সুপথে চলার প্রেরণা হতে পারেন বাবা-মা

  মো. আনছার আলী খান ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বাবা-মা
প্রতীকী ছবি

দীর্ঘদিনের অভ্যাস, তাই নিত্যদিনের মতো সকাল ৯টায় কাজে বেরিয়ে পড়ি সময়মতো অফিসে উপস্থিত হওয়ার তাগিদে। গাড়িচালক ক’দিন আগে বিদায় হয়ে যাওয়ায় অন্যের গাড়িতে লিফ্ট নিতে হবে। তাই তাড়াহুড়ো রয়েছে। দরজা খুলে স্ত্রী দাঁড়িয়ে। ভেতর থেকে তালা লাগানোর অজুহাতে বিদায় জানানো সারাদিনের জন্য।

লিফ্টের বাটনে চাপ দিতেই ঘনিষ্ঠ এক শুভাকাঙ্ক্ষীর মোবাইল থেকে রিং বেজে উঠল। কল রিসিভ করতেই ‘হ্যাপি বার্থ ডে’ শুনে হকচকিয়ে উঠলাম। পরক্ষণেই নিজেকে সামলে নিয়ে ধন্যবাদ জানালাম। কারণ তিনিই এবারের জন্মদিনের প্রথম শুভাশীষ জ্ঞাপনকারী। জন্মক্ষণ তো শুরু হয়েছে গত রাত ১২.০১ মিনিট থেকে।

অথচ দীর্ঘ নয় ঘণ্টা পার হয়ে যাওয়ার পর প্রথম শুভেচ্ছা। শুভেচ্ছা জ্ঞাপনকারী রক্তের সম্পর্কের কেউ না হলেও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অন্যতম। স্ত্রী, সন্তান, ভাই, বোন সবাই তো রয়েছে আমার। কিন্তু কেউ তখন পর্যন্ত এরূপ শুভেচ্ছা জানায়নি।

তাই বলে কি তারা কেউ আমার মঙ্গল কামনা করে না! নিশ্চয়ই তা নয়। আর নয় বলেই মন খারাপ করার প্রশ্ন ওঠে না। কারণ জন্মদিনের বিষয়টি নিজেরও স্মরণে থাকে না প্রায় সময়ই। সত্যি কথা বলতে কী, আপন কারও সঙ্গে আনুষ্ঠানিকতা করা কোনো কোনো ক্ষেত্রে লজ্জারও বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। তবে এসব ক্ষেত্রে কেউ সারপ্রাইজ দিলে মন্দও লাগে না।

সব ব্যক্তির ক্ষেত্রেই জন্মদিনটি একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। তবে চাকরিজীবীদের জন্য এ দিনটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। চাকরিতে প্রবেশ ও অবসরগ্রহণের ভিত্তি এ দিনটি। এ কারণে সব চাকরিজীবীর জন্মদিনটি গ্রহণযোগ্য একটি সনদ দ্বারা স্বীকৃত।

এছাড়াও বোর্ড পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সব শিক্ষিত ব্যক্তির জন্মদিনও তার শিক্ষাগত সনদ দ্বারা স্বীকৃত। সাম্প্রতিককালে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্রদত্ত জাতীয় পরিচয়পত্র এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ইস্যুকৃত জন্মসনদপত্র জন্ম তারিখের স্বীকৃত সনদ।

নানা রকম নাগরিক সুবিধা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে জন্ম তারিখের স্বীকৃত সনদের বাধ্যবাধকতা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাওয়ায় এর গুরুত্বও দিনে দিনে বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশ উন্নয়নের পথে অগ্রসর হওয়ার এটিও একটি গ্রহণযোগ্য মাপকাঠি।

উন্নত দেশের নাগরিকদের জন্ম তারিখ শতভাগ স্বীকৃত বলেই দেশগুলো উন্নত। তবে সেসব দেশের পরিসংখ্যানের বিশ্বাসযোগ্যতা আমাদের মতো নয়। এ কথা বলার কারণ, আমাদের দেশেও নাকি জন্মসনদ ইস্যুর সংখ্যা ইতিমধ্যে শতভাগ উত্তীর্ণ হয়েছে।

এ হিসাব নিয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের বক্তব্য মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ আমরা অনেকেই বলতে পারি ‘আমার জন্মসনদটি তাহলে কে গ্রহণ করেছে?’ জাতীয় পরিচয়পত্র গ্রহণকারীরা কেবলমাত্র ১৮ বছর বয়সোর্ধ্ব ভোটাধিকার প্রয়োগে এখতিয়ারসম্পন্ন নাগরিক।

তাই দেশের মোট কতভাগ মানুষের জন্মতারিখ সনদ দ্বারা স্বীকৃত, তার সঠিক পরিসংখ্যান নির্ণয় করা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় সঠিক বয়সের শ্রেণীভেদে মোট লোকসংখ্যা নির্ণয় খুবই জরুরি একটি বিষয়।

প্রসঙ্গটি ছিল আমার জন্মদিন নিয়ে। যেহেতু জন্মতারিখটি একটি মাত্র গ্রহণযোগ্য সনদ দ্বারা স্বীকৃত, সেহেতু সেটিই আমার প্রকৃত জন্মতারিখ বললে কারও জন্য তা চ্যালেঞ্জযোগ্য নয়। যদিও আমার জন্ম সন ও তারিখ নিয়ে বিভ্রান্তি করার মতো জনশ্রুত তথ্য-উপাত্ত রয়েছে, যা কোনো দলিল দ্বারা প্রমাণিত নয়।

সে কারণেই শিক্ষা বোর্ডে নাম রেজিস্ট্রি করার পর থেকেই আমার জন্মতারিখটি নির্দিষ্ট হয়ে যায়। এমন বিষয় যে কেবল আমার বেলায় ঘটেছে, তা সত্য নয় বলে খুব বেশি অস্বস্তি লাগে না।

এ কথা নিশ্চিত করেই বলা যায় আমার মতো পরিকল্পনাবিহীনভাবে গ্রামে জন্ম নেয়া আমার পূর্বসূরি, উত্তরসূরি বা সমসাময়িকদের অধিকাংশই আমার মতো মনোকষ্টে ভোগেন এই ভেবে যে, প্রকৃত জন্মদিনটি যদি কোনোভাবে উদ্ধার করা সম্ভব হতো! হতে পারে স্বীকৃত দিনটিই সেদিন ছিল। কিন্তু প্রমাণ কোথায়? কোনো সনদেরও প্রয়োজন ছিল না।

এ দিনটি মনে করে হর বছর কেক কাটার আনুষ্ঠানিকতারও প্রয়োজন ছিল না। এসব কিছুর পরিবর্তে মা যদি কপালে একটি চুমু দিয়ে প্রতি বছর মনে করিয়ে দিতেন ‘আজ তোর জন্মদিন রে খোকা’, তাহলেও তো বেড়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে জন্মদিনটি মনে গেঁথে থাকত। বাংলা কোন্ সনের, কোন্ মাসে কোন্ বারে, কোন্ ক্ষণে, কোন্ ঘরে

জন্মেছিলাম, কোন্ দাই কী দিয়ে নাড়ি কেটেছিল তার সবই শুনেছি মায়ের কাছে। শুধু দিনটির কথা মা কোনোদিন বলেননি। শুধু আমার কেন, নয় ভাইবোনের সবার জন্মতারিখ নিয়ে একই চিত্র। নানার ডায়েরিতে নাকি লেখা ছিল সবকিছু। তা সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা মনে করেননি কেউ।

মনে না করার কারণ প্রয়োজনবোধে স্কুল মাস্টারের নির্ধারিত জন্মতারিখ যেখানে উদ্দেশ্য সাধনে সক্ষম সেখানে কী প্রয়োজন গণ্ডায় গণ্ডায় জন্ম নেয়া সন্তানদের জন্মকুষ্ঠী লিপিবদ্ধ ও সংরক্ষণ করার! বাংলাদেশে জানুয়ারি মাসের ১ তারিখে অধিকসংখ্যক শিশুর জন্ম হয় বলে একটি বিদেশি চুটকি রয়েছে। ঘটনাটি যে সঠিক নয় তা আমরা ভালো করেই জানি।

বয়সের হিসাব সহজ করার জন্যই এরূপ ফর্মুলা প্রয়োগ করে থাকেন স্কুল শিক্ষকরা। এরূপ হিসাবে কোনো অভিভাবক কার্যকর কোনো প্রতিবাদ করেছেন কিনা তাও স্পষ্ট নয়। শিক্ষকদের নির্ধারিত মনগড়া জন্মতারিখের কারণে নিজ ভাই-বোনদের মধ্যেও বয়সের নানারকম তারতম্যের ঘটনা চোখে পড়ে।

এরূপ ঘটনার শিকার হয়ে দু’বছরের ছোট বোনকে বড় ভাইয়ের দু’বছর আগেই চাকরি থেকে অবসর নেয়ার ঘটনাও আমাদের সমাজে দেখা যায়। এসব ক্ষেত্রে বয়সের এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য নয় বলে শিক্ষকের ইচ্ছা বা অনিচ্ছাকৃত ভুলের প্রায়শ্চিত্ত জীবনভর বহন করতে হয় ভুক্তভোগীকে।

বয়স নিয়ে কেউ প্রতিবাদ না করার বিষয়টিও স্বতঃসিদ্ধ নয়। তা যদি কোনো নারীর বয়স হয় তাহলে তো কথাই নেই। পিতৃসদৃশ কাউকে চাচা বলে বা মাতৃসদৃশ কোনো নারীকে খালাম্মা সম্বোধনে হেনস্থা হওয়ার জনশ্রুত অনেক গল্প রয়েছে।

ঢাকা শহরের কোনো এক অভিজাত ক্লাবের সাঁতার প্রতিযোগিতায় বিশেষ করে নারী প্রতিযোগীদের বয়স নিয়ে হাস্যরসের অনেক গল্প শোনা যায়। প্রকৃত বয়সকে ঢেকে রাখার জন্য মানুষ এখন বেশ তৎপর। স্বাস্থ্য সচেতনতাও বয়সকে লুকিয়ে রাখতে সহায়ক।

বয়স ঢাকার জন্য টাক মাথায় পরচুলা, চুল গজানোসহ চুলে রঙের ব্যবহার বহুলাংশেই বৃদ্ধি পেয়েছে। চামড়ার ভাঁজ ও বলিরেখা দূর করা, অধিক মেদ অপসারণ, ফুলে ওঠা পেট কমিয়ে ফেলা, মুখের কালো দাগ অপসারণ ইত্যাদির জন্য সার্জারির ব্যবস্থা দেশেই সহজলভ্য। এদের জন্য ডাইটেশিয়ানের ব্যবসাও মোটামুটি রমরমা।

ষাটোর্ধ্ব বয়স শুরু হয়েছে বেশ আগেই। তারপরও ইয়ং লাগছে বলে কেউ মন্তব্য করলে পুলকিত ভাব মনে আসে। দেশে মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি পাওয়ায় ৬০-৬৫ বছর বয়সকে তেমন কোনো বয়স বলেই মনে হয় না।

তবে বয়সজনিত নানা রোগকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পরিবারের মাসিক খরচে চাল-ডালের চেয়ে ওষুধের খরচ ইতিমধ্যেই অনেক বেশি হয়ে যাচ্ছে। একইসঙ্গে বিদেশে নিয়মিত হেল্থ চেকআপ করানোর মতো সামর্থবানের সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে উত্তরোত্তর।

দিবস পালনের রীতি ইদানীংকালে বেশ লক্ষণীয়। মা দিবস, বাবা দিবস, বন্ধু দিবস, নারী দিবস, প্রবীণ দিবস, ভালোবাসা দিবস, এমনি বারো মাসে তেরো পার্বণ-এর মতো বহু দিবস পালিত হচ্ছে বেশ ঘটা করেই।

দিবস পালনের মধ্য দিয়ে বছরে অন্তত একটি দিন সবাই মিলে দিবসটির তাৎপর্য সম্পর্কে বিচার-বিশ্লেষণ ও গভীরভাবে অনুধাবন করার সুযোগ করে নেন। যদিও কেবল আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে দিবসগুলো পালন সীমাবদ্ধ রয়েছে, তবুও দিবসগুলো পালনের মাধ্যমে থিতিয়ে পড়া মানবিক অনুভূতিগুলো নাড়া দিয়ে ওঠে বই কী!

ওঠে বলেই তো বৃদ্ধ নিবাসে রেখে আসা বাবা-মায়ের খবর সারা বছর না নিলেও ওই নির্দিষ্ট দিনটিতে কোনো না কোনো সন্তান বা সবাই মিলে তাদের দেখতে যান, প্রিয় সন্তান ও উত্তরসূরিদের স্নেহের পরশ বুলিয়ে দেয়ার সুযোগ করে দেন। কোনো না কোনো ঘটনাকে কেন্দ্র করে এসব দিবস পালন শুরু হয়েছে কোনো এক সময় থেকে।

আজকে যিনি কারও সন্তান, তিনিই একসময় কারও বাবা অথবা মা। সন্তানের সম্ভাবনা দেখা দেয়ার সময় থেকেই সে সন্তানের প্রতি মা-বাবার দায়িত্ব অর্পিত হয়। মাতৃগর্ভে শিশুর সুস্থতা কামনা করেন তারা।

সুস্থ ও স্বাভাবিক শিশুর আগমন প্রত্যাশায় তাদের দিন কাটে গুনে গুনে। যা যা করার সামর্থ অনুযায়ী সবটাই করার জন্য সচেষ্ট থাকেন তারা। করণীয় সব কিছুর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ যে কাজটি তা হল, শিশুটির একটি ‘নাম’।

মায়ের মুখে শুনেছি আমার নামটি স্বপ্নে প্রাপ্ত। নামের কারণে কিনা জানি না তবে অন্যের জন্য কিছু একটা করতে পেরে আনন্দ পাওয়ার আবেগ শিশুকাল থেকেই আমাকে তাড়িত করে। সবসময় মনে করি মায়ের দেয়া নামের সম্মান রক্ষার্থে বিপরীতধর্মী কোনো কাজে নিজেকে জড়িয়ে ফেললে মায়ের বিদেহী আত্মা কষ্ট পাবেন।

তার জীবদ্দশায় অনেক কষ্টের কারণ হলেও সঙ্গে সঙ্গেই ক্ষমা চেয়ে নিয়েছি। তার বিদেহী আত্মার কষ্টের কারণ হলে ক্ষমা চাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। শুধু আমার মা কেন, প্রত্যেক মানবসন্তানই তো কোনো না কোনো মায়ের গর্ভে জন্ম নিয়েছেন।

সন্তানের প্রতি সব মায়ের অনুভূতি তো একই। এমন কোনো মায়ের সন্ধান মিলবে কি যিনি সন্তানের অমঙ্গল কামনা করেন? আর তাই তো সব ধর্মে ‘মা’কে সর্বোচ্চ আসনে স্থান দেয়া হয়েছে। কেবল মা দিবসে মাকে স্মরণ না করে মায়ের দেয়া নিজ নামের মর্মার্থ অনুযায়ী নিজের আচরণকে সংযত করতে সক্ষম হলেই মা খুশি হবেন।

সমাজের নিকৃষ্ট শ্রেণীর অপরাধীও কোনো না কোনো নামের মানুষ। সে নামটি তার মা-বাবার সঙ্গে স্মৃতিবিজড়িত। তার নামটি নিশ্চয়ই নেতিবাচক কোনো অর্থ বহন করে না। তারপরও সুন্দর নামের অনেক মানুষ অসুন্দর সব কাজ করে চলেছেন। আল আমিন নামের কেউ যদি অন্যের বিশ্বাসভঙের কাজ করে থাকেন তাহলে সেই আল আমিনের মা অথবা বাবার বিদেহী আত্মা কি কষ্ট পাবেন না?

তাই নিজের নামের অর্থটি আজকেই জেনে নিয়ে জন্মদিনের আড়ম্বর বা অনাড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে আমরা শপথ নেই ‘মা ও বাবার দেয়া নামের অমর্যাদা করা থেকে বিরত থাকব’। মা-বাবার সঙ্গে সন্তানের সম্পর্ক আবেগতাড়িত।

এ আবেগকে কাজে লাগাতে পারলে সমাজের ক্ষতিকারক কাজের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত মানুষগুলোকে সুপথে পরিচালিত করা সম্ভব। সমাজের প্রত্যেক মানুষ, যিনি তার মা-বাবার স্মৃতি স্মরণ করে অন্তত এক ফোঁটা চোখের জল ফেলেছেন, কেবল তাদের এই একটি শপথ সমাজের অবিশ্বাস্য মঙ্গল সাধন করবে বলে বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।

মো. আনছার আলী খান : অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব

[email protected]

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter