সড়ক-মহাসড়কে অরাজকতা রোধের প্রস্তাবনা

  কারার মাহমুদুল হাসান ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

সড়ক-মহাসড়কে অরাজকতা রোধের প্রস্তাবনা
ফাইল ছবি

ঢাকাসহ দেশের সর্বত্র যাত্রী পরিবহন সমস্যা দিন দিন একদিকে প্রকট থেকে প্রকটতর হচ্ছে এবং অন্যদিকে সড়ক দুর্ঘটনায় বাস, ট্রাক, মাইক্রোবাস, কার ইত্যাদিতে যাতায়াতকারীদের এবং পথচারীদের মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। সরকার এবং বাস মালিক, ট্রাক মালিকসহ পরিবহন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সমিতি এসব নিয়ে খুব একটা কথা বলতে দেখা যায় না। দুর্ঘটনায় আমজনতা ও ছাত্রছাত্রীদের প্রাণনাশসহ পঙ্গু হয়ে পরিবার ও সমাজের গলগ্রহ হয়ে দুঃসহ জীবনের ঘানি টানতে টানতে অসহায় অবস্থায় মৃত্যুবরণ করা ছাড়া অন্য কিছু তাদের করার থাকে না।

সড়ক দুর্ঘটনায় খুব কম সময়ে বিপুলসংখ্যক মানুষের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে গত দুই ঈদে। এ নিয়ে কিছুদিন বিভিন্ন মহল, পত্র-পত্রিকা, টকশো ইত্যাদিতে কঠিন আলোচনা-সমালোচনা, হা-হুতাশসহ উপদেশ বিতরণ করে নিজেকে ‘পণ্ডিত’ ভেবে ক্ষণকালের জন্য হলেও গৌরবান্বিত মনে করেছেন। এরপর দেখা গেল সড়ক-মহাসড়কে দুর্ঘটনা পুনরায় আরও তীব্রতার সঙ্গে ফিরে এলো। এ যেন এক ধরনের নিয়তির লেখা।

বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিসভা সম্প্রতি ‘সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮’-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন করেছে। এরপর গত কদিন বিদগ্ধ মহলে এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। আলোচক-সমালোচকরা প্রায় একই সুরে বলেছেন, দুর্ঘটনার জন্য ড্রাইভারকে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ডের বিধান অপর্যাপ্ত এবং এতে রাস্তায় গাড়িচালকদের ‘লাগাম’ ধরে লাইনে আনা প্রায় অসম্ভব। হিউম্যান রাইট্স অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি) এ বিষয়ে এক ধরনের হতাশা প্রকাশ করেছে। তাছাড়া ট্রাফিক আইন অমান্য করার জন্য যে অপর্যাপ্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে তাতে খুব একটা কাজ হবে না বরং এসব ক্ষেত্রে ওই জরিমানার পরিমাণ প্রতি কেসে ৫, ১০ বা ২০ হাজার টাকা ধার্য করলে সংশ্লিষ্টদের ট্রাফিক লাইন মানার ক্ষেত্রে চাপ সৃষ্টিতে সহায়ক হতো, এ মতামত এইচআরপিবি’র।

মন্ত্রিসভা কর্তৃক অনুমোদিত ‘সড়ক ও পরিবহন আইন-২০১৮’তে বলা হয়েছে, বিআরটিএ থেকে মোটর ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার জন্য প্রার্থীকে কমপক্ষে অষ্টম শ্রেণী পাস হতে হবে। এখানে অস্বীকার বা অবহেলা করার উপায় নেই, সড়ক-মহাসড়কে দুর্ঘটনা ঘটানোর মূল নায়ক সংশ্লিষ্ট বাহনের চালক। তাই চালক হওয়ার জন্য অষ্টম শ্রেণী পাস হওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে অনুমোদিত খসড়া আইনে। এ বিষয়ে এখন চার্টার্ড ইন্সটিটিউট অব লজিসটিক্স অ্যান্ড ট্রান্সপোর্ট, বাংলাদেশ কাউন্সিলের পক্ষ থেকে নিম্নে বর্ণিত নিবেদন রাখতে চাই।

Chartered Institute of Logistics and Transport UK স্থাপিত হয় ১৯১৯ সালে লন্ডন শহরে, ১০০ বছর আগে। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশসহ ৩২টি দেশ সিআইএলটি-ইউকের সদস্য, আরও ৪-৫টি দেশের সদস্যভুক্ত হওয়ার প্রসেস চলমান। ইউনিভার্সিটির উপাচার্য, বেশ কজন সচিব, সামরিক বাহিনীর প্রায় ৮-১০ জন সিনিয়র কর্মকর্তা, বাংলাদেশে কর্মরত পৃথিবীখ্যাত যোগাযোগ সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রায় অর্ধডজন কর্ণধার, এলজিইডি ইত্যাদির প্রায় ডজনখানেক কর্মকর্তা, জাহাজ নির্মাণ, জাহাজ চলাচল, নেভিগেশন ইত্যাদি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রায় দুই ডজন অভিজ্ঞ কর্মকর্তা, প্রথিতযশা সড়ক, সেতু নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানের বেশ কজন কর্ণধার এবং বিভিন্ন বিখ্যাত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীসহ বর্তমানে সিআইএলটি বাংলাদেশ কাউন্সিলের সদস্য সংখ্যা প্রায় দু’শ। অত্যন্ত কঠিন ও জটিল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সিআইএলটি-ইউকে (Head Quarter) কর্তৃক প্রতিক্ষেত্রে পরীক্ষা, নিরীক্ষা, যাচাই, মূল্যায়ন ইত্যাদি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দেশেগুলোর সদস্যপদ অনুমোদন করা হয়। বিভিন্ন ক্যাটাগরির সদস্য পদের মধ্যে ‘ফেলো’ সর্বোচ্চ ক্যাটাগরির পদ। বাংলাদেশ সিআইএলটিতে ফেলোর সংখ্যা প্রায় এক ডজনের মতো।

CILT Bangladesh Council-এর সিনিয়র ফেলো আবদুল আলম ভূঞা আশির দশকের শেষভাগে এবং নব্বইয়ের দশকের প্রথমার্ধে বেশ কয়েক বছর বিআরটিতে সিনিয়র পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রায় তিন বছর আগে জনাব ভূঞা Training, Testing and Licensinecy Drivers with Reading and writing Handicaps শিরোনামে কনসেপ্ট পেপার প্রস্তুত করে সিআইএলটি বাংলাদেশ কাউন্সিলের সাধারণ সভার পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে পেশ করলে, কনসেপ্ট পেপারটি সে সভায় অনুমোদিত করা হয়।

এ কনসেপ্ট পেপারটি সাধারণ সভায় অনুমোদন লাভের পর সিআইএলটি বাংলাদেশ কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট হিসেবে এটি বিআরটিএ অফিসে পরিচালক ও মধ্যম পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাছে পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে সেটি পেশ করলে অনানুষ্ঠানিকভাবে উপস্থিত সবাই এ পেপারে বর্ণিত সুপারিশমালা বিষয়ে একমত পোষণ করেন এবং জরুরি ভিত্তিতে আনুষ্ঠানিকভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পেশ করার জন্য উপস্থিত সংশ্লিষ্টজন তাগিদ প্রদান করেন।

সে পরিপ্রেক্ষিতে বিআরটিএ চেয়ারম্যান ব্যতীত তার পদস্থ সহকর্মীদের বিআরটিএ অফিসে বরাবরে জানুয়ারি (২০১৬) মাসের প্রথম সপ্তাহে, কনসেপ্ট পেপারটি উপস্থাপন করলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে ইতিবাচক একমত দৃশ্যমান হয়। এরপর কনসেপ্ট পেপারটি পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপনের সুযোগ প্রদানের জন্য অনুরোধপত্র প্রেরণ করি। এর পর ব্যক্তিগতভাবে সাক্ষাৎ করে উপস্থাপনের সুযোগ দানের জন্য অনুরোধ করি। কিন্তু সব জায়গায় থেকে ‘সময় নাই! সময় নাই!’ বলে আমাদের অনুরোধ উপেক্ষা করা হয়। হায় নিয়তি!

কী আছে এ Concept Paper-এ?

উল্লিখিত Concept Paper-এর বক্তব্য সংক্ষেপে এমন : বর্তমান বাংলাদেশে প্রায় ৩৫ লক্ষাধিক বিভিন্ন ক্যাটাগরির মোটর ড্রাইভার আছে, যাদের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই। বিআরটিএ থেকে নকল লাইসেন্স বের করে দাবড়িয়ে সড়কে-মহাসড়কে গাড়ি চালাচ্ছে। এতে একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটছে। এ Concept Paper তৈরির সময় প্রায় দুই-আড়াই বছরে সহি ও নকল লাইসেন্সধারীর সংখ্যা ছিল কমবেশি ২৮ লাখ। তখনও নকল লাইসেন্সের সংখ্যা ছিল ৮-৯ লাখ। এ সংখ্যা বেড়েই চলেছে।

সিআইএলটি বাংলাদেশ কাউন্সিল কর্তৃক সুপারিশকৃত Concept Paper-এ জনাব আলম শুরুতে বলেছেন Rule 6(3) of MV Rules 1984-এ বলা আছে ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার জন্য একজন আবেদনকারীকে (১) লিখিত (২) মৌখিক ও ড্রাইভিং কমপিটেন্সি পাস করা বাধ্যতামূলক ছিল। ১৯৯১ সাল পর্যন্ত উল্লিখিত লিখিত পরীক্ষা পাস স্থগিত রাখা হয়, বাকি দুটির ভিত্তিতে মৌখিক ও হাতে কলমে (Practice) ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান করা হতো। কিন্তু ১৯৯১-এর মধ্যবর্তী কোনো এক সময় থেকে লিখিত পরীক্ষা পাস ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রাপ্তির মূল শর্ত হিসেবে পুনরায় চালু করা হয়। লিখিত পরীক্ষায় পাস না করতে পারলে বাকি দুই পরীক্ষায় সম্মুখীন হওয়ার কোনো সুযোগ থাকত না। আর এ কারণেই ড্রাইভার হতে ইচ্ছুক প্রার্থীদের ক্রমবর্ধিত হারে অনৈতিক পন্থায় প্রতি ক্ষেত্রে প্রচুর অর্থকড়ি ব্যয় করে ড্রাইভিং লাইসেন্স নামক ‘সোনার হরিণ’ ক্রয়ে মনোযোগী হতে হয়েছে।

সিভিল সোসাইটির প্রতিনিধিদের প্রত্যাশা ছিল লিখিত পরীক্ষার বিধানে বাধ্যবাধকতা থাকলে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ শিক্ষিত ব্যক্তি ড্রাইভিং প্রফেশনে আসবেন। কিন্তু আশা ১০ ভাগও পূরণ হয়নি। জনাব আলম তার Concept Paper-এ বলেছেন, এটা সঠিক নয় যে, ড্রাইভিং স্কিলস্ রাস্তায় গাড়ি চলাচলের জন্য রুলস সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান এবং প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা (বর্তমানে অষ্টম শ্রেণী পাস) একটি অন্যটির পরিপূরক। অনেকের ধারণা, ভালো ড্রাইভার হওয়ার জন্য ভালো ও পর্যাপ্ত শিক্ষাগত যোগ্যতা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। সে ধারণা একান্ত অমূলক এবং ভুল।

জনাব আলমের মতে, ড্রাইভিং লাইসেন্স অনুমোদন পরীক্ষা দুই ভাগে ভাগ করা যায়।

১. এটি এমন একটি পরীক্ষা (লিখিত, মৌখিক ও কম্পিউটারের মাধ্যমে) যার মাধ্যমে রাস্তার নিয়ম, প্রবিধান ও সংকেত বোঝার সক্ষমতা যাচাই করা হয়।

২ . প্রাকটিক্যাল পরীক্ষা : যা রাস্তার প্রকৃত পরিস্থিতি বোঝার সক্ষমতা যাচাইয়ের জন্য নেয়া হয়।

জনাব আলমের মতে (সিআইএলটি বাংলাদেশ কাউন্সিলও প্রায় একমত) ড্রাইভিং লাইসেন্স নামক হিমালয় জয় করতে ‘লিখিত পরীক্ষা’ পাসের বিধান সবচেয়ে জটিল বাধা বা বিপত্তি। এটি এদেশের স্কুলে না পড়া লাখ লাখ যুবকের ড্রাইভিং টেস্ট পরীক্ষার মূল বাধা অতিক্রম করা, সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বা বিপত্তি।

অন্যদিকে আমরা অনেকেই জানি না মোটর ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় দুই ডজন স্টেটস (Stats)-এ এবং সেই সঙ্গে ইংল্যান্ড ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশের এক কথায় ব্যাপক অঞ্চলে মূলত মৌখিক (Oral) পরীক্ষার ভিত্তিতে (যা বাংলাদেশে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত বহাল ছিল) ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদানের ব্যবস্থা জোরেশোরে চালু আছে।

ইংল্যান্ড যে যুবক বা মধ্যবয়সীরা ইংরেজিতে দুর্বল তাদের জন্য (ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদানার্থে) Driving Standards Agency (DSA) একটি সংস্থা আছে যারা VOICEOVER টেস্টিং পদ্ধতির মাধ্যমে বাংলা ভাষাসহ ২১টি দেশের ভাষাভিত্তিক প্রার্থীদের পরীক্ষা নেয়া হয়ে থাকে। একজন ব্যক্তি পড়তে বা লিখতে না জানলেও এ পদ্ধতিতে ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে সক্ষম।

দক্ষ ড্রাইভার তৈরি এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স সহজে এবং নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সেই সঙ্গে ইংল্যান্ড, ইউরোপ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন টেস্টে পরীক্ষিত পদ্ধতি অনুসরণে তা চালু করলে অদক্ষ, নকল লাইসেন্সধারীদের কবল থেকে অন্তত ৮০-৯০ ভাগ সড়ক দুর্ঘটনা পরিহারকল্পে বাংলাদেশে জরুরিভিত্তিতে নিম্নে বর্ণিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হলে ইতিবাচক ফল মিলবে।

০১। বাংলাদেশ অবিলম্বে ওর‌্যাল টেস্টিং মেথড চালু এবং পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে (উপরে বর্ণিত)

Standard Procedure এতদসংক্রান্ত অনুসরণ করা যেতে পারে।

০২। শিক্ষা/পড়াশোনার দুর্বল প্রার্থীদের জন্য কম্পিউটার বেজড ট্রেনিং মেথড চালুকরণ।

০৩। পিকটরিয়েল টিচিং টেকনিকস প্রচলন।

০৪। বাংলাদেশে পরিবেশ-প্রতিবেশের ওপর খেয়াল রেখে ভয়েস অভার ট্রেনিং ও টেস্টিং মেথড চালুকরণ।

০৫। Navigation বিষয়াদি সহজীকরণের লক্ষ্যে ‘টাচ স্ক্রিন’ মনিটরস ব্যবস্থার প্রচলন।

০৬। Hayards Perceptions বিষয়াদিতে প্রশিক্ষণের জন্য Animations বা ভিডিও ব্যবহার প্রচলন।

এতদসংক্রান্ত ট্রেনিং মডিউলস প্রচলন এবং সে সঙ্গে টেস্টিং মডিউলস প্রস্তুত করাও দরকার। চার্টার্ড ইন্সটিটিউট অব লজিস্টিকস অ্যান্ড ট্রান্সপোর্ট, বাংলাদেশে কাউন্সিল গভীরভাবে বিশ্বাস করে উপরে বর্ণিত কার্যক্রম অতি জরুরি ভিত্তিতে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিলে আশা করা যায় বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনা কমবে।

কারার মাহমুদুল হাসান : সাবেক সচিব; প্রেসিডেন্ট, চার্টার্ড ইন্সটিটিউট অব লজিসটিকস্ অ্যান্ড ট্রান্সপোর্ট, বাংলাদেশ কাউন্সিল

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter