দেশপ্রেমের চশমা

দুর্নীতির রকমফের

  মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার ৩০ জুলাই ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

দুর্নীতির রকমফের
বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি। ছবি: সংগৃহীত

দুর্নীতি ও চুরি-চামারির দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান কোনোকালেই ভালো ছিল না। এ ব্যাপারে পরিস্থিতির ক্রমান্বয়ে অবনমন ঘটছে। তবে এ সম্পর্কে নাগরিক সমাজের বিশ্বাসগুলো পরিবর্তিত হয়ে গেছে। যেমন- রাজনীতিতে সাধারণভাবে বিশ্বাস করা হতো যে, সামরিক শাসনামলে বেশি দুর্নীতি-চুরি হয়; কিন্তু বেসরকারি নির্বাচিত সরকারামলে দুর্নীতি পরিস্থিতি থাকে তুলনামূলকভাবে ভালো। এমন শাসনামলে দুর্নীতি-চুরি হলেও তা হয় তুলনামূলকভাবে কম। কিন্তু সাম্প্রতিক বাংলাদেশের রাজনীতি বিশ্লেষণ করলে এ সত্য প্রতিষ্ঠা করা যায় না। এখানে সামরিক শাসনামলে যেমন দুর্নীতি হয়েছে, বেসামরিক শাসনামলে তার চেয়ে কোনো অংশে কম দুর্নীতি হয়নি বা হচ্ছে না। এরশাদ সামরিক শাসনামলে যে দুর্নীতি হয়েছে তা তার শাসনকালের অবসানের পর আন্তর্জাতিক তদন্ত সংস্থা ফেয়ারফ্যাক্স যে সামান্য বর্ণনা দিয়েছিল, তা ছিল পিলে চমকানোর মতো। কিন্তু রাজনীতির সমীকরণে সেসব দুর্নীতির তদন্ত ও বিচার হয়নি। এ কথা সত্য, সরকার নির্বাচিত হলে জনগণের কাছে তার দায়বদ্ধতা থাকে। কারণ জনগণই ভোট দিয়ে সরকার নির্বাচন করেন। কিন্তু যদি সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত না হয়, তাহলে স্বাভাবিকভাবে সে সরকার জনগণের পরোয়া করবে না, এটিই স্বাভাবিক। ফলে তেমন দলীয় সরকারের অধীনে মন্ত্রী-নেতা ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা যা খুশি তাই করতে পারেন। ফলে এমন সরকারামলে চুরি-চামারি বেড়ে যাওয়াই স্বাভাবিক।

বর্তমান সরকার নির্বাচিত হলেও সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয়। এ সরকারের ৩০০ এমপির মধ্যে ১৫৩ জন বিনা ভোটে নির্বাচিত অটো এমপি। কাজেই এমন সরকার জনগণের তোয়াক্কা কেন করবে? সেজন্য এ সরকারামলে চুরি-দুর্নীতির বৃদ্ধি ঘটেছে। ক্ষমতাসীন হওয়ার পর যদি কয়েক মাসের মধ্যে এ সরকার ইনক্লুসিভ মধ্যবর্তী সংসদ নির্বাচন দিয়ে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে দেশ চালাত, তাহলে হয়তো চুরি-দুর্নীতি এতটা বাড়তে পারত না। কিন্তু সরকার তা না করে ক্ষমতাসীন হয়ে শক্তি ব্যবহার করে আমলাদের সহায়তা নিয়ে মেয়াদকাল শেষ করতে চেয়েছে। এ লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে ভোট চুরি করে নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা প্রমাণে ব্যর্থ চেষ্টা করেছে। এ সরকারামলে উন্নয়নের নামে ফ্লাইওভার হলেও এর নির্মাণকাজে দুর্নীতির কারণে উন্নত দেশগুলোর চেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় হয়েছে। অন্যদিকে ‘স্বল্প গণতন্ত্র ও অধিক উন্নয়ন’ নীতি অবলম্বন করায় ভোটপাগল নাগরিক সমাজের কাছে সরকারের জনপ্রিয়তা হ্রাস পেয়েছে। কারণ এ দেশের মানুষ উন্নয়নের বিনিময়ে তার ভোটাধিকার বিক্রয় করতে নারাজ। কিন্তু সরকার জনপ্রিয়তার তোয়াক্কা না করে হামলা-মামলা ও শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে রাজনৈতিক বিরোধিতা নিষ্ক্রিয় করে ক্ষমতার মেয়াদ পূরণ করতে যাচ্ছে। পায়ের নিচে জনসমর্থনের শক্ত মাটি না থাকায় এ সরকারের আমলে দুর্নীতি-চুরি বৃদ্ধি পাওয়া স্বাভাবিক।

দশম সংসদ নির্বাচনের কিছুকাল পর মধ্য-২০১৫ সালে চট্টগ্রাম বন্দরে তরল কোকেনের চালান ধরা পড়ে। সূর্যমুখী তেল ঘোষণা দিয়ে ব্যাংকে এলসি না খুলে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে বলিভিয়া থেকে এ কোকেন আমদানি করে চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের একটি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান। ল্যাবরেটরির পরীক্ষায় তেলের ড্রামে কোকেন থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর। আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা সংস্থার কাছ থেকে তথ্য পেয়ে ৩০০ কোটি টাকার কোকেনের এ চালান চট্টগ্রাম বন্দরে ধরা পড়ার পর প্রকৃত আমদানিকারকের পরিবর্তে চালানটি ছাড়ানোর চেষ্টা করে অন্য কেউ। তবে পত্রিকার রিপোর্ট অনুযায়ী দেখা যায়, চালানটি যুক্তরাজ্যে থাকা একজন ভারতীয়র, যিনি বলিভিয়ায় থাকেন (সমকাল : ২৮-০৬-২০১৫)। মাদক চোরাচালান এবং এ সম্পর্কিত চুরি-দুর্নীতির ক্ষেত্রে সাধারণত গডফাদাররা ধরা পড়ে না। পরিবর্তে বাহক বা স্থানীয় ছোটখাটো এজেন্ট অনেক সময় ধরা পড়ে, যারা কিছুদিন পর জামিন নিয়ে বের হয়ে আবার নতুন উদ্যমে কাজ শুরু করে।

কোকেন দুর্নীতিরও আগে মহাজোট সরকার আমলে ২০১১ সালে প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা মুক্তিযুদ্ধে সহায়তাকারী বিদেশি ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানকে সম্মানিত করার প্রশংসনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এ লক্ষ্যে সাতপর্বে তিন শ্রেণীতে ভাগ করে ৩৩৮ বিদেশি ব্যক্তিত্ব ও কিছু সংগঠনকে সম্মাননা প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এদের হাতে অন্যান্য উপহারসামগ্রীর সঙ্গে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী ১ ভরি সোনা ও ৩০ ভরি রুপা সংবলিত (?) একটি সুদৃশ্য সম্মাননা স্মারক ক্রেস্ট তুলে দেয়ায় এ সম্মাননার গুরুত্ব ভিন্ন মাত্রা পায়। কিন্তু ২০১৪ সালে কয়েকটি ব্যাচ সম্মাননা নেয়ার পর ক্রেস্ট তৈরিতে মারাত্মক দুর্নীতি ধরা পড়ে। বিএসটিআই অনুরুদ্ধ হয়ে একটি ক্রেস্ট পরীক্ষা করে তাতে ১৬ আনার পরিবর্তে ৩ আনা সোনার অস্তিত্ব পেলে সবাই অবাক হন। পরে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারকে দিয়ে গঠিত তদন্ত কমিটি ব্রিটিশ নাগরিক জুলিয়ান ফ্রান্সিসকে দেয়া মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সম্মাননা ক্রেস্টটি পরমাণু শক্তি কমিশনকে দিয়ে পরীক্ষা করালে ক্রেস্টে সোনা বা রুপার কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। সেখানে পাওয়া গেছে দস্তা, তামা, নিকেল ও পিতল। ২০১৪ সালের ৮ মে তদন্ত কমিটি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর কাছে ১০৪ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিলে মন্ত্রী এ দুর্নীতিতে জড়িতদের ছাড় না দেয়ার ঘোষণা দেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত দেশের সম্মান বিনষ্টকারী ও এসব সোনা-রূপা চোরদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেয়া হয়েছে বলে জানা যায়নি। শাস্তি দিতে দেরি হলেও অন্তত সরকারের উচিত ছিল বর্ণিত সোনা-রুপা দিয়ে নতুন করে ক্রেস্ট বানিয়ে বিদেশি সম্মাননাপ্রাপ্ত মেহমানদের ঠিকানায় তা পৌঁছে দেয়া। কারণ ওইসব মেহমান কিন্তু আমাদের কাছে সম্মাননা চাননি। আমরা তাদের দাওয়াত দিয়ে এনে সম্মানিত করার নামে এ ঘৃণ্য কাজ করেছি। দুদক ক্রেস্টের সোনা জালিয়াতির তদন্ত শুরু করে প্রয়োজনীয় সব নথিপত্র সংগ্রহের পর রহস্যজনকভাবে তদন্তকাজ বন্ধ করে দেয়। কাজেই ওই চোরদের আর শাস্তি হয়নি।

জননেত্রী শেখ হাসিনা আর একটি ভালো কাজ করেছিলেন। তিনি মুজিবনগর সরকারে কাজ করা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহায়তা প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশংসিত হন। এমন ব্যক্তিত্বদের চিহ্নিত করে অনেককে চাকরি দিয়ে সহায়তা করা হয়। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে মুজিবনগর সরকারে চাকরি করা ব্যক্তিত্বদের কতজন এ সহায়তা পান সে বিষয়ে সন্দেহ দেখা দেয়। এ প্রক্রিয়ায় উল্লেখযোগ্যসংখ্যক কর্মকর্তাকে সাবরেজিস্ট্রারের পদে চাকরি দেয়া হয়। তবে অনুসন্ধানী সাংবাদিকরা খোঁজ করে দেখেন, যাদের চাকরি দেয়া হয়েছে তাদের কারও বয়সই ১৯৭১ সালে ১০-১২ বছরের বেশি ছিল না। অনেকের বয়স ছিল মাত্র ২-৩ বছর। কাজেই শিশু বয়সে যখন চাকরিপ্রাপ্তদের মায়ের কোলে থাকার কথা, তখন এরা মুজিবনগর সরকারে কীভাবে চাকরি করলেন? আসলে এখানে বড় রকমের দুর্নীতি হয়। পত্রিকার সংবাদ অনুযায়ী একেকজন চাকরিপ্রাপ্ত ব্যক্তি ৫-৬ লাখ টাকা ঘুষ দিয়ে নকল কাগজ বানিয়ে এ চাকরি লাভ করেন। এসব ব্যক্তি এখনও বহাল তবিয়তে চাকরি করে যাচ্ছেন। নিশ্চয়ই এতদিনে তারা পদোন্নতি পেয়ে আরও বড় পদে কাজ করছেন। দুর্নীতি করার জন্য এদের কারও চাকরি গেছে বা শাস্তি হয়েছে এমনটি শোনা যায়নি।

এ সরকারের আমলে আর্থিক খাতেও ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। শেয়ারবাজার ও ব্যাংকে লুটপাট হয়েছে। প্রায় প্রতিটি ব্যাংকের টাকা নিয়ম-কানুনের তোয়াক্কা না করে লুটপাট করা হয়েছে এবং এসব লুটপাটে সরকারের লোকজনও জড়িত বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু আর্থিক লুটপাটকারীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা না করায় দুর্নীতি আরও বাড়ছে। যথাযথ নিয়ম পালন না করে ভুয়া কাগজপত্রের ওপর ভিত্তি করে হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণ দিয়ে ব্যাংকগুলো আজ দেউলিয়া হওয়ার পথে। নাগরিক সমাজ এখন ব্যাংকে টাকা রাখতে নিরাপদবোধ করছেন না। বাংলাদেশ ব্যাংকের মতো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের রিজার্ভ থেকেও হাজার হাজার কোটি ডলার হ্যাক করা হয়েছে। এ কাজে জড়িতদের এখনও শাস্তি দেয়া সম্ভব হয়নি।

এ দেশে এতদিন সংঘটিত দুর্নীতিগুলো মাটির ওপর অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোনা চুরি, গাছ চুরি, ফ্লাইওভারে চুরি, ব্যাংক থেকে টাকা চুরি, নির্বাচনে ব্যালট চুরি, সবই মাটির ওপরের কাজ। মাটির ওপর থেকে সরিয়ে সম্প্রতি দুর্নীতিকারীরা মাটির নিচে দৃষ্টি দিয়েছেন। তারা এবার করেছেন বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে কয়লা চুরি। এ চুরি যেমন-তেমন চুরি নয়। পত্রিকার খবর অনুযায়ী উল্লিখিত ওই খনি থেকে চুরি হয়েছে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৬৪৪ দশমিক ৪০ টন কয়লা, যার আনুমানিক মূল্য ২৩০ কোটি টাকা। কয়লা খনির ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) বাদী হয়ে পার্বতীপুর থানায় মামলা করেছেন। মামলায় ১৯ জনকে আসামি করা হয়েছে। এ মামলার নথি দুদকের হাতে পৌঁছেছে। এখন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হবে।

চুরি যাওয়া কয়লার যে পরিমাণ মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, এলাকাবাসীর মতে তা অনেক কম। উল্লেখ্য, ভূগর্ভস্থ কয়লা খনি থেকে পাম্পের মাধ্যমে অবিরতভাবে যে পানি নিষ্কাশন করা হয় তা এসে জমা হয় ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টে। সেখান থেকে কয়লার ডাস্ট শুকিয়ে জমা করা হয় কোল ইয়ার্ডে। কিন্তু এ কয়লার কোনো হিসাব না রেখে অবৈধভাবে বিক্রয় করে দেয়া হয়েছে। ওয়াটার ট্রিটমেন্টে থেকে জমাকৃত কয়লার পরিমাণ বছরে ১৬ থেকে প্রায় ২০ হাজার টন। এ হিসাব কাগজে-কলমে রাখা হয়নি। গত ৫-৭ বছরে এ খাত থেকে জমা ডাস্ট কয়লার পরিমাণ সোয়া লাখ থেকে দেড় লাখ টন। এ কয়লা চুরি যাওয়া কয়লার পরিমাণের বাইরে। কয়লা খনির এসব দুর্নীতি হয়েছে কাগজের মারপ্যাঁচে। বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির ফুলবাড়ী উপজেলা সাধারণ সম্পাদক এসএম নূরুজ্জামান বলেন, ‘কয়লা খনিতে যে দুর্নীতি হয়েছে তার প্রধান ও অন্যতম কারণ ডিও (ডিমান্ড অর্ডার) বাণিজ্য। এ বাণিজ্যের সঙ্গে মন্ত্রী-এমপি, রাজনৈতিক নেতা ও কর্মকর্তারা জড়িত।’ এই ডিওতে যে পরিমাণ কয়লা দেয়ার উল্লেখ থাকে, কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগসাজশে কমিশন বাণিজ্য করে কয়লা ব্যবসায়ীরা তা বাড়িয়ে নেন। এ কমিশনের অর্থ দুর্নীতির সিন্ডিকেট সদস্যরা ভাগবাটোয়ারা করে নেন।

এ নিবন্ধের প্রথম দিকে যেসব দুর্নীতির কথা বলা হয়েছে, তার সবই মাটির ওপরের দুর্নীতি। কিন্তু মাটির নিচে খনির কয়লা নিয়ে এই প্রথম বড় ধরনের দুর্নীতির সন্ধান পাওয়া গেল। দুর্নীতি গবেষকরা তাদের কাজ করার জন্য পেলেন নতুন গবেষণার বিষয়বস্তু। তবে যেহেতু সরকারি লোকজন এ খনি দুর্নীতিতে জড়িত, কাজেই অনুমান করা অসঙ্গত হবে না, এ দুর্নীতি নিয়ে প্রথমে কিছুদিন হৈচৈ হবে। তবে পরে এ দুর্নীতিও ক্রেস্টের সোনা জালিয়াতি বা মুজিবনগর সরকারের কর্মকর্তা হিসেবে মিথ্যা পরিচয়ে চাকরি লাভ করা বা শেয়ারবাজার দুর্নীতির মতো এক সময় আড়ালে চলে যাবে। দুর্নীতিবাজদের যদি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হয়, তাহলে দুর্নীতি বাড়তে বাধ্য। কাজেই সে নিয়মানুযায়ী বলা যায়, এ সরকারামলে সামনের দিনগুলোতে দুর্নীতি আরও বাড়বে। তবে দেখা যাবে, আসন্ন একাদশ সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে প্রকাশিত নির্বাচনী ইশতিহারে জনসমর্থন পাওয়ার লক্ষ্যে সরকারি দলসহ বড় দলগুলো দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করবে।

ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার : অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান, রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

[email protected]

ঘটনাপ্রবাহ : বড়পুকুরিয়ায় কয়লা গায়েব

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter