আরও একটি বড় সেতু অপরিহার্য

  মুহাম্মদ ইসমাইল হোসেন ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

উড়াল সেতু

পদ্মা সেতু আমাদের জাতীয় জীবনের অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে চলেছে। রাজধানীর সঙ্গে মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দর তথা সমগ্র দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে স্বল্পসময়ে এবং অবাধে সংযোগ স্থাপনের ফলে জাতীয় প্রবৃদ্ধি অর্জনে এ সেতু সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। কিন্তু তা সত্ত্বেও দেশের এক-তৃতীয়াংশ জনসংখ্যা অধ্যুষিত অঞ্চল উত্তরবঙ্গের সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগের ক্ষেত্রে ব্যাপক অসুবিধা থেকে যাচ্ছে।

কারণ এ অঞ্চলের মানুষের পক্ষে যমুনা সেতু পার হয়ে রাজধানী ঢাকা অতিক্রম করে পদ্মা সেতু ব্যবহার করে দক্ষিণবঙ্গে যাতায়াত অত্যন্ত দুরূহ কাজই বটে। তাই উত্তরবঙ্গের ১৬টি জেলাসহ কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর এ ১৯টি জেলার জনগণের দক্ষিণবঙ্গে চলাচলের জন্য আরিচা-নগরবাড়ি-গোয়ালন্দ ‘ওয়াইশেপ’বিশিষ্ট দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর বিকল্প নেই। আর যমুনা সেতুকে রক্ষা করতে হলেও অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ কমানোর ক্ষেত্রে আরিচা-নগরবাড়ি-গোয়ালন্দ পয়েন্টে সেতুই একমাত্র সমাধান।

অন্যথায় যমুনা সেতুর ওপর গজব নেমে আসবে! দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা এ সেতুর ওপর দিয়ে হাজার হাজার যাত্রীবাহী বাস, মালবাহী ট্রাক, কনটেইনারবাহী (ওয়াগন) দৈত্যাকার যানবাহন চলাচলের ফলে ইতিমধ্যে যমুনা সেতু রুগ্ন হয়ে পড়েছে। মাঝে মধ্যে সেখানে ফাটল (ক্র্যাক) ধরা পড়ছে এবং তা মেরামত করা হচ্ছে। তাছাড়া এ একটি মাত্র সেতুর ওপর দিয়ে উপরোক্ত ১৯টি জেলা, এমনকি যশোর-ঝিনাইদহ ইত্যাদি জেলার যানবাহনও চলাচল করে থাকে।

কারণ আরিচা ফেরিঘাটের ভিড় এবং বেহাল অবস্থা দেখে সহজে কেউ সে পথ মাড়াতে চান না। ফলে ঢাকা থেকে বের হলেই উত্তরা থেকে যে যানজট শুরু হয়- আশুলিয়া, গাজীপুর, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত সে যানজটে দেশের এক-তৃতীয়াংশ মানুষকে নাস্তানাবুদ হতে হয়।

অসহায় ও অস্থির অবস্থায় রাস্তায় সময় কাটাতে কাটাতে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েন। অনেক ক্ষেত্রে কোনো কোনো ড্রাইভার অপেক্ষার পালা শেষে একটু ফাঁকা পেলে অস্থিরতার সঙ্গে গাড়ি চালিয়ে দুর্ঘটনাও ঘটান। এ অবস্থায় উত্তরা, আশুলিয়া, গাজীপুর, টাঙ্গাইলসহ যমুনা সেতু পর্যন্ত অসহনীয় যানজট এড়াতে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণ করা অত্যন্ত জরুরি। আর সে কারণেই আরিচা-নগরবাড়ি-গোয়ালন্দ পয়েন্টে আরও একটি সেতু নির্মাণের জন্য সরকারি পর্যায়ে অনেক বছর ধরেই নথি চালাচালির পর বর্তমানে তা অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে বলেও জানা গেছে।

উল্লেখ্য, আরিচা-নগরবাড়ি-গোয়ালন্দ এ তিনটি নদীবন্দরই দেশের ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহন করে চলেছে, তাই দেশ ও জাতির কাছে সুপরিচিত এ তিনটি পয়েন্টকে একটি সড়ক সেতু দ্বারা সংযুক্ত করাও সরকারের আশু দায়িত্ব ও কর্তব্য হয়ে পড়েছে।

যদি পাকিস্তান আমলে আমাদের শোষিত-বঞ্চিত হতে না হতো, তাহলে এ দেশে প্রথমে যে বড় সড়ক সেতুটি নির্মিত হতো- তা আরিচা-নগরবাড়িতেই হতো। আবার পরবর্তী সময়ে যমুনা সেতু নির্মাণের জন্য প্রথমে আরিচা-নগরবাড়িকেই স্থান হিসেবে স্থির করা হয়েছিল। কারণ আরিচা থেকে খুলনা এবং পার্বতীপুর সমদূরবর্তী স্থানে অবস্থিত।

কিন্তু পাবনাসহ সন্নিহিত এলাকার রাজনৈতিক নেতৃত্বের দুর্বলতা এবং আঞ্চলিক স্বার্থপরতার কারণে সেতুটিকে উত্তর দিকে নিয়ে যাওয়ার প্রবণতা থাকায় তা টাঙ্গাইল-সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে নির্মিত হয়েছে। যাক সে কথা। আমাদের অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার কারণে নদীমাতৃক দেশটির বেশ কয়েকটি নদীতেই সেতু নির্মাণের প্রয়োজন থাকলেও তা সম্ভব হয়নি। তবু যমুনা সেতু নির্মাণের পর পদ্মা সেতু দিয়ে যানবাহন চলাচল এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।

এখন প্রায়োরিটি বিবেচনায় দ্বিতীয় যে বড় সেতুটি নির্মাণ করা দরকার- তা হল, আরিচা-নগরবাড়ি-গোয়ালন্দ সেতু; যে সেতুটির অনুমোদন বর্তমানে ফাইলবন্দি হয়ে আছে। হতে পারে অর্থ সংকুলানের অভাবেই সেতুটি নির্মাণে বিলম্ব হচ্ছে। কিন্তু এ বিষয়ে একটি ঘোষণা তো বর্তমান সরকার দিতেই পারে। বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে আজ এতদিন পর্যন্ত এ সেতুটির জন্য দেশের মানুষকে নিশ্চয়ই অপেক্ষা করতে হতো না।

দেশি-বিদেশি শত্রুদের ষড়যন্ত্রে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা না হলে দেশও আজ এতদিনে অনেক দূর এগিয়ে যেত, পৃথিবীর বুকে এতদিনে আমরা উন্নত দেশ, উন্নত জাতি হিসেবে মাথা তুলে দাঁড়াতাম; আরিচা-নগরবাড়ি সেতু নির্মাণ হয়ে আরও অনেক সেতু, অনেক স্থাপনা নির্মিত হতো। কিন্তু তারপরও আমরা বাঙালি জাতি, তারই কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছে যাচ্ছি, সে বিষয়েও কোনো সন্দেহ নেই। আমরা যে হারমানা জাতি নই, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করায় সে কথা আবারও প্রমাণিত হল। আমাদের যুদ্ধ যে থেমে নেই, তা-ও বারবার আমরা প্রমাণ করতে পেরেছি।

’৭১-এর স্বাধীনতা-সংগ্রামে জাতি যেমন সর্বশক্তি নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করে বিজয় ছিনিয়ে এনেছিল, তেমনি বর্তমানেও আমাদের জাতীয় জীবনে বারবার শত্রুর মোকাবেলা করে বিজয় অর্জন করতে হচ্ছে। তাই দেশ ও জাতির জন্য বিজয় অভিযান এক চলমান প্রক্রিয়া এবং বর্তমানে সে প্রক্রিয়ায় নেতৃত্ব দিয়ে চলেছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা।

পৃথিবীর ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে- বিশ্বের কোনো জাতীয় নেতারই চলার পথ কুসুমাস্তীর্ণ ছিল না; তেমনি বঙ্গবন্ধুকন্যার চলার পথও সহজ এবং সুগম নয়। বৈরী পরিবেশের মধ্যেই দেশ ও জাতির জন্য তিনি অক্লান্ত পরিশ্রম করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন। এ মুহূর্তে তার মধ্যে একজন বিশ্বনেতার তেজোদীপ্ত ভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে।

বিস্তৃত সমুদ্রসীমায় দেশের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা, আকাশে স্যাটেলাইট স্থাপনের মাধ্যমে মহাশূন্যে আমাদের অবস্থান জানান দেয়া, পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে পারমাণবিক শক্তির পথে পা দেয়া, পদ্মা সেতুর মতো মেগা প্রজেক্ট দেশীয় অর্থায়নে বাস্তবায়ন করা ইত্যাদি কাজের মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করেছেন, সঠিক নেতৃত্ব দিতে পারলে একটি দেশকে কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছে দেয়া সম্ভব।

আমাদের দেশকে নদীমাতৃক দেশ বলা হয়। বর্তমানে অনেক নদী শুকিয়ে গেলেও এ দেশে এখনও বেশকিছু বড় বড় সেতু নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা আছে। অর্থাৎ বড় বড় সেতু নির্মাণের ক্ষেত্রে আমাদের দেশ এখনও পিছিয়ে আছে। আর পিছিয়ে থাকার কারণ হল আর্থিক সংকট। ব্রিটিশ আমলে এ দেশে হার্ডিঞ্জ ব্রিজের মতো একটি উল্লেখযোগ্য লোহার (স্টিল) রেলসেতু নির্মিত হলেও সড়ক পরিবহনের ক্ষেত্রে ব্রিটিশ আমল বা পাকিস্তান আমলে বড় কোনো সেতুই নির্মিত হয়নি।

সেদিক থেকে স্বাধীনতা-উত্তর যমুনা নদীর ওপর বঙ্গবন্ধু সেতুই ছিল সবেধন নীলমণি। কারণ বঙ্গবন্ধু সেতু নির্মাণের আগে-পরে অন্য কোনো বড় সেতু নির্মাণই সম্ভব হয়নি। এ অবস্থায় পদ্মা সেতুর প্রয়োজনীয়তা ছিল অপরিসীম। তাই শেখ হাসিনার সরকার পদ্মা সেতু বাস্তবায়নে দৃঢ়তার পরিচয় দিয়ে দেশ ও জাতির প্রাণঢালা প্রশংসা কুড়িয়েছেন। কিন্তু পদ্মা সেতু দক্ষিণাঞ্চলের, বিশেষ করে বরিশাল বিভাগের মানুষের জন্য সবিশেষ উপকারে এলেও একই উদ্দেশ্যে দেশের অন্যান্য স্থানে আরও দু-একটি বড় সেতু (মেগা প্রকল্প) নির্মাণের প্রয়োজনীয়তাও অপরিহার্য।

আগেই বলা হয়েছে, যমুনা সেতু নির্মাণের প্রাক্কালে সেতুটি আরিচা-নগরবাড়িতে নির্মাণের কথা ছিল এবং এ জন্য সম্ভাব্যতা জরিপও হয়েছিল। আবার যমুনা নদীর ওপর দিয়ে বিদ্যুৎ টাওয়ার নির্মাণের সময়ও (ইস্ট-ওয়েস্ট কানেক্টর) কথা হয়েছিল, বিদ্যুৎ টাওয়ারের ফাউন্ডেশনগুলোর ডিজাইন পরিবর্তন করে একটু হেভি করলেই তা ব্যবহার করে একটি সেতুও নির্মাণ করা যাবে। অর্থাৎ খরচটা একটু বাড়িয়ে দিলে এক কাজে দুই ফল লাভ করা যাবে।

কিন্তু কী কারণে যেন সেটাও করা হয়নি। অনেকেই বলে থাকেন, পাবনা এবং সন্নিহিত এলাকার রাজনৈতিক নেতৃত্বের দুর্বলতার কারণে এবং এ এলাকায় কোনো প্রভাবশালী মন্ত্রী-মিনিস্টার না থাকার কারণে যমুনা সেতুটি যেমন আরিচা-নগরবাড়িতে হয়নি, তেমনি ইস্ট-ওয়েস্ট কানেক্টরের ডিজাইনও পরিবর্তন করে তা সেতু নির্মাণের উপযোগী করা হয়নি। অথচ দেশে সর্বপ্রথম বড় কোনো সড়ক সেতু নির্মিত হলে প্রথমেই তা আরিচা-নগরবাড়িতে হওয়া উচিত ছিল।

কারণ বাংলাদেশের নদীবন্দরের ইতিহাসের পাতাজুড়ে আরিচা-নগরবাড়ি-গোয়ালন্দ ঘাটের যে গুরুত্ব, সে দৃষ্টিকোণ থেকে এবং আরিচা থেকে খুলনা এবং পার্বতীপুর সমদূরবর্তী হওয়ায় প্রথমে সেতুটি আরিচা ঘাট দিয়ে নির্মাণ করাই ছিল যুক্তিসঙ্গত। কিন্তু রাজনীতি এবং রাজনৈতিক শক্তির মারপ্যাঁচের কারণেই সেদিন সেসব যুক্তি ধোপে টেকেনি।

অতঃপর পদ্মা নদীতে বড় একটি সেতু নির্মাণের সিদ্ধান্ত হলে দেশের দক্ষিণাঞ্চলকে রাজধানীর সঙ্গে সড়কপথে সংযুক্ত করতে যুক্তিসঙ্গতভাবেই তা মাওয়া পয়েন্টে নির্মিত হচ্ছে। আর পদ্মা সেতু এখন বাস্তবতার মুখ দেখেছে বলেই রাজধানীর পশ্চিমাঞ্চলের ৮-১০টি জেলার মানুষও আশাবাদী হয়ে উঠেছেন, আরিচা-নগরবাড়ি-গোয়ালন্দ সেতুটিও নির্মিত হবে এবং অচিরেই সেতুটি নির্মাণের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ঘোষণা দেয়া হবে। আর এ সেতুটি নির্মাণ করলে বাস্তব প্রয়োজনীয়তার পাশাপাশি ঐতিহাসিক গুরুত্বও রক্ষিত হবে।

এ ক্ষেত্রে আঞ্চলিক শ্রেণীস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠতে না পারা অনেক রাজনৈতিক নেতা পদ্মা সেতু নির্মাণের পর আরিচা-নগরবাড়ি-গোয়ালন্দ সেতু নির্মাণের প্রয়োজনে সায় দেবেন না জেনেও বলছি, ‘দেশের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় এবং গুরুত্বপূর্ণ যে বড় সড়ক সেতু নির্মাণ এখনও বাকি আছে তা হল- আরিচা-নগরবাড়ি-গোয়ালন্দ সেতু।’ কারণ এ সেতুটি নির্মাণ করতে না পারলে অচিরেই যমুনা সেতুটি (বঙ্গবন্ধু সেতু) ধ্বংস হয়ে যাবে।

যার কারণ এ লেখার শুরুতেই বর্ণনা করা হয়েছে। সুতরাং দেখা যাচ্ছে, আরিচা পয়েন্টে ওয়াই (ণ) শেপবিশিষ্ট পদ্মা-যমুনার সংযোগস্থলে সেতুটি নির্মাণে যতটা বিলম্ব করা হবে, সমস্যা ততটাই ঘনীভূত হবে। এ সেতুটি নির্মিত হলে যমুনা সেতুর ওপর দিয়ে রংপুর বিভাগের সব কটি জেলা এবং রাজশাহী বিভাগের শুধু সিরাজগঞ্জ, নওগাঁ ও বগুড়া জেলার যানবাহনই যমুনা সেতু ব্যবহার করবে বিধায় ঢাকা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত রাস্তার যানজট অর্ধেকে নেমে আসবে এবং সে ক্ষেত্রে যমুনা সেতু অধিকতর টেকসই হবে। যমুনা সেতুর ওপর দিয়ে তখন রংপুর, দিনাজপুর, পঞ্চগড় ইত্যাদি এলাকাসহ ভারতের দার্জিলিং পর্যন্ত যানবাহন চলাচল সহজতর হবে।

উপরোক্ত অবস্থার আলোকে সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের উচিত হবে, আরিচা-নগরবাড়ি-গোয়ালন্দ ওয়াইশেপ বিশিষ্ট সেতুটি নির্মাণের বিষয়টি যথেষ্ট গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে যত শিগগির সম্ভব তা বাস্তবায়ন করা। পরিশেষে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবার নেকদৃষ্টি কামনাসহ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে একান্ত আবেদন জানাই- দেশে আরও একটি বড় সড়ক সেতুর অপরিহার্যতার কথা বিবেচনা করে অবিলম্বে আরিচা-নগরবাড়ি (কাজিরহাট)-গোয়ালন্দ সেতু নির্মাণের সিদ্ধান্তের বিষয়ে ঘোষণা দেয়া হোক।

মুহাম্মদ ইসমাইল হোসেন : কবি, প্রাবন্ধিক, কলামিস্ট

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
×