্রতিষ্ঠানটি এখনও এসবের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম হয়নি। শোনা যায়, যথেষ্ট লোকবলের অভাবে তাদের পক্ষে তা করা সম্ভব হয় না। যদি তাই হয়, তাহলে বিনিয়োগকারী তথা দেশের মানুষের আরও একদফা অবাক হওয়ার পালা। কারণ দেশে এখন তেমন অর্থনৈতিক সংকট নেই। সরকার প্রচুর বেতন-ভাতা দিতে সক্ষম হওয়া সত্ত্বেও পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থায় প্রয়োজনীয় লোকবল দেবে না, সে কথা বিশ্বাসযোগ্য নয়। তাহলে কি লোকবল চাওয়া হচ্ছে না, আনুগত্য দেখাতে গিয়ে এ ক্ষেত্রেও লজ্জায় মাথানত করে বসে থাকা হচ্ছে?

যদি তাই হয়, তাহলে তো বলার কিছু নেই। কারণ পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণে লোকবল চাইলে সরকার তা দেবে না এমনটি ভাবাও অকল্পনীয়। সে ক্ষেত্রে ‘ঢাল নেই তলোয়ার নেই নিধিরাম সর্দার’ হয়ে বসে থাকার প্রয়োজনই বা কী? পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীরা তো এমন নিয়ন্ত্রক সংস্থা চান না। তাহলে পদ-পদবি থেকে সরে দাঁড়ান। পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের বাঁচান।

মুহাম্মদ ইসমাইল হোসেন : কবি, প্রাবন্ধিক, কলামিস্ট

 

 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter